ফিরোজায় কিভাবে দিন কাটছে খালেদা জিয়ার

অনলাইন ডেস্ক

ফিরোজায় কিভাবে দিন কাটছে খালেদা জিয়ার

সরকারের দুই দফায় নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেয়ে প্রায় ১০ মাস ধরে গুলশান এভিনিউয়ে ভাড়া বাড়ি ‘ফিরোজা’য় নিঃসঙ্গ দিন কাটছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। এ সময়ে এক দিনের জন্যও তিনি ফিরোজা থেকে বাইরে বের হননি। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপসহ নানা কারণে নেতা-কর্মীদের দেখা-সাক্ষাৎ মানা। শুধু তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও পরিবারের লোকজনই নিয়মিত ফিরোজায় আসা-যাওয়া করছেন। নীরবে-নিভৃতে সময় কাটছে বেগম জিয়ার। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসসহ নানা কারণে এখনো করোনাভাইরাসের টিকা নেননি খালেদা জিয়া। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসার পাশাপাশি শারীরিকভাবে সুস্থবোধ করলে পরে সুবিধাজনক সময়ে তিনি টিকা নিতে পারেন। এক্ষেত্রে মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে ফাইজারের টিকা নিতে পারেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

দলীয় ও পারিবারিক সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা জেলবন্দী সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নতির দিকে। তাঁর খাওয়াতেও এখন কিছুটা রুচি বেড়েছে। তবে তাঁর আর্থাইটিস, ডায়াবেটিসসহ অন্যসব রোগ এখনো বিদ্যমান। ডায়াবেটিসও ওঠানামা করে। নিয়মিতই তিনি ডায়াবেটিসসহ উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সেবন করছেন। এখনো তাঁর চলাফেরায় কারও সাহায্য নিতে হয়। জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথাও আছে। বাসায় দুজন নার্স স্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে। তারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন এবং ফিজিওথেরাপি দিচ্ছেন। বাম চোখেও একটু সমস্যা রয়েছে তাঁর।

বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রতিনিধি দলের একাধিক সদস্য জানান, প্রতিদিনই একজন চিকিৎসক ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ পরীক্ষা করেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলও যান মাঝেমধ্যে। ওষুধ খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন তিনি। এখন নিয়মিত ডায়াবেটিসের মাত্রা ৮ থেকে ১৪-এর মধ্যে ওঠানামা করে। লন্ডন থেকে পুত্রবধূ, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান বেগম জিয়ার চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন।

এ নিয়ে কথা হয় বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সিনিয়র সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি গতকাল রাতে বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। ম্যাডামের স্থায়ী চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়া জরুরি। এখনো ডায়াবেটিস ওঠানামা করে। আগে জয়েন্টে জয়েন্টে যে ব্যথা ছিল সেগুলো এখনো আছে। এখনো তিনি আগের মতো হাঁটাচলা করতে পারেন না। কাউকে ধরে নিয়ে হাঁটাহাঁটি করতে হয়। ম্যাডামের চিকিৎসা সার্বিকভাবে তদারকি করছেন তার পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান। আমরাও সহযোগিতা করছি।’

জানা যায়, নিঃসঙ্গ খালেদা জিয়ার এখন অবসরের সঙ্গী পত্র-পত্রিকা আর বই পড়া। দীর্ঘ সময় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পত্রিকা পড়েন। মূলধারার সব পত্রিকাই তাঁর বাসভবনে বান্ডিল করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া বেসরকারি টেলিভিশনের খবরাখবরও দেখে সময় কাটান তিনি। এ ছাড়া লন্ডনে থাকা বড় ছেলে তারেক রহমান, তার দুই পুত্রবধূ ও নাতনিদের সঙ্গে ফোনে কথাবার্তা বলেও সময় কাটে। এ ছাড়া মাঝেমধ্যে বড় ভাই মরহুম সাইদ এস্কান্দারের পরিবার, ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারের পরিবার, সেজো বোন সেলিনা ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও বাসায় কথাবার্তা বলে সময় কাটে বেগম জিয়ার।

বিএনপি চেয়ারপারসনের সেজো বোন সেলিনা ইসলাম বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে খালেদা জিয়ার এখন উন্নত চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। বাসায় থেকেই যতটুটু সম্ভব চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শরীরের গিরায় গিরায় এখনো ব্যথা কমেনি। নিজে একা দাঁড়াতেও পারছেন না, হাঁটাচলাও করতে পারছেন না। কাউকে ধরে নিয়ে যেতে হয়। বিছানা থেকে বাথরুমে যেতেও কারও সাপোর্ট প্রয়োজন। খাবারে কোনো সমস্যা নেই। স্বাভাবিক খাবারই খাচ্ছেন। যখন যেটা তাঁর পছন্দ সেটাই রান্না করে দেওয়া হয়।’

আরও পড়ুন:


পরমাণু ইস্যু: নিষেধাজ্ঞা ও সমঝোতা একসঙ্গে অসম্ভব মার্কেলকে রুহানি

যে কারণে বনি ইসরাইলদের এতো মর্যাদা দান করেছিলেন আল্লাহ

ইয়েমেন সংকট সমাধানে ইরানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান আমেরিকার

ইদলিব সমঝোতা বাস্তবায়নের আহ্বান ইরান-রাশিয়া-তুরস্কের


বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গঠনতন্ত্র মোতাবেক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান তারেক রহমান। কিন্তু সরকারের নির্বাহী আদেশে কারাগার থেকে বেগম জিয়া বের হওয়ার পরও তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, সাময়িক মুক্তি পেলেও আইনগতভাবে খালেদা জিয়া রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন না। তাই দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দল পরিচালনা করছেন। বেগম জিয়ার ওপর থেকে আইনি জটিলতা কেটে গেলে তিনি আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন। দেশবাসী সেই আশা নিয়েই তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে।

বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, নানা বিধিনিষেধের কারণে বেগম জিয়া রাজনৈতিক কোনো কথাবার্তা বলছেন না। তারেক রহমানকেই দল পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। দলের স্থায়ী কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ নিয়ে তারেক রহমান দল পরিচালনা করছেন। এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগেও খালেদা জিয়াকে লন্ডনে পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে বলে জানা যায়। অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের জন্য সরকার ও পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে বেগম জিয়াকে লন্ডনে পাঠানোর প্রচেষ্টা চালানো হয়। কূটনৈতিক মহলও এ নিয়ে উদ্যোগী হয়। সরকার অনুমতি দিলে ব্রিটিশ হাইকমিশন বেগম জিয়ার চিকিৎসার জন্য ভিসা দেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি ভালো না হওয়ায় সেই উদ্যোগ থেমে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুনভাবে সরকারের কাছে আবেদন করা হবে বলে জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় কারাজীবন শুরু করেন খালেদা জিয়া। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও তাঁর সাজার রায় হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আরও ৩৪টি মামলা রয়েছে। গতকাল একটি মামলায় নড়াইলে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। ২৫ মাসেরও বেশি সময় কারাবন্দী থাকার পর বিদায়ী বছরের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়া করোনাকালে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ‘মানবিক বিবেচনায়’ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি পান। এরপর আরও এক দফায় তাঁর জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। জামিনে মুক্তির পর থেকে তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ রয়েছেন। সৌজন্য বাংলাদেশ প্রতিদিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: ড. কামাল

অনলাইন ডেস্ক

জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: ড. কামাল

গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এখন সামনে অগ্রসর হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের প্রতিবাদে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে দেশ এখন দুঃশাসন ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। 

আজ শনিবার (৬ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলেন লিখিত বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নিজেদের নির্বাচিত দাবি করে দেশ শাসন করছে অভিযোগ করে ড. কামাল বলেন, তাদের প্রতি জনগণের আস্থা-বিশ্বাস ও সমর্থন নেই। 

জনবিচ্ছিন্ন এ সরকার জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার অপকৌশল হিসেবে বিভিন্ন কালাকানুন জারি করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তারই অংশ বিশেষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোকাব্বির খান এমপি, দলপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আ হ ম শফিকুল্লাহ, গণফোরাম নেতা মোশতাক আহমেদ, জানে আলম, সুরাইয়া বেগম প্রমুখ।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘ভয়ঙ্কর একটি শক্তি’ ভিন্নমতের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

‘ভয়ঙ্কর একটি শক্তি’ ভিন্নমতের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, সরকারের পেছনে ‘ভয়ঙ্কর একটি শক্তি’ অবস্থান নিয়ে ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে।

শনিবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম ও উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরামের আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৫তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আলোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকের পত্রিকা খুললে দেখবেন, কাটুনিস্ট কিশোর জেল থেকে বেরিয়ে যে বিবৃতি দিয়েছে, সেই বিবৃতিতে বোঝা যায় যে, ভয়ংকর একটা শক্তি পেছনে থেকে এই সরকারের আড়ালে থেকে, সরকার স্ক্রিন তৈরি করেছে, সেই ক্রিনে থেকে যারাই এই সরকারের বিরোধিতা করছে, যারাই রাষ্ট্র প্রধানের বিরোধিতা করছে, যারাই সরকার প্রধানের বিরোধিতা করছে তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য অমানবিক নির্যাতন করছে।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন যে, মুশতাক আহমেদ শুধুমাত্র লেখার অপরাধে আর কিশোর শুধুমাত্র কার্টুন আঁকার অপরাধে নির্মম অত্যাচার করে ছয়মাস আটক করে রাখা হয়েছে। এরা তো দু’জন শুধু ছয়মাস তাদের কথা বলা যায়..। গতকালই একজন নারী এসেছিলেন আমার কাছে। তিনি একজন রিটায়ার্ড মেজর মোরসালীনের স্ত্রী। এক বছর ধরে এই মোরসালীন আটক আছে। তার কোনো খবর বাইরে দিতে চায় না। কারণ একটাই তিনি (মোরসালীন) লিখতেন, তার লেখার কারণে তাকে তুলে নিয়ে গেছে। আজকে পত্রিকাতে এসেছে, কত মানুষকে, শিশুকে সাত বছরের শিশু, কত বয়োঃজ্যেষ্ঠদের তুলে নিয়ে গেছে, জেলে নিয়ে গেছে; শুধুমাত্র সরকারের সমালোচনা করার অপরাধে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে স্বাধীনতার চেতনা সম্পূর্ণ ভুলণ্ঠিত, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রাষ্ট্রকে পুরোপুরিভাবে দলীয়করণ করেছে, এই রাষ্ট্রকে একটা দলীয়করণের রাষ্ট্র, একটা অকার্যকর রাষ্ট্র, একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশকে এরা একেবারে ভাগাড়ে পরিণত করেছে। বাংলাদেশের আত্মাকে ধবংস করে দিয়েছে, সোল অব বাংলাদেশ, গণতন্ত্র যেটা আমাদের আত্মা, সেই আত্মাকে ধবংস করে দিয়েছে। এরা শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতা, দাম্ভিকতা আর দুর্নীতির বৃত্ত তৈরি করার জন্য তারা গোটা জাতিকে তারা ধবংস করে দিচ্ছে।’

আরও পড়ুন:


দেশের তিন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান


ফখরুল প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা যারা একাত্তর সালে যুদ্ধ করেছিলাম, আমাদের এখন প্রতিনিয়ত রক্তক্ষরণ হয়। এজন্য কী আমরা দেশটাকে স্বাধীন করেছিলাম। যেন আমার সন্তান সে একটা সুস্থ পরিবেশে মানুষ হতে পারবে না, আমরা ভাই সে একটা সত্য কথা উচ্চারণ করতে পারবে না, আমার বোন সে নিরাপদে রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না, আমার মা সে তার সন্তানকে একটু ভালোভাবে দেখতে পর্যন্ত পারবে না, আমাদের যে নতুন শিশু আসছে সেই শিশু কোন জগতে বাস করবে। কোন জনপদে বাস করবে যেখানে শুধু হত্যা-হিংসা-ভয়াবহতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি শুধুমাত্র গণতন্ত্রের জন্য কারাবন্দি হয়ে আছেন, তাকে বের করে আনতে চাই, আমাদের নেতা তারেক রহমান যাকে সামনে রেখে আমরা পথ চলতে চাচ্ছি, তাকে যদি দেশে ফিরিয়ে আনতে চাই, আমাদের ৩৫ লাখ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করাতে চাই, প্রতিদিন আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে তাদের যদি জেল থেকে মুক্ত করতে চাই আমাদেরকে অবশ্যই তরুণদেরকে, যুবকদেরকেই সামনে আসতে হবে। সব সময় তরুণরা সব কিছু পাল্টিয়ে দিয়েছে, পরিবর্তন এনেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দিকে সবাই তাকিয়ে আছে। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট দানবকে পরাজিত করি। আমাদের বাংলাদেশকে তারা লুটে নিয়ে যাচ্ছে, হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে হলে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করে দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনি।’

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিএনপির ৭ মার্চের কর্মসূচি লোক দেখানো : কাদের

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির ৭ মার্চের কর্মসূচি লোক দেখানো : কাদের

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি লোক দেখানো বলে মন্তব্য করেছেন  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে নিষিদ্ধ করে এখন বিএনপি ৭ মার্চের কর্মসূচি পালন করছে যা ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিএনপির এই কর্মসূচি ইতিহাস বিকৃতির আস্ফালন, যা জাতিকে হতাশ করেছে  বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ৭ মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের এক যৌথসভায় ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

জনগণ থেকে সাড়া না পেয়ে বিএনপি এখন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে যাবার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।  


‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

শেবাগ-শচিনের জুটিই হারিয়ে দিল বাংলাদেশকে

মন্ত্রী ও বিধায়ককে বাদ দিয়ে প্রার্থী চূড়ান্তে মমতার চমক!

শনিবার ঢাকার যে এলাকায় যাবেন না


বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সাথে সঙ্গতি রেখে ২৬ শে মার্চের কর্মসূচি নেয়া হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

২৬ শে মার্চ ২০২১ থেকে পরবর্তী ২৬ শে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, মুজিববর্ষে গৃহহীনদের ঘর উপহার দেয়া হবে।

২৬ শে মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসবেন বলেও জানান তিনি।

যৌথসভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপুমনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, বিএম মোজাম্মেল হক, আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও সায়েম খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইস্যুতে প্রতিবাদ থেমে নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিক্ষোভ মিছিল করে এ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি। একই বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেউ যাতে এ আইনের অপপ্রয়োগ করতে না পারে সে বিষয়ে সরকার সতর্ক। আর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলছেন, এই আইনে কোন সংশোধন বা পরিবর্তন আসবে কিনা তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরো কিছুদিন। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে আটক লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর পরই জোরালো হয় আইন বাতিলের দাবি। এরই মধ্যে বাতিলের পক্ষে রাজপথে নেমেছে বিভিন্ন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।

শুক্রবারও রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি। পরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানায় তারা।


ফেঁসে যাচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা!

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু- শনাক্তের সর্বশেষ তথ্য

মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা


এ আইনে কোন পরিবর্তন হবে কিনা সে বিষয়ে আরো কিছুদিন ধৈর্য ধরতে বলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন।

নিজ বাসভবনে এক ভার্চুয়ালি ব্রিফিংয়ে একই বিষয়ে কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও। জানান, আইনের অপব্যবহার রোধে সরকার সতর্ক। 

বিএনপি আরেকটি ১৫ই আগস্ট ঘটানোর ষড়যন্ত্র লিপ্ত বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জিয়া তার জায়গায় আছেন, থাকবেন: গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

জিয়া তার জায়গায় আছেন, থাকবেন: গয়েশ্বর

জিয়াউর রহমান তার জায়গায় আছেন এবং থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কী বলল বা বলবে, তাতে কিছু যায় আসে না। কেননা তিনি তার জায়গায় আছেন, থাকবেন।  যত দিন দেশ থাকবে।

আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

‘গণতন্ত্র, গণমাধ্যম, গণকণ্ঠ অবরুদ্ধ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে?’ শীর্ষক এক আলোচনা সভাটি ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রাম পরিষদ’ আয়োজন করে।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো ভাষণে আসেনি, স্বাধীনতা এসেছে যুদ্ধে। এই যুদ্ধের আহ্বান করেছেন জিয়াউর রহমান। আজ তাঁরই খেতাব কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা বিভিন্ন সময় আমাদের সংবেদনশীল জায়গায় আঘাত করবে। এতে আমাদের ব্যস্ত হওয়া যাবে না। আমরা ব্যস্ত হলে, তারা আরামে দিন কাটাবে। গত ১২-১৩ বছরে এই জিনিস দেখা গিয়েছে। তারা বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে। আর আমরা তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।


আমি সত্যের পক্ষে থাকব, সত্যেও কথা বলব: এমপি একরাম

তৃতীয় লিঙ্গের অধিকার রক্ষা; সাহসী উদ্যোগ বৈশাখী টিভির

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গে ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ: হানিফ

যে কারণে বুড়ো সাজলেন রনবীর


তিনি বলেন, আমরা রাজপথে নামি আর না নামি, সরকার থাকবে না। কিন্তু আমরা জনগণের আবহাওয়াটা পাব কি না, সে কথাটা ভেবেই আমাদের আগামী দিনে পথ চলতে হবে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর