করোনার ধাক্কা সামলে চিরচেনা রুপে ফিরছে শাহজালাল বিমানবন্দর

লাকমিনা জেসমিন সোমা

করোনার ধাক্কা সামলে চিরচেনা রুপে ফিরছে শাহজালাল বিমানবন্দর

করোনাকালে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় এক বছরে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তবে সেই ধাক্কা সামলে ফের চিরচেনা  রুপে ফিরছে বিমানবন্দরটি। বর্তমানে প্রতিদিন এই বিমানবন্দরে প্রায় অর্ধশত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এবং একশোটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠানামা করছে। যদিও স্বাস্থ্যবিধি মানায় অনীহা স্পষ্ট। 

এয়ারপোর্টে যেন তিল ধারনের জায়গা নেই। ঢাকা থেকে সৌদি, কাতার, দুবাইসহ বিভিন্ন গন্তব্যে ফিরছেন এইসব যাত্রীরা। বেশিরভাগ-ই অভিবাসী কর্মী। ফ্লাইট চালু হওয়ায় খুশি, তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে যত অনীহা তাদের।

ঢাকা এয়ারপোর্টের এই দৃশ্য চার মাস আগের। যখন এয়ারপোর্ট জুড়ে ছিলো সুনশান নিরবতা। করোনার ছোবলে তিন মাস ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অন্তত ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে সরকার।


পরমাণু ইস্যু: নিষেধাজ্ঞা ও সমঝোতা একসঙ্গে অসম্ভব মার্কেলকে রুহানি

যে কারণে বনি ইসরাইলদের এতো মর্যাদা দান করেছিলেন আল্লাহ

ইয়েমেন সংকট সমাধানে ইরানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান আমেরিকার

ইদলিব সমঝোতা বাস্তবায়নের আহ্বান ইরান-রাশিয়া-তুরস্কের


শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০১৯ সালে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর- এক বছরে এরোনটিক্যাল-নন অ্যারোনটিকাল চার্জ বাবদ বিমানবন্দরের আয় হয়েছিলো ১ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। আর ২০২০ সালের একই সময়ে আয় হয়েছে তার অর্ধেকেরও কম- ৫০০ কোটি টাকা।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা এয়ারপোর্টে বর্তমানে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক রুটে প্রায় ৫০ টি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ওঠানামা করছে। স্বাভাবিক সময়ে এই সংখ্যা থাকে একশোটির মতো। আর অভ্যন্তরীণ রুটে করোনার ধাক্কা সামলে স্বাভাবিক সময়ের মতোই পুরাদমে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীর বাউনিয়া সড়কের বেহাল দশা

তালুকদরি বিপ্লব

রাজধানীর বাউনিয়া সড়কের বেহাল দশা

সড়কটি হতে পারে রাজধানীর উত্তরা থেকে মিরপুরের যোগাযোগের অন্যতম সহজ মাধ্যম। কিন্তু পরিকল্পনার অভাবে তাই এখন পড়ে আছে চরম অবহেলায়। ঢাকার ভেতরে বাইরে যখন তৈরি হচ্ছে নিত্য নতুন রাস্তা তখন শুধু-ই ভোগান্তির অপর নাম উত্তর সিটির ৫২ নাম্বার ওয়ার্ড এর বাউনিয়া রোড। 

রাজধানীর ঢাকার বাউনিয়া। দেশের প্রধান বিমানবন্দরের রানওয়ের এক প্রান্তে এলাকাটির অবস্থান। শুধু তাই নয়, এই সড়কই উত্তরা মডেল টাউনকে যুক্ত করেছে অন্যতম প্রধান শহর মিরপুরকেও। এলাকাটি এখন সিটির সম্প্রসারিত ৫২ নাম্বার ওয়ার্ড, যার বেশিরভাগ রাস্তারই চিত্র এমন। 


‘পরমাণু সমঝোতার একমাত্র পথ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার’

এইচ টি ইমামের জানাজা ও দাফনের সময়

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর শোক

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক


বিশেষ করে বাউনিয়া, বটতলা,পশ্চিম পাড়া ও পাবনারটেকের রাস্তাগুলো সংস্কারের অভাবে জায়গায় জায়গায় তৈরি হয়েছে ছোটবড় গর্ত। আর তাতে হরহামেশাই ঘটছে দূর্ঘটনা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাস্তায় কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থাও নেই। ফলে বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জমে হাঁটু পানি। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশায় এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাও মন্দা। ভাড়াটিয়া না পাওয়ায় বিলাসবহুল বাড়িগুলো পড়ে আছে ফাঁকা।

এদিকে অগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই রাস্তা উন্নয়ন ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু করবেন বলে জানায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। তবে আর প্রতিশ্রুতি নয় এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সামাধান চান ভুক্তভোগীরা।
news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অমর একুশে বইমেলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

সুকন্যা আমীর

অমর একুশে বইমেলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

করোনা মহামারিতে থমকে থাকা সবকিছুই আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আর এমন সময়ে একুশে বইমেলা হবে জাতীয়ভাবে কোন বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন। এজন্য বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলা একাডেমিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। হে স্বাধীনতা শিরোনামে, এবারের মেলাকে উৎসর্গ করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। 

হাতে আছে দিন পনেরো। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে এই নির্মাণ কাজ জানান দিচ্ছে অমর একুশে বইমেলার আগমনী বার্তা।


বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের গুরুত্ব, উচ্চারণ ও অনুবাদ

নামাজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ১৪টি কাজ

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

এইচ টি ইমাম আর নেই


প্রাথামিকভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে স্টল ও প্যাভিলিয়নের কাঠামো। এরপর লটারির মাধ্যমে তা হস্তান্তর করা হবে প্রকাশক ও সংশ্লিষ্টদের। ১৬ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে সকল স্টল নির্মাণের কাজ।

গতবারের তুলনায় এবারে বাড়ছে বইমেলার পরিসর। থাকবে প্যাভিলিয়ন, স্টল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, লেখক বলছি মঞ্চ, সিসিমপুর, আশ্রয়কেন্দ্র ইত্যাদি।

চলতি বছর বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ পূর্তি এবং স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী। এজন্যই ‘হে স্বাধীনতা’ শিরোনামে এবারের বইমেলাকে উৎসর্গ করা হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

১৮ই মার্চ, ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেলা চলবে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে ভেজাল ওষুধ

ফখরুল ইসলাম

ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে ভেজাল ওষুধ

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পেতে আপনি যে সেকলো নামের ওষুধ খান, তা কি আসল ব্র্যান্ডের? কিংবা একই রোগের এন্টাসিড সিরাপ ভেজাল নয় তো? বাজারে এমন চাহিদা সম্পন্ন বেশ কিছু ওষুধ নকল করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিশেষ চক্র। আছে ইউনানী ওষুধের লাইসেন্স নিয়ে এ্যালোপ্যাথি ওষুধ বানানোর হিড়িকও।

মেশাচ্ছে রং ও ঘণচিনি। এসব ওষুধই ছড়াচ্ছে অলিগলি কিংবা প্রত্যান্ত অঞ্চলের ফার্মেসীগুলোয়। যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে ভোক্তাদের।

ওষুধ জীবনরক্ষা করে। মানুষকে মুক্তি দেয় অসুস্থ্যতা থেকে। রোগ সংক্রমণের ব্যাপকতায় বেশ কিছু ওষুধের চাহিদাও বাজারে বেশ। গ্যাস্ট্রিক, প্রেসার ডায়াবেটিস, কিডনী রোগের ওষুধ অন্যতম।

অতি মুনাফার লোভে এইসব ওষুধই নকল করছে জালিয়াত চক্র। নিউজ টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধান চলে সাভারের একটি কারখানায়। বাজারের চাহিদাবহুল ওমিপ্রাজল গ্রুপের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধটি গোপনে মোড়ক নকল করে বানাচ্ছে কারখানাটি।


বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের গুরুত্ব, উচ্চারণ ও অনুবাদ

নামাজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ১৪টি কাজ

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

এইচ টি ইমাম আর নেই


যেটি আবার একটি চক্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে সারাদেশের ফার্মেসীগুলোতে। শুধু সাভারেই নয় দেশে ওষুধের সবচেয়ে বড় বাজার মিটফোর্ডেও অসাধুচক্র অতিলোভে জীবনরক্ষাকারী ওষুধটি ভেজাল করতে ছাড়েনি। এখানেও ওমিপ্রাজল গ্রুপের এই সেকলো নকল করছে জালিয়াতচক্র। ওষুধটির হালকা প্রিন্টের মোড়ক দেখেই বুঝা যায় নকলের চিহ্ন। শুধু সেকলো নয় নকল করছে এমন আরো বহু ব্র্যান্ডের ওষুধ।

শুধু নকল নয় সাভারের এই ইউনানী লাইসেন্সধারী কোম্পানীটি ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে এ্যলোপ্যাথি ওষুধ। ক্যাপসুল বানাতেও বেশ দক্ষ কোম্পানীটি। পাশের আরেক ইউনানী কোম্পানীতো এন্টাসিড সিরাপসহ বানাচ্ছে নানা রকমের ওষুধ।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিভিন্ন সময়ে অভিযানে ভেজাল ওষুধ সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্যকে আটক করে। যৌথ অভিযান চালায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরও। ওষুধ প্রশাসনের পরিসংখ্যান বলছে গত একবছরে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতের দায়ে জেল দিয়েছে ৫৭ জনকে।

ভেজাল ওষুধে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভোক্তারা। তাই ভেজাল ওষুধ ও বাড়তি দামের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানের দাবি তাদের।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সরকারের কঠোর নীতির কারণে কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের কঠোর অবস্থান এবং লাগাতার ​জঙ্গিবিরোধী নজরদারির কারণে কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরা। সম্প্রতি কানাডা সরকারের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর তালিকায় ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। 

বলা হচ্ছে, এই গোষ্ঠীটি আইএস-এর বাংলাদেশি শাখা সংগঠন। তবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশে এই নামে কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নেই। জঙ্গিবাদে সম্পৃক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হটলাইন ইমেইল আইডি আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়েই অবলীলায় হেসে চলেছে ব্লগার লেখক অভিজিৎ রায়  হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত জঙ্গিরা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এসব হাসির পেছনে লুকিয়ে আছে নীরবতা। তার আড়ালে জঙ্গিদের নতুন করে সংগঠিত হওয়ার তৎপরতা।

জঙ্গিবাদ দমনের জন্য যাদের জন্ম ২০০৪ সালে সেই র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব) এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার কি বলছে এই সম্পর্কে ?

জঙ্গিরা তাদের নতুন কৌশল অবলম্বন করে, আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের কৌশল পরিবর্তন করে নতুন কৌশলে তাদের ধরার চেষ্টা করে।


পুলিশ হেফাজতে আইনজীবীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

ভাসানচরে যাচ্ছে দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা

‘অসম প্রেমে’ পড়েছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ

ব্যানারে নেই বেগম জিয়া, এনিয়ে বিস্তর আলোচনা


এরই মাঝে কানাডা সরকারের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠির তালিকায় ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, এই গোষ্ঠিটি আইএস-এর বাংলাদেশি শাখার সংগঠন। তাহলে কি ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশ নামের কোন জঙ্গি সংগঠন।

এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো জঙ্গিদের সঠিক প্রক্রিয়ায় জঙ্গিবাদ থেকে ফিরিয়ে আনতে কাজ করেছেন তারা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মহামারীর প্রাদুর্ভাবে পর্যটক শূন্য প্যারিস

ফয়সাল আহাম্মেদ দ্বীপ, ফ্রান্স থেকে

করোনা ভাইরাস, এক বছর ধরে জনজীবনে স্থবিরতা তৈরি করে রেখেছে। ঘরবন্দি হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।  

বিশেষ করে প্যারিস পর্যটন নির্ভর হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণটাও বেশি। পর্যটকদের তীর্থস্থান হিসেবে বিশ্ব নন্দিত প্যারিস শহর এখন অনেকটাই ভুতুড়ে নগরী। নেই আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য আর পথ-ঘাটের ভিড়। যুক্তরাজ্যের নতুন করোনাভাইরাসের ভেরিয়েন্ট শনাক্তের পর দ্বিতীয় দফা দীর্ঘ লকডাউনে পড়েছে ফ্রান্স।
উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় সারাক্ষণ ফরাসিরা। চাকরি হারিয়েছেন অনেকেই। ব্যবসায় নেমেছে ধস। তবে আর ছয় সপ্তাহ পরই স্বস্তির আশ্বাস দিয়েছে ম্যাক্রো সরকার।


হুইল চেয়ারে বসেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রায় জাফরুল্লাহ

পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি তৃণমূল নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছে: কাদের

দেশের থানাগুলোতে ২৬ হাজার ৬৯৫টি ধর্ষণ মামলা চলমান

পুলিশ হেফাজতে আইনজীবীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ


বলা হচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে ফ্রান্সের অর্থনীতি। দেশটির রাজস্ব আয়ের বড় অংশই আসে পযটন খাত থেকে। মহামারীর প্রাদুর্ভাবে পযটক শূন্য প্যারিস, গেলো এক বছর ধরে এই শিল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ক্ষতির কবলে।

করোনা মোকাবেলা করে প্যারিস আবারো তার আপন মহিমা ফিরে পাবে, ফিরে আসবে আগের সেই কর্ম চাঞ্চল্য, এমনটাই প্রত্যাশা ফরাসিদের।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর