নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে তরুণীর দুই বিয়ে ভাঙ্গলেন ভণ্ড প্রেমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে তরুণীর দুই বিয়ে ভাঙ্গলেন ভণ্ড প্রেমিক

অনলাইনে পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রেমের এক পর্যায়ে বিয়ের আশ্বাসে অনলাইনে একটি মে‌য়ে‌র কিছু অপ্রী‌তিকর ছ‌বি ও ভি‌ডিও ধারণ ক‌রে  প্রেমিক আকাশ। পরে মেয়েটির নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতিনিয়ত ব্ল্যাকমেইল করতেন ওই তরুণ। এমনকি মেয়েটির ছবি ছড়িয়ে দিয়ে  তার দুই বিয়েও ভাঙ্গেন প্রেমিক আকাশ। 

এই বিষয়ে মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ জানালে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলা‌দেশ পু‌লিশের মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স অফিসার মো. সো‌হেল রানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ থে‌কে এক ব্যক্তি বাংলা‌দেশ পু‌লি‌শের মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স উইং পরিচা‌লিত ফেসবুক পেই‌জে এক‌টি ম্যাসেজ পাঠান। তি‌নি ব‌লেন, তার প‌রি‌চিত ও প্রতি‌বে‌শি এক মাদ্রাসা ছাত্রী‌ রিফাত শেখ ওর‌ফে আক‌াশ না‌মে এক তরুণের সাথে অনলাইন সম্প‌র্কে জ‌ড়ি‌য়ে পড়ে এবং তার দ্বারা প্রতারণার শিকার হচ্ছে। ‌

মে‌য়ে‌টির সা‌থে প্রে‌মের অভিনয় ক‌রে ও তা‌কে বি‌য়ের আশ্বাস দি‌য়ে অনলাইনে মে‌য়ে‌টির কিছু অপ্রী‌তিকর ছ‌বি ও ভি‌ডিও ধারণ ক‌রে আকাশ। পরবর্তী‌তে এ‌ ছ‌বি ও ভি‌ডিও ব্যবহার ক‌রে নানাভা‌বে মে‌য়ে‌টি‌কে ব্ল্যাক‌মেইল কর‌তে থা‌কে আকাশ। হা‌তি‌য়ে নি‌তে থা‌কে টাকা পয়সা ও গহনা। 


বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় প্রাণ গেল যুবকের

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

সুশান্তের দেখানো পথে তারই সহ-অভিনেতার আত্মহনন!


 

শুরু‌তে মে‌য়ে‌টি তার প‌রিবার‌কে কিছু জানা‌তে পা‌রে‌নি। পরে মেয়েটি প‌রিবার‌কে বিষয়‌টি জানা‌নোর পর প‌রিবা‌রের পক্ষ থে‌কে  তার সম্ম‌তিক্রমে ত‌ড়িঘ‌ড়ি করে বি‌য়ে দেওয়া হয়। পরে মে‌য়ে‌টির স্বামী ও স্বামীর আত্মীয় স্বজ‌নের কা‌ছে মে‌য়ে‌টির নগ্ন ছ‌বি ও ভি‌ডিও পা‌ঠি‌য়ে বি‌য়ে‌টি ভে‌ঙ্গে দেয় আকাশ।

এর কিছুদিন পর পরিবা‌রের উদ্যেগে মে‌য়ে‌টি‌কে পুনরায় বি‌য়ে দেয়া হয়। আক‌াশ একইভা‌বে দ্বিতীয় বি‌য়ে‌টিও ভে‌ঙ্গে দেয়। সর্ব‌শেষ আর কো‌নো উপায় না পেয়ে প্রতিবে‌শী এক ব্যক্তির সা‌থে পরামর্শ ক‌রে মে‌য়ে‌টি ও তার প‌রিবার। ওই ব্যক্তি সব কথা শু‌নে নি‌জেই বাংলা‌দেশ পু‌লি‌শের ফেসবুক ‌পেই‌জের ইনব‌ক্সে এক‌টি বার্তা পাঠায় মে‌য়ে‌টির জন্য। 

বার্তায় মেয়েটিকে সাহায্য করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে পরামর্শ ও সহ‌যো‌গিতা চান তিনি। উল্লেখ্য, যুব‌কের সুষ্পষ্ট কো‌নো ঠিকানা বা বিস্তা‌রিত প‌রিচয় জানা ছিল না মে‌য়ে‌টির। তিনি শুধু জান‌তেন ছে‌লে‌টির বা‌ড়ি বগুড়া।

বার্তা‌টি পাওয়ার সা‌থে সা‌থেই ‌মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স মে‌য়ে‌টির সা‌থে যোগা‌যোগ ক‌রে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ ও তথ্য সংগ্রহ ক‌রে, এ বিষ‌য়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসিকে অবগত ক‌রে এবং উক্ত যুবক‌কে শনাক্ত ক‌রে গ্রেফতার কর‌তে পু‌লিশ সুপার বগুড়া‌ ‌মো. আলী আশরাফ ভূঞাকে অনু‌রোধ করে। 

বগুড়া পু‌লিশ সুপ‌ার তাৎক্ষ‌ণিকভা‌বে ডি‌বি পু‌লি‌শের এক‌টি বি‌শেষ টিম গঠন ক‌রেন। এই টিম তথ্য প্রযু‌ক্তি ব্যবহা‌রের মাধ্যমে সম্ভাব্য নানাস্থা‌নে রেইড দেয়। অব‌শে‌ষে বুধবার (১৭ ফেব্রুয়া‌রি) ভোর রা‌তে আকাশ‌কে বগুড়া থানাধীন কলোনী চক ফরিদ মহল্লার এক‌টি বা‌ড়ি থে‌কে গ্রেফতার  করা হয়।

গ্রেফতা‌রের পর জিজ্ঞাসাবা‌দে জ‌ানা যায়, উক্ত আকাশ দীর্ঘ‌দিন ধ‌রে ফেসবু‌কে বি‌ভিন্ন মে‌য়ে‌কে ফ্রেন্ড রি‌কো‌য়েস্ট পা‌ঠি‌য়ে বন্ধুত্ব কর‌তো। প‌রে তা‌দের সা‌থে প্রে‌মের অজুহা‌তে অন্তরঙ্গ হ‌য়ে সেইসব মুহু‌র্তের ছ‌বি ও ভি‌ডিও ধারণ ও তা ব্যবহার ক‌রে ব্ল্যাক‌মেইল ক‌রে আস‌ছিল।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. ম‌নিরুল ইসলাম বাদীর উপ‌স্থি‌তি‌তে দ্রুততম সম‌য়ে প‌র্ণোগ্রা‌ফি আই‌নসহ সং‌শ্লিষ্ট অন্যান্য আই‌নে মামলা রুজু করেন। প‌রে, জেল হাজ‌তে প্রের‌নের উদ্দেশ্যে এক‌টি বি‌শেষ টিম পা‌ঠি‌য়ে আসামি‌কে বগুড়া থে‌কে গোপালগঞ্জে নি‌য়ে আসা হয়।

উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধর‌নের যেকো‌নো প্রতারণার বিরু‌দ্ধে ক‌ঠোর হুঁশিয়া‌রি উচ্চারণ কর‌ছে পু‌লিশ হেড‌কোয়ার্টার্স।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তিন ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরলে স্কুলছাত্রী বুঝতে পারে তার সর্বনাশ হয়ে গেছে

অনলাইন ডেস্ক

তিন ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরলে স্কুলছাত্রী বুঝতে পারে তার সর্বনাশ হয়ে গেছে

ধর্ষণে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল ওহিদুল আলম শাওনের বিরুদ্ধে ফেনী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন এক স্কুলছাত্রী। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ধর্ষণের কারণে গর্ভবতী হয়ে পড়া ওই স্কুলছাত্রী কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায়। অভিযুক্ত কনস্টেবল ওহিদুল আলম শাওন ফুলগাজী উপজেলায় তার নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। ওহিদুল আলম শাওন বর্তমানে রাঙামাটিতে একটি ফাঁড়িতে কর্মরত আছেন।

এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ফুলগাজী থানায় মামলা দায়ের করে। মামলায় পুলিশ কনস্টেবল শাওনসহ অন্য আসামিরা হলেন তার বাবা আমিনুল ইসলাম, মা শানু অপরজন ফিরোজ আহম্মদ বাবু।


অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী


আদালত সূত্র আরও জানায়, বাদীর অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় কনস্টেবলসহ বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোর্ট পরিদর্শক গোলাম জিলানী।

এ বিষয়ে ফুলগাজী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান বলেন, ‘যেহেতু আদালত নির্দেশ দিয়েছে সেভাবেই আমরা খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

মামলার নথি সূত্রে জানায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে শাওন এক বছর আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। পরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী। বারবার শাওনকে বিয়ে করার চাপ দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি। পারিবারিকভাবে চেষ্টা করেও ফল পাওয়া যায়নি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ওই ছাত্রী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। গতকাল এ বিষয়ে ফুলগাজী থানায় মামলা হলে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলামকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মামলায় বলা হয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে সখ্যতা এবং একদিন ঘুরে বেড়ানোর কথা বলে ফেনী শহরের কোনো একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় তাকে ওই স্কুলছাত্রীকে। এদিন ফলের জুসের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরলে ভুক্তভোগী যখন বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করে তখন তার অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

এভাবে একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে। বিষয়টি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে জানালে সে নানা কৌশলে এড়িয়ে যেতে থাকে। মামলার এজাহার এবং গতকাল বিকেলে হাকিমের সামনে এমন জবানবন্দি দেন ওই ছাত্রী।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী

কিছুদিন ধরে স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন স্ত্রী। এ নিয়ে সংসারে কলহ চলছিল। গত বুধবার রাতে খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন স্বামী। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীর পুরুষাঙ্গ, মাথা ও বাম চোখে কোপ দেন স্ত্রী। এমন ঘটনা ঘটেছে লালমনিরহাট সদর উপজেলায়। স্বামীর নাম রাসেল।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


রাসেলে পরিবার জানায়, রাসেলের চিৎকারে পরিবারের লোকজন এসে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘আহতের পরিবারের অভিযোগে পরিপ্রেক্ষিতে তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পুরুষাঙ্গসহ মাথায় ও বাম চোখে পর্যাপ্ত জখম হয়েছে।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অস্ত্রের মুখে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর ভাইরালের ভয় দেখিয়ে দফায় দফায় সংঘবদ্ধদল ধর্ষণ এবং অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। বেগমগঞ্জে উপজেলার আলাইয়ারপুরে হীরাপুর গ্রামের ওই ছাত্রী প্রায় দুই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় নোয়াখালী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একই এলাকার রাসেল (২৫), জোবায়ের (২৪), সাইফুল ইসলাম ইমন (২২) এবং ফয়সাল নামের ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর মা।

বৃহস্পতিবার রাতে বেগমগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে গ্রেপ্তার করেছে।ওই ছাত্রীর মা সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সাল থেকে একই এলাকার ইমন, রাসেল আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে।

বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতেই ইমন ও ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে ভিকটিম তাদের বারণ করলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বলে- ‘আমাদের কথায় রাজি না হলে তোর মাকে মেরে ফেলবো’।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


তিনি বলেন, ‘এরপর একদিন রাসেল ও ইমন আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে কৌশলে কোমলপানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমাকে অচেতন করে অস্ত্রের মুখে মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে এক দোকানিকে ডেকে এনে জোর করে মেয়ের সঙ্গে দাঁড় করিয়ে উভয়কে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে তারা।

‌ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘পরে ওই ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় এবং একাধিকবার তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বাধ্য হয়ে মেয়েকে বিয়ে দিয়েও রেহাই পাইনি। বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে  তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘর থেকে ৫০ হাজার টাকা, ১ ভরি স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায়। এরপর থেকেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা নিতে থাকে।’

তিনি বলেন, দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খোলেননি। এবার থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাননি। বর্তমানে তারা অসহায় হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাহায্যে পুনরায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

ছাত্রী মা বলেন, ‘বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে তুলে নিয়ে যায়। উঠিয়ে নেওয়ার তিন মাস পরে রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিরপুরের একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে আনি। এ ঘটনার ১৫ দিন পর রাসেল পুনরায় মেয়েকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। ১০ দিন পর আবারও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মেয়ে নিয়ে আসি।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ গত ২৪ ডিসেম্বর রাসেল আবার আমার মেয়েকে নিয়ে যায়। এখনো সে কোথায় আছে, কীভাবে আছে জানি না। গত সপ্তাহে রাসেল প্রস্তাব দিয়েছে এবার ১ লাখ টাকা দিতে। টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘মেয়ের সন্ধান চাইলে ইমন আমাকে তার সঙ্গে এক রাত কাটানোর প্রস্তাব দেয়। সে বলে তার সঙ্গে রাত কাটালে আমাকে মেয়ের সন্ধান দেবে।’

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল কাদের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান। গত বছরের অক্টোবর মাসে মেয়ের মা তাকে বিষয়টি জানান। সর্বশেষ গত দুই মাস ধরে মেয়েটি নিখোঁজ রয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘এরা সবাই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে ওই মেয়ের বিষয়ে আমি কিছুই শুনিনি। তবে পূর্বের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতাম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

অনলাইন ডেস্ক

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

৩৬ বছর আগে স্বামীর করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গেছে আজ থেকে ৩৬ বছর আগে ১৯৮৫ সালে মাহবুবের রহমানের বিয়ে করা স্ত্রী পেয়ারা বেগমের সাথে পরকিয়ার সমপর্কে জড়ান তারই ভাই নাছির উদ্দিন। পরে তারা পালিয়ে বিয়ে করলে মাহবুব স্ত্রী ও ভাইকে আসামী করে মামলা করেন। ৩৬ বছর পলাতক থাকার পর তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলে- আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে নাছির উদ্দিন (৬০) ও ভাগিয়ে বিয়ে করা তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৫০)।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ও এসআই মাহবুব আলম সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের দল চট্রগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


পুলিশ জানায়, ১৯৮৫ সালে নাছির উদ্দিন পরকীয়া করে তার ভাই মাহবুবের রহমানের বিয়ে করা স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে ভাগিয়ে বিয়ে করেন। ১৯৮৫ সালের জানুয়ারি মাসে মহাবুবের রহমান বাদি হয়ে ভাই নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে তৎকালীণ সময়ে দন্ডবিধি ৪৯৬/৩৭৯/৩৪ ধারা মোতাবেক প্রতারণমূলকভাবে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অপরাধে মামলা দায়ের করেন।

তৎকালীণ সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৯৮৫ সালের ৫ অক্টোবর নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বিয়ের পর থেকে নাছির উদ্দিন চট্রগ্রামে গিয়ে পেয়ারা বেগমকে নিয়ে নতুন সংসার গড়েন। চট্রগ্রামের বিভিন্নস্থানে বসবাসের পর সর্বশেষ চট্রগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

এর মধ্যে ওই দম্পতি চার ছেলে সন্তানের জনক-জননী হন।তিন ছেলেকে ইতোমধ্যে বিয়েও করিয়েছেন।

স্ত্রীকে হারিয়ে মাহবুবের রহমান আরেকটি বিয়ে করে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘লেখক মুশতাক মরল কেন’ জবাব চেয়ে রাতে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক

‘লেখক মুশতাক মরল কেন’ জবাব চেয়ে রাতে বিক্ষোভ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারকে দায়ী করে রাজধানী ঢাকায় রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বামপন্থী কয়েকটি ছাত্রসংগঠন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে মিছিলটি বের হয়।

পরে শাহবাগ ও পরীবাগ মোড় ঘুরে সর্বশেষ রাত একটার দিকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তাঁরা সমাবেশ করেন।

সমাবেশ থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ) কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


মিছিলটি টিএসসি থেকে শাহবাগ মোড়ে গেলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ আবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাও উপেক্ষা করে তাঁরা এগিয়ে যান। পরে মিছিলটি পরীবাগ মোড় ঘুরে টিএসসিতে আসে।

মিছিলে ‘লেখক মুশতাক মরল কেন, জবাব চাই’ স্লোগান দেন। এ সময় মিছিলের সামনে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল ‘লেখক মুশতাকের হত্যাকারী রাষ্ট্র’।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদ (৫৩) বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেছেন। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুশতাক আহমেদ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর