চুল পড়ে যাওয়ার কারণ

অনলাইন ডেস্ক

চুল পড়ে যাওয়ার কারণ

দিন দিন মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, ঝরে যাচ্ছে, টাক পড়ে যাচ্ছে, এমন কথা অনেকের মুখেই শোনা যায়। চুল পড়া, চুল উঠে যাওয়া বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই। ছেলেমেয়ে সবাই এর শিকার। চুল কেরাটিন নামের একরকম প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। চুলে ৯৭ ভাগ প্রোটিন ও ৩ ভাগ পানি রয়েছে। চুলের যেটুকু আমরা দেখি সেটি মৃত কোষ। কারণ এতে অনুভূতিশীল কোনো কোষ নেই। চুল প্রতি মাসে আধা ইঞ্চি করে বড় হয়। 

আমাদের মাথায় যত চুল আছে তার সবগুলোরই কিন্তু গ্রোথ হয় না।  প্রায় ৯০% এর মতো চুলের গ্রোথ হয় আর বাকি ১০% এর মতো চুল রেস্টিং ফেজ বা বিশ্রামে থাকে। এই চুলগুলোই সাধারণত ঝরে যায়। তবে এর জায়গায় আবার নতুন চুল গজায়। আর বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, প্রতিদিন ১০০টির মতো চুল পড়াটা স্বাভাবিক। আপনার চুল যদি ১০০টিরও বেশি ঝরতে থাকে তার মানে আপনার ১০% এর বেশি চুল রেস্টিং ফেজে চলে গিয়েছে। এর কারণ হতে পারে  খাদ্য, জীবনধারা, দীর্ঘস্থায়ী অসুখ ইত্যাদির কারণে।

খাদ্যাভ্যাসের উপর চুলের স্বাস্থ্য অনেকটা প্রভাবিত। আপনার খাদ্যাভ্যাস শুধুমাত্র আপনার ওজন এবং সাধারণ স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যই নয় কিন্তু! এটি আপনার চুলের উপরেও রাজত্ব করে থাকে। ভিটামিনের ঘাটতি এবং পুষ্টির অভাবে আপনার চুল পড়ে যেতে পারে বহুগুণে।  চিনিযুক্ত, চর্বিযুক্ত খাবার এবং রিফাইন্ড করা খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার ফলে আপনার চুল ও ঝরে যেতে পারে অতিরিক্ত পরিমানেই। তাই হেয়ার লক করার জন্য আজই আপনার ডায়েটে যোগ করুন প্রচুর প্রোটিন, ওমেগা ৩, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ খাবারসমূহ। এইসব খাবার আপনার চুলকে করবে স্ট্রং ও সিল্কি।

সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি শুধুমাত্র আপনার ত্বকের ক্ষতিই করে না বরং এটি চুলেরও সমানভাবে ক্ষতি করে থাকে। ইউভি রে আপনার চুলকে ভঙ্গুর, দুর্বল এবং শুষ্ক করে দেয় যার কারণে চুল পড়ার হার প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তাই এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতে চেষ্টা করুন সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে থেকে। এছাড়া ব্যবহার করুন হ্যাট বা স্কার্ফ এবং ছাতাতো অবশ্যই ব্যবহার করবেন।

চুল ঝরে পরার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো চুলে সঠিক পণ্য ব্যবহার না করা। ত্বকের মতো চুলেরও আলাদা আলাদা ধরন থাকে। যদি আপনার চুল শুষ্ক হয় আর আপনি ব্যবহার করেন এমন একটি শ্যাম্পু যা তৈলাক্ত চুলের জন্য তাহলে তো সমস্যা হবেই। তাই চেষ্টা করুন মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করারএবং ভালো ফলাফল পেতে চেষ্টা করুন তেল ও শ্যাম্পু কেনার আগে তাতে কী কী উপাদান আছে তা দেখে নেয়ার। আরো ভালো ফলাফলের জন্য একই লাইন থেকে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনারগুলো ব্যবহার করুন। এগুলো একই উপাদান দিয়ে তৈরি এবং একে অপরের পরিপূরক।

কিছুদিন পর পরই চুল কালার করা অথবা চুলে অধিক পরিমাণে কেমিক্যালস ব্যবহার করা চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ। আরো একটি কারণ হলো চুল সবসময় হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকানো এবং স্ট্রেইটনার ব্যবহার করা। এগুলো আপনার চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে।


প্রেমিকার মাকে নিয়ে পালিয়েছে মেয়ের প্রেমিক

বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় প্রাণ গেল যুবকের

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা


আর তাই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করার সময় এর কুলিং সুইচটা অন করে নেবেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি ফ্যানের বাতাসে চুল শুকাতে পারেন, কারণ এতে আপনার চুল ভালো থাকবে। আর স্ট্রেইটনার ব্যবহারটা খেয়াল রাখবেন চুলে যেন সরাসরি না হয় এবং চুলে হিট প্রটেক্টিভ কিছু লাগানো যেন হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

হাই পনিটেইল বা খোঁপা দেখতে সুন্দর লাগলেও দীর্ঘক্ষণ বেধে রাখার ফলে আপনার চুলের গোড়া আলগা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় আর এতে চুল পড়ার হারও বেড়ে যায়। তাই একই হেয়ারস্টাইল প্রতিদিন না করে চেইঞ্জ করে বাধার চেষ্টা করুন এবং চুলে ঝুটি, খোঁপা ইত্যাদি করার সময় হালকাভাবে বাধার চেষ্টা করুন।

বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও চুল ঝরতে পারে। যদি আপনি কিছুদিনের মধ্যে অ্যান্টি-বায়োটিকের একটি নির্ধারিত কোর্স কমপ্লিট করে থাকেন অথবা গত কয়েক মাসের মধ্যে কোন ধরনের সার্জারি করে থাকেন তাহলে এগুলোর প্রভাবে আপনার চুল ঝরতে পারে।

এটা সম্ভব যে কোন সার্জারির ফলে আপনার শরীরের উপর দিয়ে খুব ধকল গেছে বা যাচ্ছে তাহলে এটি হতে পারে চুল পরার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে একটি। তাই এই ধরনের কিছু হয়ে থাকলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং খাবারে বেশি পরিমাণে প্রোটিন যোগ করুন।

আমাদের অনেকেরই এই অভ্যাসটা আছে যে গোসল সেরে এসে ভেজা চুল আঁচড়ে নেয়া। কিন্তু এটা ঠিক নয় কারণ ভেজা চুল শুষ্ক চুলের চেয়ে অনেক বেশি বিচ্ছেদ প্রবণ। অল্প আঘাতেই গোড়া থেকে উঠে চলে আসে ভেজা চুল কারণ তখন চুলের গোড়া নরম থাকে।

তাই চুলের ভেজা অবস্থায় হাতের আঙ্গুল দিয়ে আলতোভাবে জটগুলো যতটা সম্ভব ছাড়িয়ে নিন এবং নরম তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে মুছে চুল গুলো শুকিয়ে নিন। চুল পুরোপুরিভাবে শুকিয়ে যাওয়ার পর চুল আঁচড়াবেন, তার আগে নয়।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করার টিপস

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করা নিয়ে আপনি চিন্তিত? তবে বলবো চিন্তার কোনো কারণ নেই। স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এক প্রতিবেদনে কাপড় থেকে সহজে লিপস্টিকের দাগ দূর করার বেশ কিছু টিপস দিয়েছে। টিপসগুলো একটু জেনে নেই:

টুথপেস্ট:

টুথপেস্টের সাহায্যেও লিপস্টিকের দাগ দূর করা যায়। দাগযুক্ত জায়গায় টুথপেস্ট লাগান, তারপর হালকা করে স্ক্রাব করুন। স্ক্রাবিংয়ের পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গেলে কি করার আছে?: প্রধানমন্ত্রী

মিছিল থেকে গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের


শেভিং ক্রিম:

ছেলেদের শেভিং ক্রিমের সাহায্যেও লিপস্টিকের দাগ দূর করতে পারেন। কাপড়ের যেখানে লিপস্টিকের দাগ লেগেছে, সেখানে শেভিং ক্রিম দিয়ে স্ক্রাব করুন। কিছুক্ষণ রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।

হেয়ার স্প্রে:

লিপস্টিকের দাগ দূর করতে হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। কাপড়ে লেগে থাকা লিপস্টিকের দাগ দূর করতে সেই জায়গায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিটের জন্য তা রেখে দিন। এরপর গরম পানি দিয়ে দাগযুক্ত জায়গায় ধীরে ধীরে ঘষুন। দেখবেন দাগ মুহূর্তেই গায়েব!

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হজম শক্তি বাড়াতে আদা বেশ কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক

হজম শক্তি বাড়াতে আদা বেশ কার্যকর

আদা একটি দারুণ মসলা। আদার রয়েছে যাদুকরি সব ওষধি গুণ। আদা আমাদের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি দেহের সুস্থতার জন্য বেশ উপকারি।আদার দারুণ সব উপকারিতা জেনে নেই। 

রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা দারুণ কার্যকর। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজম শক্তি। আদার মধ্যে ডাইজেসটিভ ট্রাক্টের প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এটি পাচক রস নিঃসরণ করতে সাহায্য করে।  

অনেক সময় আমাদের দেহে অস্থিরতা কাজ করে, তখন কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করে না। বমি বমিভাব বা বমি হয়ে যায়। এমন সময় আপনি যদি আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করেন। তাহলে তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন। 

দেহের কোথাও ক্ষতস্থান থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট, যা যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে। পেশি ব্যথায় আদা কার্যকর। 

আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী। প্রতিদিন মাত্র ২ গ্রাম আদার গুঁড়ো ১২ সপ্তাহ ধরে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে ১০ ভাগ।


মহাসমাবেশে যোগ দিতে খুলনায় ইশরাক, পথে বাধার অভিযোগ

ইহুদিদের উৎসব উপলক্ষে ইব্রাহিমি মসজিদের আজানে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে ৬ মন্ত্রণালয়

নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করে অতি উৎসাহী প্রার্থী ও নেতারা: ইসি শাহাদাত


আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। এটি কোলনের ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ওভারির ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আদা। সুতরাং ক্যান্সার এর অনেক ভাল প্রতিরোধক।

আদা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

তাই সবসময়ই আমাদের খাবারে আদা রাখা উচিত। খাদ্য তালিকায় যাই থাকুক না কেন আদা রাখাটা খুব দরকার। আদতার এই বিশেষ গুণের কারণে আদিকাল থেকেই আদার ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই এমনিতে আদা খেতে না পারলেও তরকারির সাথে আদা খাওয়া যেতে পারে। 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখার টিপস

চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে বেশ কয়েকটি টিপস দিয়েছে ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

চলুন জেনে নেয়া যাক চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখার ছয়টি সহজ উপায় সম্পর্কে- 

>> ত্বকের তারুণ্য ও সৌন্দর্যে ফেসিয়াল ম্যাসাজ অন্যতম সেরা উপায়। তাই চোখের নিচে বা চারপাশে হালকা ম্যাসাজ করুন। এতে ওই এলাকায় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এতে চোখের নিচের কালচে ভাব দূর হবে।

>> অবয়বের অন্যতম সংবেদনশীল জায়গা চোখ। তাই একে যেকোনো মূল্যে সুরক্ষিত রাখতে হবে। চোখের ক্ষতির জন্য দায়ী সূর্য। তাই রোদচশমা পরুন। এমন চশমা পরুন, যাতে পুরো চোখকে রোদ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। কয়েক দিন রোদচশমা ব্যবহার করুন, পার্থক্যটা নিজেই দেখবেন।

>> যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়, তবে আপনার চোখের চারপাশে তা প্রভাব ফেলতে পারে। এতে চোখের নিচে কালচে ভাব দেখা দিতে পারে। এর জন্য আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে হবে। সারা দিন পানি পান করুন। হাইড্রেটেড বডি ত্বককে কোমল করে। সুন্দর চোখ পেতে হলে আপনার ত্বককে ওয়েল-হাইড্রেটেড বা জলযোজিত রাখতে হবে। কটন প্যাডে পানি লাগিয়ে বা অ্যালোভেরা লাগিয়ে চোখের চারপাশে ১০ মিনিট রাখতে পারেন। এতে চোখের চারপাশ আর্দ্র হবে।

>> ধূমপান শুধু স্বাস্থ্যের পক্ষেই ক্ষতিকর নয়, ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর। বিশেষ করে, চোখের চারপাশে এর প্রভাব পড়ে। ধূমপান ত্বকের ময়েশ্চার শুষে নেয় এবং দৃষ্টিশক্তির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ধূমপান ত্যাগ করুন, দেখবেন চোখের সৌন্দর্য বাড়বে।


অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী


>> আজকাল অনেকেই দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের সামনে বসে থাকেন। শুধু চাকরির জন্য এমনটা করতে হয়, তা নয়। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন অ্যাপে সময় দেন। তাই চোখ পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। এ জন্য চোখ ক্লান্ত হয়ে পড়ে, যা সৌন্দর্য হারানোর অন্যতম কারণ। অন্তত ২০ মিনিট পর পর স্ক্রিনের বাইরে তাকান, দৃষ্টি প্রসারিত করুন। এতে চোখ কিছুটা আরাম পাবে।

>> সৌন্দর্য রক্ষায় পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। যদি কোনো কারণে ঘুম ভালো না হয়, তা চোখের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ক্লান্ত চোখের অন্যতম লক্ষণ চোখের নিচের কালচে ভাব। আপনি যদি চোখ সুন্দর রাখতে চান, তবে অবশ্যই দ্রুত ঘুমাতে যাবেন। অন্তত আট ঘণ্টা ভালো করে ঘুমাবেন। দেখবেন ম্যাজিক!

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডায়াবেটিস কমাতে ধনেপাতা কার্যকর

এস এম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি।

ডায়াবেটিস কমাতে ধনেপাতা কার্যকর

ধনেপাতা একটি সুগন্ধী জাতীয় মসলা। যে কোন তরকারি কিংবা ছালাদে ধনেপাতা দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। তবে ধনেপাতার রয়েছে ওষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কার্যকরি একটি ওষুধের কাজ করে ধনেপাতা। 

ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল, যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। 

কীভাবে খাবেন?
রেসিপি ১: ফ্রাইয়িং প্যানে এক চা চামচ ধনে বীজ এবং অর্ধেক চা চামচ জিরা মাঝারি আঁচে গরম করে নিন। তার মধ্যেই এক চা চামচ পোস্ত এবং মধু মিশিয়ে নিন। এরপর তা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে সারারাত রেখে, তারপর খেতে পারেন। 


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


রেসিপি ২: প্রথমেই একটি পাত্রে এক চা চামচ ছোলার ডাল, ৩টি শুকনো মরিচ, ৩ চা চামচ ধনে বীজ গরম করে নিন। তারপর সেটা সরিয়ে পিঁয়াজ এবং টমেটো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবারে মিশ্রণটা ঠান্ডা হওয়ার পর, একটি ব্লেন্ডারে ধনে গুঁড়োর সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে এক চা চামচ গুড় এবং এক চা চামচ তেঁতুল মিশিয়ে নিন। পানি এবং লবণ দিয়ে চাটনি তৈরি করে নিন। আরও একটি পাত্রে তেল গরম করে সামান্য সরিষা বীজ এবং কারিপাতা ভেজে নিন। এরপর চাটনির উপর দিয়ে সাজিয়ে নিন। 

রেসিপি ৩: একটি প্যানে এক চা চামচ ঘি গরম করে নিন। তাতে ধনে গুড়ো দিয়ে ভাল করে ফ্রাই করুন। এর মধ্যে সামান্য মাখনও দিতে পারেন। তারপর কয়েক টুকরো কাজু এবং আমন্ড ছোট ছোট টুকরো করে গুড়ো করে নিন। এরপর এই মিশ্রণের মধ্যে গ্রেটেড নারিকেল, ড্রাই ফ্রুটস মিশিয়ে পাঞ্জিরি তৈরি করতে পারেন। এই তিনরকমের রেসিপির যেকোনও একটি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

ধনেপাতা আমরা চাইলে আমাদের বাসার বারান্দা কিংবা ছাদে লাগিয়েই খেতে পারি। সবসময় বাজার থেকে কিনতেও হবে না। ছোট্ট একটি টবেই হবে ধনেপাতা। 

 news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

অনলাইন ডেস্ক

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেমকেই পরকীয়া প্রেম বলে। এর ঝাঁঝ অতি মারাত্মক। মানবসমাজে কত ধরণের প্রেমই তো আছে! তবে যত ধরণের প্রেমই থাকুক না কেন 'পরকীয়া' প্রেমকে সবাই একটু ভিন্ন চোখে দেখে। এই সম্পর্ক তৈরি করার ফলে সংসার জীবনে তৈরি হয় অশান্তি। আর এ কারণে পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষে না অনেকে। তার পরেও অনেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়া সম্পর্কে। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন কিনা? পাঁচটি লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়া করছেন

* ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন। আপনার সঙ্গী কি আপনার দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আচমকাই অতিরিক্ত কৌতূহল দেখাচ্ছেন? আপনি কখন বাড়ি ফিরবেন বা কখন কোথায় যাবেন ইত্যাদি ঘন ঘন জানতে চাইছেন? তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। হতে পারে সেটা পরকীয়া সম্পর্ক। তবে অন্যকিছুও হতে পারে।

* যদি আপনার সঙ্গী হঠাৎ করেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন। তাহলে বিষয়টি একটু চোখে চোখে রেখে দেখুন। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আচমকাই নিজের শরীরের গঠন, সাজ-পোশাক, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই নজর দিচ্ছেন। তাহলে বুঝতে হবে তিনি হয়তো কাউকে ‘ইমপ্রেস’ করতে চাইছেন। অনেকেই নিজেদের সম্পর্কের পুরোনো টান ফিরিয়ে আনতে এমনটা করে থাকেন। তবে এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

* যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমশ উদাসীন বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হতে পারে আপনার সঙ্গী কোনো পারিবারিক বা আর্থিক কোনো সমস্যার কারণে মানসিক চাপে রয়েছেন। শারীরিক কোনো অসুস্থতার কারণেও এমনটা হতে পারে। তাই হয়তো আপনার সঙ্গী শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন উৎসাহ বোধ করছেন না। তবে এমনটা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গী শুধুমাত্র অভ্যাসবশত বা আপনাকে সঙ্গ দিতেই অংশ নিচ্ছেন কিনা।


মেসি ম্যাজিকে বার্সার বড় জয়

১০জনের আটালান্টার বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পেল রিয়ালের

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


* সঙ্গী যদি হঠাৎ করেই ফোন বা ইন্টারনেটে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যদি পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে থেকেও মাঝে মধ্যেই একটু একলা হতে চান। তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে বা পরিচিত সকলের নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। সঙ্গীর মধ্যে এমন সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করলে তা পরকীয়া সম্পর্কের কারণেও হতে পারে।

* সম্প্রতি যদি কোনো নতুন নাম আপনার সঙ্গীর মুখে বার বার শোনেন, তাহলে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখবেন, নতুন এই মানুষটির সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে আপনি কোনো প্রশ্ন করলে তিনি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন? যদি তাই হয় তবে বিষয়টি সন্দেহজনক। এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

আমেরিকার নিউ ওমেন ম্যাগাজিনের জরিপে জানা যায় চাকরিজীবী বিবাহিত নারীরা তাদের কর্মস্থলেই 'লাভার'-দের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করে থাকেন। আমেরিকান সমাজে অবিশ্বস্ততার হার দিনে দিনে বাড়ছে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে জানা যায় যে, ২৫ শতাংশ পুরুষ পরকীয়া করছে এবং ১৭ শতাংশ নারী তাদের স্বামীদের প্রতি বিশ্বস্ত নয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর