টমোটের নামে ৪ কোটি টাকার হেরোইন

অনলাইন ডেস্ক

টমোটের নামে ৪ কোটি টাকার হেরোইন

রাজশাহীতে টমেটো ভর্তি ট্রাক থেকে প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া হাইওয়ে মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাবের মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি দল রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ডাইংপাড়া হাইওয়ে মোড় এলাকায় অভিযান চালায় এ সময় ট্রাকটি থেকে তিন কেজি ৭৭৮ গ্রাম হেরোইন (দাম প্রায় চার কোটি টাকা) উদ্ধার করা হয়।  পরে হেরোইন চোরাচালানের অভিযোগে ট্রাকের চালক-হেলপারকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া, দুইটি মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, একটি পিকআপ ভ্যান ও ১ হাজার ২৮০ কেজি টমেটো জব্দ করা হয়।


বিয়েতে গান বাজনা বন্ধ করে কুরআন তেলাওয়াত

বিয়ে করিনি গোপনও রাখিনি : মেহ্‌জাবীন

নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে তরুণীর দুই বিয়ে ভাঙ্গলেন ভণ্ড প্রেমিক

ফেরদৌস নয় তাজউদ্দীন হচ্ছেন রিয়াজ


 

র‌্যাব জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গ্রেফতার দুইজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তারা হেরোইনগুলো টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছে র‌্যাব। আসামিদের রাতেই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেফতার দুইজন হলেন-চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের এনায়েতপুর গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে মো. সুজন আলী (২১) ও একই উপজেলার হামিদপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. সুজন (২৩)। এর মধ্যে মো. সুজন আলী পিকআপের চালক আর মো. সুজন সহকারী।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ছাত্রলীগ নেতাকে উলঙ্গ করে নির্যাতন, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

ছাত্রলীগ নেতাকে উলঙ্গ করে নির্যাতন, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

সোহেল খান

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে উলঙ্গ করে নির্যাতনের ঘটনায় মামলার চারদিন পার হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মোবাইল চুরির অভিযোগে আশিক জোমাদ্দার (২২) নামে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিকে হাত-পা বেঁধে উলঙ্গ করে নির্যাতন করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর মামলা হয়।

তবে চারদিনেও প্রধান আসামি চিংড়াখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সোহেল খান ও তার ক্যাডার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। নির্যাতনের শিকার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশিক জোমাদ্দার বাগেরহাটের পার্শ্ববর্তী পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার চরনী পর্ত্তাশী গ্রামের কবির জোমাদ্দারের ছেলে।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মীর মো. সাফিন মাহমুদ বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চরনি পত্তাশি গ্রামে আশিক জোমাদ্দারকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে বাড়ি থেকে ডেকে আনা হয়। এরপর বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বড় জামুয়া গ্রামে হাত পা বেঁধে উলঙ্গ করে নিযাতন করে ইউপি সদস্য সোহেল খান ও তার সহযোগীরা। 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


এই নির্যাতনের দৃশ্য মোবাইলফোনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়। নির্যাতনের এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নির্যাতনের শিকার আশিককে উদ্ধার করে এনে মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এই ঘটনায় আশিক বাদী হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোহেল খানসহ চারজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ঘটনার পর নির্যাতনকারী ইউপি সদস্য একাধিক মামলার আসামি সোহেল খান ও তার সহযোগিরা গাঁ ঢাকা দেয়ায় তাদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে ইউপি সদস্য সোহেলের বাড়ি অভিযান চালিয়ে কয়েকটি রামদা ও হকিস্টিক উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একে একে ৩০ পানের বরজে আগুন, ৩ কোটি টাকার ক্ষতি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

একে একে ৩০ পানের বরজে আগুন, ৩ কোটি টাকার ক্ষতি

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে উপজেলার পান বরজে আগুন লেগে কৃষকদের প্রায় শতবিঘা জমির পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রোববার দুপুরে কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের শিতলী গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

এতে ক্ষতির পরিমাণ ৩ কোটি টাকা হবে বলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা দাবি করেছেন।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আয়ুব হোসেন চৌধুর জানান, রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার শিতলী গ্রামের মাঠের একটি পানবরজে আগুন লাগে। মুহূতে মধ্যে একে একে ৩০টি পানের বরজে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকিং করে এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। কিন্তু শত চেষ্টার পরও সব ব্যর্থ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর হোসাইন, কৃষি কর্মকর্তা হাফিসহাসান, প্রকল্প কর্মকর্তা জামাল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান সরাফত দৌলা ঝন্টু উপস্থিত হন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত বড় ভাইয়ের মৃত্যু

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত বড় ভাইয়ের মৃত্যু

মাদারীপুরের কালকিনিতে ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত বড় ভাই মো. সামচুল হক মাতুব্বর (৬২) মারা গেছেন। আজ ভোরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছেন। 

স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার বাঁশগাড়ী এলাকার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আমির হোসেন মাতুব্বরের ছেলে মো. সামচুল হক মাতুব্বরের সঙ্গে তার সৎ ছোট ভাই আজিজুল হক ওরফে জুলহাসের দীর্ঘদিন যাবত জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত শুক্রবার সকালে নিহত সামচুল হকের উপর হামলা চালায় সৎ ছোট ভাই আজিজুল হক। 

পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভতি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। খবর পেয়ে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


প্রত্যক্ষদর্শী মো. জাকির হোসেন বলেন, আমাদের সামনে সামচুল হককে মারধোর করেন তার সৎ ছোট ভাই আজিজুল হক ওরফে জুলহাস।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, খবর পেয়ে আমরা নিহত সামচুল হকের লাশ উদ্ধার করেছি। লাশটির ময়না তদন্ত করার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মোহনপুরে মসজিদের ধান চুরি: সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

মোহনপুরে মসজিদের ধান চুরি: সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ৭

কোব্বাস আলী

মসজিদের ধান চুরি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কোব্বাস আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি। 

গতকাল রাতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের খয়রা মাটিকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজন জানান, মাসখানেক আগে স্থানীয় মসজিদ থেকে ২০ কেজি ধান চুরি হয়। গ্রামবাসীর সন্দেহ, কোব্বাস আলীর ভাগনে সাদ্দাম হোসেন (২০) এসব ধান চুরি করে। মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য কোব্বাস আলী ঘটনাটি সালিস করে মীমাংসা করেন। কিন্তু মুসল্লিদের একটি পক্ষ তা মেনে নেয়নি। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল। 

গতকাল রাত আটটার দিকে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে কোব্বাস আলীর কথা-কাটাকাটি হয়। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে আসেন কোব্বাস আলীর স্বজনেরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ ধারালো দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কোব্বাস আলী ও তার দুই ছেলে আহত হন। প্রতিপক্ষেরও চার থেকে পাঁচজন আহত হন। 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


আহতদের তাৎক্ষণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোব্বাস আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বৃদ্ধের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হামলায় আহতরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, এখন বিয়ের দাবিতে অনশন!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, এখন বিয়ের দাবিতে অনশন!

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামী তালাক দিয়ে এখন বিয়ের দাবিতে প্রেমিক ইতালি প্রবাসীর বাড়িতে অনশন করছেন ওই নারী। এমন ঘটনা ঘটেছে  শরীয়তপুর সদর উপজেলায়। শুক্রবার সকাল থেকে ওই নারী যুবকের বাড়ির সামনে বসে অবস্থান নিয়ে অনশন করছিলেন। ওই প্রবাসী যুবকের নাম নুরুল হক ব্যাপারী (২৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের দাঁতপুর উত্তরভাষান চর গ্রামে। এর আগেও ওই নারী তিনবার নুরুল হকের বাড়িতে আসেন। 

সূত্রে জানা যায়, নুরুল হক ২০১০ সালে কাজের সন্ধানে জর্ডান যান। পরে সেখান থেকে লিবিয়া যান। লিবিয়া থেকে ২০২০ সালের জুন মাসে ইতালি যান। 

ওই নারীর জানায়, নড়িয়া পৌরসভার শালাল বাজার এলাকায় নুরুল হকের বোন সাবিনার শশুর বাড়ি। একই এলাকায় ভাড়া থাকেন ওই নারী। সেই সুবাদে ওই নারীর সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে উঠে সাবিনার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নুরুল হক লিবিয়া থাকাকালীন অবস্থায় ওই নারীর মুঠোফোনের ইমুতে ভিডিও কলে নুরুল হকের সঙ্গে কথা বলতেন বোন সাবিনা। তখন নুরুল হকের সঙ্গে ওই নারীর মাঝে মধ্যে কথোপকথন হতো। কথা বলতে বলতে তাদের মধ্যে প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

ওই নারী আরও জানায়, ২০১১ সালে ১৭ জুলাই নড়িয়া বিঝারি কান্দাপাড়া গ্রামে আমার একটি বিয়ে হয়। স্বামী গ্রিসে থাকে। আমাদের নয় বছরের একটি ছেলে আছে। স্বামীকে তালাক দিলে নুরুল হক আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। তাই আমি স্বামীকে তালাক দিয়েছি। বিষয়টি আমাদের দুজনেরই জানা ছিল। হঠাৎ একদিন আমাকে ফোনে বিয়ের কথা বলে নুরুল হক। আর তার গ্রামের ঠিকানা দেয়। আমি তাদের বাড়িতে যাই, পরিবারের সকলের সঙ্গে আমার পরিচয়ও হয়। আমাকে ফোনে বিয়ে করবে বলে জন্মনিবন্ধন, দুই কপি ছবি ও পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে তার ভাই আমিনুল হক ব্যাপারীর কাছে যেতে বলে। আমি সদরের আংগারিয়া বাজার গিয়ে আমিনুলের দোকানে এগুলো দেই। তারপর নুরুল হকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে একটি ফর্মে স্বাক্ষর দেই। কিছুদিন পর নুরুল হকের কাছে কাবিন নামা চাইলে তিন মাস পরে পাবে বলে জানায়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, আবার জমি কিনবে বলে নুরুল আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টকা চায়। আমি দুই দফায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেই। টাকাটা আমিনুলের দোকানে গিয়ে দিয়ে আসি। আবারও কাবিন নামা চাইলে এখন নুরুল হকসহ তার পরিবার বলছে, কে তুই? তোকে চিনি না। আমাকে তারা চিনে না। এখন ইতালি থেকে নুরুল হক সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি বাধ্য হয়েই আমার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ওর বাড়িতে গিয়ে উঠেছি।

তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আমি নুরুল হকের বাড়িতে আসি। তখন তার ভাই আমিনুল, বোন তানজিলাসহ বেশ কয়েকজন আমাকে মারধর করে। আমি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে সদরের পালং মডেল থাকায় একটি অভিযোগ করি। 

নুরুল হকের বোন তানজিলা বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতো ওই নারী। ভাইকে বলেছে তার বিয়ে হয়নি। এখন জানতে পারি তার বিয়ে হয়েছে। একটি ছেলেও আছে। ওই নারী আমার ভাইয়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন আমাদের বাড়িতে এসেছেন তিনি। বলছে ভাইয়ের কাছে বিয়ে বসবে। আমরা বলেছি বিয়ে করলে ইতালি যাও।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, অনশনের বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। বিষয়টি খবর নিয়ে দেখছি। এর আগের অভিযোগের ব্যাপারটি দেখে বলতে হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর