গাজীপুরে প্রতিবন্ধীর ভিটে দখল, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ্, গাজীপুর

গাজীপুরে প্রতিবন্ধীর ভিটে দখল, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরের কাপাসিয়া সদরের বানারহাওলা এলাকায় অসহায় প্রতিবন্ধীর ভিটে দখলে নিয়ে বাড়ি ছাড়া করেছে চিহ্নিত এক মাদক কারবারি। কাপাসিয়া বাজার সংলগ্ন এ ঘটনায় প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দিয়ে কোনো সমাধান না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে কাপাসিয়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী মাহবুব হোসেন ইরানের স্ত্রী এমিলি আক্তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পরে সাংবাদিকরা সরজমিনে উচ্ছেদ ভিটা পরিদর্শনে গেলে অভিযুক্ত নজরুল ও তার বাহিনী তাদের উপর চাড়াও হয়। 

খবর পেয়ে ওইদিন বিকেলে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. ইসমত আরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, উপজেলা সদরের বানারহাওলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা শারীরিকভাবে অসুস্থ মাহবুব হোসেন ইরান (৪০) তার  মায়ের বাবা আব্দুল মালেক ভূঁইয়া ও মায়ের মা মল্লিকা নেছার বানারহাওলা ও খোদাদিয়া মৌজায় ৩৩৫ রেকর্ডমূলে মালিক হন।

২০১৫ সালে বাবা এবং ২০১৮ সালে মাতার মৃত্যুর পূর্ব থেকেই প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম কোনো প্রকার কারণ ছাড়াই তাদের সহজ সরলতার সুযোগে বাড়িভিটার জায়গা-জমি থেকে বেদখল দেয়। ২০১২ সালে তারা তাদের ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য ইট, বালি, সিমেন্ট, রডসহ বিভিন্ন সামগ্রী এনে কাজ শুরু করলে সন্ত্রাসী নজরুল দলবল নিয়ে বাধা প্রদান করে এবং সকল নির্মাণ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।

এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণ্যমান্য লোকজনকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পায়নি বলে অভিযাগ করেন।

পরে ইরানের মাতা মল্লিকা নেছা বাদী হয়ে গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে এজমালি সম্পত্তি বন্টনের মামলা (নং-৩৪৪/১৬) দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর নজরুল ইসলাম গং তাদের উপর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়ি ছাড়া করে। ফলে নিরুপায় হয়ে তারা পার্শ্ববর্তী রাউৎকোনা গ্রামের আত্ময়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। মল্লিকা নেছা তার একমাত্র ছেলে সন্তান মাহবুব হোসেন ইরানের জীবন রক্ষায় তাকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেন।

এরই মাঝে নিজ বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হয়ে বিনা চিকিৎসায় অনাহারে থেকে ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল মল্লিকা নেছা মারা গেলে সন্ত্রাসী নজরুল বাহিনী তার কবর দিতেও বাধা প্রদান করে। মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে একমাত্র সন্তান ইরান দেশে ফিরে আসে। বর্তমানে সে নজরুল বাহিনীর অব্যাহত অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে তার স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ মানুষের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এমিলি আক্তার বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-৭৭৪) দায়ের করেছেন।

এতে তিনি উল্লখ করেছেন, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম (৫০) মাতা মল্লিকা নেছার নাম বানারহাওলা ও খোদাদিয়া মৌজার রেকর্ডিয় ৬৬৩, ৬৬৫, ৬৬৬, ৬৬৭, ৬৬৮, ৬৬৯, ৬৬৭০, ৬৫৯, ৯১৮ নং দাগের তাদের ভোগ দখলীয় জায়গা-জমি থেকে বেদখলের জন্য পূর্ব থেকে নানাবিধ শত্রুতা পোষণ করে আসছে। আদালতে মামলা চলমান এবং আদালত সকল সম্পত্তিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত আদালতের নিষেধাজ্ঞা বিদ্যমান থাকার পরও গত ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে নজরুল গংরা তাদের হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি বানাতে শুরু করে।

ইতিপূর্বে ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের নিমার্ণ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। ৭০ বছরের অতিপুরানো ৭ লাখ টাকা মূল্যের দুইটি বড় মাটির ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। পর্যায়ক্রমে অতিপুরানো ৫ লাখ টাকা মূল্যের সেগুন, আম, কাঁঠাল, লিচু, নিমগাছসহ বাঁশঝাড় কেটে নিয়ে যায়।

রাতের আঁধারে জমি থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের মাটি কেটে বিক্রি করে দেয়। এছাড়া জোরপূর্বক ঘর নিমার্ণ করে ভাড়া দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এতে ভুক্তভোগিদের ৫০ লাখ টাকার বেমি ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব হোসেন ইরান ছাড়া প্রতিবেশী জহিরুল ইসলাম শামীম, মহসীন হাসন চন্দন, রিপন মিয়াসহ তার স্ত্রী ও কন্যারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা কান্নজড়িত কন্ঠে সংসাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় প্রশাসনসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

ইতিপূর্বে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপারের নিকট আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার বিকালে উভয় পক্ষকে থানায় হাজির হওয়ার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

এছাড়া বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. ইসমত আরা বৃহস্পতিবার বিকালেই সরজমিনে উচ্ছেদ ভিটা পরিদর্শন করে সত্যতা পান। উভয়পক্ষকে আগামি মঙ্গলবার সকালে তাঁর দপ্তরে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোল্ট্রি মুরগির ফার্মে দুর্বৃত্তদের আগুন, ২ লাখ টাকার ক্ষতি

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

পোল্ট্রি মুরগির ফার্মে দুর্বৃত্তদের আগুন, ২ লাখ টাকার ক্ষতি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের ভোজঘাট গ্রামের একটি পোল্ট্রি মুরগির ফার্মে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

পোল্ট্রি ফার্মের মালিক কাজী ওলিয়ার রহমান জানান, শুক্রবার রাতে তিনি ঘরে শুয়ে ছিলেন। রাত পৌনে ১২ টার দিকে পোল্ট্রি মুরগির ঘর ও রান্না ঘরে আগুন দেখতে পেয়ে তিনি চিকিৎকার করেন। এসময় আশে পাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডে তার প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি আজ সকালে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


ওলিয়ার রহমান বলেন, আমাকে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রেম করে বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় নিজ ঘরে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সুঘাট ইউনিয়নের ফুলজোড় গ্রামে শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই নারীর নাম মিতু খাতুন (২০)। মিতু টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার মিজানুর রহমানের মেয়ে।

জানা যায়, গত চার মাস আগে ফুলজোড় গ্রোমের হিটলারের ছেলে জুবায়ের খানের সঙ্গে মিতুর প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যেমে পরিবারকে না জানিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে। পরে  ছেলের পরিবার মেনে নিলেও মেয়ের পরিবার মেনে নেয় না। এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ ও পরিবারে অশান্তির সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার দুপুরের খাবার খেয়ে মিতু তার শয়ন কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর ঘুম থেকে জেগে না ওঠায় স্বামীর পরিবারের লোকজন তার নাম ধরে একাধিকবার ডাকাডাকি করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে গৃহবধূ মিতুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন:


দেশের তিন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান


মিতুর মা সোনিয়া আক্তার বাদী হয়ে শেরপুর থানায় ওই দিন রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তার দাবি, মিতুর স্বামী ও শ্বশুরের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তাই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়া গেলেই মৃত্যুর কারণ সঠিক করে বলা সম্ভব হবে। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

খুলনার ডুমুুরিয়ায় চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিয়োগ উঠছে। এ ঘটনায় আজ শনিবার সকালে শিশুটির পিতা ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেছেন। 

এর আগে তার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত একটার দিকে ডুমুরিয়ার ধামালিয়া বরুণা গ্রাম থেকে অভিযুক্ত রনি সরদার (১৪) নামের এক কিশোরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার দুপুরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সে ওই গ্রামের খিজির সরদারের ছেলে।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা বাড়িতে রান্না করছিলেন। এ সময় প্রতিবেশি রনি সরদার চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজেদের বাড়ির পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই পুলিশ রনি সরদারকে গ্রেফতার করে।

ডুমুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুই শ টাকার টেস্টে লাগে হাজার টাকার বেশি

ফখরুল ইসলাম

দুই শ টাকার টেস্টে লাগে হাজার টাকার বেশি

ডায়াবেটিসের এইচবিএ ওয়ান সি টেস্ট করতে খরচ মাত্র ২০০ টাকা। এ টেস্ট প্রাইভেট হাসপাতালে করাতে রোগীকে গুণতে হয় ৫ থেকে ৮ গুণ বেশি হারে, ১ হাজার থেকে ১৫শ’ টাকা। ৫ থেকে ২৮ গুণ পর্যন্ত বাড়তি ফি গুনতে হয় হেপাটাইটিস পরীক্ষায়ও। খরচ ১০০ টাকা হলেও সব ক্যাটাগরির টেস্ট মিলিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালের ফি ৫শ’ থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত। টেস্ট ফি নির্ধারণে কোনো নিয়মনীতি না থাকায়, পকেট কাটছে হাসপাতালগুলো। বিপরীতে অসহায় সাধারণ রোগীরা।

দেশে চিকিৎসাখাতের বাড়তি খরচ মানুষকে করে তুলছে আরো দরিদ্র। একজন রোগীকে সাধারণ থেকে কোনো জটিল রোগের চিকিৎসা করাতে পোহাতে হয় নানা টেস্টের ধকল। আর প্রাইভেট হাসপাতালে বাড়তি টেস্ট ফি’র বোঝায় দিশেহারা রোগীরা।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


টেস্ট করাতে সব হাসপাতালের রিএ্জেন্ট ও প্যাথলজিক্যাল মেশিন একই। দামের ভিন্নতাটা শুধু হাসপাতাল ভেদে। কিন্তু এতেও কি সহনীয় সেই ফি?

এইচবিএ ওয়ান সি ডায়াবেটিসের টেস্টটি করাতে রিএ্যাজেন্ট মিলিয়ে সর্বোচ্চ খরচ ২০০ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ফি ৩শ টাকা হলেও প্রাইভেট মেডিকেলগুলো নিচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা পরযন্ত। হেপাটাইটিস সহ চার ধরনের রোগের টেস্টের একটি কিটেই খরচ হয় মাত্র ১শ টাকা। অথচ সব টেস্ট মিলিয়ে রোগীদের থেকে প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে ৫শ থেকে ২৮শ টাকা পর্যন্ত। একটি এক্স রে করতে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা খরচ হলেও নিচ্ছে ৪শ থেকে ৫শ টাকা। ব্লাড গ্রুপিংয়ের খরচ ৩০ টাকা। প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে আড়াইশ থেকে ৫শ টাকা। 

আল্ট্রাসনোগ্রাফি(প্রেগনেন্সি) খরচ ১শ থেকে দেড়শ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ২২০ টাকা নিলেও প্রাইভেটে নিচ্ছে ১৩শ থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত। এমন বাড়তি ফির যাঁতাকলে থাকা রোগীরা হয়তো জানেনই না কোন টেস্টের আসল খরচ কতটা।

বলা হয়ে থাকে দেশে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর আয়ের ৮০ ভাগই আসে টেস্ট ফি থেকে। তাই অতি মুনাফাভোগী চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে মানুষকে বাঁচাতে টেস্ট ফি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

অন্যদিকে ১০ ভাগ গরিব রোগীকে সম্পূর্ণ ফ্রি চিকিৎসা দেওয়ার নীতিমালা থাকলেও তা মানছেন না বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেউ কেউ।

টেস্ট ফি সহনীয় করে হাসপাতালগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে আনার দাবি সাধারণ মানুষের।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিধবাকে ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা বলে, ফের সুযোগ না দিলে ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক

বিধবাকে ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা বলে, ফের সুযোগ না দিলে ক্ষতি

ছাত্রদল নেতার হাতে ধর্ষণের শিকার তিন সন্তানের জননী স্বামীর ভিটে ছেড়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগ, বোরকা পরে ঘরে ঢুকে বিধবা নারীটিকে ধর্ষণ করে ওই নেতা।

শিপু নামে ওই নেতা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক।

এদিকে ঘটনার ১৩ দিন পার হলেও অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা জুবায়ের আহমদ শিপুকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, উপজেলার আগতালুক গ্রামের মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হাসান শিপু (২৭) গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে বোরকা পরে ওই নারীর ঘরের দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


ধর্ষণের পর যাওয়ার সময় বিধবার মোবাইল নম্বর নিয়ে যায় অভিযুক্ত জুবায়ের এবং হুমকি দিয়ে যায়, ঘটনাটি যাতে জানাজানি না হয়। পরদিন ফোন করে বলে তিনি আবারও আসবেন। সুযোগ না দিলে বড় ধরনের ক্ষতি করবে।

ঘটনার পরদিন ভিকটিম নারী কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

সেখানে থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান কানাইঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর