ইমন ঘোষ বনে গিয়ে দুই হিন্দু নারীকে বিয়ে করল ইউসুফ

বরিশাল প্রতিনিধি

ইমন ঘোষ বনে গিয়ে দুই হিন্দু নারীকে বিয়ে করল ইউসুফ

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ঐচারমাঠ গ্রামে হিন্দু সেঁজে বিয়ের আট বছর পর স্ত্রী’র কাছে ধরা খেয়ে প্রতারক ইউসুফ আলী ওরফে ইমন ঘোষ এখন কারাগারে।

ইউসুফ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার তারালিয়া গ্রামের কুরুশ মিয়ার ছেলে। 

এ ঘটনায় গত বুধবার রাতে প্রথম স্ত্রী তাপসী বাদী হয়ে ইমনকে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় ইমনকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন। তাপসী ঐচারমাঠ গ্রামের প্রয়াত অটল বাড়ৈর মেয়ে।

আরও পড়ুন:


ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে তরুণীকে বিয়ে, অতঃপর যা ঘটল

ছাত্রদল নেতার কাণ্ড, স্ত্রী-সন্তানের কথা গোপন রেখে কিশোরীর সঙ্গে ‌‘প্রেম ও ধর্ষণ’

ধর্ম পরিচয় গোপন রেখে ধর্ষণ, ভিডিও দেখিয়ে ৫ বার ধর্ষণ

স্বামীকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে পরকীয়া, প্রেমিক ধরা

পরকীয়া প্রেমিকের হারিয়ে যাওয়া ফোনে স্বামী হত্যার রহস্য ফাঁস

পরকীয়া প্রেমিকাসহ ধরা যুবদল নেতা

পরকীয়া প্রেম: রাতভর আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ


আগৈলঝাড়া থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার জানান, আট বছর আগে আগৈলঝাড়ার ঐচারমাঠ গ্রামের তাপসী বাড়ৈর সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। পরে তাপসী ও ইমনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইউসুফ আলী তার নিজের পরিচয় ও ধর্ম গোপন রেখে ইমন ঘোষ পরিচয়ে হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে ইমন তার স্ত্রী তাপসীর বাবার বাড়ি থেকেই রাজমিস্ত্রীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলো। তাদের দাম্পত্য জীবনে অপূর্ব নামে চার বছরের এক ছেলে রয়েছে। সন্তান হবার পর ইমন উধাও হয়ে যায়।

গত চার বছর আগে প্রথম স্ত্রী তাপসীর বিনা অনুমতিতে ইউসুফ পূর্বের মতো নিজের পরিচয় ও ধর্ম গোপন রেখে একইভাবে ইমন ঘোষ পরিচয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলার একই ইউনিয়নের তালতারমাঠ গ্রামের অতুল বেপারীর মেয়ে বৃষ্টি বেপারীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে তাকে বিয়ে করে।

এরপর পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের সুপেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে দ্বিতীয় স্ত্রী সাথে নিয়ে বসবাস শুরু করে ইমন ওরফে ইউসুফ।  

প্রতারণার ঘটনায় মামলা দায়েরের পরপরই থানা পুলিশ ইউসুফকে গ্রেফতার করে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত বড় ভাইয়ের মৃত্যু

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত বড় ভাইয়ের মৃত্যু

মাদারীপুরের কালকিনিতে ছোট ভাইয়ের হামলায় আহত বড় ভাই মো. সামচুল হক মাতুব্বর (৬২) মারা গেছেন। আজ ভোরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছেন। 

স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার বাঁশগাড়ী এলাকার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আমির হোসেন মাতুব্বরের ছেলে মো. সামচুল হক মাতুব্বরের সঙ্গে তার সৎ ছোট ভাই আজিজুল হক ওরফে জুলহাসের দীর্ঘদিন যাবত জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত শুক্রবার সকালে নিহত সামচুল হকের উপর হামলা চালায় সৎ ছোট ভাই আজিজুল হক। 

পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভতি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। খবর পেয়ে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


প্রত্যক্ষদর্শী মো. জাকির হোসেন বলেন, আমাদের সামনে সামচুল হককে মারধোর করেন তার সৎ ছোট ভাই আজিজুল হক ওরফে জুলহাস।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, খবর পেয়ে আমরা নিহত সামচুল হকের লাশ উদ্ধার করেছি। লাশটির ময়না তদন্ত করার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মোহনপুরে মসজিদের ধান চুরি: সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

মোহনপুরে মসজিদের ধান চুরি: সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ৭

কোব্বাস আলী

মসজিদের ধান চুরি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কোব্বাস আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি। 

গতকাল রাতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের খয়রা মাটিকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজন জানান, মাসখানেক আগে স্থানীয় মসজিদ থেকে ২০ কেজি ধান চুরি হয়। গ্রামবাসীর সন্দেহ, কোব্বাস আলীর ভাগনে সাদ্দাম হোসেন (২০) এসব ধান চুরি করে। মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য কোব্বাস আলী ঘটনাটি সালিস করে মীমাংসা করেন। কিন্তু মুসল্লিদের একটি পক্ষ তা মেনে নেয়নি। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল। 

গতকাল রাত আটটার দিকে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে কোব্বাস আলীর কথা-কাটাকাটি হয়। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে আসেন কোব্বাস আলীর স্বজনেরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ ধারালো দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কোব্বাস আলী ও তার দুই ছেলে আহত হন। প্রতিপক্ষেরও চার থেকে পাঁচজন আহত হন। 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


আহতদের তাৎক্ষণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোব্বাস আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বৃদ্ধের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হামলায় আহতরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, এখন বিয়ের দাবিতে অনশন!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, এখন বিয়ের দাবিতে অনশন!

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামী তালাক দিয়ে এখন বিয়ের দাবিতে প্রেমিক ইতালি প্রবাসীর বাড়িতে অনশন করছেন ওই নারী। এমন ঘটনা ঘটেছে  শরীয়তপুর সদর উপজেলায়। শুক্রবার সকাল থেকে ওই নারী যুবকের বাড়ির সামনে বসে অবস্থান নিয়ে অনশন করছিলেন। ওই প্রবাসী যুবকের নাম নুরুল হক ব্যাপারী (২৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের দাঁতপুর উত্তরভাষান চর গ্রামে। এর আগেও ওই নারী তিনবার নুরুল হকের বাড়িতে আসেন। 

সূত্রে জানা যায়, নুরুল হক ২০১০ সালে কাজের সন্ধানে জর্ডান যান। পরে সেখান থেকে লিবিয়া যান। লিবিয়া থেকে ২০২০ সালের জুন মাসে ইতালি যান। 

ওই নারীর জানায়, নড়িয়া পৌরসভার শালাল বাজার এলাকায় নুরুল হকের বোন সাবিনার শশুর বাড়ি। একই এলাকায় ভাড়া থাকেন ওই নারী। সেই সুবাদে ওই নারীর সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে উঠে সাবিনার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নুরুল হক লিবিয়া থাকাকালীন অবস্থায় ওই নারীর মুঠোফোনের ইমুতে ভিডিও কলে নুরুল হকের সঙ্গে কথা বলতেন বোন সাবিনা। তখন নুরুল হকের সঙ্গে ওই নারীর মাঝে মধ্যে কথোপকথন হতো। কথা বলতে বলতে তাদের মধ্যে প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

ওই নারী আরও জানায়, ২০১১ সালে ১৭ জুলাই নড়িয়া বিঝারি কান্দাপাড়া গ্রামে আমার একটি বিয়ে হয়। স্বামী গ্রিসে থাকে। আমাদের নয় বছরের একটি ছেলে আছে। স্বামীকে তালাক দিলে নুরুল হক আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। তাই আমি স্বামীকে তালাক দিয়েছি। বিষয়টি আমাদের দুজনেরই জানা ছিল। হঠাৎ একদিন আমাকে ফোনে বিয়ের কথা বলে নুরুল হক। আর তার গ্রামের ঠিকানা দেয়। আমি তাদের বাড়িতে যাই, পরিবারের সকলের সঙ্গে আমার পরিচয়ও হয়। আমাকে ফোনে বিয়ে করবে বলে জন্মনিবন্ধন, দুই কপি ছবি ও পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে তার ভাই আমিনুল হক ব্যাপারীর কাছে যেতে বলে। আমি সদরের আংগারিয়া বাজার গিয়ে আমিনুলের দোকানে এগুলো দেই। তারপর নুরুল হকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে একটি ফর্মে স্বাক্ষর দেই। কিছুদিন পর নুরুল হকের কাছে কাবিন নামা চাইলে তিন মাস পরে পাবে বলে জানায়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, আবার জমি কিনবে বলে নুরুল আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টকা চায়। আমি দুই দফায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেই। টাকাটা আমিনুলের দোকানে গিয়ে দিয়ে আসি। আবারও কাবিন নামা চাইলে এখন নুরুল হকসহ তার পরিবার বলছে, কে তুই? তোকে চিনি না। আমাকে তারা চিনে না। এখন ইতালি থেকে নুরুল হক সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি বাধ্য হয়েই আমার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ওর বাড়িতে গিয়ে উঠেছি।

তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আমি নুরুল হকের বাড়িতে আসি। তখন তার ভাই আমিনুল, বোন তানজিলাসহ বেশ কয়েকজন আমাকে মারধর করে। আমি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে সদরের পালং মডেল থাকায় একটি অভিযোগ করি। 

নুরুল হকের বোন তানজিলা বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতো ওই নারী। ভাইকে বলেছে তার বিয়ে হয়নি। এখন জানতে পারি তার বিয়ে হয়েছে। একটি ছেলেও আছে। ওই নারী আমার ভাইয়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন আমাদের বাড়িতে এসেছেন তিনি। বলছে ভাইয়ের কাছে বিয়ে বসবে। আমরা বলেছি বিয়ে করলে ইতালি যাও।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, অনশনের বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। বিষয়টি খবর নিয়ে দেখছি। এর আগের অভিযোগের ব্যাপারটি দেখে বলতে হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে দিনে দুপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের এই ঘটনায় শাহিনুর আলীসহ আরও অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। 

ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই গৃহবধূ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছেন। 

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তার একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান আছে। গত এক বছর ধরে স্থানীয় শাহিনুর তাকে প্রেম নিবেদনের পাশাপাশি নানাভাবে বিরক্ত করত। স্বামী বিদেশ যাওয়ার এক মাস না পেরোতেই শাহিনুর অধিকতর উগ্র হয়ে পড়ে। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এই অবস্থায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে ধর্ষণের শিকার নারী পশ্চিম শেখদি হযরত খাজা সাহের রোডের বাসা থেকে যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন। তিনি ভাঙ্গা প্রেস এলাকার ইত্তেফাক হাউসের সামনে পৌঁছামাত্র শাহিনুরসহ ওত পেতে থাকা আসামিরা তাকে জোর করে একটি সিএনজিতে তুলে। পরে শাহিনুরের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক আছে। ইতোমধ্যে অজ্ঞাত আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করেছি। শাহিনুরসহ অজ্ঞাত আসামিদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে। আশা করছি, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।
news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

এক প্রসূতির গর্ভ থেকে শিশুর শরীর বের হলেও মাথা ভেতরে রয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে যশোর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে। আয়া দিয়ে ডেলিভারির সময় এমন ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠানটির আয়া মোমেনা খাতুনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর হলেন বেনাপোলের গাজীপুরের বাসিন্দা আন্না।

গতকাল শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটে এই ঘটনা ঘটে।

শার্শা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আইয়ুব হোসেন অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আন্না খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা বের হয়েছিল। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর ছিলেন প্রসূতি। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা আবার বের হয়ে এলে সে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি আমার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশনের জন্যে। কোনো ডাক্তার বা নার্স আসেননি সহযোগিতা করতে। একপর্যায়ে হাসপাতালের আয়া মোমেনা খাতুন এগিয়ে আসেন এবং শিশুর পা ধরে টান দেন। এতে শিশুটির মাথা এবং ধড় আলাদা হয়ে যায়। মাথাটি রয়ে গেছে ভেতরে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটলেও রাত দশটা নাগাদ কোনো চিকিৎসক আসেনি আমার স্ত্রীর কাছে।

তবে কর্তব্যরত নার্সরা বলেন, প্রসূতির গর্ভের সন্তানের বয়স হয়েছে মাত্র ২০ সপ্তাহ, ওজন মাত্র ৩৯৯ গ্রাম। সকালে আলট্রাসনোগ্রাম করে দেখা গেছে, শিশুটি পেটের মধ্যে মৃত অবস্থায় রয়েছে। আয়া কখন কীভাবে কী করেছে তা জানা নেই বলে দাবি নার্সদের। 

এদিকে, যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও আরিফ আহমেদ ওই আয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কোতয়ালী থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, এরকম কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর