পাহাড়ে লাখো মানুষের অরণ্যে পরিণত

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পাহাড়ে লাখো মানুষের অরণ্যে পরিণত

পাহাড়ে নামছে পর্যটকের ঢল। প্রতিদিন আসছে তিন থেকে চার হাজারেরও অধিক মানুষ। মূলত পহেলা বসন্ত থেকে নামছে এ পর্যটকের ঢল। আর টানা তিনদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় লাখো মানুষের অরণ্যে পরিণত হয়েছে রাঙামাটি। শুধু রাঙামাটি নয়। এমন পর্যটক উৎসবে মেতেছে অপর দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। 

সবুজ অরণ্যে রাজ্য পার্বত্যাঞ্চলে এখন পর্যটন উৎসবে মেতেছে। পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। অগণিত পর্যটক আগমনে তিল পরিমাণ জায়গা খালি নেই কোথাও। অন্যদিকে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শতভাগ বুকিং রয়েছে  শহরের আবাসিক হোটেল, মোটেল, সরকারি রেস্ট হাউসগুলো। কোথাও রুম খালি নেই। আছে অগ্রিম বুকিং। সড়কে, সড়কে পিকনিক পার্টি ও ভ্রমণ পিপাসুদের গাড়ির বহরের ভিড় যেন লেগে আছে।


নাসির-রাকিব ছাড়াও ৬ মাসের আরেটি 'সংসার' ছিল তামিমার!

নাসিরের বউয়ের গোপন তথ্য ফাঁস, ঠকলেন নাসির (ভিডিও)

কাদের মির্জাকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি

অন্যের বউকে বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

নাসিরের প্রোফাইলে সিঙ্গেল ছবি


সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্রগুলো ছিল ভরপুর। প্রকৃতির টানে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছে দেশি-বিদেশি হাজার হাজার পর্যটক। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে আগত পর্যটকরা রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, শুভলং ঝর্ণা, পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক ও কাপ্তাই-আসামবস্তী সড়কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। 

কেউ কাপ্তাই হ্রদ নৌ-ভ্রমণের আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতেছে। আবার কেউ প্রকৃতিকে উজাড় করে দিচ্ছে নিজেকে। বিকালের সূর্যের সোনালী রঙ যখন ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক তখনি মানুষের ভিড় জমে পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে। শীতের উষ্ণতায় হ্রদ, পাহাড় আর কুয়াশার লুকোচুরি খেলার দেখা মিলে এখানে। তাতেই মুগ্ধ পর্যটকরা।

রাঙামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া জানান, শীতের শুরু থেকে এখানে প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিন হাজার পর্যটক আসছে। বসন্ত ঘিরে রাঙামাটিতে বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। পর্যটকদের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

গরমে অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচার উপায়

শীত পেরিয়ে চলে এসেছে বসন্ত। সামনেই আসছে গ্রীষ্মকাল। আর গরমের সাথে সাথে শুধু আম-কাঠাল-লিচুর সুখই বয়ে আনে না, সাথে নিয়ে আসে বেশ কিছু সমস্যাও। তার মধ্যে অন্যতম হল ঘামের সমস্যা।

গরমের সময় আমাদের আন্ডার-আর্মস বা বগল ঘর্মাক্ত হয়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া আমাদের ঘর্মাক্ত করে তোলে। ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন অনেকে। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকতে হয়।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপনি যদি ঘাম ও দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। আসুন, আমরা ছয়টি পরামর্শ জেনে নিই—

গোসলের পর পোশাক পরতে সময় নিন

গোসলের সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। পোশাক পরার ক্ষেত্রেও নয়। আপনি যদি এমন জায়গায় থাকেন, যেখানকার আবহাওয়া স্যাঁতস্যাঁতে ও গরম, তাহলে তা আরও গুরুত্বপূর্ণ। শরীর ভালোভাবে শীতল হওয়ার আগে যদি পোশাক পরেন, তাহলে আপনি অতিরিক্ত ঘর্মাক্ত হবেন। তাই, গোসলের পর পোশাক পরার আগে একটু অপেক্ষা করুন। শরীরকে সম্পূর্ণভাবে শীতল হতে দিন। এরপর পোশাক পরুন।

সীমিত ক্যাফেইন গ্রহণ

যখন আপনি কিছুতে মনোযোগ দিতে পারছেন না বা ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ খুব উপকারী। কিন্তু ঘামের ক্ষেত্রে এটি ভালো নয়। ক্যাফেইন হার্ট রেট বাড়ায় এবং ঘামের গ্রন্থিগুলো অতি-সক্রিয় করে। তাই, আপনি যদি কম ঘামতে চান, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করুন।

সুতির পোশাক পরুন

গরমকালে ত্বকের স্বস্তির জন্য পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সিনথেটিক কাপড় ত্বকের জন্য স্বচ্ছন্দ নয়, ঘাম বেশি শুষে নেয়; যা আপনাকে শুধু অস্বস্তিতেই ফেলে না, বগলকে আরও ঘর্মাক্ত করে। তাই এ সময় সুতির কাপড় পরুন এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা উচিত। তাহলে আপনি কম ঘর্মাক্ত হবেন।

শেভ করুন

গরমে আপনার বগলকে কেশমুক্ত রাখুন। বগল কেশমুক্ত থাকলে আপনি কম ঘর্মাক্ত হবেন। ঘাম থেকে মুক্তির জন্য এটা দারুণ কার্যকর কৌশল। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী এটা উত্তম।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


খাদ্যাভ্যাস

বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, খাবারের কারণেও অতিরিক্ত ঘাম হয়। আপনি যদি লক্ষ করেন, তবে দেখবেন, কিছু খাবার খাওয়ার পর ঘাম হয়। তাই এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কেমন খাবার সেগুলো? উষ্ণ ও মসলাযুক্ত খাবার এবং যেগুলোতে উচ্চমাত্রায় চর্বি থাকে। এসব খাবার শরীরকে উষ্ণ করে এবং ঘর্মাক্ত করে। তাই গরমকালে এসব খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

পানি পান করুন

গরমকালে প্রচুর পানি পান করা দরকার। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং এভাবে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়া রোধ করে। সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রতিদিন অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

অনলাইন ডেস্ক

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

বর্তমানে চীনে কোন দম্পতি সর্বোচ্চ দুইটি সন্তান নিতে পারে। এর বেশি হলে নিয়মভঙ্গের দায়ে তাদেরকে জরিমানা দিতে হয়। সেই নিয়মে এক চীনা দম্পতি ৭ জন সন্তান নিয়ে স্বেচ্ছায় জরিমানা দিয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ডলার। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোষ্ট এর।

২০১৫ সাল পর্যন্ত চীনা দম্পতিরা একটি সন্তান নিতে পারতো। এর পর দুই সন্তান নীতি গ্রহণ করে তারা। এর বেশি সন্তান নিতে হলে ‘সোশ্যাল সাপোর্ট ফি’ নামে স্থানীয় সরকারকে জরিমানা প্রদান করতে হয়। এই জরিমানা না দেওয়া হলে দুইয়ের পর থেকে যে সন্তান হয় তারা দেশটির কোন সরকারি কাগজপত্র পায় না।

চীনের দক্ষিণে গুয়াংজং প্রদেশে বাস করেন এই দম্পতি। ঝ্যাং পেশায় স্কিনকেয়ার, গহনা ও কাপড়ের ব্যবসা করেন। তিনি মর্নিং পোষ্টকে বলেন, তাদের যেন একা থাকতে না হয় এ কারণে আগে থেকেই একাধিক সন্তান নেয়ার ইচ্ছে ছিল।

৫ জন পুত্র ও ২ কন্যা সন্তান নিয়ে পেশায় ব্যবসায়ী ঝ্যাং রংরং (৩৪) ও তার স্বামী (৩৯) মোট ৭ জন সন্তানের বাবা-মা। বাচ্চাদের সবার বয়সই এক থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

ঝ্যাং আরও বলেন, “আমার স্বামী প্রায়ই বাইরে থাকে, তাছাড়া বড় বাচ্চাগুলোও পড়াশোনার জন্য বাইরে থাকে। এসময় আমার বাকি বাচ্চারা আমার কাছে থাকে… যখন আমি বৃদ্ধ হব, তখন তারা সবাই আমাকে দেখতে আসতে পারবে।”


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


তিনি আরও জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করায় তারা আর কোন সন্তান নিবেন না। তাছাড়া তার সন্তানেরা যেন স্বচ্ছলভাবে থাকতে পারে তাই তারা তাদের ৭ম সন্তান নেয়ার আগেই নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সারাদেশ ঘুরে গাছের পেরেক তোলেন ওয়াহিদ সরদার

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশ ঘুরে গাছের পেরেক তোলেন ওয়াহিদ সরদার

আবদুল ওয়াহিদ সরদার। বাড়ি যশোর শহরে। ২০১৮ সাল থেকে সারাদেশে গাছের পেরেক তুলছেন। সারাদেশে ২০ হাজার গাছও লাগিয়েছেন তিনি। পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। শুনুন গাছপ্রেমী মানুষটির কথা৷

গাছ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১১ মন ২০ কেজি পেরেক তুলেছেন তিনি। পেরেক তোলার জন্য তার রয়েছে বিভিন্ন লোহার সরঞ্জাম। সাইকেলে করে ঘুরে বেড়িয়ে দেশের নানা প্রান্তের গাছের পেরেক তোলেন তিনি। পেরকে তোলার জন্য তিনি সারাদেশ ঘোরেন। তাই ঘুমানোর জায়গা নেই। যেখানে রাত হয় সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। 


যে শর্ত মানলে ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ

নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল


তার সাইকেলের সামনে একটি সাইনবোর্ড আছে। ওই সাইনবোর্ডে লেখা "গাছ বাচঁলে আমরা সবাই বাচঁব"। দেশের সব জেলায যাওয়ার ইচ্ছে আছে তার। তিনি আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তখন থেকেই তার গাছ আর প্রাণের প্রতি ভালবাসা। 

আবদুল ওয়াহিদ সরদার বলেন, গাছে পেরেক মারলে গাছের গ্রোথ মরে যায়। 

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। গাছ না থাকলে মানুষও বাচঁবে না। তাই গাছ রক্ষা করতে হবে। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে কারণ ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩৫ লাখ সৌদিয়ান জন্মদিন পালন করেছে

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণ ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩৫ লাখ সৌদিয়ান জন্মদিন পালন করেছে

সৌদি আরবের জন্য অদ্ভুত এক দিন ছিল গত ১৪ ফেব্রুয়ারি। ঘটনাটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। প্রায় ৩৫ লাখেরও বেশি সৌদি নাগরিক তাদের জন্মদিন উদযাপন করেছেন এই দিনে যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-দশমাংশ।

আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে নাগরিকদের জন্য পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয় ৬০ বছর আগে। সেসময় নিবন্ধন করতে যারা এসেছিলেন, তাদের  মধ্যে অনেকেই জানতেন না তাদের সঠিক জন্ম তারিখ। এমনকি, সৌদি আরবের প্রবীণ প্রজন্ম তাদের সঠিক জন্ম তারিখ, মাস জানেনা। তারা কেবল জন্মসালটুকুই জানে।

একারণে, প্রায় ৪৫ বছর আগে দেশটির সিভিল অ্যাফেয়ার্সের মিনিস্ট্রিরিয়াল এজেন্সি, হিজরি ক্যালেন্ডারের সপ্তম মাস রজবের এক তারিখকে, লক্ষ লক্ষ সৌদিদের জন্ম তারিখ হিসাবে নিবন্ধন করেছিল। যদিও তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন, যারা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে তাদের জন্মদিন কবে তা জানতো।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বা খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী এ বছর রজব মাসের এক তারিখ ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি। সৌদিতে হিজরি ক্যালেন্ডার দাপ্তরিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।


ভাইরাল পাকিস্তানি ‘স্ট্রবিরিয়ানি’

যুক্তরাজ্য মুরগির মাংস খেয়ে মৃত ৫, অসুস্থ কয়েকশ

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলা, ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ নিহত তিন

স্কুলের খাদ্য তালিকা থেকে মাংস বাদ দিয়ে বিপাকে মেয়র


সাবেক ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও সৌদি নাগরিক জামাল-আল-ইব্রাহীম নামে এক ব্যক্তি আরব নিউজকে বলেন, "যদি আপনি হিজরি ক্যালেন্ডারের রজব মাসের ১ তারিখে জন্ম নিয়ে থাকেন তবে,অবশ্যই  আপনার  প্রজন্মকে ভালো বলা যায়।"

তিনি বলেন, "পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে আমি বড়, যদিও আমাদের সবার জন্মদিন একই তারিখে। অবশ্য, আমার মা আমাদের জন্য সারাবছর আলাদা আলাদা জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করতেন। কারণ, আমরা একইদিনে সবার জন্মদিন পালন করতে চাইতাম না।"

অদ্ভুদ এই ঘটনাটি শুধু সৌদি আরবেই ঘটেছে। অভিনব এই জন্মদিন পালনের কথা শুনে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমেও আসে।   

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনের পরিবেশের ভয়াবহ অবনতি

অনলাইন ডেস্ক

সুন্দরবনের পরিবেশের ভয়াবহ অবনতি

সুন্দরবনের উপর দিয়ে বয়ে চলে নানা ধরণের যান্ত্রিক। যা বনের পরিবেশ বিনষ্ট করছে সাথে সাথে বণ্য পশুপাখির জন্যও ঝুঁকির কারণ হয়ে দাড়িঁয়েছে। সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা কমেছে অনেক। অন্যান্য অনেক পশুপাখি হারিয়ে গেছে। সুন্দরবনের পাশ দিয়ে চলা নদীর পানি দূষিত হয়েছে।   

সুন্দরবন এলাকায় শিল্প কারখানা স্থাপন, যান্ত্রিক নৌযান চলাচল, বিষ দিয়ে মাছ শিকারসহ নানা কারণে দূষণ বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী জানান, ‘‘২০১০ সালে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত পশুর নদের প্রতি লিটার পানিতে তেলের পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম। আর এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ মিলিগ্রামে; যেখানে স্বাভাবিক মাত্রা হলো ১০ মিলিগ্রাম।

সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা নদ-নদীর পানি ও মাটিতে দূষণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় আগের মতো আর গাছের চারা গজাচ্ছে না। তাছাড়া পানিতে তেলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলজ প্রাণী। যেসব রুটে নৌযান চলাচল করে, ওই রুটগুলোর বনের পাশে এখন আর তেমন হরিণ, বানরসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখা যায় না।’’

সুন্দরবনে আছে প্রায় ৩২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৮ প্রজাতির উভচর, ৩২০ প্রজাতির আবাসিক ও পরিযায়ী পাখি আর প্রায় ৪০০ প্রজাতির মাছ। এছাড়া অগণিত কীটপতঙ্গও আছে এ বনে।


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

স্বামী রণবীরের ছবিতে স্ত্রী দীপিকা আইটেম গার্ল

দেশেই যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি


শিল্প কারখানা স্থাপন, যান্ত্রিক নৌযান চলাচল, বিষ দিয়ে মাছ শিকারসহ বিভিন্ন তৎপরতা বনের গাছপালা, বন্যপ্রাণী ও জলজ প্রাণীর ওপর প্রভাব পড়ছে। সুন্দরবন অ্যাকাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বনবিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়হীনতায় সুন্দরবনে পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করেন।

দূষণের কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে বলে মনে করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) খুলনার সমন্বয়কারী এম বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘‘বনের কিছু এলাকায় শিল্প কারখানা ও বনের মধ্য দিয়ে জলযান চলার কারণে সুন্দরবনে দূষণ বেড়েছে।’’

অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, ‘‘বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে বন বিভাগের উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। এ অবস্থা নিরসনে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুন্দরবন দিবস পালনের দাবি জানাই, এতে  সুন্দরবন সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা তৈরি হবে।’’

খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মো. মঈনুদ্দিন খান, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভাগীয় কর্মকর্তা আ স ম হেলাল সিদ্দিকী এবং বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার সুন্দরবন সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।

তবে দিন যত যাচ্ছে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ততই বিনষ্ট হচ্ছে। মানুষের অবহেলা আর লোভের কারণে সুন্দরবন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এই বন রক্ষায় মানুষকে আরো সচেতন হতে হবে। 

সূত্র:ডয়েচে ভেলে

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর