নিউজ টোয়েন্টিফোরের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাতকার

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নেই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: দুদু

তৌহিদ শান্ত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এভা্বেই বলছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। 

বিশেষ সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, দেশের রাজনীতির সূতিকাগার ডাকসু একসময় মানুষের অধিকার আদায়ে বিশেষ ভুমিকা রাখলেও সরকারি হস্তক্ষেপে তা আজ বিলীন হয়েছে। 

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে ১৯৮৫ এবং ১৯৮৬ সালে দুই বার দায়িত্ব পান শামসুজ্জামান দুদু। ১৯৯৬ সালের সমালোচিত ১৫ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে সদস্য হন, একই বছরের ১২ই জুনের নির্বাচনে সপ্তমে সংসদেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন চুয়াডাঙ্গা থেকে। 

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলছেন তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান আসলে বঙ্গবন্ধুর ডাকেই অংশ নিয়েছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে।

বাঙালী জাতির অধিকার ফেরাতেই বঙ্গবন্ধু জীবনে বহুবার জেল খেটেছেন, আর সেই প্রতিদানেই বাংলাদেশ- বলছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি।


স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২৮ ফেব্রুয়ারির পর: শিক্ষামন্ত্রী

আগামী ২৪ মে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হবে

মৃত্যুর পর সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেল সুশান্ত

স্নাতক পাসে ইস্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ


যদিও তিনি মনে করেন স্বাধীন বাংলাদেশে ডাকসুর ২য় নির্বাচনে প্রতিপক্ষের বিজয় মেনে না নেয়া থেকেই শুরু নির্বাচনের ফলাফলে ক্ষমতাসীনদের হস্তক্ষেপ।

শামসুজ্জামান দুদু বলছেন, রাজনৈতিক সংকট সমাধানে সরকার এবং বিরোধী পক্ষ- উভয়কেই নমনীয় হয়ে এগোতে হবে, এক্ষেত্রে সরকারি দলের দায়িত্ব বেশী। 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে সূর্যমুখী ফুলের হাসি দেখতে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা

শেখ জায়েদ, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে সূর্যমুখী ফুলের হাসি দেখতে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা

হলুদ রংয়ের হাজারো ফুল মুখ করে আছে সূর্যের দিকে। বসন্তে ফসলের ক্ষেতের এমন দৃশ্য টানছে সৌন্দর্য পিপাসুদেরও। বলছি চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কৃষিগবেষণা কেন্দ্রের বারি-তিন সূর্যমুখী প্রজেক্টের কথা। 

চট্টগ্রামের পরিবেশে চাষ উপযোগী এই তেলবীজের প্রদর্শনী দেখতে আসছেন কৃষকরাও।গোটা চট্টগ্রামে এর আবাদ ছড়িয়ে দিতে পারলে ভোজ্যতেলের আমদানী নির্ভরতা কমবে বলছেন কৃষি গবেষকরা।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম দেওয়ানপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় সড়কের পাশে ১ একরের বেশি জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখীর হলুদ আভায় ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সেই নজরকাড়া দৃশ্য দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন মানুষ।

সূর্যমুখীর তেল কোলেস্টেরলমুক্ত, ভিটামিন ‘ই’, ভিটামিন ‘কে’ ও মিনারেল সমৃদ্ধ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি রোগীর জন্যও সূর্যমুখীর তেল নিরাপদ। আর চাষও লাভজনক।

আরও পড়ুন:


দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে ১১ বন্ধুর চিত্র প্রদর্শনী

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

তাইওয়ান প্রণালীতে আমেরিকার জাহাজ আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে: চীন

এনা ও লন্ডন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ২০


বারি তিন খাটো জাতের সূর্যমুখী, এর কান্ডও বেশ শক্ত,ফলে ঝড় ঝঞ্ঝায় ক্ষতি কম হয়।তাই এটিকে চট্টগাম অঞ্চলে চাষ উপযোগী হিসেবে শনাক্ত করেছেন কৃষিবিজ্ঞানীরা।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. খলিলুর রহমান ভুঁইয়া বলছেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে সব সময় ঝড় বৃষ্টি লেগেই থাকে। তাই এই খাটো জাতের সূর্যমুখি চাষ করলে ঝড় থেকে রক্ষা পাবে। এই জাত কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া গেলে তারা লাভবান হবেন বলেও মনে করছেন তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে ১১ বন্ধুর চিত্র প্রদর্শনী

ফাতেমা কাউসার

দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে ১১ বন্ধুর চিত্র প্রদর্শনী

কথায় আছে যে রাধেঁ সে চুলও বাঁধে- আর এ কথাই প্রমাণ করলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের ১৯৮৯ শিক্ষাবর্ষের ১১ শিক্ষার্থী। চাকরী, সংসার আর ব্যস্ততার বেড়াজালে চারুশিল্প থেকে নির্বাসনে ছিলো শিল্পীমন। তবে শিল্পের প্রতি ভালোবাসার টানে আবারো তারা আয়োজন করলো “একুশের চেতনায়” শিরোনামে প্রদর্শনী। যেখানে নিজেদের আঁকা প্রায় ৩৭টি শিল্পকর্ম ঠাঁই পেয়েছে।

ব্যস্ততম দাম্পত্য জীবনে আবদ্ধ সবাই। কেউবা আবার করেন চাকরি। কিন্তু আপন ভুবনের প্রতি টানটা যেনো আগের মতোই।  শত ব্যস্ততার মাঝেও সৃষ্টিশীল প্রতিভা তাদের চেতনাকে জাগিয়ে রেখেছে। তারই প্রতিফলন এই প্রদর্শনী। দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে জীবনকে নতুন করে রাঙাতে ১১ বন্ধুর গড়ে তোলা কালার্স এর ৬ষ্ঠ প্রদর্শনী এটি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহম্মদপুরে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আবৃত্তিকার ড. ভাস্বর বন্দোপাধ্যায় ও চিত্রশিল্পী অধ্যাপক নাইমা হক। সাময়িক বিরতির পর তাদের এই ফিরে আসা শিল্পের প্রতি অদম্য ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ বলছেন অতিথিরা।

আরও পড়ুন:


অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

তাইওয়ান প্রণালীতে আমেরিকার জাহাজ আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে: চীন

এনা ও লন্ডন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ২০

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!


এবারের প্রদর্শনীর শিরোনাম “একুশের চেতনায়”। শুভ্র দেয়ালে স্থান পাওয়া প্রত্যেকে ক্যানভাসে রং তুলিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে শিল্পী মনের নানা ভাবনা। নতুনদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই ফিরে আসা বলে জানান আয়োজকদের ক’জন।

১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ৩৭টি শিল্পকর্ম। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

লাকমিনা জেসমিন সোমা

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানী ঢাকা। বছরজুড়ে উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি, যানজট, জলজট, শব্দ ও বায়ু দূষণসহ নানা সমস্যায় নাকাল নগরবাসী। নিউজ টোয়ন্টিফোরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাকারে নগর বিশ্লেষক স্থপতি ইকবাল হাবিব বলছেন, সেবা সংস্থার সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহিতার অভাবেই এমন ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী। সেইসাথে নগরবাসীর অসচেতনতাকেও দায়ী করছেন তিনি।

বছরজুড়ে উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি। যানজট যেন  নিত্যসঙ্গী। ভাঙাচোরা আর দখলে হাঁটার জায়গা নেই ফুটপাথে। সেইসঙ্গে বেড়েছে মশার উৎপাত। শব্দ ও বায়ু দূষণও চরমে। সব নিয়ে দুর্ভোগে নাকাল রাজধানীবাসী। একান্ত সাক্ষাকারে শহরের এমন অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেন নগর বিশ্লেষক স্থপতি ইকবাল হাবিব।

এসময় তিনি জানান, যে প্রকল্পের গুরুত্ব সবচেয়ে কম সেটিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। সেটা পরিবহন বা চলাচলের ক্ষেত্রে হোক কিংবা নগরের আবাসন ক্ষেত্রে হোক। আমরা যখন গণপরিবহনের কথা বলি তখন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে যায় বাসের কথা বললে মেট্রোরেল হয়ে যায়। আসলে এই বিষয়গুলি পারস্পারিক যুদ্ধের বিষয় না। চাই সমন্বয়।

বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে সারা বছরই চলে খোঁড়াখুঁড়ি। নগরবাসীর দুর্ভোগের পেছনে সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা ও জবাবদীহীতকেই দায়ী করছেন এই স্থপতি।

পরিকল্পিত নগরী গড়ার মূল শর্ত হল সকলে মিলে পরিকল্পনার অধিনস্ত থেকে কাজ করবে। পরিকল্পনা যদি যার যার তার তার হয় তাহলে আরো বড় ঝামেলা বাধবে। এক জনের প্রকল্প অন্য জনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর এই সমন্বয়হীনতায় হরহামেশায় চলে আসছে।

আরও পড়ুন:


তাইওয়ান প্রণালীতে আমেরিকার জাহাজ আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে: চীন

এনা ও লন্ডন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ২০

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

কাল জানা যাবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক খুলবে কিনা


সেবা সংস্থার উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতার উপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন স্থপতি ইকবাল হাবিব। বলছেন, নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে জনবান্ধব উন্নয়ন প্রকল্পের কথা।

এই স্থপতি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশনের দাড়াই সম্ভব জনগনের সম্পৃক্ততায় বিনিয়োগ করা। জনগণকে যদি সম্পৃক্ত করা না যায় তাহলে সে তার মতো করেই ময়লা ফেলবে।

ঢাকাকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে জবাবহিদিতা নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করছেন নগর বিশ্লেষক ইকবাল হাবিব।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যাদুকাটা নদীর তীরে তিন হাজার গাছে লাখো শিমুল ফুল

অনলাইন ডেস্ক

টকটকে লাল শিমুল ফুটেছে বাগানজুড়ে। সূর্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রক্তিম রঙে তিন হাজার গাছে ফুটেছে লাখো শিমুল ফুল। বলছি দেশের সবচেয়ে বড় শিমুল বাগানের কথা। এ বাগান তাহিরপুর উপজেলা সীমান্ত এলাকায় যাদুকাটা নদীর তীরে মানিগাঁওয়ে অবস্থিত। শিমুল ফুলের সৌন্দর্য্য দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন প্রকৃতি প্রেমীরা।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


লাল ফুলের রক্তিম আভায় ছেয়ে গেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার দেশের সবচেয়ে বড় শিমুল বাগান। তাহিরপুর সীমান্তের রূপবতী নদী যাদুকাঁটা আর মেঘালয়ের উঁচু পাহাড়ের ঠিক মধ্যখানে অপরূপ সৌন্দর্যের এই শিমুল বাগান।

ফাগুনের অরুণ আলোয় ফুটে ওঠা শিমুল বাগানের এই টুকটুকে লাল ফুলগুলো দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন শত শত  পর্যটক।

তবে  সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার  উন্নতিসহ বাগানটি আরও আধুনিকায়নের দাবিও জানিয়েছেন প্রকৃতি প্রেমীরা।

সংশ্লিস্টরা বলছেন, এ বছর চার দফা বন্যার কারণে রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাস্তাঘাট সংস্কার সহ তাহিরপুরকে আকর্ষণীয় পর্যটন ক্ন্দ্রে হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

২০০২ সালে ব্যক্তি উদ্যোগে এই শিমুল বাগান গড়ে তুলেন প্রয়াত জয়নাল আবেদীন। দীর্ঘ ১৯ বছরে গাছগুলো বড় হয়ে যৌবনে পা রেখেছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পানির প্রবাহ বেড়েছে ঢাকা উত্তর সিটির ১৪টি খালে

তালুকদার বিপ্লব

পানির প্রবাহ বেড়েছে ঢাকা উত্তর সিটির ১৪টি খালে

খাল পরিস্কার করার তিনশ দিনের বিশেষ কার্যক্রমে ধীরে ধীরে পানি প্রবাহ পেতে শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৪টি খাল। কিন্তু অভিযোগ আছে চলমান কাজের মধ্যেও খালের ফেলা হচ্ছে বাসা-বাড়ি আর কল-কারখানার ময়লা-আবর্জনা। এদিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬১ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে বলে জানায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিকে দূর করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৪টি খাল পরিষ্কারের তিনশ দিনের বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর  সিটি কর্পোরেশন।

মঙ্গলবার এসব খালের সার্বিক অবস্থা ঘুরে দেখা যায়, খালে পরিষ্কার অভিযান শুরুর পর পরিস্থিতি বদলে পানির প্রবাহ বেড়েছে।এছাড়া খাল থেকে ভেসে আসা উৎকট গন্ধও অনেকটা কমেছে। 

কিন্তু খাল পরিস্কার অভিযানের মধ্যেও খালে ফেলা হচ্ছে বাসা বাড়িসহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ময়লা আবর্জনা।

এর ফলে খাল পরিস্কার করার প্রকল্প ব্যায় বেড়ে যাওয়া আশংঙ্কা করছেন উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সংস্থাটির বর্জ্য-ব্যবস্তাপনা বিভাগ বলছে, ১০ মাসে খাল পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমে পরিচ্ছন্ন-কর্মী ও বর্জ্য-অপসারণে পরিবহন খরচ বাবদ ব্যায় ধরা হয়েছে তিন কোটি বেয়াল্লিশ লাখ উনষাট হাজার টাকা।

আরও পড়ুন:


বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

ফেনীতে ফুড কারখানায় ভয়াবহ আগুন

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান বলছেন, কর্মীদের বেতন ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদির খরচ আছে। এছাড়াও এর সাথে যুক্ত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ পরিবহন ব্যায়।

কিন্তু গত পৌনে দুই মাসে ৮ হাজার পাঁচশ ৩৬ টন বর্জ্য-অপসারণে ব্যায় হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। প্রকল্প ব্যায় বাবদ আর ৬১ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয় থেকে। আশংঙ্কা করা হচ্ছে এর ফলে প্রকল্প ব্যায় বাড়বে কয়েক গুণ।

কমডোর এম সাইদুর রহমান আরও জানান, এ পর্যন্ত আনুমানিক এক থেকে দেড় কোটি টাকা এই প্রকল্পে ব্যায় হয়েছে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে আরও ৬১ কোটি টাকা মন্ত্রণালয়ের কাছে চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন বলছে, নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে এসব খাল পাড় বাঁধাই করে গাছের সারি, ওয়াক ওয়ে, সাইকেল লৈন তৈরি করে নান্দনিক রূপে সাজিয়ে তোলা হবে। সহযোগিতা পেলে খুব শিগগ্রহই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর