যা খেলে পরিপুর্ণ ঘুম হয়

অনলাইন ডেস্ক

যা খেলে পরিপুর্ণ ঘুম হয়

সুস্থ জীবনযাপনে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ঘুম না হলে দেখা দিতে পারে নানাবিধ সমস্যা। সারা দিনের কর্মব্যস্ততার পর আমরা যখন ক্লান্ত হয়ে যাই, তখন আমাদের সবার কাম্য পরিপূর্ণ ঘুম। আজ জানব, কোন খাবার ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে আর কোন খাবারগুলো ঘুম আনতে সহায়তা করে।

ঘুমের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক রয়েছে। এ জন্য কিছু খাবার গ্রহণ করতে হয়, কিছু খাবার বর্জন করতে হয়। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পরিপূর্ণ ঘুম খুবই দরকার। গবেষকেরা মনে করেন, যাঁদের পরিপূর্ণ ঘুম হয়, তারা অনেক দিন পর্যন্ত সুস্থ থাকতে পারেন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা এ জন্য আবশ্যক।


আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

পুরুষ নিষিদ্ধ গ্রামেও যেভাবে গর্ভবতী হন নারীরা!

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)


 

কিছু খাবার ঘুমের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এর মধ্যে কফি অন্যতম। কফিতে আছে প্রচুর ক্যাফেইন, যা শারীরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ডার্ক চকলেট, যা হার্টের জন্য ভালো; কিন্তু ঘুমের জন্য ক্ষতি করছে। সফট ড্রিংকসকে আমরা ‘স্লিপ কিলার’ হিসেবে আখ্যা দিতে পারি। ওয়াইন আমাদের স্নায়ুকে দুর্বল করে ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারগুলো আমাদের নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটায়।

কোন খাবার ঘুম আনয়নে সহায়তা করে
কিছু কিছু খাবার আছে, যা আমাদের ঘুমের জন্য সহায়ক। তার মধ্যে দুধ অন্যতম। দুধে আছে ট্রিপটোফেন নামক একটি উপাদান, যা মস্তিষ্কের সেরোটোনিনের খুব ভালো উৎস। তাই রাতে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য আমরা এক গ্লাস দুধ পান করতে পারি। 

এ ছাড়া আছে কিছু ফর্টিফায়েড সিরিয়ালস, যা আমাদের রাতের খাবারে থাকলে তা ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুম এনে দেয়। এর মধ্যে ব্রাউন ব্রেডের কথা আমরা বলতে পারি; ব্রাউট আটার রুটি, ওটস—এ জাতীয় খাবারগুলো। এ ছাড়া মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম; যা মাংসপেশিকে শিথিল করে সুন্দর ঘুম এনে দেয়। আর একটি ভালো উপাদান হচ্ছে হারবাল টি, এটিও ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাথাব্যথা কমানোর টিপস

অনলাইন ডেস্ক

মাথাব্যথা কমানোর টিপস

মাথাব্যথা বেশ যন্ত্রণার একটি বিষয়। দিনভর মাথা ব্যথা নিয়ে কাজ করা বেশ অস্বস্তিকর। আবহাওয়ার পরিবর্তন, মানসিক চাপসহ নানা কারণেই হতে পারে মাথাব্যথা। তবে ব্যস্ত জীবনে যেখানে অবসর পাওয়াই দুষ্কর, সেখানে নিজের যত্ন নিতে পারেন না অনেকেই। আবার কেউ কেউ সাময়িক উপশম পেতে বেদনানাশক বিভিন্ন ওষুধ কিনে সেবন করেন, যা মোটেই উপকারী নয়। বরং এতে রয়েছে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

তবে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি মাথাব্যথা কমাতে ভীষণ কার্যকর। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকায় একে শতভাগ নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাথাব্যথা কমানোর চার টিপস—

ম্যাসাজ
রগের দুই পাশ বা ঘাড়ের কাছে কিছু সময়ের জন্য আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি বেশ কার্যকর পদ্ধতি। আঙুলের ডগার চাপ ব্যথার উৎপত্তিস্থলে গিয়ে কাজ করে।

আলো কমান
মাথায় যন্ত্রণা শুরু হলে ঘরের আলো কমিয়ে দিন। কম্পিউটার স্ক্রিন, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকুন। বাইরে থাকলে ভালো মানের রোদচশমা ব্যবহার করুন।


কার সাথে কার পরকিয়া তা চিন্তা করে মাথা নষ্ট করবেন না : আঁখি আলমগীর

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

তামিমার সাবেক স্বামীকে বাটপার বলছে মিম


 

এসেশিয়াল অয়েল
আঙুলের ডগায় এসেনশিয়াল অয়েল নিয়ে কপালে আর রগে ম্যাসাজ করুন। ল্যাভেন্ডার বা পিপারমিন্টের মতো কোনো সুগন্ধি তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথা যন্ত্রণা অনেকটাই কমে।

চা-কফি
চা বা কফিতে উপস্থিত ক্যাফেইন মাথার যন্ত্রণা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কালো চায়ে আদা, লবঙ্গ ও মধু মিশিয়ে খেলে মাথার যন্ত্রণায় আরাম পাওয়া যায়। তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে চা পান করতে হবে, নয়তো উপকার না-ও পাওয়া যেতে পারে।

যেহেতু মাথাব্যথা জীবনধারা এবং অভ্যাসের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে সম্পৃক্ত, তাই মাথাব্যথা প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায় হলো জীবনধারায় ছোট ছোট পরিবর্তন নিয়ে আসা। নিয়মিত ঘুম, আহার ও শরীরচর্চা, মাথাব্যথা শুরু করতে পারে এমন সব কিছু এড়িয়ে চলার প্রচেষ্টা করা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, অহেতুক দুশ্চিন্তা ত্যাগ করা ইত্যাদিই হতে পারে মাথাব্যথার বিরুদ্ধে প্রধান অস্ত্র।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ধনেপাতা খাবেন যে কারণে

অনলাইন ডেস্ক

ধনেপাতা খাবেন যে কারণে

চাটনি থেকে শুরু করে তরকারি, সব কিছুতে যেমন স্বাদ বাড়ায়, তেমনই শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ধনেপাতা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের মোক্ষম দাওয়াই। 

ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল, যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ধনে পাতার আরও কিছু পুষ্টিগুণ

১। ধনে পাতা খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমে যায়, ভাল কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে হৃদরোগের ঝুকি কমে যায়।

২। হজমে উপকারী, ধনেপাতা শরীর ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। তাছাড়া ধনে পাতা পেট ফাঁপা ও পাকস্থলির বিভিন্ন সমস্যা দূর করে হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। ধনেপাতা ক্ষুধা বৃদ্ধি করে থাকে এবং বায়ুনাশক।

৩। স্মৃতিশক্তি প্রখর এবং মস্তিস্কের নার্ভ সচল রাখতে সাহায্য করে ধনে পাতা। ধনে পাতার ভিটামিন ‘কে’ অ্যালঝেইমার রোগের চিকিৎসায় বেশ কার্যকরী।

৪। ত্বক ও চুলের ক্ষয়রোধ করে ধনে পাতা। ধনে পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফসফরাস ও ক্লোরিন। তাই প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে ধনে পাতা দারুন ভূমিকা পালন করে। ত্বক সুস্থ ও সতেজ রাখতে তাই ধনে পাতার উপকারিতা অনেক।

৫। দেহের কাটা-ছেঁড়া অংশগুলো দ্রুত শুকানোর জন্য খুবই উপকারি এই উপাদান। দেহের চুলকানি-পাঁচড়ায় ধনেপাতার রস লাগালে তাড়াতাড়ি ভলো হয়ে যায়।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


৬। ধনেপাতাই ভিটামিন-এ থাকে প্রচুর পরিমাণে। আর চোখের পুষ্টি জোগায় এই ভিটামিন-এ। যাদের রাতকানা রোগ আছে। তাদের জন্য ধনেপাতা অনেক উপকার।

৭। ধনে পাতার ফ্যাট স্যলুবল ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন ‘এ’ ফুসফুস এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।

৮। ধনেপাতা অত্যন্ত স্বাদময় সবজি। আর এই ধনেপাতা বেটে ভর্তা করে খেলে মুখের রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যখন গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া মানা

অনলাইন ডেস্ক

যখন গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া মানা

অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে আজকাল জরুরি গর্ভনিরোধক পিল খাওয়ার একটা বেশ চল হয়েছে। অনেকে গর্ভধারণের ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে একই মাসে এ ধরনের জরুরি গর্ভনিরোধক পিল একাধিকবার খেয়েছেন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই। সাধারণত অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের ৭২ থেকে ১২০ ঘণ্টার মধ্যে এই পিল খেতে হয়।

এই পিল খেলে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হয়ে জরায়ুতে আসতে দেরি হয়। এই সময়ের মধ্যে জরায়ুতে থাকা শুক্রাণুগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ডিম্বাণু শুক্রাণুর সঙ্গে নিষিক্ত হতে পারে না। ফলে গর্ভধারণও হয় না। 

গর্ভনিরোধক পিল সবসময় খাওয়া ঠিক নয়। এতে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

গর্ভনিরোধক পিল কখন খাওয়া উচিত নয়  :

এক পায়ে বা পশ্চাদদেশ একটানা ব্যথা থাকলে অথবা আগে থ্রম্বোএম বোলিক রোগের ইতিহাস থাকলে।

আগের গর্ভকালীন জন্ডিস এবং চুলকানির ইতিহাস থাকলে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


 

লিভারের রোগে ভুগলে পিল খাওয়া ঠিক হবে না। তবে আগে জন্ডিসে ভোগার পর বর্তমানে সেরাম বিলিরুবিন, এসজিপিটি, সেরাম এলকালাইন ফসফাটেজের  মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে খেতে বাধা নেই।

ডায়াবেটিস থাকলে।

বহুদিন ধরে রক্তচাপ জনিত রোগে ভুগলে।

মাইগ্রেন বা আধ কপালে মাথাব্যথা থাকলে, ইপিলেপসি বা মৃগী রোগ থাকলে।

হাঁপানি থাকলে। কারণ, পিল খেলে হাঁপানি আরো বাড়তে পারে।

গর্ভাবস্থায় এবং ইতিপর্বে গর্ভকালীন সময়ে হার্পিস নামক ভাইরাসজনিত রোগের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস  থাকলে।
বিশেষ ধরনের সিকলসেল অ্যানিমিয়া হলে।

চর্বির বিপাকজনিত রোগে ভুগলে।

স্তন  ও জরায়ু মুখের এবং জরায়ুর ক্যানসার থাকলে কিংবা শরীরে কোনো সন্দেহ জনক টিউমার থাকলে।

এ ছাড়াও কোনো অস্ত্রোপচারের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে থেকে পিল খাওয়া বন্ধ রাখা উচিত। এতে করে অস্ত্রোপচারের পরবর্তী থ্রম্বোএম্বোলিক রোগের সম্ভাবনা কমে যায়।

নিউটন বলেছিলেন, প্রতিটি ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু যেকোনো ওষুধের ক্ষেত্রে ‘সমান ও বিপরীত’ কথাটার মতো সামান্য নয় ব্যাপারগুলো। বরং প্রতিটি ওষুধেরই ক্ষেত্রবিশেষে বেশ বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ‘ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ’ হলেও তাই জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের সুবিবেচক হতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দ্রুত শক্তি জোগাবে কাঠবাদাম

অনলাইন ডেস্ক

দ্রুত শক্তি জোগাবে কাঠবাদাম

কাঠবাদামে সাধারণত ভিটামিন, মিনারেল, এসেনশিয়াল, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকায় কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। কাঠবাদামে যে পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন আছে, যা দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মানসিক তৃপ্তির কারণে অনেকক্ষণ খিদে লাগবে না। দ্রুত ক্লান্তি দূর করবে এবং দ্রুত শক্তির জোগান দেবে।

কাঠবাদাম উচ্চ আঁশযুক্ত। ফলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, এতে প্রচুর এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায়, হৃদরোগীদের যে ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড দরকার, তার সরবরাহ করে থাকে কাঠবাদাম।

কাঠবাদামে শর্করার পরিমাণ কম বলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী। ১২ থেকে ১৫টি কাঠবাদাম থেকে আপনি ১০০ কিলোক্যালোরি পাবেন। যাঁরা ১২০০ থেকে ১৪০০ কিলোক্যালোরির ডায়েট করছেন ওজন কমানোর জন্য, তাঁরাও কিন্তু মিড-মর্নিং স্ন্যাকসে কাঠবাদাম খেতে পারেন।


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


কাঠবাদামে উপস্থিত ফ্ল্যামোনয়েডস, যা আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করবে। কাঠবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। কাঠবাদামে প্রচুর পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সহায়তা করবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তামাক সেবনে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুকি

অনলাইন ডেস্ক

তামাক সেবনে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুকি

বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়ায় সাত হাজারের বেশি ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৭০টি ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী। বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়া নারী, শিশুসহ অধূমপায়ীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধোঁয়া তিলে তিলে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে। প্রতিবছর ১৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে যাদের ৩০ শতাংশ মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রায় ৬০ শতাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণগুলোকে দু’ভাগে আলাদা করা যায়- পরিবর্তনযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বদ অভ্যাস- তামাক সেবন ও মদ্যপান যা হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস এগুলোসহ মস্তিষ্কে স্ট্রোক ঘটাতে পারে। ধূমপানে স্ট্রোক ঝুঁকি দ্বিগুণের বেশি বাড়ে।

১৯৬৪ সাল থেকেই স্ট্রোক ও তামাক সেবনের সম্পর্কে আমেরিকান সার্জন জেনারেলের রিপোর্ট তুলে ধরা হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো-

* ধূমপান প্রত্যক্ষভাবে মস্তিষ্কের রক্তনালির রোগ বৃদ্ধির জন্য দায়ী

* ধূমপান ইসকেমিক স্ট্রোকের হার বাড়ায়

* তামাক সেবন সাব-অ্যারাকনয়েড হেমোরেজের ঝুঁকি বাড়ায়


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


 

* ধূমপান ছাড়ার ৪-৫ বছর পর স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে অধূমপায়ীদের সমান হয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী স্ট্রোকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঝুঁকি হল উচ্চরক্তচাপ ও তামাক সেবন বা ধূমপান যা সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন করা সম্ভব। সিগারেট ধূমপানের পাশাপাশি অন্যান্য উপায় যেমন জর্দা পান, গুল ইত্যাদি সেবনেও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিং বা পরোক্ষভাবে ধূমপায়ীরা একই ধরনের পদ্ধতিতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন।

নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড ও অন্যান্য জারক গ্যাসগুলো রক্তনালির এন্ডোথেলিয়ামে ক্ষত তৈরি করে, কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে থামিয়ে দেয় যা থ্রোম্বোসিস বা রক্তক্ষরণে রূপ নেয় অদূর ভবিষ্যতেই। তামাকের কেমিক্যাল মস্তিষ্কের রক্তনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, রক্তনালির সংকোচন ঘটায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে যা পরিশেষে ইসকেমিক স্ট্রোকে রূপ নেয়।

এ ছাড়া তামাকে উপস্থিত ২০০০-এরও বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপের জন্য দায়ী- যা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা ত্বরান্বিত করে। সাম্প্রতিক ২০টি স্ট্রোকবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণায় পরোক্ষ ধূমপান ও স্ট্রোকের মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণিত হয়। উল্লেখ্য, সিগারেট সংখ্যার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই; দিনে ২-৪ শলাকা নিয়মিত সেবন করলেও স্ট্রোকে ভুগে অকাল মৃত্যু বা পঙ্গুত্ববরণ করতে হতে পারে। সিগারেট শলাকার সংখ্যা যত বাড়বে, স্ট্রোকের ঝুঁকি তত বেশি।

তবে যারা ধূমপান বদ অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য রয়েছে সুখবর! ১২ বছরের ফলোআপে দেখা গেছে, স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে ধূমপান ছাড়ার পর। ২৬ বছরের একটি প্রোসপেক্টিভ কোহর্ট গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেন, স্ট্রোকের ঝুঁকি ধূমপান ছাড়ার ২ বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়; ৫ বছর পর এ ঝুঁকি অধূমপায়ীদের কাছাকাছি নেমে আসে।

আমাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি এ ধরনের বদ অভ্যাস পরিহার করতে সবাইকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর