যে কারণে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়

শাহ্ আলী জয়

যে কারণে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়

আজ ২৩ ফেব্রয়ারী। বাঙালীর ইতিহাসে অনন্য এক দিন। আগরতল ষড়যন্ত্র মামলা মুক্তির পর ৬৯ সালের আজকের দিনে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সংবর্ধনায় বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বাঙালীর অধিকার আদায়ে অদম্য শেখ মুজিবুর রহমানকে থামিয়ে দিতে বারবার কারাগারে পাঠিয়েছে পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী। দেয়া হয়েছে একের পর এক মিথ্যা মামলা। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ছিল তেমনই একটি। এ মামলায় ১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ আনা হয় তিনি কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী, সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ববাংলাকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।

বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতার বিরুদ্ধে এমন মামলায় ফুঁসে ওঠে এ দেশের মানুষ। স্বৈরাচারী আইয়ুবখানের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন শুরু হয় পুর্ব বাংলায়।

আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন. বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে আমরা মশাল মিছিল করি। আল্টিমেটাম দিই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রিয় নেতাকে মুক্তি না দিলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হবে। ঠিকই ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:


মহামারির মতো বাড়ছে আত্মহত্যা, ঝুঁকিতে ৬৫ লাখ মানুষ

নামাজে কিভাবে সূরা পড়বেন, কুরআন পাঠের কিছু দিক

বাড়িতে মায়ের শিক্ষাতেই ১০ মাসে হাফেজ হলো শিশু মুয়াজ

এবার মুখ খুললেন সাকিবপত্নী শিশির


আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি। ২৩ ফেব্রুয়ারীর গণসংবর্ধনায় বাংলার অকৃত্রিম বন্ধুকে নতুন উপাধীতে ভূষিত করার ঘোষণা করেন তিনি।

তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, ১০ লাখ মানুষ হাত উঠিয়ে সম্মতি দেয়ার পরে বাংলার জনগণের পক্ষে আমি বলার সুযোগ লাভ করেছিলাম। বলেছিলাম যে নেতা জীবনের অনেক সময় পাকিস্তান কারাগারে কাটিয়েছেন। সে নেতার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে তাকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করলাম। সেই অনুষ্ঠানেই বললাম এখন বক্তব্য রাখবেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

এরপর থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে পরিচিত।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মক্তিযুদ্ধে শাহজাহান সিরাজের অবদান অনস্বীকার্য

অন্তরা বিশ্বাস

মক্তিযুদ্ধে শাহজাহান সিরাজের অবদান অনস্বীকার্য

স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলেন শাহজাহান সিরাজ। বাংলাদেশের পতাকায় লাল রঙের ভাবনাটাও ছিল তারই। মুক্তিযুদ্ধের সময় চার খলিফার একজন বলে খ্যাত এই বীর যোদ্ধা আর নেই। তবে রয়ে গেছে তার স্মৃতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার অবদান অনস্বীকার্য। জীবত অবস্থায় নিউজ টোয়েন্টিফোরকে বলেছিলেন দেশকে নিয়ে তার ভাবনা আর স্মৃতির কথা। 

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেন শাহজাহান সিরাজ। এরপর যুদ্ধ শুরু করেন দেশের মাটিতে। বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স বা মুজিব বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে। তবে তার যুদ্ধ শুরু হয় এই যুদ্ধের অনেক আগে। আন্দোলন আর প্রতিবাদের মাঠে।


কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন তুরস্কের, ভারতের ক্ষোভ

আবারও ইকো ট্রেন চলবে ইরান-তুরস্ক-পাকিস্তানে

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিজিবির অভিযান, বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?


মুক্তিযুদ্ধের সময় যাদের চার খলিফা বলা হত, শাহজাহান সিরাজ ছিলেন তাদেরই একজন। তিনি ছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। একাত্তরের তেসরা মার্চ পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সামনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন তিনি।

শাহজাহান সিরাজ বলেন, স্বাধীন বাংলার লাল সবুজ পতাকার বৃত্তের টুকটুকে লাল রঙের ভাবনাটা ছিল তার। আবার পতাকার সবুজ রংটা পাকিস্তানের পতাকার রঙের সঙ্গে মিলে যাচ্ছিল বলে ছিল তার ভীষণ আপত্তি। পরে সবুজের পরিবর্তে পতাকায় আনা হয় গাঢ় সবুজ রং।

২০২০ সালে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠক। কিন্তু বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসে রেখে গিয়েছেন স্বর্ণময় পদচারণা। যা তাকে মৃত্যুর পরও অমর করে রেখেছে। যে দেশের জন্য তিনি যুদ্ধ করেছিলেন সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ পাননি বলে মনে করতেন এই মুক্তিযোদ্ধা। তবে তার বিশ্বাস ছিল তরুণ প্রজন্ম ঠিকই দেশের হাল ধরবে।
news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জঙ্গি বিরোধী নজরদারির কারণে কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরা

মৌ খন্দকার

জঙ্গি বিরোধী নজরদারির কারণে কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরা

সরকারের কঠোর অবস্থান এবং লাগাতার জঙ্গি বিরোধী নজরদারির কারণে কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরা। সম্প্রতি কানাডা সরকারের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর তালিকায় ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। বলা হচ্ছে, এই গোষ্ঠীটি আইএস-এর বাংলাদেশি শাখা সংগঠন। তবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশে এই নামে কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নেই।

জঙ্গিবাদে সম্পৃক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হটলাইন ইমেইল আইডি আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

মৃত্যুদন্ডের রায় মাথায় নিয়েই অবলীলায় হেসে চলেছে ব্লগার লেখক অভিজিৎ রায় হত্যাকান্ডের অভিযুক্ত জঙ্গিরা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এসব হাসির পেছনে লুকিয়ে আছে নীরবতার আড়ালে জঙ্গিদের নতুন করে সংগঠিত হওয়ার তৎপরতা।


কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন তুরস্কের, ভারতের ক্ষোভ

আবারও ইকো ট্রেন চলবে ইরান-তুরস্ক-পাকিস্তানে

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিজিবির অভিযান, বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?


জঙ্গিরা তাদের নতুন কৌশল অবলম্বন করে, আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের কৌশল পরিবর্তন করে নতুন কৌশলে তাদের ধরার চেষ্টা করে । র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানালেন, তাদের কৌশলের কথা ।

এরই মাঝে কানাডা সরকারের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠির তালিকায় ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, এই গোষ্ঠিটি আইএস এর বাংলাদেশি শাখার সংগঠন। তাহলে কি ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশ নামের কোন জঙ্গি সংগঠন আছে। অবশ্য র‌্যাব বলছে ভিন্নকথা? এই নামে কোন জঙ্গি সংগঠন নেই বাংলাদেশে।  

এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো জঙ্গিদের সঠিক প্রক্রিয়ায় জঙ্গিবাদ থেকে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন তারা।

news24bd.tv আয়শা
 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভারতের সাথে সমন্বিত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ

লাকমিনা জেসমিন সোমা

ভারতের সাথে সমন্বিত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ

কোভিড পরবর্তী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতের সাথে সমন্বিত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আসন্ন সফরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত রুপরেখা তৈরি হবে বলে আভাস দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তবে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিবেশীর সাথে বাংলাদেশের এমন উদ্যোগে চীন বা কারোর-ই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চলতি মাসে মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন প্রতিবেশী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর সফরসূচি চূড়ান্ত করতে কাল বৃহস্প্রতিবার ঢাকায় আসছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয় শঙ্কর।


কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন তুরস্কের, ভারতের ক্ষোভ

আবারও ইকো ট্রেন চলবে ইরান-তুরস্ক-পাকিস্তানে

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিজিবির অভিযান, বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?


তবে শুধু সফরসূচি না ওই দিন দুপুরে ঢাকা-দিল্লি বৈঠকে উঠবে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা; জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

সমন্বিত অর্থনৈতিক অশিদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ শুরু করবে বাংলাদেশ-ভারত। প্রশ্ন ওঠে অর্থনৈতিক উন্নয়নে দুই দেশের সমন্বিত এই উদ্যোগে কি অখুশি হবে বাংলাদেশের আরেক বন্ধু চীন?

করোনার কারনে থমকে থাকা আমদানি-রপ্তানি কিছুটা সচল করতে স্থলবন্দর খোলা নিয়ে  নতুন ঘোষণা আসতে পারে জয়শঙ্করের মুখে।

অভিন্ন ছয় নদীর পানি ভাগাভাগি নিয়েও চূড়ান্ত আলোচনা হবে, আর তিস্তা ইস্যু কখনোই তার গুরুত্ব হারাবে না বলেও উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ধান ও আম ছেড়ে মাল্টা চাষ

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে ধান ও আম ছেড়ে কৃষকরা এখন ঝুঁকছেন মাল্টা চাষে। জেলার পোরশার বরেন্দ্র ভুমিতে মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন ওবায়দুল্লাহ শাহ নামে এক কৃষক। অধিক লাভজনক হওয়ায় তাঁকে অনুসরণ করে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন মাল্টা চাষে।

নওগাঁর  বরেন্দ্র ভুমি অধ্যুষিত পোরশা উপজেলা। এখানকার উঁচু নিচু জমিতে পানি ধরে রাখা খুবই কঠিন। তাই ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে এসব এলাকার কৃষক এখন  আম বাগান আর মাল্টা চাষে ঝুঁকেছেন।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সৌখিন চাষী ওবায়দুল্লাহ শাহ তাঁর নিজস্ব ৫৫ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন মাল্টা, বিভিন্ন প্রজাতির আম এবং পেয়ারা বাগান। এর মধ্যে প্রায় ১৮ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন মাল্টা বাগান। ফলনও হয়েছে ব্যাপক। সেই হিসেবে এ বছর মাল্টা বিক্রি করে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। ওবায়দুল্লাহ শাহ, সফল মাল্টা চাষী।

ওবায়দুল্লাহ শাহের মাল্টা চাষে সফলতা দেখে এলাকার অনেক চাষিই তাঁদের জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেছন। আগ্রহী কৃষক।

বরেন্দ্র অধ্যুষিত এসব উঁচু জমিতে মাল্টা চাষের উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে মাল্টা চাষীদের সার্বক্ষনিক পরামর্শ দেওয়ার কথা জানালেন কৃষি কর্মকর্তা  নওগাঁর পোরশা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলম।

কৃষি বিভাগ বলছে, মাল্টা চাষকে জনপ্রিয় করা গেলে একদিকে কৃষকেরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন অন্যদিকে পুষ্টিকর এ ফল আমদানি নির্ভরতা কমবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৫ খাল থেকে দুই মাসে পৌনে ২ লাখ টন বর্জ্য অপসারণ

তালুকদার বিপ্লব

৫ খাল থেকে দুই মাসে পৌনে ২ লাখ টন বর্জ্য অপসারণ

ঢাকার মৃত খাল, কালভার্ট ও ড্রেনের পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তিন মাসের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শেষ হচ্ছে ১৩ই এপ্রিল। সংস্থাটির বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানায়, গত প্রায় দুই মাসে ৫ খাল ও দুই কালভাট থেকে প্রায় পৌনে দুই লাখ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তবে খালে ময়লা ফেলা ও সীমানা পিলার চুরি বন্ধ হয়নি।

কিছুদিন আগেও জিরানী খালের ময়লা ছাড়া কিছুই চোখে পড়ত না। খালের পুরো পাড়ই ছিল ময়লার ভাগাড়। এমনকি কাপড়-চোপড় আসবাবপত্রের শেষ ঠিকানাও ছিলো এই খাল। রোববার জিরানী খালের ত্রিমোহনী ব্রিজ অংশে গিয়ে দেখা যায়, স্বস্তিকর দৃশ্য।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি জানায়, গত পৌনে দুই মাসে জিরানী খাল, মান্ডা খাল, শ্যামপুর খাল, কদমতলা খাল ও কমলাপুর খালের প্রায় ৩০ কিলোমিটার দৃশ্যমান করে ৭৫ শতাংশ সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। ১ কোটি টাকা খরচে ৫ খালসহ দুই বক্স কালভার্ট থেকে দেড় লাখ টন বর্জ্য-অপসারণ করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মোঃ বদরুল আমিন বলেন, খালের ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার আমরা এরইমধ্যে আমরা উন্মুক্ত করেছি। শহর থেকে যে পানি খালে গিয়ে পড়ছে সেগুলো কিন্তু অনেকটাই দৃশ্যমান।

কিন্তু চলমান অভিযানের মধ্যেও দৈনন্দিন গৃহস্থালির ময়লা ফেলা হচ্ছে খাল ও বক্স-কালভাটে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭৪ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আজিজুল হক বলেন, এটা আমাদের অনেক পুরোনো অভ্যাস এলাকাবাসীরা সকল ময়লা খালে ফেলে দেয়।

আরও পড়ুন:


মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে পরিবহন বন্ধ রাখায় বিচ্ছিন্ন রাজশাহী

শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. হানিফ আর নেই

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন


আর ১৫ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম বাবলা বলেন, বাসা-বাড়ির ময়লার সুয়ারেজ লাইনের সঙ্গে যে সংযোগ সেটি বন্ধ করা না গেলে আমরা যতই পদক্ষেপ নিই না কেন সব ব্যর্থ হবে।

এমনকি সীমানা চিহ্নিত করে বিভিন্ন স্থানে পিলার দেয়া হলেও ভূমিদস্যুরা সেগুলো সরিয়ে ফেলেছে। এমন অভিযোগ করে দক্ষিণ সিটি বলছে, এসব রক্ষণাবেক্ষণে মন্ত্রণালয়ে কাছ থেকে একশ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি বলছে, খাল হস্তান্তরের সময় কমলাপুর ও ধোলাইখাল পাম্পিং স্টেশন দুটি অচল পাওয়া যায়। ডিএসসিসি’র বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগের দাবী রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই পাম্পগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর