বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি

চিঠির পেক্ষিতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজির আহমেদ বৈঠকের সময় দিয়েছে বিএনপিকে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় আইজিপির কার্যালয়ে বিএনপির প্রতিনিধি দলের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান নিউজ টোয়েন্টিফোরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন:


রপ্তানি বাড়ছে না পোশাক খাতে, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

যে কারণে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়

মহামারির মতো বাড়ছে আত্মহত্যা, ঝুঁকিতে ৬৫ লাখ মানুষ

নামাজে কিভাবে সূরা পড়বেন, কুরআন পাঠের কিছু দিক


পুলিশ প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধি দলে থাকবেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন।

বৈঠকে বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানান শায়রুল কবির।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারের ওপর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অবরোধের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবরোধের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটন সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন শুক্রবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ আহ্বান জানান।

মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক নিউলাইনস ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা সভায় রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে নতুন বাইডেন প্রশাসনকে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয়ভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন মন্ত্রী। 


দুই পৌরসভায় নির্বাচন কাল, কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম

হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আতঙ্কিত বুবলীর থানায় জিডি

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রাকচালক গুলিবিদ্ধ

পিতার স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরল ছেলে, বাবার মৃত্যু


শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এক প্রশ্নোত্তর পর্বে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের নানা পদক্ষেপ এবং ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী।

এছাড়াও মার্কিন প্রশাসনকে রোহিঙ্গা বিষয়ক একটি বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়ারও আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ

টিকা নিলেই করোনা হবে না, এমন নিশ্চয়তা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

টিকা নিলেই করোনা হবে ​না এমন নিশ্চয়তা নেই বলে মত বিশেষজ্ঞদের। প্রথম ডোজ নেয়ার পর শরীরে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে। আর  দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার দুই সপ্তাহ পরে টিকার সর্বোচ্চ প্রতিরোধক্ষমতা হবে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।  তাই টিকা নেয়ার পরও সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ তাদের। 

বাংলাদেশে টিকা নেওয়ার পর অন্তত তিনজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার সাত থেকে ১৬ দিনের মধ্যে তারা আক্রান্ত হন বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন তাহলে টিকা নিয়ে লাভ কি হল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন টিকা করোনার বিরুদ্ধে অন্যতম প্রতিরোধক। তবে একমাত্র প্রতিরোধক নয়। আর প্রথম ডোজ নেয়ার পরপরই করোনা ভাইরাসকে পুরোপুরি প্রতিরোধ করতে পারে না বাংলাদেশে আসা কোভিশিল্ড বা অক্সর্ফোড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা।


চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে দুই নৌকা ডুবি

চুয়াডাঙ্গায় নারীর রহস্যজন মৃত্যু, শাশুড়ি আটক

অতিরিক্ত পাথর বোঝাই ট্রাকের চাপে বেইলী ব্রিজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ, স্ত্রীকে খুন


বাংলাদেশে টিকার প্রথম ও দিতীয় ডোজের মধ্যে পার্থক্য দুই মাস। তারও দুই সপ্তাহ পরে টিকা সর্বোচ্চ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। সেই হিসেবে টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার আড়াই মাস পর টিকা পুরোপুরি কার্যকর হবে।

এ পর্যন্ত দেশে প্রায় সাতশ জনের মধ্যে টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অবশ্যই করোনার টিকা নেব: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

অবশ্যই করোনার টিকা নেব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবশ্যই আমি করোনার টিকা নেব। তবে দেশের মানুষকে আগে দিতে হবে। আমার ৭৫ বছর বয়স। আজ আছি, কাল নেই। যে কোনো সময় মারা যেতে পারি। একটা টার্গেট করা আছে, সে পরিমাণ যখন দেওয়া হবে, তখন যদি টিকা থাকে, তাহলে তখন টিকা নেব।

আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে গণভবন প্রান্ত থেকে শেখ হাসিনা যুক্ত হয়ে একথা জানান।


কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গেলে কি করার আছে?: প্রধানমন্ত্রী

মিছিল থেকে গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের


করোনা মহামারি মোকাবিলা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা কোনো ম্যাজিক নয়, আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ। এ জায়গা থেকে কাজ করেছি। এখানে আমার নয়, বাংলাদেশের জনগণের ম্যাজিক ছিল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আলজাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আলজাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আলজাজিরায় প্রচারিত ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স ম্যান’ প্রতিবেদন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। এগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা আমাদের আছে। কোন চ্যানেল কী বললো না বললো তা নিয়ে আমাদের রাজনীতি না। তারা বলতে থাকুক। 

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে ছিলেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

আরও পড়ুন:


কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গেলে কি করার আছে?: প্রধানমন্ত্রী

মিছিল থেকে গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে এখন উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ, আজকের বাংলাদেশ একটি বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, আমি একজন নগণ্য সেবক মাত্র।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ অবশ্যই আমাদের জন্য গর্বের ও এক ঐতিহাসিক ঘটনা। এটি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কৃতিত্ব সম্পূর্ণই দেশের নাগরিকদের।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে (ভার্চ্যুয়ালি) প্রেস কনফারেন্স করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ একটি প্রত্যয়ী ও মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে।  তিনি এই অর্জনকে দেশের নতুন প্রজন্মকে উৎসর্গ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

আমাদের এ অর্জনকে সুসংহত এবং টেকসই করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের জন্য এটি একটি বিশেষ ধাপ।

 আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ২৭) বিকেলে প্রেস কনফারেন্সে (ভার্চ্যুয়ালি) লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি।


চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে দুই নৌকা ডুবি

চুয়াডাঙ্গায় নারীর রহস্যজন মৃত্যু, শাশুড়ি আটক

অতিরিক্ত পাথর বোঝাই ট্রাকের চাপে বেইলী ব্রিজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ, স্ত্রীকে খুন


শেখ হাসিনা বলেন, মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা—এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের তিনটি মানদণ্ডই খুব ভালোভাবে পূরণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ পুনরায় সকল মানদণ্ড অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পূরণের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের পর্যালোচনায় ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ মানদণ্ডের প্রায় ১.৭ গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদণ্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে উত্তরণের জন্য মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ৩২ বা তার কম। কিন্তু ওই সময়ে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দারিদ্র্য, ক্ষুধা, নিরক্ষাতামুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আর্থিক এবং অন্যান্য সূচকগুলির দিকে লক্ষ্য করুন।

বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরে টানা তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ বছরে জিডিপির আকার ছিল মাত্র ১০৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ সালে তা ৩৩০.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই ১২ বছরে সরকারি ব্যয় ৪.৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭ হাজার ৯৬০ কোটি থেকে ২০১৯-২০ বছরে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। ২০০৮-০৯ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৫.৫৭ বিলিয়ন ডলার। আর ২০১৮-১৯ বছরে তা ৪০ দশমিক পাঁচ-চার বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পায়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০০৮-০৯ বছরের ৭ দশমিক চার-সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৪ দশমিক শূন্য-তিন বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ২০০১ সালে আমাদের দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৮.৯ শতাংশ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৪.৩ শতাংশ। ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ২০.৫ ভাগ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশে।

‘খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ং-সম্পূর্ণ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয় এবং মাছ-মাংস, ডিম, শাকসবজি উৎপাদনেও স্বয়ং-সম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে এবং ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। ’

বিদ্যুতে অগ্রগতির কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯-১০ বছরে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ছিল মাত্র ৫,২৭১ মেগাওয়াট। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ থেকে ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের গড় আয়ু ২০০৯-১০ বছরের ৬৯.৬১ বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ সালে দাঁড়িয়েছে ৭২.৬ বছর। ২০০৯-১০ বছরের তুলনায় ৫ বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেক কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ২৮। মাতৃমৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে লাখে ১৬৫ জনে, যা ২০০৯-১০-এ ছিল ২৮০ জন।

মুজিববর্ষে সবার জন্য ঘর দেওয়ার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল গৃহহীনদের ঘর প্রদান কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ৯২ হাজার গৃহহীনকে ঘর দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও ৫০ হাজার গৃহ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৬ পরিবারকে বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

নারীর ক্ষমতায়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের নারীরা আজ স্বাবলম্বী। জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ৭ম।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর