বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

নাঈম আল জিকো

বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

বড় বড় সুপার শপ খুললেও নেই পার্কিংয়ের কোন ব্যবস্থা। তাই বাজার করতে আসা ক্রেতারা নিজ নিজ গাড়ি পার্কিং করছেন রাস্তার ওপরেই। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

পুলিশ বলছে, পার্কিংয়ের এমন অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট নিরশনে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবে নিজেস্ব পার্কিং ব্যবস্থা না রাখলে, অভিযান পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বিশ্বের সব সুপার শপে পার্কিং ব্যবস্থাপনা থাকলেও দেশে তার কোন বালাই নেই। রাজধানীর স্বনামধন্য সুপার শপগুলোর সামনের পার্কিং না থাকায় নিষেধাজ্ঞা সত্তেও নিরুপায় হয়ে যত্রতত্র মোটর সাইকেল কিংবা গাড়ি পাকিং করছেন ক্রেতারা। 

পার্কিং বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, সুপার শপ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অকপটে স্বিকার করেন। অজুহাত পুরোনো ভবন হওয়ায় এতে পার্কিং সুবিধা নেই। 

ট্রাফিক আইন ভঙ্গ ও অনিয়ন সম্পর্কে পুলিশ বলছে, অভিযান চালিয়েও সুপারশপ ব্যবসায়ীদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে পারছেন না তারা। এরজন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কঠোর হস্তক্ষেপ।

আরও পড়ুন:


এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

ফেনীতে ফুড কারখানায় ভয়াবহ আগুন

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ


ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুনিবুর রহমান জানান, বহুতল ভবনগুলোর পার্কিং ব্যবস্থা না থাকলে এই সব ভবন তৈরিতে যে প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দিচ্ছে তাদের উপর দায়িত্ব পড়ে এগুলো মনিটর করার।

তবে প্রতিটি সুপার শপ ও শপিংমলে পাকিং ব্যবস্থা নিশ্চিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে সরকার। নিজস্ব পার্কিং না থাকলে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হবে বলে জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমাদের এই শহরটি পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠে নাই। তাই পরিকল্পিত ব্যবস্থার মধ্যে আনতে একটু সময়ের দরকার। তবে আমরা এসব নিয়ে কাজ করছি।

পার্কিং ব্যবস্থা ছাড়া নতুন করে আর কোন বাণিজ্যিক কিংবা আবাসিক ভবন নির্মানের অনুমোতিও দেয়া হবেনা বলে জানান, স্থানিয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা বাধা হয়নি পদ্মাসেতুর কাজে, আগামী মার্চেই উদ্বোধনের আশা

প্লাবন রহমান

দেশব্যাপী করোনার ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যেও ভালভাবে এগুচ্ছে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পের প্রায় ৭০ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন। বাকীরা ভ্যাকসিন নেয়ার প্রক্রিয়ায় আছেন। 

করোনা বাধা হবে না বলেই আশা করছেন প্রকল্প পরিচালক। আর সেতু সচিবের আশা-২০২২ সালের মার্চেই উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত হবে পদ্মা সেতু। 

করোনা সঙ্গে বন্যা। দুই ধাক্কা সামলে দেশের অন্যতম সফল মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু। সব জটিলতা কাটিয়ে চলছে শেষ সময়ের কর্মযজ্ঞ- অপেক্ষা শুধু উদ্বোধনের।

আরও পড়ুন:


ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মির্জা আব্বাসের

বাংলাদেশকে করোনার ৬০ লাখ ডোজ টিকা দিতে চীনের সিনোফার্ম : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রামে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আজও ১০১ জনের মৃত্যু


করোনার শুরু থেকে এমন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলছে কাজ। করোনা টেস্ট-কোয়ারেন্টিন-আলাদা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই এখন দৃশ্যমান স্বপ্নের সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছেন প্রকল্পের প্রায় ৭০ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

এরই মধ্যে মূল সেতুতে ৪ কিলোমিটারের বেশি রোড স্ল্যাব বসে গেছে। রোড স্ল্যাবের ওপর বসবে ৪ ইঞ্চি উচ্চতার পিচ। যা আসবে ইংল্যান্ড থেকে।

মূল সেতুর কাজ ৯৩ ভাগ শেষ। তবে নদী শাসনে কিছুটা পিছিয়ে- কাজ শেষ হয়েছে ৮২ ভাগ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা-২০২২ এর জুনের আগেই শেষ হবে প্রকল্পের কাজ।

২০২১ সালের জুনেই শেষ হওয়ার কথা ছিল পদ্মা সেতু প্রকল্পের মেয়াদ। কিন্তু করোনা-বন্যার কারণে বেড়েছে প্রকল্পের মেয়াদ। এখন নতুন লক্ষ্য ২০২২ সালের জুন। সংশ্লিষ্টদের আশা-তার আগেই যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে স্বপ্নের সেতু।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুদকের চেয়ারম্যান পরিচয়ে প্রতারণা, অবশেষে পুলিশের জালে নজরুল-আশরাফি দম্পতি

নাঈম আল জিকো

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যান পরিচয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপনের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এক দম্পতি। চার বছর ধরে প্রতারণার এই কাজ করলেও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এবারই প্রথম ধরা পরে চক্রটি। 

নজরুল ইসলাম ও আশরাফি সিদ্দিকা দম্পতি জানায়, চলতি বছরেই ৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপনের নামে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে তারা।

এম রজমান আপন। ফারদিন একসেসরিজ লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন তিনি। চলতি মাসে তাদের অফিসের নম্বরে কল করে দুদক বার্তা নামে বার্ষিক ম্যাগাজিনে বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা জানায় নজরুল দম্পতি। এরপর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দুই ধাপে হাতিয়ে নেয় ৪০ হাজার টাকা।

নজরুল জানায়, তার নিজেরই একটি অ্যাড ফার্ম ছিল। সেই ফার্মের হয়ে কাজ করতে গিয়ে নাভানাসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে অপমানিত হয় সে। তার প্রতিশোধ নিতেই ২০১৭ সালে পত্রিকা থেকে দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গির আলমের নাম ব্যবহার শুরু করেন। দুদকের লোগো ও নাম ব্যবহার করে খোলেন ইমেইল আইডিও। এরপরই শুরু হয় প্রতারণার নতুন অধ্যায়। 

পুলিশ বলছে, ১০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বিজ্ঞাপন মারফত চাওয়ায় তা নিয়ে গাঁ করতোনা অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক প্রতারণার ফাঁদ পেতে গেছে এই চক্র।


৬ ঘণ্টা আগে আসতে বলে শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিলের নোটিশ

সহিংসতার দায় কোনোভাবেই হেফাজতের উপর বর্তায় না: মাওলানা মামুনুল হক

নিজ বাসা থেকে অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমানের লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ, নিহত ৪


এর আগেও প্রতারণা করতে গিয়ে দুবার দুদকের কাছেই ধরা পড়েছে নজরুল। তবে ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল তার স্ত্রী সিদ্দিকা। এবার ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলায় ধরা পড়ে দুদকের নামে প্রতারণা করে আসা এই দম্পতি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হঠাৎ করেই বন্ধ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, বিপাকে প্রবাসী কর্মীরা

লাকমিনা জেসমিন সোমা

হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্তে সংকটে পড়েছেন হাজার হাজার বিদেশ গমনেচ্ছু প্রবাসী কর্মীরা। বিদেশে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের অগ্রিম খরচ, টিকিটের টাকা কিংবা ভ্রমণ অনুমতি নিয়েও যেতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা। 

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে আবারো চরম হুমকির মুখে পড়তে পারে দেশের বৈদেশিক শ্রমবাজার ও রেমিটেন্স আয়। আর সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের মতে, সমস্যাটি একেবারেই সাময়িক। 

ছুটি কাটাতে দেশে এসে গেল বছর আটকা পড়েন লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী। আন্দোলন সংগ্রাম ও নানা রকম ধকল সামলে আবারো বৈদেশিক শ্রমবাজারে ফিরতে শুরু করেছিলেন তারা। কিন্তু হঠাৎ-ই যেন ছন্দপতন।

অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের পাশাপাশি বাংলাদেশের থেকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণায় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বিদেশ গমনেচ্ছুরা। রাজধানীতে আটকে পড়া এমনকিছূ অভিবাসী কর্মীর সাথে কথা হয় নিউজ টোয়েন্টিফোরের।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে অভিবাসী কর্মীরা। অন্তত তাদের জন্য আন্তর্জাতিক আকাশপথ খোলা রাখা উচিৎ বলে মনে করছেন তারা।


৮ দিনের লকডাউন শুরু, রাজধানীর সড়কে সুনসান নীরবতা

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

করোনাবিধ্বস্ত জনপদে উৎসবহীন পহেলা বৈশাখ আজ

ফের বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পুতুল


এই সিদ্ধান্ত সাময়িক উল্লেখ করে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলছেন, চাইলে বিশেষ ফ্লাইটে ফিরতে পারবেন তারা।

বিগত বছরগুলোতে যেখানে মাসে কয়েকলাখ শ্রমিকের বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে সেখানে এ বছর প্রথম দুই মাসে মাত্র ৮৫ হাজার কর্মী বিদেশে গেছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এবারও বড় বাজেটের ঘোষণায় কাজ করছেন অর্থমন্ত্রী

সুলতান আহমেদ

এবারও বড় বাজেটের ঘোষণায় কাজ করছেন অর্থমন্ত্রী

স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাজেটের আকার বেড়েছে ৭৬০ গুণ। করোনা মহামারির মধ্যেও চলছে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট তৈরির কাজ। অর্থমন্ত্রী নিয়মিত অনলাইন বৈঠক করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সাথে। তার সাথে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারাও অংশীজনদের দাবি-দাওয়া শুনতে নিয়মিত অনলাইন বৈঠক করছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে জুনের প্রথম সপ্তাহেই প্রায় ছয় লাখ কোটি টাকার বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণের চূড়ান্ত সুপারিশ। সরকার যে বছর বড় পরিসরে আয়োজন করছে সুবর্ণ জয়ন্তী, সেই বছরে সবচেয়ে বড় ও জনকল্যানমুখী বাজেট প্রণয়নের চিন্তাও করছে অর্থমন্ত্রণালয়।

তবে সে যাত্রায় বড় বাঁধ সেধেছে করোনা মহামারি। অন্যান্য বছর বাজেটের আগে অংশীজনের সাথে ধাপে ধাপে বৈঠক হয় অর্থমন্ত্রণালয়ের। এবছর মহামারিতে তা হচ্ছে অনলাইন প্লাটফর্মে। সম্প্রতি ১১টি ব্যবসায়ী চেম্বারের সাথে অনলাইন বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। যার মধ্যে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনরা অংশ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন


টিকার কার্যকারীতা নিয়ে যা বললেন ড. বিজন কুমার শীল

বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, রাজধানীর দুই এলাকায় সংক্রমণ হার বেশি

‘উই’ এর উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের দ্বার উন্মুক্ত: প্রতিমন্ত্রী পলক

যাদু দেখাতে পারেননি মেসি, শেষ হাসি হাসলো রিয়াল


জুনের প্রথম সপ্তাহেই ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সব প্রস্তুতি রয়েছে অর্থমন্ত্রীর। জানা গেছে, সেই বাজেটের আকার হতে যাচ্ছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। যেখানে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাধা ধরা হতে পারে ৩ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। আর মহামারির মধ্যেও জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাধা ধরা হবে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ।  

পিআরআই এর নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলছেন, বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে মানুষের জীবন বাঁচাতে দিক নির্দেশনা প্রয়োজন। এছাড়া আগামী বাজেটে প্রণোদনা বাড়িয়ে বেসরকারি খাতকে চাঙ্গা করার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

টিকার কার্যকারীতা নিয়ে যা বললেন ড. বিজন কুমার শীল

অন্তরা বিশ্বাস

টিকার কার্যকারীতা নিয়ে যা বললেন ড. বিজন কুমার শীল

নিমপাতা গরম পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া, দিনে কয়েকবার হালকা চা খাওয়া, ভিটামিন সি খাওয়ার মত বিষয়গুলো করোনা মোকাবিলায় বিশেষ সহায়তা করে বলে জানান অনুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। তার মতে শতভাগ না হলেও টিকা করোনার বিরুদ্ধে কাজ করে অনেকটাই। তাই সবাইকে টিকা নেওয়া পরামর্শ তার। 

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গবেষণাগারে স্বল্প মূল্যের করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট আবিস্কার করে আলোচিত হয়েছিলেন অনুজীববিজ্ঞানী বিজন কুমার শীল। ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাস দ্রুত নির্ণয়ের পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন। করোনা মহামারিকালে সাধারণ মানুষকে দিয়েছেন অনেক উপকারি বার্তা। বিজন কুমার শীলের মতে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় দফায় ব্যাপক সংক্রমণ শুরুর অন্যতম কারণ মানুষের সচেতনতার অভাব। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে জোর দেন তিনি।

 

আরও পড়ুন


বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, রাজধানীর দুই এলাকায় সংক্রমণ হার বেশি

‘উই’ এর উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের দ্বার উন্মুক্ত: প্রতিমন্ত্রী পলক

যাদু দেখাতে পারেননি মেসি, শেষ হাসি হাসলো রিয়াল

বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই


দেশে এরই মধ্যে করোনার দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্ট ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পরেছে। আছে যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়েন্টও। সব টিকা সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করবে না এমন কথা ছড়িয়ে পরছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এ বিষয়ে ড. বিজন কুমার শীলের পরামর্শ, টিকা অবশ্যই নিতে হবে। কারণ শতভাগ না হলেও টিকা করোনার বিরুদ্ধে কাজ করে অনেকটাই।

জ্বর, ডায়েরিয়া, মাথা ব্যাথার পাশাপাশি করোনার নতুন নতুন উপসর্গও দেখা দিতে পারে। এজন্য মাস্ক পরা, বারবার হাত ধোয়া, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার ওপরে বিশেষ জোর দেন অনুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর