লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

অনলাইন ডেস্ক

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেমকেই পরকীয়া প্রেম বলে। এর ঝাঁঝ অতি মারাত্মক। মানবসমাজে কত ধরণের প্রেমই তো আছে! তবে যত ধরণের প্রেমই থাকুক না কেন 'পরকীয়া' প্রেমকে সবাই একটু ভিন্ন চোখে দেখে। এই সম্পর্ক তৈরি করার ফলে সংসার জীবনে তৈরি হয় অশান্তি। আর এ কারণে পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষে না অনেকে। তার পরেও অনেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়া সম্পর্কে। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন কিনা? পাঁচটি লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়া করছেন

* ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন। আপনার সঙ্গী কি আপনার দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আচমকাই অতিরিক্ত কৌতূহল দেখাচ্ছেন? আপনি কখন বাড়ি ফিরবেন বা কখন কোথায় যাবেন ইত্যাদি ঘন ঘন জানতে চাইছেন? তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। হতে পারে সেটা পরকীয়া সম্পর্ক। তবে অন্যকিছুও হতে পারে।

* যদি আপনার সঙ্গী হঠাৎ করেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন। তাহলে বিষয়টি একটু চোখে চোখে রেখে দেখুন। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আচমকাই নিজের শরীরের গঠন, সাজ-পোশাক, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই নজর দিচ্ছেন। তাহলে বুঝতে হবে তিনি হয়তো কাউকে ‘ইমপ্রেস’ করতে চাইছেন। অনেকেই নিজেদের সম্পর্কের পুরোনো টান ফিরিয়ে আনতে এমনটা করে থাকেন। তবে এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

* যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমশ উদাসীন বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হতে পারে আপনার সঙ্গী কোনো পারিবারিক বা আর্থিক কোনো সমস্যার কারণে মানসিক চাপে রয়েছেন। শারীরিক কোনো অসুস্থতার কারণেও এমনটা হতে পারে। তাই হয়তো আপনার সঙ্গী শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন উৎসাহ বোধ করছেন না। তবে এমনটা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গী শুধুমাত্র অভ্যাসবশত বা আপনাকে সঙ্গ দিতেই অংশ নিচ্ছেন কিনা।


মেসি ম্যাজিকে বার্সার বড় জয়

১০জনের আটালান্টার বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পেল রিয়ালের

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


* সঙ্গী যদি হঠাৎ করেই ফোন বা ইন্টারনেটে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যদি পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে থেকেও মাঝে মধ্যেই একটু একলা হতে চান। তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে বা পরিচিত সকলের নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। সঙ্গীর মধ্যে এমন সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করলে তা পরকীয়া সম্পর্কের কারণেও হতে পারে।

* সম্প্রতি যদি কোনো নতুন নাম আপনার সঙ্গীর মুখে বার বার শোনেন, তাহলে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখবেন, নতুন এই মানুষটির সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে আপনি কোনো প্রশ্ন করলে তিনি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন? যদি তাই হয় তবে বিষয়টি সন্দেহজনক। এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

আমেরিকার নিউ ওমেন ম্যাগাজিনের জরিপে জানা যায় চাকরিজীবী বিবাহিত নারীরা তাদের কর্মস্থলেই 'লাভার'-দের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করে থাকেন। আমেরিকান সমাজে অবিশ্বস্ততার হার দিনে দিনে বাড়ছে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে জানা যায় যে, ২৫ শতাংশ পুরুষ পরকীয়া করছে এবং ১৭ শতাংশ নারী তাদের স্বামীদের প্রতি বিশ্বস্ত নয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোজায় ঠোঁট ফাটা সমস্যার সহজ সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

রোজায় ঠোঁট ফাটা সমস্যার সহজ সমাধান

চলছে পবিত্র রমজান মাস। রোজা রাখার কারণে দীর্ঘ সময় আমাদের অন্যান্য খাবারের সঙ্গে সঙ্গে পানি পান থেকেও বিরত থাকতে হয়। দেখা যায় ইফতারের পর অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। এর ফলে দেহে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। সেই সঙ্গে দেখা দেয় ঠোঁট ফাটার সমস্যাও। যন্ত্রণাদায়ক এই সমস্যার রয়েছে খুব সহজ কিছু সমাধান।

আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

>> ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপ বাম কাজ করে না। এক্ষেত্রে অল্প একটু সরিষা তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁট ফাটা রোধ করবে। সঙ্গে ঠোঁট নরম ও কোমল করে তুলবে।


পালাকেল্লেতে ঝড় তুললেন তামিম

করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম


>> ঠোঁট মসৃণ করতে দুধের সর, মধু ও চিনি দিয়ে প্রতিদিন মাত্র দুই মিনিট ম্যাসাজ করুন। পাবেন চমৎকার ফল।

>> শরীর আর্দ্র থাকলে ঠোঁটও শুষ্ক হবে না। এজন্য ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।

>> ঠোঁট শুষ্ক লাগলে কখনোই জিভ দিয়ে ভেজাবেন না, সঙ্গে লিপবাম রাখুন। কয়েকঘণ্টা পরপর ঠোঁটে লাগিয়ে নিন।

>> ইফতার ও সেহরিতে নিয়মিত খেজুর, বাদাম, দুধ বেশি বেশি খান। এতে করে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে। ফলে ঠোঁট ফাটাও রোধ করা যাবে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার টিপস

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে তাকে দূর করার প্রচেষ্টাও। আর সেক্ষেত্রে যত্নশীল হতে হবে উভয়পক্ষকেই। অনেকে প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হলে কী করবেন তা বুঝে উঠতে পারেন না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস দিয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

একে অপরকে দোষারোপ নয়: সম্পর্কে একটু আধটু ঝগড়া হতেই পারে। তাই বলে একে অপরকে এই নিয়ে দোষাদোষী করলে দুজনের মনেই বিরূপ ধারণার জন্ম হবে। এতে করে ভুল বোঝাবুঝির পরিমাণও বেড়ে যাবে এবং সম্পর্কে ফাটল ধরার সম্ভাবনা থাকবে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তাই কখনই একে অপরকে দোষারোপ করবেন না।

সঙ্গীর কথা গুরুত্ব দিয়ে না শোনা: সঙ্গী যখন কোনো কথা বলেন সেটা যতোই তুচ্ছ হোক না কেন তা মনোযোগ সহকারে শোনা উচিৎ। নতুবা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। আপনার সঙ্গী আপনাকে কোনো কথা বলতে চাচ্ছেন সেটা আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ না হলেও হতে পারে তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঙ্গীর কথা একটু গুরুত্ব দিয়ে শুনুন।

সময় দেয়া: না, এই সময় দেয়া মানে কিন্তু ভুল বোঝাবুঝিকে বাড়তে সময় দেয়া নয়, পরস্পরকে সময় দেয়া। যখন দূরে থেকে আর সমস্যার সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না তখন কাছাকাছি হওয়ার চেষ্টা করুন। একটি দিন বা অন্তত একটি বিকেল পরস্পরকে সময় দিন। প্রিয় মানুষের চোখের দিকে তাকালে আর কোনো মিথ্যাই পাত্তা পাবে না। ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়ে প্রতিষ্ঠা হবে ভালোবাসার

অনুমান যাচাই করা: অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোনো বিষয়ে জোর দিয়ে কথা না বলাই ভালো। এতে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। অনুমিত বিষয়টি অসত্যও হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে পরিষ্কার হওয়াই ভালো।

মতের অমিল হলে না আগানো: মানুষ দুজন, তাই মতামতও দুটোই আসবে। দুজনকেই বুঝতে হবে আপনার সঙ্গী স্বতন্ত্র মানুষ, তাই তার ধারণাটাও আলাদা। তার মানে এই নয় যে সঙ্গীর মতামত বা সিদ্ধান্তটা ভুল। আপনাকে বিষয়টি সঙ্গীর দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে হবে। মানুষ যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যায় তখন সেখানে আবেগ চলে আসে। এ কারণে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুজনের আবেগকে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করতে হবে। পরবর্তীতে যেন আর কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয় সেজন্য সম্ভব হলে বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা করবেন না।


কী পরিণতি হলো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই যুবকের

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

বাংলা ভাষা থেকে তুই তুলে দেওয়ার প্রস্তাব

সোনারগাঁয়ের সেই ওসি রফিকুল এবার অবসরে


সঙ্গীর সক্ষমতা দিক নিয়ে ভাবা: একসঙ্গে পথচলার ফলে একে অন্যের ভালো-মন্দের ও সক্ষমতা-দুর্বলতার দিকগুলো জানা হয়ে যায়। সঙ্গীর ভালো গুণগুলো সব সময় মাথায় রাখতে হবে। সবসময় সঙ্গীর ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়ার ফলে ভুল বোঝাবুঝি হয়। এ কারণে সঙ্গীর দুর্বল দিকগুলোর সমালোচনা না করে তার ভালো গুণগুলোর প্রশংসা করতে হবে।

আলোচনার জন্য এগিয়ে যাওয়া: ভুল বোঝাবুঝি হলে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করতে হবে। ভুলটা তার, সমাধানের জন্য আমি কেন আগ বাড়িয়ে যাবো- এ ধরনের অহমিকা ত্যাগ করুন। দুজনই চুপ থাকলে বিষয়টি আরো ঘোলাটে হবে। এ কারণে নিজেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য এগিয়ে গিয়ে সঙ্গীকে অবাক করে দিন। কোনো রকম দোষারোপ না করে ঠান্ডা মাথায় আলোচনা করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কণ্ঠ ভালো রাখতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

কণ্ঠ ভালো রাখতে যা করবেন

একটি সুন্দর কণ্ঠের অধিকারী হতে কণ্ঠস্বরের যত্ন নেওয়া জরুরি। নিজের শরীরের সার্বিক যে স্বাস্থ্যগত দিক, তার ওপরে কিন্তু  কণ্ঠস্বরও নির্ভর করে। যেমন:- একজন লোক যদি নিয়মিত আধা ঘণ্টা ব্যায়াম করেন, যেটি আমাদের সবার করা উচিত, এটি করলে কণ্ঠস্বর ভালো থাকবে। এ ছাড়া কণ্ঠস্বরকে অ্যাবিউজ না করা ভালো।

বিরামহীন কথা বলা, জোড়ে চিৎকার দেয়া, গলার মধ্যে সমস্যা মনে হওয়া সত্ত্বেও সমাধান না করা। এমন নানা কারণে কণ্ঠ দিন দিন খারাপ হয়ে যায়। তাই কণ্ঠ ভালো রাখতে যা করতে হবে- 

>> প্রথমেই উচ্চ স্বরে কথা বলা বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই জানি কোনো স্পিকার বা মাইককে তার কার্যক্ষমতার সমান বা তার থেকে বেশি জোড়ে বেশিদিন বাজালে তা অচিরেই নষ্ট হয়ে যায়। আমাকে কণ্ঠও তার ব্যতিক্রম নয়।স্পিকার নষ্ট হলে পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে। তবে আপনার কন্ঠ একবার নষ্ট হলে পরিবর্তন করার কোনো উপায় নেই। তাই নিজ দায়িত্বেই জোরে কথা বলা বন্ধ করুন। 

>> সুন্দর করে কথা বলার অভ্যাস করুন৷ সবাই কথা বলতে পারে কিন্তু সুন্দর করে কথা না বললে আপনার কণ্ঠ সুন্দর হবে। তাই কথা বলার সময় তা গুছিয়ে সুন্দর করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। 

>> কম কথা বলার অভ্যাস করুন। বেশি কথা বললে কণ্ঠনালির উপর অতিরিক্ত চাপ পরে। কারণ অনবরত কথা বলার ফলে কণ্ঠনালিতে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার ফল স্বরূপ কণ্ঠ ভেঙ্গে যাওয়া, কণ্ঠ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া, জোরে কথা বলতে পারার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কম কথা বলার অভ্যাস গরে তুলুন। 

>> অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম কিছু দ্রুত খাওয়া বা পান করবেন না। এতে কণ্ঠনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই বেশি গরম বা বেশি ঠাণ্ডা কিছু স্বাভাবিক হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর সেটি খেতে বা পান করতে পারেন। 


সাতদিনের রিমান্ডে মাওলানা মামুনুল হক

এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন


>> গলা বা কণ্ঠনালিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত তার চিকিৎসা করান। কারণ গলা বা কণ্ঠনালিতে বড় ধরনের কিছু হলে তা  সারানো অনেক ঝামেলার ব্যাপার। তাই যখনই কোনো সমস্যা দেখা দিবে, তখনই তার সমাধান করার চেষ্টা করুন। 

>> দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। কারণ পানি আপনার শরীরের সমস্ত কিছু স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই পানি পান করতে ভুলবেন না। কোনো খাবার খাওযার পর অবশ্যই কিছুটা হলেও পানি পান করুন। কারণ খাবারের কিছু অংশ আপনার কণ্ঠনালির পাশে বেঁধে থাকতে পারে। আর এমন খাদ্য উপাদান দীর্ঘ সময় সেখানে বেঁধে থাকলে নানা সমস্যার সৃষ্টি হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

অনলাইন ডেস্ক

বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

বর্তমান সময়ে খুবই আলোচিত একটি ফল বাঙ্গি। শুধু আলোচিতই নয়, ক্ষেত্রবিশেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিনা দোষে রোষের শিকার হতে হয় নিরীহ এই ফলটিকে।

অন্যান্য ফলের মতো তীব্র স্বাদ না থাকায় অনেকেই একে অপছন্দ করলেও পুষ্টিতে এটি কারো চেয়ে কম যায় না। বাঙ্গির পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। এটি ভিটামিন ‘সি’, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফলটি খেলে কী কী উপকার হয়।

বয়স ধরে রাখে: বাঙ্গি ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে। এটি ত্বকের কোষ নষ্ট হয়ে গেলে তা ঠিক করতে সাহায্য করে। বাঙ্গির প্রোটিন কম্পাউন্ড ত্বককে করে সুন্দর। বাঙ্গি মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
দূর করে ব্রণ, একজিমা: ব্রণ বা একজিমার সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিন এক গ্লাস বাঙ্গির শরবত খান। এ ছাড়াও বাঙ্গি ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে রসটুকু বের করে তা লোশনের মতো ব্যবহার করুন। এতে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা দূর হয়।
চুল পড়া কমায়: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’, যা আমাদের চুল নতুন করে গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে থাকে। তাই নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুলের অনেক উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্লেন্ড করা বাঙ্গি শ্যাম্পু করার পর চুলে কন্ডিশনারের মতো ব্যবহার করাও ভালো।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।


আরও পড়ুনঃ


বাইডেনের প্রস্তাবে রাজি পুতিন

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

একজন মিডিওকার যুবকের ১৮+ জীবনের গল্প এবং অন্যান্য

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


এছাড়া এই ফলের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সক্ষম। বাঙ্গি মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহে সহায়তা করে শরীরের অবসাদ ভাব দূর করে।
গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুব উপকারী বাঙ্গি। নিয়মিত বাঙ্গির শরবত খেলে খাবারে অরুচি, নিদ্রাহীনতা, আলসার ও অ্যাসিডিটি দূর হয়। তা ছাড়া এই ফলে নেই কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল। তাই বাঙ্গি খেলে মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় খুব বেশি না করলেও চলে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোজায় মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

রোজায় মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

মুখের ভিতরে ছত্রাক ও ফাঙ্গাসের কারণে ঘা (ক্যানডিজিস), দাঁতের ফাঁকে মুখের ভিতরে জমে থাকা খাদ্যকণা বা তার থেকে সৃষ্টি হওয়া ব্যাক্টেরিয়া, ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা, কিডনির সমস্যা বা এই রকম একাধিক কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। রোজায় দিনের বেলা ব্রাশ করা যায় না এবং সারাদিন পেট খালি থাকে বলে মুখে দুর্গন্ধ বাড়তে পারে। 

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন-

দারুচিনি

মুখের জীবাণুগুলোকে মেরে ফেলার জন্য দারুচিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য হালকা গরম পানিতে এক চামচ দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে নিন। তারপর গড়গড়া করলেই মুখের দুর্গন্ধ শেষ হয়ে যাবে। প্রতিদিন ইফতারের পর এমনটি করলে উপকার পাবেন।

লবঙ্গ

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপার্টিজ মুখের ভেতর থাকা ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মুখের ভেতর একটি লবঙ্গ রাখতে বলেছেন। দীর্ঘক্ষণ মুখে লবঙ্গ রাখলে দ্রুত দুর্গন্ধ চলে যায়। ইফতারের পর কিছুক্ষণ মুখে লবঙ্গ রেখে দিতে পারেন।

এলাচ

একাধিক রোগের প্রতিষেধক এলাচ। দীর্ঘ সময় মুখে এলাচ রেখে দিলে দুর্গন্ধ একেবারেই কমে যায়। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এলাচের মাধ্যমে চিকিৎসাকে মোক্ষম দাওয়াই হিসেবে বিবেচনা করেন। রোজা রেখে এটি সম্ভব নয়। তাই সেহরির সময় এলাচদানা চিবিয়ে খেতে পারেন।

লেবুর রস

মুখের দুর্গন্ধ যখন বেড়ে যায়, তখন লেবুর রস পান করা উচিত। গবেষকদের মতে, লেবুর ভেতরে অ্যাসিডিক কনট্যান্ট রয়েছে। যা মুখের জীবাণুগুলোকে মেরে ফেলে। এতে কমে আসে দুর্গন্ধ। ইফতার এবং সেহরির সময়ে এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান অথবা গড়গড়া করতে পারেন। এতে সারাদিন মুখ দুর্গন্ধমুক্ত থাকবে।

নারকেল তেল

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে নারকেল তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে আছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান। যা মুখের ভেতর লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে এবং দুর্গন্ধ দূর করে। ইফতারের পর এক চামচ নারকেল তেল মুখে নিয়ে অন্তত ৫ মিনিট কুলি করুন। তারপর কুসুমগরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

বেকিং সোডা

শরীরের ভেতরে অ্যাসিডের স্তরগুলোকে ঠিক রাখার মধ্য দিয়ে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে বেকিং সোডা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিন একগ্লাস পানিতে অল্প বেকিং সোডা মিশিয়ে গড়গড়া করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ইফতারের পর কিংবা সাহরির সময় গড়গড়া করা যেতে পারে।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতাকে প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার বলা যায়। কারণ অল্প সময়ের মধ্যে এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। তাই মুখে দুর্গন্ধ হলে ইফতারের পর ২ থেকে ৩টি পুদিনা পাতা নিয়ে চিবোতে থাকুন। পাশাপাশি খেতে পারেন পুদিনা পাতার শরবত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য প্রায়ই পুদিনা পাতার কথা বলেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর