ঘুণে ধরা সমাজ বিনির্মাণ করতে পারে যুব সমাজ: এমপি মোশাররফ

অনলাইন ডেস্ক

ঘুণে ধরা সমাজ বিনির্মাণ করতে পারে যুব সমাজ: এমপি মোশাররফ

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন বলেছেন, যুব সমাজের সব উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। কারণ তারা বিপথে না গিয়ে খেলাধুলায় মনোযোগ দিয়েছে। আর এই যুব সমাজই পারে ঘুণে ধরা সমাজ বিনির্মাণ করতে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কাহালুর কালাই ইউনিয়নের পাঁচগ্রাম হাইস্কুল মাঠে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, এমপি মোশারফ মাঠের চলমান কাজের আগ্রগতি পরিদর্শন এবং মসজিদের প্রাচীর উদ্বোধন করেন। এসময় মসজিদ কমিটি এমপিকে ধন্যবাদ জানান।


প্রতিদিন নতুন নারী লাগত তার, পরতেন ত্রিশ দিনে ৩০ সানগ্লাস

১৭ বছরের কিশোরীর পেটে ৪৮ সেন্টিমিটার লম্বা চুলের দলা

ছোট ভাই মাকে বলল,‘আপুকে পেছনের রুমে নিয়ে গেছে এক ভাইয়া

স্ত্রীকে সৌদি পাঠিয়ে ৮ বছরের মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে বাবা

৬৬ নারীকে ধর্ষণ করেছে এক ‌‘ডেলিভারি বয়’


পাঁচগ্রাম ব্যাডমিন্টন ক্লাব আয়োজিত এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কালাই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবু তাহের সরদার হান্নান, গণমাধ্যমকর্মী আরাফাত আলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুবেল হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান জাহেদুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামীম খন্দকার, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাজাহান আলী, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহুরুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম।

ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পাইকড় ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মিঠু চৌধুরী, কালাই ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান খান মিন্টু, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আ. সবুর খান, হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা, মৌলভী শিক্ষক আলীম, পাঁচগ্রাম ব্যাডমিন্টন ক্লাবের সভাপতি আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক তৌফিক ও সিনিয়র সহসভাপতি শাহাদত সরকার সোহান, দফতর সম্পাদক আরিফসহ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত দেশে ফেতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল : ৫১ আলেমের বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজত দেশে ফেতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল : ৫১ আলেমের বিবৃতি

হেফাজতে ইসলাম হচ্ছে দেশে ফেতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল। এদের হাতে আমাদের শান্তির ধর্ম ইসলাম নিরাপদ নয় দাবি করে এক বিবৃতিতে দেশের ৫১ আলেম হেফাজতে ইসলামকে বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। 

শনিবার (১৭ এপ্রিল) দেশের ৫১ আলেম গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, সবাইকে জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। মহান আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া আমাদেরকে আরও একটি পবিত্র মাস ইবাদত বন্দেগিতে কাটানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আসুন আমরা এ পবিত্র মাসে মহামারি করোনা থেকে বিশ্ববাসীকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে আরও বেশি করে ফরিয়াদ জানাই।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে তারা বলেন, আপনারা জানেন, গতকাল দেশের বেশকিছু পত্রিকায় আলেমসমাজের নামে স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বিবৃতিটি হলো হেফাজতে ইসলামের বর্তমানে নেতৃত্বের একটি বিবৃতি। বিবৃতিটি মিথ্যা ও বানোয়াট নানা ধরনের অভিযোগযুক্ত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিবৃতিটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং তাদের (হেফাজতে ইসলাম) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বের বিভিন্ন অপকর্ম এবং দেশ ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যেভাবে দেশের জনগণ ও আলেম-ওলামারা ফুসে উঠেছে তা আড়াল করা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত মার্চ মাসে আমাদের বন্ধু ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে ইসলাম রক্ষার নামে হেফাজতে ইসলাম ২৫-২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল। হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব মাদরাসার কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষকদের ভুল প্ররোচণার মাধ্যমে তাদের ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ভাঙচুর, সরকারি অফিস-আদালত, ভূমি অফিস, পুলিশ স্টেশন, বিদ্যুৎ অফিস, শিশুদের বিদ্যালয়, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত যানবাহনে আগুন দিয়েছিল। তারা সাধারণ মানুষের বাড়ি-ঘরে আগুন দিয়েছিল যে আগুনের তাণ্ডব থেকে আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফও রক্ষা পায়নি। এরা মূলত ইসলামের শত্রু। মুখে ইসলামের কথা বলে, ধর্মের দোহাই দিয়ে আসলে তারা (হেফাজতে ইসলাম) রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ব্যস্ত। আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলাম কখনোই এ ধরনের জঙ্গি কর্মকাণ্ড, ধর্মের নামে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ সমর্থন করে না ও অনুমোদন দেয় না। বরং এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রচণ্ডভাবে ইসলামবিরোধী। আমাদের প্রিয় নবী রাসুল (সা.) তার জীবদ্দশায় ইসলাম ধর্ম, ইসলামের মর্মবাণী প্রচার করতে গিয়ে অন্য ধর্মের মানুষদের প্রতি অপমান-আঘাত, বাধার শিকার হয়েও কোনদিন তাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি করেননি। বরং সবসময় তাদের প্রতি সহমর্মিতা, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।


কিন্তু আজকে দেশে হেফাজতে ইসলাম ধর্ম রক্ষার নামে যেভাবে অন্য ধর্মের মানুষের উপসনালয়ে, তাদের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে তা আমাদের রাসুলের দেখিয়ে যাওয়া পথের পরিপন্থী। সুতরাং এরা কখনোই প্রকৃত মুসলমান হতে পারে না। হেফাজতে ইসলাম হচ্ছে দেশে ফিতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল। এদের হাতে আমাদের শান্তির ধর্ম ইসলাম নিরাপদ নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আপনারা জানেন হেফাজতে ইসলামের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যিনি বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিলে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দা সবসময় নীতি-নৈতিকতার বক্তব্য নিয়ে গরম করে রাখতেন। তিনি সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী ব্যতীত অন্য একজন নারীকে নিয়ে রিসোর্টে সময় কাটাতে গেলে স্থানীয় জনরোষের মুখে পড়েন। পরবর্তীতে দেখা যায় তিনি তার প্রকৃত স্ত্রীর নাম দিয়ে বুকিং করে এ নারীর সঙ্গে সেখানে যান। তিনি উত্তেজিত জনগণের কাছে এ নারীকে নিজের স্ত্রী দাবি করলেও পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তার প্রকৃত স্ত্রীর সাথে ফোনালাপে এ নারীকে অন্য ব্যক্তির স্ত্রী দাবি করেন। হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব এ ধরনের ভণ্ড, নারীলোভী, দুঃশ্চরিত্র ব্যক্তির পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি দেন যা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়।

সুতরাং হেফাজতের এ নেতৃত্ব কিংবা যারা এ ভণ্ড নেতৃত্ব অনুসরণ করছে, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তারা শুধুমাত্র ইসলামের শত্রু নয় তারা দেশ ও দশের শত্রু। এখন যখন তাদের এ সকল ভণ্ডামি দেশবাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে তখন তারা এ পবিত্র রমজান মাসে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে দেশবাসীকে ইসলামের দোহাই দিয়ে, তাদের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করার জন্য মিথ্যা বিবৃতির আশ্রয় নিয়েছে। তাই আমরা আলেমসমাজ এ সকল ভণ্ড, ও ফিতনা সৃষ্টিকারী ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি মুসলমান ভাইবোনেদের সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি এবং কওমি মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাবো এসকল মতলববাজ, ভণ্ড ও রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি দৃষ্টি আলেমদেরকে বর্জনের জন্য। যাতে তারা আপনাদের ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করতে না পারে।

বিবৃতি দিয়েছেন  দেশের যে  ৫১ আলেম তারা হলেন, মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসাইন, মাওঃ মোঃ আফলাতুল কাওছার, হাফেজ মাওঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম খান, ডাঃ প্রফেসর আল এমরান ,মাওঃ মোঃ মুফতি সাহাবুদ্দিন ভুইয়া, মাওঃ মোঃ মুহিবুল্লাহ ,মাওঃ মোঃ গোলাম মোস্তফা,মাওঃ মোঃ আব্দুল আজিজ,মাওঃ মোঃ মোস্তফা চৌধুরী, মাওঃ মোঃ ইলিয়াস হোসাইন ,মাওঃ মোঃ এখলাছুর রহমান ,মাওঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান, মাওঃ মোঃ নুরে আলম সরকার ,মাওঃ মোঃ শামসুল হক, মাওঃ মোঃ আবুল খায়ের মজুমদার ,মাওঃ মোঃ নুরুল আমিন পীর সাহেব ভাঙা, শাইখুল হাদিস মাওঃ মোঃ শাহাদাত হোসেন, মাওঃ শাহ মোঃ ওমর ফারুক, মাওঃ মোঃ জসিম উদ্দীন, মাওঃ মোঃ এনামুল হক সিদ্দিকী, মাওঃ মোঃ মনির হোসাইন চৌধুরী, ড. মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক, মাওঃ মোঃ হারুন, মাওঃ মোঃ মোছাদ্দেক ,মাওঃ মোঃ ওসমান গনী, মাওঃ মোঃ নুরুল ইসলাম, মাওঃ মোঃ রেজাউল করিম, কাজী মাওঃ মোঃ তাজুল ইসলাম, মাওঃ হাফেজ মুহাম্মদ ফারুখ আব্দুল্লাহ,মাওঃ মোঃ মুনজুরুল ইসলাম,মাওঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম,মাওঃ মোঃ দৌলতখান,মাওঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান,
মাওঃ মোঃ আজমীর হোসাইন, আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশিদ,মাওঃ মোঃ ফয়জুল্লাহ, এড. মনির হোসেন, মোসাঃ আফসানা পারভিন মনা ,মোসাঃ জয়নব আরা ফেরদৌসী, মোসাঃ রোকেয়া বেগম, মোসাঃ ইসরাত জাহান লামিয়া,মাওঃ মোঃ আব্দুল কাইউম,শাহ মাওঃ মোঃ আনোয়ারুল হক, মাওঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন ফরিদপুরী,মাওঃ মোঃ মিজানুর রহমান, মাওঃ মোঃ মিজানুর রহমান, মাওঃ মোঃ আলমগীর হোসেন,মাওঃ মোঃ ইকবাল,মাওঃ মোঃ গোলাম মোস্তফা, মাওঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম,মাওঃ মোঃ মিজানুর রহমান।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে কারণে সংবাদ সম্মেলন করবেন মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

যে কারণে সংবাদ সম্মেলন করবেন মির্জা আব্বাস

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস আগামীকাল রোববার (১৮ এপ্রিল) ৩ টায় তার বাসভবনে প্রেস ব্রিফিং করবেন। তবে কি বিষয়ে এই সংবাদ সম্মেলন সে বিষয়ে এখনই কিছু জানাননি বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা।

এর আগে শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস নিখোঁজ  বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের ফেছনে দলেরই ভেতরের কয়েকজন নেতা দায়ী বলে মন্তব্য করেন। ওইসব নেতাদের অনেকেই চেনেন বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেনি। তার গুমের পেছনে দলেরই ভেতরের কয়েকজন নেতা দায়ী। 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা এবং সাবেক সাংসদ ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে  শনিবার বিকেলে এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত বিএনপি-জামায়াতের ‘বি’ টিম: হানিফ

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজত বিএনপি-জামায়াতের ‘বি’ টিম: হানিফ

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেনে, হেফাজত ইসলাম বিএনপি-জামায়াতের ‘বি’ টিম। এরা প্রত্যেকেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। 

তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধিতাকারীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ করতে হবে।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

ভারতে যেতে আর বাধা নেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

করোনায় কাজ না থাকলেও কর্মীদের পুরো বেতন দিচ্ছেন নেইমার


আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননের শেখ হাসিনা মঞ্চে মুজিবনগর দিবসের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, যারা হেফাজতে আছে তারা সংবিধানকে মানতে চাই না, তারা জাতীয় সংঙ্গীত গাইতে চায় না, তারা জাতীয় পতাকাকে সম্মান করতেও চায় না। এগুলো বিএনপির নেতৃত্বে শক্ত দানা বেঁধেছে। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কথায় কথায় নাগরিক হত্যা প্রজাতন্ত্রের সংস্কৃতি হতে পারে না : রব

অনলাইন ডেস্ক

কথায় কথায় নাগরিক হত্যা প্রজাতন্ত্রের সংস্কৃতি হতে পারে না : রব

পুলিশের গুলিতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিক নিহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।  কথায় কথায় নাগরিক হত্যা প্রজাতন্ত্রের সংস্কৃতি হতে পারে না বলেও জানান তিনি। 

শনিবার এক বিবৃতিতে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব এ কথা বলেন। 

আ স ম আবদুর রব বলেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া না মেনে গুলি করে শ্রমিকদের হত্যা করা একমাত্র সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ে আন্দোলনকারীদের হত্যার মাধ্যমে স্তব্ধ করা যায় না - এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। 

তিনি আরও বলেন, কথায় কথায় নাগরিক হত্যা প্রজাতন্ত্রের সংস্কৃতি হতে পারে না। সরকার বিরোধী প্রতিবাদ, প্রতিরোধ বা মতাদর্শিক সংগ্রাম অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে নিধন করার অপসংস্কৃতি বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রয়োগ করায় তা দিনে দিনে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এবং সমাজে তা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করছে। মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিসর যেভাবে সংকুচিত হচ্ছে এবং তা ক্রমাগতভাবে অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে রক্তাক্ত সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে। যা আমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে চরমভাবে বিপন্ন করে তুলবে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মুক্তিযুদ্ধের রাষ্ট্রে কারো কাম্য হতে পারে না। 

সুতরাং, ভয়ের বিভীষিকাময় সংস্কৃতি চালু করার লক্ষ্যে যে কোন ইস্যুতে প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হত্যা, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে নিপীড়ন-নির্যাতন এবং গ্রেফতার করার অপকৌশল থেকে রাষ্ট্রকে অবশ্যই নিবৃত্ত থাকতে হবে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এ হত্যাকাণ্ডের জন্য দোষীদের বিচারের আওতায় আনা, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, শনিবার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে পাঁচ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মির্জা আব্বাসের

অনলাইন ডেস্ক

ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মির্জা আব্বাসের

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস নিখোঁজ  বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেনি। তার গুমের পেছনে দলেরই ভেতরের কয়েকজন নেতা দায়ী। ওইসব নেতাদের অনেকেই চেনেন বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা এবং সাবেক সাংসদ ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে আজ শনিবার বিকেলে এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন। সিলেট বিভাগ জাতীয়তাবাদী সংহতি সম্মেলনী–ঢাকার উদ্যোগে ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ইলিয়াস আলী গুমের পেছনে দলের কতিপয় নেতার ইন্ধন রয়েছে। গুম হওয়ার আগের রাতে দলীয় অফিসে কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয় মারাত্মক রকম। ইলিয়াস খুব গালিগালাজ করেছিলেন তাকে। সেই যে পেছন থেকে দংশন করা সাপগুলো, আমার দলে এখনো রয়ে গেছে। যদি এদের দল থেকে বিতাড়িত না করেন, তাহলে কোনো পরিস্থিতিতেই দল সামনে এগোতে পারবে না।

২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালক আনসার আলীসহ নিখোঁজ হন ইলিয়াস আলী। এত দিন বিএনপি অভিযোগ করে আসছিল, তাকে সরকারই ‘গুম’ করে রেখেছে। তার সন্ধানের দাবিতে সে সময় সিলেটের বিশ্বনাথে সপ্তাহব্যাপী হরতাল পালিত হয়।

ইলিয়াস আলীর গুমের খবর ওই দিন রাত দেড়টা থেকে পৌনে দুইটায় পেয়েছিলেন জানিয়ে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বলেন, ‘গুমের সংবাদ পাওয়ার পর পরিচিত যারা ছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ইলিয়াস আলীকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং যে পুলিশ কর্তকর্তাদের সামনে তাকে নেওয়া হলো, সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এই খবর আপনারা কেউ জানেন না। পুলিশের গাড়িতে যে কজন কর্মকর্তা ছিলেন, তাদের আজও পাওয়া যায়নি। যেমন ইলিয়াস আলীর চালককেও পাওয়া যায়নি। তাহলে এই কাজটা করল কে?’

তিনি বলেন, ইলিয়াস আলীকে যারা গুম করেছে তাদের বদমাইশ। আমার দলের ভেতরে লুকায়িত যে বদমাইশগুলা আছে দয়া করে তাদের একটু সামনে আনার ব্যবস্থা করেন, প্লিজ।

একজন জলজ্যান্ত তাজা রাজনৈতিক নেতা গুম হয়ে গেল দেশের অভ্যন্তর থেকে। আমাদের একজন নেতাকে দেশ থেকে পাচার করে নিয়ে গেল, সালাউদ্দিনকে। আমাদের চৌধুরী আলমকে গুম করে দেওয়া হলো।  যারা এসব করেছে, তারা এই দেশের স্বাধীনতা চায় নাই? তারা স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব দেশে থাকতে দেবে না বলেও জানান তিনি।

যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, জহিরউদ্দিন স্বপন, কামরুজ্জামান রতন, আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল এবং নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বক্তব্য দেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর