সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষায় ‘কঠোর পরিশ্রম’ আর ‘অসাধারণ কর্মদক্ষতার’ জন্য ‘প্রশংসা সনদ’ পেলেন সেখানে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটে অপারেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া, পিপিএম।

আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) দারফুরে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের বঙ্গবন্ধু ক্যাম্পে তার কাছে এই সনদ হস্তান্তর করেন সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ড. সুলতান আজম তিমুরি।

মাসুক মিয়া ২০১৯ সালের ২৫ মে সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের পর নিয়ালা সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান এবং সফলভাবে সুদান সরকারের কাছে ক্যাম্প হস্তান্তর করেন। কুটুম টিম সাইটের ফাতাবর্ন আইডিপি ক্যাম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষকে নিরাপত্তা প্রদান করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর এলফেশার সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান ছাড়াও করোনাকালীন সময়ে জাতিসংঘের কোভিড-১৯ গাইডলাইন মেনে দক্ষতার সাথে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনাসহ জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টাস থেকে আগত বিভিন্ন ভিআইপিদের এসকর্ট প্রদান করেন।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


সুদানে শান্তিরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এ মাসের শুরুতে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদকে’ ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এই কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থী সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সফলভাবে দায়িত্বপালন শেষে আগামী মাসের ১১ তারিখ দেশে ফিরবেন।

মাসুক মিয়া নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানান, ‘সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন যৌথভাবে শান্তিরক্ষায় কাজ করছে। বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এই মিশনে কাজ করার সৌভাগ্য হয় আমার। দায়িত্ব পালনকালে শান্তিরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয় এমন কাজ করার চেষ্টা করেছি যার স্বীকৃতি হিসেবে আমাকে এই ‘প্রশংসা সনদ’ দেওয়া হয়েছে।’

প্রশংসা সনদ পাওয়ার দিনটিকে অত্যন্ত আনন্দের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌‌একজন শান্তিরক্ষী হিসেবে মিশনে অনেক প্রতিকূল পরিবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এই সনদ প্রাপ্তি আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। এরকম ‘প্রশংসা সনদ’ মিশনে কর্মরত অন্যদেরও কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করি।'

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডায় ৯০ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডায় ৯০ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি

কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব মন্ত্রী মার্কো ই এল মেন্ডিসিনো ৯০ হাজারের ও বেশি প্রয়োজনীয় কর্মী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী যারা কানাডার অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখে চলেছেন তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য একটি অভিনব পথ ঘোষণা করেছেন।

এই বিশেষ পাবলিক নীতিগুলির মধ্যে অস্থায়ী কর্মী এবং আন্তর্জাতিক স্নাতকদের যারা স্থায়ীভাবে কানাডায় রয়েছেন এবং যারা করোনা মহামারীর সাথে লড়াই করতে এবং কানাডার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তাদের স্থায়ী মর্যাদা দেয়া হবে।

এই নতুন পথের কেন্দ্রবিন্দু হবে কানাডার হাসপাতাল এবং দীর্ঘমেয়াদী কেয়ার হোমগুলিতে নিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীদের এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রের প্রথম সারিতে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী স্নাতকদের যারা আগামীদিনের অর্থনীতি পরিচালনা করবে।

আবেদনে যোগ্য হওয়ার জন্য, শ্রমিকদের হেলথ কেয়ার পেশায় বা অন্য কোনও প্রাক-অনুমোদিত প্রয়োজনীয় পেশায় কমপক্ষে এক বছরের কানাডীয় কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক স্নাতকদের অবশ্যই শেষ ৪ বছরের মধ্যে একটি যোগ্য কানাডিয়ান পোস্ট-সেকেন্ডারি প্রোগ্রাম সম্পন্ন করতে হবে এবং তা জানুয়ারী ২০১৭ এর আগের নয়।

২০২১ সালের ৬ ই মে থেকে ইমিগ্রেশন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব কানাডা (আইআরসিসি) নিম্নলিখিত ৩ টি স্ট্রিমের আওতায় আবেদন গ্রহণ করতে শুরু করবে। এরমধ্যে স্বাস্থ্যসেবাতে অস্থায়ী কর্মীদের জন্য ২০ হাজার আবেদন, অন্যান্য নির্বাচিত প্রয়োজনীয় পেশায় অস্থায়ী কর্মীদের জন্য ৩০ হাজার আবেদন এবং কানাডার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক হওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ হাজার আবেদন।

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা। বিশাল আয়তনের দেশটিতে একমাত্র আদিবাসী অল্প কিছু মানুষ ছাড়া সবাই অভিবাসী। কানাডায় জন্মহার বাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও সফল হওয়া যাচ্ছে না, বয়স্ক লোকজনের সংখ্যাই এখানে বেশি। 

কোভিড-১৯ এর সময় কানাডা যেভাবে মানবিকতা, বিজ্ঞান আর বিচক্ষণতার মাধ্যমে কানাডিয়ানদের সুরক্ষার চেষ্টা করছে, যেভাবে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট, ভিজিটর, ওয়ার্কার, রিফিউজিদের সঙ্গে আচরণ করেছে, কূটনৈতিকভাবে প্রতিবেশী দেশ আমেরিকা, বিতর্কিত চীন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে যেভাবে সহ-অবস্থান করেছে, তা কানাডার অবস্থানকে বিশ্বে আরও মহিমান্বিত করেছে। আর তাই কানাডায় অভিবাসনের ইচ্ছা সারা বিশ্বে আরও বেড়ে গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ধরে রাখতে বার্ষিক অভিবাসন লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অংশ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কানাডার অভিবাসন দফতর।

দেশটিতে এ বছর এরই মধ্যে ৭০ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই বর্তমানে সেখানে বসবাস করছেন। যদিও এ বছর ৪ লাখেরও বেশি অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল কানাডা সরকার।

তবে, বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির কারণে, সেটি আপাতত সম্ভব না হওয়ায়, দেশটির অভ্যন্তরে অস্থায়ীভাবে বসবাসরতদের স্থায়ী অভিবাসনের অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কানাডা সরকার। গত বছর প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয় কানাডা সরকার।

গত বছরে ৩০ অক্টোবর কানাডার অভিবাসনমন্ত্রী মার্কো মেন্ডিচিনুর ২০২১ - ২৩ সালের মধ্যে ১২ লক্ষ ৩৩ হাজার অভিবাসী আনার ঘোষণা করেন। এই পরিকল্পনায় বড় বড় সিটির বাইরে সুনির্দিষ্ট কম জনবহুল এলাকায় সেখানকার সুনির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী যোগ্য ইমিগ্রান্টদের আনা হবে। আগামী তিন বছরে ৬০ শতাংশ নেওয়া হবে দক্ষ অভিবাসী - এক্সপ্রেস এন্ট্রি, পিএনপি, অ্যাগ্রিফুড পাইলট প্রোগ্রাম, রুরাল অ্যান্ড নর্থার্ন ও মিউনিসিপাল পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে। ফ্যামিলি ক্লাস, রিফিউজি স্পনসরশিপ, হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যান্ড কম্পাশনেট ও অ্যাসাইলাম ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন


কাদের মির্জা ও উপজেলা আ.লীগ অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি মামলা

মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

কোথায় সমাহিত করা হবে কবরীকে জানালেন তার ছেলে

কবরীর মৃত্যুর খবরে বাকরুদ্ধ শাবানা


উল্লেখ্য এ বছরের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাওয়া যাবে। এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশীসহ বিশ্বের লাখো কানাডা অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্থায়ীভাবে কানাডায় বসবাসের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

বিশিষ্ট কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মোঃ মাহমুদ হাসান বলেন- কানাডার অভিবাসন নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর কানাডা বিভিন্ন পেশায় যেভাবে প্রবাসীদের স্থায়ী আবাসিক হওয়ার অনুমোদন দেয়, ৯০ হাজার স্থায়ী অভিবাসনের প্রক্রিয়াটি তা থেকে ভিন্ন কিছু নয়। চাহিদার প্রেক্ষিতে সল্পতম সময়ে আবেদন নিস্পত্তি, কিছু পেশায় বেশি সংখ্যক আবেদন অনুমোদনের সম্ভাবনা ছাড়া এতে আর কোন নতুনত্ব নেই। বাংলাদেশীদের এ প্রোগ্রাম থেকে বিশেষভাবে লাভবান হওয়ারও কোন সুযোগ নেই।

দীর্ঘদিন ধরে কানাডায় বসবাসরত বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি রুপক দত্ত বলেন- নতুন এবং দক্ষ জনশক্তি বিশেষ করে এর মধ্যে যারা বাংলাদেশী রয়েছেন তারা কানাডায় স্থায়ী নাগরিকত্ব অর্জন করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এটাই আমার বিশ্বাস।

কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও সাবেক ছাত্রনেতা কিরন বনিক শংকর বলেন--আমার ৩০ বছরের কানাডিয়ান জীবনের অভিজ্ঞতায় এই প্রথম এ ধরনের একটি আশানুরুপ সংবাদ পেলাম। বাংলাদেশীদের জন্য এটি খুবই সুসংবাদ। অভিবাসন মন্ত্রীর এই ঘোষণা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তুলবে-- এমনটাই আমার প্রত্যাশা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।  শুক্রবার দেশটিতে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় আগত যাত্রীদের মধ্যে কোভিড-১৯ পজিটিভ হিসেবে শনাক্তের হার বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ১৬ এপ্রিল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৩ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা এবং অনিয়মিত বিমান চলাচল স্থগিত করে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। এর ফলে কোরিয়া গমনেচ্ছু বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এবং কর্মীর শিক্ষা ও কর্মজীবন হুমকির মুখে পড়ে।

পরে পরিস্থিতি বিবেচনায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিউলে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস শুরু থেকেই এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে।

সরকারের নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে দীর্ঘ ৮ মাস পর বাংলাদেশের নাগরিকদের ওপর আরোপিত ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ কোরিয়া। এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছু বাংলাদেশি নাগরিকরা ঢাকাস্থ দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার আবেদন শুরু করেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই হত্যার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই হত্যার অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্যাক্রামেন্টো কাউন্টি এলাকায় নিজের ভাইকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে।

স্যাক্রামেন্টো কাউন্টি পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর আকরাম হুসেইন নামের ৩০ বছর বয়সী ওই তরুণকে মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে কাউন্টি জেলে পাঠানোর পর ১ লাখ ডলারের বিনিময়ে জামিন নিয়ে বের হন।

স্থানীয় প্রবাসীরা জানিয়েছেন, ৮ মার্চ আনোয়ার হুসেইন নামের এক ২৭ বছর বয়সী তরুণ মারা যান। তিনি ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ছিলেন। সেদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাংলাদেশি পরিবারটির সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

কাউন্টি পুলিশ বুধবার বিবৃতিতে জানায়, আকরামের আচরণ তাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। আনোয়ারের ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি ডাউন সিন্ড্রোম নামের এক প্রকার জেনেটিক সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন।

কীভাবে, কোথায় আনোয়ার মারা গেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি পুলিশ।

আরও পড়ুন


গাজীপুর করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু

নওগাঁর মাঠে মাঠে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

নওগাঁয় সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি চালের বাজার, বাড়ছে সব ধরণের চালের দাম

নওগাঁয় বিদেশি ফল রক মেলন চাষের উজ্জল সম্ভাবনা


স্থানীয় কয়েকজন প্রবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারা যাওয়ার সময় আনোয়ার নর্থ হাইল্যান্ডসের বাড়িতে ছিলেন। আকরামও ওই বাড়িতে থাকেন। গত জানুয়ারিতে তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর দুজনে সেখানেই বসবাস করেন।

আকরাম-আনোয়ারের বোন হেইডি থম্পসন বলছেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছুই তারা ধারণা করতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে দায় দিতে পারছি না। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন আঘাত ছিল।’ ‘কোনো প্রমাণ আসার আগ পর্যন্ত আমরা আকরামের পাশে থাকব।’

হেইডি থম্পসন জানিয়েছেন, বিচ্ছেদ সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে আকরাম-আনোয়ারের সঙ্গে দীর্ঘদিন তাদের যোগাযোগ ছিল না। বাবা মারা যাওয়ার পর জানুয়ারি থেকে আবার যোগাযোগ হচ্ছিল তাদের।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আটকে পড়া প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ফ্লাইট চালু হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক

আটকে পড়া প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ফ্লাইট চালু হচ্ছে

করোনা মহামারিতে আটকে পড়া প্রায় এক লাখ প্রবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিশেষ ফ্লাইট। আগামীকাল শনিবার থেকেই এই ফ্লাইট চালু করা হবে। 

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। 

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরের জন্য এসব বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন


ডেডিকেশন নিয়ে সংসার করেছি, কাজের জায়গাতেও একই রকম

জলবায়ু পরিবর্তন আইন করতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড

ধর্মীয় একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করছে পাকিস্তান

পাঁচ দেশের সঙ্গে বিশেষ ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা


বেবিচক কার্যালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি দেশে ১০০ থেকে ১২০টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। 

জানা গেছে, অনেক প্রবাসী কর্মী ছুটিতে এসে আটকা পড়েছেন ১৩-১৪ মাস ধরে। তার পরেও অনেক চেষ্টা করে এবং অর্থ খরচ করে রি-এন্ট্রি পারমিট পেয়ে গন্তব্য দেশের শর্ত অনুযায়ী কোয়ারেন্টিনের হোটেল বুকিং দিয়েছেন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট, স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট, স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান

কানাডায় ক্রমবর্ধমান হারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অদূশ্য এই আতংকের সাথে যোগ হয়েছে নতুন ভ্যারিয়েন্ট যা ঠেকাতে সরকার কে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কানাডার অন্টারিও তে “স্টে হোম অর্ডার” রীতি মেনে চলতে হচ্ছে এবং কানাডার মন্ট্রিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি সিটি তে লকডাউন চলছে।

কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, অন্টারিও, মন্টিয়ল এবং আলবার্টায় নতুন করে ভেরিয়েন্টটি আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এবং প্রতিদিনই করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতবছর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত বন্ধ রয়েছে, তবে জরুরী কিছু সার্ভিস চালু রয়েছে।

কানাডার চিফ পাবলিক হেলথ অফিসার ডক্টর থেরেসা ট্যাম কানাডার স্থানীয় গণমাধ্যম কে  জানিয়েছেন, কানাডা বর্তমানে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ওয়েভ এর চূড়ান্ত অবস্থার দিকে এগুচ্ছে, যদিও কোভিড-১৯ এর বর্তমান এই বেড়ে যাওয়াকে অনেক প্রভিন্সের মেডিক্যাল অফিসাররা তৃতীয় ওয়েভ হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

ডক্টর ট্যাম বলেন, মহামারীর এই বর্তমান বেড়ে যাওয়ার ভয়ংকর দিকটি হচ্ছে, আরো ছোঁয়াচে ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি। তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রভিন্স ও ফেডারেল থেকে নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কোন বিকল্প নেই।

ডক্টর ট্যাম উল্লেখ করেন, গত সাত দিনে ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিট এ ভর্তি রুগীর সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ২৭ ভাগ। তিনি আশংকা করছেন, জনগণ যদি সচেতন না হয়, তবে এ মাসের শেষে এ সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে, যা মোকাবেলা করা কানাডার স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য খুবই কষ্ট সাধ্য হয়ে দাঁড়াবে।

তিনি আরো বলেন, ৪০ থেকে ৫৯ বছরের মানুষের আক্রান্তের সংখ্যা এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা আশংকাজনক হারে বেড়ে চলেছে। এছাড়াও গত তিন মাসে ইন্টেনশিভ কেয়ারে ১৮ থেকে ৩৯ বছরের আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে এ সংখ্যা ছিল শতকরা ৭ ভাগ এবং মার্চে এ সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ১৫ ভাগে।

আরও পড়ুন


যে কারণে বাজেয়াপ্ত করা হলো সুয়েজ খালে আটকে পড়া সেই জাহাজ

শত্রুতা করে রাতে কেটে দেয়া হলো ১৮০ আমগাছের চারা

সেমিতে ম্যানচেস্টার সিটি, প্রতিপক্ষ নেইমার-এমবাপ্পের পিএসজি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে রিয়াল, লিভারপুলের বিদায়


প্রদেশগুলোতে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে এবং স্বাস্থ্য সুবিধার স্বল্পতার কারণে হাসপাতালগুলোতে কিছুটা কম গুরুত্বপূর্ণ সব অপারেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এই সংকটকালীন মহামারীর সময়কে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করার জন্য ডক্টর থেরেসা ট্যাম দেশবাসীর কাছে আহবান জানান।

উল্লেখ্য কানাডায় গতবছর মার্চ মাসে প্রথম কোভিড শনাক্ত হয় ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ২৩ হাজারের ও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেছেন।

কানাডা সরকার দেশটির নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কে আরো শক্তিশালী করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তাছাড়া সকল নাগরিকরা যেন দ্রুত ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আসে সেদিকেও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ৮৭ হাজার ১ শত ৫২ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩ হাজার ৪শ’ ৪৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৫শত ৬ জন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর