অনলাইনে ৩৬ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু বন্ধুদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইনে ৩৬ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু বন্ধুদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার

ফাইল ছবি

ঢাকা ও সাতক্ষীরায় ১৭৮ শিশুর ওপর বেসরকারি সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) পরিচালিত এক জরিপ প্রতিবেদন বলছে, অনলাইনে ৩৬ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু বন্ধুদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

২৭ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু পরিচিত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও আত্মীয় এবং ১৮ শতাংশ অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক ভার্চ্যুয়াল মতবিনিময় সভায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে সংগঠনটি।

ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রধান অতিথি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তার লক্ষ্যে তথ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া তৈরি করেছে সরকার।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৮ লাখ। এখন সেটা ১১ কোটিতে পৌঁছেছে। সরকার ৩০ হাজার পর্নো সাইট বন্ধ করেছে। ইন্টারনেটে পর্নো সাইট অনুসন্ধানে বাংলাদেশ শীর্ষ দশে ছিল। এখন বাংলাদেশের অবস্থান ১০০–এর নিচে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউবের যেসব কনটেন্ট পর্নোগ্রাফি বা শিশু পর্নোগ্রাফি বলে মনে হয়েছে, সরকার তা ফেসবুক, ইউটিউবকে অবহিত করামাত্র তারা তা বন্ধ করে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, শিশুদের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বোধশক্তি গড়ে ওঠেনি, তাই ইন্টারনেট ব্যবহারের এই চ্যালেঞ্জ শিশুদের নয়। এই চ্যালেঞ্জ বাবা–মা, শিক্ষক ও সরকারের। নতুন প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব পালনের জন্য সবাইকে ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে, দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে। সন্তানদের চেয়ে অভিভাবকেরা প্রযুক্তি দক্ষতায় পিছিয়ে রয়েছে।


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


অনলাইনে শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও আইনি পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় আসকের জরিপ প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, জরিপে অংশ নেওয়া শিশুদের মধ্যে ৮২ জন ছেলে ও ৯৬ জন মেয়েশিশু ছিল। ৮ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু অনলাইনে যৌন শোষণ, হয়রানি এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সাইবার বুলিং ও যৌন আবেদনমূলক কনটেন্টের মুখোমুখি হয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ শিশু। ২৩ শতাংশ মেয়েশিশু যৌন কনটেন্টের মুখোমুখি হয়েছে। ৪৬ শতাংশ অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব পেয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া শিশুদের ৬৪ শতাংশের বেশির নিজস্ব মোবাইল ফোন রয়েছে। বাকিরা মা বা বাবার ফোন ব্যবহার করে। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শতকরা ৬৩ শতাংশ ছেলেশিশু মেয়েশিশুদের তুলনায় নিজেদের বেডরুমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পায়। সভায় পৃথক প্রতিবেদনে শিশুদের অনলাইনে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিকার পেতে প্রচলিত আইনগুলোর দুর্বলতাও তুলে ধরা হয়। ইউনিসেফের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ১১ বছর বয়সের আগে ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রবেশ করে দেশের ২৫ শতাংশ শিশু।

সভায় বলা হয়, করোনাকালে শিশুদের দিনের অধিকাংশ সময় কাটাতে হচ্ছে অনলাইন স্কুলে। হোমওয়ার্ক, খেলাধুলা বা বিনোদনের ব্যবস্থা হয়ে পড়েছে অনলাইনভিত্তিক। ফলে শিশুরা আরও বেশি হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বা ঝুঁকিতে পড়ে যাচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় আসকের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিট ও ৯টি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, ২০১১ সালে ৩৫ জন শিশু অনলাইনে নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। ২০২০ সালে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ জনে। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৩৯৯ শিশু অনলাইনে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠিত হওয়ার পর ২০১৩ সালে মামলার সংখ্যা ছিল ৩। ২০১৯ সালে মামলা ছিল ৭২১টি। এখন এক হাজারের ওপর মামলা চলমান।

বিশেষ অতিথি সাংসদ আরমা দত্ত বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের আলোকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে ভালো ভালো অ্যাপে অভ্যস্থ করতে হবে। অনলাইন ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টিতে আইনগুলো সহজভাবে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রিগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন একক পরিবারের সংখ্যা বেশি। অনেক অভিভাবক খোঁজ রাখেন না সন্তান মোবাইল ফোনে কী করে। অভিভাবকদের জন্য প্যারেন্টাল গাইড আছে, তাঁরা সেসব অনুসরণ করতে পারেন।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইসপাব) প্রেসিডেন্ট এম এ হাকিম বলেন, বিশ্বজুড়ে এখন ৫০ থেকে ১২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজার রয়েছে পর্নোগ্রাফির। ২০২৪–২৫ সালের মধ্যে তা অবৈধ মাদক ব্যবসার বাজারের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এখন বিটিআরসি সাইবার সচেতনতা ইউনিট ও সাইবার ৯৯৯ হেল্পলাইন চালু করতে পারে। তিনি জানান, সরকারের নির্দেশে ইসপাব বিনা মূল্যে প্যারেন্টাল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রাখলেও এখন পর্যন্ত কোনো অভিভাবক তাঁদের কাছে সহায়তা চাইতে আসেননি।

জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রামের প্রধান কারিগরি উপদেষ্টা অ্যান্ড্রু ম্যাকগ্রেগর বলেন, প্রযুক্তির বিকাশে ইন্টারনেট বড় আবিষ্কার হলেও কিছু মানুষ এর অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতন করছে, প্রতারণা করছে। ঘটনা প্রতিকারে আইনের প্রয়োগ ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

সভায় জরিপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আসকের কর্মসূচি সমন্বয়ক (শিশু অধিকার ইউনিট) অম্বিকা রায় এবং অনলাইনে শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে দেশের আইনগুলোর পর্যালোচনাবিষয়ক প্রতিবেদন তুলে ধরেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের (স্কুল অব ল) জ্যেষ্ঠ প্রভাষক মো. সাইমুম রেজা তালুকদার।

আসকের নির্বাহী পরিচালক গোলাম মনোয়ার কামালের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় আইন কমিশনের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (শিশু অধিকার আইনবিষয়ক ফোকাল পারসন) ফারজানা হোসাইন, ইনসিডিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম মাসুদ আলী, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানা, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের পরিচালক (কর্মসূচি) নাসিমা আক্তার জলি, লালমাটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ও ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি ইউনিটের জেন্ডার বিশেষজ্ঞ নবকুমার দত্ত প্রমুখ।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘অলৌকিক আগুনের’ আতঙ্ক, তান্ত্রিকদের দাবি কালাজাদু !

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘অলৌকিক আগুনের’ আতঙ্ক, তান্ত্রিকদের দাবি কালাজাদু !

আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ভয়ে দুই সন্তানকে বাবার বাড়ি রেখে এসেছেন আমেনা বেগম। দিন-রাত এক করে বাড়ির জিনিসপত্র পাহাড়া দিচ্ছেন তিনি। আতঙ্ক ঘরবাড়িতে যে কোনো সময় আগুন লেগে সব পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার।

আমেনা বেগমের মতো আগুন আতঙ্কে দিন পার করছে নুর আলম, মোতালেব, মকসেদ আলীসহ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিনের সাবাজপুর গ্রামের ২০পরিবারের প্রায় শতাধিক লোকজন।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি অলৌকিকভাবে প্রতিদিন ৩-৪ বার আগুন লাগছে বাড়ির বিভিন্ন স্থানে। গত ২০ দিনে প্রায় শতাধিকবার আগুন লেগেছে বাড়িগুলোতে।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর

আগুন নেভানোর জন্য ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক পাম্প স্থাপন করেছেন গ্রামের লোকজন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার তিনবার আগুন লেগেছিল ওই গ্রামে।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়,  মার্চের ২৯ তারিখ রাতে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। ওইদিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও পরের দিন আগুনে ৩টি পরিবারের ঘর-বাড়িসহ আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়।

ভুক্তভোগী মসসেদ আলী জানান, আমরা এখন বিশ্বাস করে নিয়েছি এটা অলৌকিক আগুন। গত ২০ দিনের বেশি সময় ধরে আগুন লেগেই চলছে। বন্ধ হচ্ছে না।

একই গ্রামের  মোতালেব হোসেন জানান, গ্রামে বেশ কয়েকজন তান্ত্রিক নিয়ে এসেছিলাম। তান্ত্রিকদের মতে পরিবারগুলোর উপর কালাজাদু করেছে কেউ। এগুলো দূর করতে হবে। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই চেষ্টা করে আগুন বন্ধ করে পারেনি। আমরা আগুন নেভানোর জন্য বিভিন্ন স্থানে ৫টি পাম্প বসিয়েছি।

আমেনা বেগম বলেন, সন্তানদের এখন আত্মীয়দের বাড়ি রেখে এসেছি। মাঠের কাজে যেতে পারছিনা। চরম আতঙ্কে দিন কাটছে পরিবারগুলোর। তাদের দাবি উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুনের সূত্রপাত খুঁজে বের করে গ্রামের পূর্বের অবস্থা ফেরানোর।

উপজেলায় ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা জানান, অসতর্কতার কারণে আগুন লাগছে। আমরা ওই পরিবারগুলোকে ১ মাস মনিটরিং করতে পরামর্শ দিয়েছি। সঠিকভাবে মনিটরিং করলে আগুনের সূত্রপাত খুঁজে পাবে। অলৌকিক কোনো ঘটনা আমরা বিশ্বাস করি না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার যোবায়ের হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার, কম্বল ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করা হচ্ছে পরিবারগুলোর সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর রাখার জন্য।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

২৮ তারিখের পর বাড়ছে না লকডাউন

অনলাইন ডেস্ক

২৮ তারিখের পর বাড়ছে না লকডাউন

২৮ তারিখের পর বাড়ছে না লকডাউন। এ কথা জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বিস্তারিত আসছে...

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩৬২৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩৬২৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৯ জন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জনে।

এসময়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল আরও ৮৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনে।

আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এদিন সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২২৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৪ জন।

আরও পড়ুন:


ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুর

২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৮৮

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৮৮

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল আরও ৮৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনে।

এ সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৯ জন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জনে।

আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এদিন সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২২৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৪ জন।

আরও পড়ুন:


ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুর

২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

চট্টগ্রামে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে আরও দুজন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট মারা গেল ৪৮২ জন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) করোনায় মারা যায় তিনজন।

এছাড়া একই সময় নতুন করে ২৯৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১৩ শতাংশের বেশি। যা গত তিন দিনের মধ্যে এই হার সর্বনিম্ন।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার করোনা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় সংক্রমিত হয়ে মোট ৪৮২ জন মারা গেলেন। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৪৮ হাজার ৪৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর