করোনার মধ্যেও ভারতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক

করোনার মধ্যেও ভারতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বেড়েছে

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেও ভারতে বেড়েছে শতকোটিপতির সংখ্যা। দেশটিতে ২০১৯ সাল শেষে শতকোটিপতির সংখ্যা ছিল ১০৪। অন্যদিকে ২০২০ সাল শেষে যা হয়েছে ১১৩ জন।

এ তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থা নাইট ফ্রাংকের ‘দ্য ওয়েলথ রিপোর্ট-২০২১’ অনুযায়ী। আসছে ২ মার্চ নাইট ফ্রাংক পুরো প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ ভারতে শতকোটিপতির সংখ্যা ৪৩ শতাংশ বাড়বে। ১৬২ জনে পৌঁছাবে।


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনার কারণে দেশটিতে ২০২০ সালে মোট সম্পদের পরিমাণ যাদের ১০ লাখ ডলারের ওপরে এবং ৩ কোটি ডলারের বেশি এমন ধনীর সংখ্যা কমেছে। মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ডলারের বেশি হলে তাদের হাই নেট ওয়ার্থ ইনডিভিজুয়্যালস (এইচএনডব্লিউআই) বলে।

যাদের ৩ কোটি ডলারের ওপরে তাদের আলট্রা হাই নেট ওয়ার্থ ইনডিভিজুয়্যালস (ইউএইচএনডব্লিউআই) বলে। ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২০ সালে এইচএনডব্লিউআই কমেছে সাড়ে ৩ লাখ। ইউএইচএনডব্লিউআই কমেছে ৬ হাজার ৮৮৪ জন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরা

সুলতান আহমেদ

কর ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, আশপাশের সব দেশের চেয়ে বেশি কর দিতে হচ্ছে এদেশের ব্যবসায়ীদের। কর্পোরেট কর না কমালে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বেনা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রহমান।

তিনি বলছেন, মহামারিতে ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকে। আগামী বাজেটে করছাড় ও নতুন প্রণোদণা প্যাকেজ ঘোষণা করে তা সুষ্ঠুভাবে বন্টনের দাবি করছেন তিনি।

সম্প্রতি মেট্রোপলিটন চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও এপ্রেক্স গ্রুপের কর্ণধার সৈয়দ নাসিম মঞ্জুরের একটি বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত করের বোঝা নিয়ে ভালো নেই উৎপাদকরা। এজন্য ব্যবসা ছেড়ে দেয়ার মতো মন্তব্য করতেও কার্পণ্য করেননি এই প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। 


আরমানিটোলায় কেমিক্যাল গোডাউনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪, দগ্ধ ২০

করোনার ভয়ে ভারত ছাড়লো শাহরুখের পরিবার

রাহমানিয়া মাদ্রাসায় রাজনীতি ঢোকান বাবা আজিজুল, দখল করে রাখেন ছেলে মাওলানা মামুনুল, অভিযোগ শিক্ষকদের

ফর্মুলা দেবে রাশিয়া, করোনার টিকা উৎপাদন করবে বাংলাদেশ


ব্যবসায়ীদের ভালো না থাকার অন্যতম কারন স্বাভাবিক ভাবেই করোনা মহামারী। তার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে মোটা অংকের করের বোঝা। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলছেন, মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তাদের প্রয়োজন আন্তরিক সহায়তা। দাবি করছেন, বাজেটে কর্পোরেট করহার কমিয়ে ২৫ শতাংশে আনার। 

তার যুক্তি সারা বিশ্বে কর্পোরেট করের গড় হার ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ। আর এশিয়ার দেশগুলোতে তা ২১ দশমিক ১৩ শতাংশ। চীন সহ অন্যান্য দেশ থেকে বিনিয়োগ টানতে কর কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন। 

ঢাকা চেম্বারের সভাপতির মতে, ছোট বড় সব ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন প্রণোদনা ঘোষণা প্রয়োজন, আবার শুধু ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না থেকে সুষ্ঠু বিতরণের পরামর্শও তার। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কীটনাশক স্প্রে করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না

কুড়িগ্রামে বোরো ক্ষেতে নেকব্লাস্ট রোগ

অনলাইন ডেস্ক

কুড়িগ্রামে বোরো ক্ষেতে নেকব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে । এতে একের পর এক জমির পাকা ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শে সংক্রমিত জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। এ অবস্থায় কাংখিত বোরো ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় তারা। 

কুড়িগ্রামে চিকন ধান আবাদ করা হয়েছে ২২ হাজার হেক্টর জমিতে। এসব চিকন ধানের ক্ষেতেই দেখা দিয়েছে নেক ব্লাস্ট রোগ।

কৃষকরা জানান, সংক্রমিত জমিতে ছত্রাক নাশক স্প্রে করেও পুরোপুরি কাজ হচ্ছে না। একের পর এক জমির পাকা ধানে চিটা হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কায় দিশেহারা তারা। 

সংশ্লিস্টরা বলছেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে কিছু জমিতে নেক ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কৃষকদের নানা পরামর্শসহ মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। এনিয়ে আতংকিত হওয়ার মতো কিছু নেই। 

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বোরো মৌসুমে কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলায় ১ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

লকডাউনের মধ্যেই দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সেখানে যেতে প্রয়োজন হবে মুভমেন্ট পাসের। এমনটিই জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে মুভমেন্ট পাস ছাড়া জনসাধারণকে বাসা থেকে বের হতে নিষেধ করেছিল পুলিশ। যারাই বের হয়েছেন তারাই আইনি বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

জানা গেছে শপিংমল খুললেও একই নিয়ম কার্যকর থাকবে। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। 

উল্লেখ্য, লকডাউনের মধ্যেই দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে দোকানপাট ও শপিংমল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে অবশ্যই মানতে হবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

অনলাইন ডেস্ক

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।

এ লক্ষ্যে আজ বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ‘থার্ড প্রাগমেটিক জবস ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি-৩)’ বিষয়ক একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

বৃহস্পতিবার ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরিসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা সংস্থার সংশ্লিষ্টতায় কিছু সহায়ক নীতি কৌশল ও বিধিবিধান সংস্কার এবং আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রস্তাবিত সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে মোট তিন বছরে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদানে সম্মত হয়। এর আওতায় আজ শেষ কিস্তির জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হলো।

এই পরিকল্পনার মুল উদ্দেশ্য হলো-বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আধুকিায়ন, শ্রমিকদের সুরক্ষা প্রদান ও অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষমতা জোরদারকরণের পাশাপাশি দুঃস্থ জনগোষ্ঠির জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবেলায়

পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোকাকোলা

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবেলায় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোমল পানীয় বাজারজাত প্রতিষ্ঠান কোকাকোলা। দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমস কুইন্সি।

অন্য দুই কোমল পানীয় বাজারজাত প্রতিষ্ঠান কিম্বারলি ক্লার্ক ও জেএম স্মুকারের সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় যোগ দিলো কোকাকোলা। নিজেদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এ পদক্ষেপ। 

তবে করোনা মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাবে এরইমধ্যে নগদ অর্থের সংকটে থাকা গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের ফল প্রকাশের পর কোকের শেয়ারদর বেড়েছে ১ শতাংশ। 

সর্বশেষ ২০১৮ সালে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। সেসময় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের অধীনে অ্যালুমিনিয়ামের শুল্কের প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছিল তারা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর