সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

সৌদি আরবের দাম্মামে লিফট দুর্ঘটনায় প্রবাসী এক সিলেটি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে দাম্মামের জুবাইল সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত প্রবাসীর নাম মো. শাহীন খান (পনির)। তিনি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নবম খণ্ড গ্রামের আশরাফ খানের ছেলে।

শাহীন খান আড়াই বছর ধরে সৌদি আরবে বাস করতেন। সেখানে তিনি একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


 

শাহীন খানের বাবা আশরাফ খান জানান, বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের শাহীন ও তার সহকর্মীরা নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের পানির লাইনে কাজ করছিলেন। কাজ করার সময় ভবনটিতে মালামাল ওঠানোর কাজে ব্যবহৃত অস্থায়ী লিফট ছিঁড়ে শাহীনের ওপর পড়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আল জুবাইল সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যান। 

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ ওই হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশিদের ওমানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশিদের ওমানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশিদের ওমানে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত সুপ্রিম কমিটি।বাংলাদেশ ছাড়া ভারত-পাকিস্তানও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ।

পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রবাসীরা ওমানে প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও জানানো হয় নিষেধাজ্ঞায়। 

বুধবার ওমানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম্মুদ বিন ফয়সাল আল বুসাইদির নেতৃত্বে করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে সুপ্রিম কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এতে বলা হয়, আগামী ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত ওমানে বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি নাগরিকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত

অনলাইন ডেস্ক

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (১৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে সালালাহ থেকে মাস্কাটগামী সড়কের আল তামরিত এলাকায় দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা।

নিহতদের মধ্যে জাহেদ (৪২) পোমরা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের সরফভাটা ইউনিয়নের আসকার আলী রোড এলাকার বাসিন্দা। এছাড়াও নিহত সালাউদ্দিন (৪০) এবং আবছারের (৪৫) বাড়ি বেতাগী ইউনিয়নের বালুরচর গ্রামে।

নিহতরা মাস্কট মডার্ন রোজ ট্রেডিং ইন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামক একটি কোম্পানির পর্দার সেকশনে চাকরি করতেন।

কোম্পানিটির সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল করিম দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তারা রাজাধানী থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সালালাহ নামক অপর এক সিটিতে এক সপ্তাহ আগে পর্দার কাজ করতে গিয়েছিল। কাজ শেষ করে সকালে মাস্কটে ফিরছিল। পথে তামরিত নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়ক থেকে অনেক দূরে গিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তারা প্রাণ হারায়। নিহতদের মধ্যে গাড়িচালক জাহেদ আমার আপন ভাগিনা।


পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যে ৩ প্রশ্নে নিশ্চুপ ছিলেন মাওলানা মামুনুল

একজন ডাক্তারের ব্যবহার নিয়ে রঙ্গ-রসিকতা নয়

মাওলানা মামুনুলকে আদালতে হাজির করা হবে আজ

সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ


জানা গেছে, মরদেহগুলো পুলিশ উদ্ধার করে সালালাহ’র একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। সোমবার মাস্কাটে নিয়ে আসার কথা রয়েছে।

এ ঘটনায় ওমানে বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডার অন্টারিও প্রদেশে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডার অন্টারিও প্রদেশে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ

কানাডার অন্টারিও প্রদেশে আন্তঃপ্রদেশ ভ্রমণকে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। জরুরি অবস্থা এবং স্টে হোম অর্ডার দুই সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনোদনমূলক ক্রিয়াকলাপগুলিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড শুক্রবার এক ঘোষণায় জানিয়েছেন যে- প্রদেশের জন্য "কয়েকটি বিকল্প বাকী রয়েছে" কারণ সংক্রমণ এবং হাসপাতালে ভর্তি রেকর্ডের হার উচ্চতায় রয়েছে।

কানাডায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, অন্টারিও, কুইবেক এবং আলবার্টায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে যা জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলেছে। শনিবার থেকে প্রদেশে কারফিউ জারী করার কথা বলা হয়েছে।

কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে ইতিমধ্যেই মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। কানাডার বৃহত্তম চারটি প্রদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রদেশ হলো অন্টারিও। অন্টারিওর করোনা পরিস্হিতি ক্রমেই খারাপ থেকে ভয়াবহ খারাপের দিকে যাচ্ছে। প্রদেশের স্থানীয় পাবলিক হেলথের ডাক্তাররা করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন, স্থানীয়রা অনেকেই তাদের মাস্ক না পরায় ও ক্রমাগত সামাজিক গ্যাদারিং করে যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে অন্টারিও প্রদেশে করোনা সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে গত ৭ এপ্রিল যে জরুরি জনস্বাস্থ্য বিধি নিষেধ বা "স্টে হোম লকডাউন" অন্টারিও প্রদেশের জন্য জারী করা হয়েছিল জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে তা আরও কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে।

গত (১৬ এপ্রিল) শুক্রবার সন্ধ্যায় অন্টারিও প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড অন্টারিওর জরুরী অবস্থা এবং "স্টে এট হোম" অর্ডার এখন কমপক্ষে ২০ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অন্টারিও আন্তঃপ্রদেশ ভ্রমণকে সীমাবদ্ধ করছেন ডগ ফোর্ড। অন্টারিওর সলিসিটার জেনারেল সিলভিয়া জোনস বলেছেন, পুলিশ এখন কোনও লোককে তাদের বাসস্থান ত্যাগ বা ব্যক্তিগত বিনা প্রয়োজনে তাদের বাসস্থান ত্যাগ করার কারণ অনুসন্ধান করার জন্য থামানোর কর্তৃত্ব থাকবে।

অন্টারিও প্রদেশে যে হারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে, তার ট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে ধারনা করা হচ্ছে, আগামী এক মাসের মধ্যে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।

আরও পড়ুন


ভাল মানুষগুলো একে একে চলে যাচ্ছে

রাজনীতিতে ভুল হলে খেসারত দিতে হয়

দিনমজুরের ছেলের হার্ট অপারেশনের ব্যবস্থা করলেন শামীম ওসমানের স্ত্রী

করোনায় ঢাবি অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মৃত্যু


উল্লেখ্য গতবছর যখন করোনা শুরু হয় তখন প্রতিদিন আক্রান্ত হতো হাজার খানেক। তখন সমস্ত নন ইমার্জেন্সী ও নন এসেনশিয়াল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের চলাফেরা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। অথচ এখন পরিস্হিতি তার চেয়ে পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেলেও নানাভাবে তা ঢিলে ঢালা কায়দায় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে শুক্রবার (১৬ ই এপ্রিল) কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক ঘোষণায় বলেন, ফেডারেল সরকার আরও অতিরিক্ত আট মিলিয়ন ডোজ ফাইজার-বায়োএনটেক ভ্যাকসিন সুরক্ষিত করেছে। কানাডা ইতিমধ্যে যে ভ্যাকসিন ডোজ কিনে নিয়েছে এখনকার ফাইজার-বায়োএনটেক শটগুলি বিদ্যমান ডোজের অতিরিক্ত থাকবে এবং মে মাসে আরও চার মিলিয়ন ডোজ, জুনে দুই মিলিয়ন অতিরিক্ত শট এবং তৃতীয় কোয়ার্টারে থেকে ৪ লাখ ডোজ কানাডা ইতিমধ্যে কিনে নিয়েছে যুক্ত হবে। জুলাই বিতরণে অতিরিক্ত আরও দুই মিলিয়ন ডোজ যুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য দেশের নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে কানাডা সরকার। তাছাড়াও নাগরিকরা যেন দ্রুত ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আসে সেদিকেও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের সরকার।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ ১৩ হাজার ৯ শত ৭ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩ হাজার ৫শ' ৯১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৩ হাজার ৫শত ৫৩ জন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি প্রবাসীদের এখন দেশে না যাওয়ার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশি প্রবাসীদের এখন দেশে না যাওয়ার পরামর্শ

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া প্রবাসীদের এখন দেশে না যা‌ওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর। দেশটির রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় এই পরামর্শ দেন তিনি।

গতকাল শনিবার (১৭ এপ্রিল) দূতাবাস মিলনায়তনে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন লেবার কাউন্সিলর মোহাম্মদ আবদুল আলিম মিয়া এবং রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের ডিসিএম মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

বক্তারা মুজিবনগর সরকারকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের নিয়ামক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপর মুজিবনগর সরকার নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।


আরও পড়ুনঃ


২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ ধারা রেখে ফ্রান্সে ধর্ষণের নতুন আইন

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর মুজিবনগর সরকারের বিভিন্ন দিক আলোচনা করে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম বলে উল্লেখ করেন। তিনি দেশের কল্যাণে সবাইকে যার যার অবস্থান হতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া আমিরাত প্রবাসীদের দেশে যেতে এবং দেশ থেকে আমিরাতে না আসার জন্য পরামর্শ দেন। যারা জরুরি প্রয়োজনে দেশে যাবেন তাদের নিজ খরচে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে বলে জানান তিনি।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডায় ৯০ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডায় ৯০ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি

কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব মন্ত্রী মার্কো ই এল মেন্ডিসিনো ৯০ হাজারের ও বেশি প্রয়োজনীয় কর্মী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী যারা কানাডার অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখে চলেছেন তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য একটি অভিনব পথ ঘোষণা করেছেন।

এই বিশেষ পাবলিক নীতিগুলির মধ্যে অস্থায়ী কর্মী এবং আন্তর্জাতিক স্নাতকদের যারা স্থায়ীভাবে কানাডায় রয়েছেন এবং যারা করোনা মহামারীর সাথে লড়াই করতে এবং কানাডার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তাদের স্থায়ী মর্যাদা দেয়া হবে।

এই নতুন পথের কেন্দ্রবিন্দু হবে কানাডার হাসপাতাল এবং দীর্ঘমেয়াদী কেয়ার হোমগুলিতে নিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীদের এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রের প্রথম সারিতে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী স্নাতকদের যারা আগামীদিনের অর্থনীতি পরিচালনা করবে।

আবেদনে যোগ্য হওয়ার জন্য, শ্রমিকদের হেলথ কেয়ার পেশায় বা অন্য কোনও প্রাক-অনুমোদিত প্রয়োজনীয় পেশায় কমপক্ষে এক বছরের কানাডীয় কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক স্নাতকদের অবশ্যই শেষ ৪ বছরের মধ্যে একটি যোগ্য কানাডিয়ান পোস্ট-সেকেন্ডারি প্রোগ্রাম সম্পন্ন করতে হবে এবং তা জানুয়ারী ২০১৭ এর আগের নয়।

২০২১ সালের ৬ ই মে থেকে ইমিগ্রেশন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব কানাডা (আইআরসিসি) নিম্নলিখিত ৩ টি স্ট্রিমের আওতায় আবেদন গ্রহণ করতে শুরু করবে। এরমধ্যে স্বাস্থ্যসেবাতে অস্থায়ী কর্মীদের জন্য ২০ হাজার আবেদন, অন্যান্য নির্বাচিত প্রয়োজনীয় পেশায় অস্থায়ী কর্মীদের জন্য ৩০ হাজার আবেদন এবং কানাডার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক হওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ হাজার আবেদন।

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা। বিশাল আয়তনের দেশটিতে একমাত্র আদিবাসী অল্প কিছু মানুষ ছাড়া সবাই অভিবাসী। কানাডায় জন্মহার বাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও সফল হওয়া যাচ্ছে না, বয়স্ক লোকজনের সংখ্যাই এখানে বেশি। 

কোভিড-১৯ এর সময় কানাডা যেভাবে মানবিকতা, বিজ্ঞান আর বিচক্ষণতার মাধ্যমে কানাডিয়ানদের সুরক্ষার চেষ্টা করছে, যেভাবে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট, ভিজিটর, ওয়ার্কার, রিফিউজিদের সঙ্গে আচরণ করেছে, কূটনৈতিকভাবে প্রতিবেশী দেশ আমেরিকা, বিতর্কিত চীন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে যেভাবে সহ-অবস্থান করেছে, তা কানাডার অবস্থানকে বিশ্বে আরও মহিমান্বিত করেছে। আর তাই কানাডায় অভিবাসনের ইচ্ছা সারা বিশ্বে আরও বেড়ে গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ধরে রাখতে বার্ষিক অভিবাসন লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অংশ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কানাডার অভিবাসন দফতর।

দেশটিতে এ বছর এরই মধ্যে ৭০ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই বর্তমানে সেখানে বসবাস করছেন। যদিও এ বছর ৪ লাখেরও বেশি অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল কানাডা সরকার।

তবে, বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির কারণে, সেটি আপাতত সম্ভব না হওয়ায়, দেশটির অভ্যন্তরে অস্থায়ীভাবে বসবাসরতদের স্থায়ী অভিবাসনের অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কানাডা সরকার। গত বছর প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয় কানাডা সরকার।

গত বছরে ৩০ অক্টোবর কানাডার অভিবাসনমন্ত্রী মার্কো মেন্ডিচিনুর ২০২১ - ২৩ সালের মধ্যে ১২ লক্ষ ৩৩ হাজার অভিবাসী আনার ঘোষণা করেন। এই পরিকল্পনায় বড় বড় সিটির বাইরে সুনির্দিষ্ট কম জনবহুল এলাকায় সেখানকার সুনির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী যোগ্য ইমিগ্রান্টদের আনা হবে। আগামী তিন বছরে ৬০ শতাংশ নেওয়া হবে দক্ষ অভিবাসী - এক্সপ্রেস এন্ট্রি, পিএনপি, অ্যাগ্রিফুড পাইলট প্রোগ্রাম, রুরাল অ্যান্ড নর্থার্ন ও মিউনিসিপাল পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে। ফ্যামিলি ক্লাস, রিফিউজি স্পনসরশিপ, হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যান্ড কম্পাশনেট ও অ্যাসাইলাম ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন


কাদের মির্জা ও উপজেলা আ.লীগ অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি মামলা

মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

কোথায় সমাহিত করা হবে কবরীকে জানালেন তার ছেলে

কবরীর মৃত্যুর খবরে বাকরুদ্ধ শাবানা


উল্লেখ্য এ বছরের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাওয়া যাবে। এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশীসহ বিশ্বের লাখো কানাডা অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্থায়ীভাবে কানাডায় বসবাসের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

বিশিষ্ট কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মোঃ মাহমুদ হাসান বলেন- কানাডার অভিবাসন নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর কানাডা বিভিন্ন পেশায় যেভাবে প্রবাসীদের স্থায়ী আবাসিক হওয়ার অনুমোদন দেয়, ৯০ হাজার স্থায়ী অভিবাসনের প্রক্রিয়াটি তা থেকে ভিন্ন কিছু নয়। চাহিদার প্রেক্ষিতে সল্পতম সময়ে আবেদন নিস্পত্তি, কিছু পেশায় বেশি সংখ্যক আবেদন অনুমোদনের সম্ভাবনা ছাড়া এতে আর কোন নতুনত্ব নেই। বাংলাদেশীদের এ প্রোগ্রাম থেকে বিশেষভাবে লাভবান হওয়ারও কোন সুযোগ নেই।

দীর্ঘদিন ধরে কানাডায় বসবাসরত বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি রুপক দত্ত বলেন- নতুন এবং দক্ষ জনশক্তি বিশেষ করে এর মধ্যে যারা বাংলাদেশী রয়েছেন তারা কানাডায় স্থায়ী নাগরিকত্ব অর্জন করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এটাই আমার বিশ্বাস।

কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও সাবেক ছাত্রনেতা কিরন বনিক শংকর বলেন--আমার ৩০ বছরের কানাডিয়ান জীবনের অভিজ্ঞতায় এই প্রথম এ ধরনের একটি আশানুরুপ সংবাদ পেলাম। বাংলাদেশীদের জন্য এটি খুবই সুসংবাদ। অভিবাসন মন্ত্রীর এই ঘোষণা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তুলবে-- এমনটাই আমার প্রত্যাশা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর