খুলনায় বিএনপির অফিস ঘিরে রেখেছে পুলিশ, তীব্র উত্তেজনা

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনায় বিএনপির অফিস ঘিরে রেখেছে পুলিশ, তীব্র উত্তেজনা

খুলনায় বিএনপির সমাবেশ ঘিরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে কেডি ঘোষ রোডে শক্ত অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। সড়কের প্রবেশ মুখে ব্যারিকেড দিয়ে নেতাকর্মীদের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত উম্মুক্ত স্থানে সমাবেশে অনুমতি না দেওয়ায় কোথাও স্টেজ তৈরি করতে পারেনি বিএনপি। 

তবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মাইক টানিয়ে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে যেসব নেতকার্মী কার্যালয়ের ভিতরে ছিলেন তারাই সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে শ্লোগান দিচ্ছেন।

কেন্দ্রিয় ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীসহ কয়েকজন বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছেন।

আরও পড়ুন:


অবরুদ্ধ খুলনায় নৌপথেও পারাপার বন্ধ, ভোগান্তি চরমে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ ছাত্র ফেডারেশনের

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে আল্টিমেটাম

শাকিবের হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করলেন বুবলি, জল্পনা তুঙ্গে


মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থলে বাধা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বিএনপি কার্যালয়কে ঘিরে রেখেছে। পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারপরও বাধা উপেক্ষা করে নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ে আসছেন এবং শেষ পর্যন্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সমাবেশ করা হবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল আইন ব্যবহার করে জুলুম করছে সরকার : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল আইন ব্যবহার করে জুলুম করছে সরকার : মির্জা ফখরুল

সরকার ও তাদের দলের নেতাদের গণতন্ত্র ও গণবিরোধী কার্যকলাপ দুর্নীতি, লুটপাট, অনৈতিকতা, অনিয়ম, বেপরোয়া আচরণের বিষয়ে  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে লেখক, সাংবাদিক, কবি, কার্টুনিস্ট, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও তাদের ওপর ধারাবাহিক নিষ্ঠুর জুলুম চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শুক্রবার বিকেলে এক বিবৃতিতি তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো নিবর্তনমূলক কালো আইন ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে।  জনগণকে বন্দি রেখে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আগের রাতে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতা জবরদখলকারী সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো নিবর্তনমূলক কালো আইন ব্যবহারের মাধ্যমে দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার নয় বলেই সামান্যতম সমালোচনাও সহ্য করতে পারছে না। এই কালো আইনের মাধ্যমে জনগণের বাকস্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং জনরোষ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে এই আইনটি ব্যবহার করা হচ্ছে। চলমান বৈশ্বিক অতিমারি করোনার মধ্যেও এই আইনের অপপ্রয়োগ করে নিজেদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি, এনটিভির ব্যুরো প্রধান ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আবু তৈয়ব মুন্সীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের, গ্রেপ্তার ও তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে সাংবাদিক আবু তৈয়ব মুন্সীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুফতি নূর হোসাইন গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

মুফতি নূর হোসাইন গ্রেফতার

খতমে নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও হেফাজত নেতা আল্লামা মুফতি নূর হোসাইন নূরানীকে গ্রেফতার করেছে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। গত ২৮ মার্চ  মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে হেফাজতের তাণ্ডবে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তাকে সদর উপজেলার মুন্সীরহাট এলাকায় তার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা সংলগ্ন বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। 

শুক্রবার পুলিশ তাকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত আগামী ২৭ এপ্রিল রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে কারাগারে প্রেরণ করেন। 

সদর থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, গত ২৮ মার্চ সিরাজদিখান উপজেলায় হেফাজত ইসলামের আন্দোলনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। 

 তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে, ওই মামলাগুলোতেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মামুনুলকে টাকা দিয়েছে কে, জানিয়েছে ভারতের পত্রিকা

অনলাইন ডেস্ক

মামুনুলকে টাকা দিয়েছে কে, জানিয়েছে ভারতের পত্রিকা

আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের সহযোগিতা নিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। আর এসব করতে মামুনুলকে অর্থের যোগান দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও পাকিস্তান।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে এভাবেই জানানো হয়।

ঢাকা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটি করেন দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী।

শুক্রবার দৈনিকটির অনলাইনে প্রকাশ পাওয়া প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, সুবর্ণজয়ন্তী ঘিরে হেফাজত যে সহিংসতা চালিয়েছে, তা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে শলাপরামর্শের ভিত্তিতেই হয়েছে। আর তহবিল এসেছে পাকিস্তান থেকে। আফগানিস্তানে (তালেবানদের পক্ষ হয়ে) যুদ্ধ করা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জিহাদিদের সঙ্গেও মামুনুলের যোগাযোগ রয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুলই এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হককে ১৮ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে বেলা ১২টার দিকে গ্রেফতার করা হয়।পরের দিন সোমবার তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, মামুনুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ।এতে তার ব্যক্তিগত জীবনেও অসঙ্গতি পাওয়া যায়। তিনি তিন বিয়ে করেন। প্রথম বিয়ে ছাড়া অন্য দুটির নিবন্ধিত কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অন্য দুই বিয়ের কাগজ তার কাছে নেই। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের কাছে কিছু নথিপত্র এসেছে। এ অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদি ঢাকা যাওয়ার এক মাস আগেই সহিংসতার ছক কষা হয়। সে অনুসারে উপাসনালয়, আওয়ামী লীগের কার্যালয়, সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়। সহিংসতার এ অর্থ আসে পাকিস্তান থেকে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে প্রবাসী কিছু বাংলাদেশি সরকারবিরোধী সমাবেশ ও কর্মকাণ্ডের জন্য নগদ অর্থ পাঠিয়েছিল।

ইকোনমিক টাইমস তাদের প্রতিবেদনে দাবি করে, হেফাজতের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী নিয়মিতই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে লন্ডনে থাকা খালেদা জিয়ার ছেলে (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন) তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন বাবুনগরী ও মামুনুল। সরকারবিরোধী বিক্ষোভ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা ছিল তারেকের।

সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে হেফাজতের ২০১৩ সালের তাণ্ডবের ঘটনায় খালেদা জিয়াসহ অন্যদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করা যায় কি-না, সে বিষয়ে তদন্ত করছেন গোয়েন্দারা।

এদিকে মামুনুলকে রিমান্ডের নেওয়ার পরের দিন মঙ্গলবার প্রেস বিফ্রিং করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন-অর-রশিদ। 

তিনি বলেন, রিমান্ডে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হক। তিনি জানিয়েছেন, তিনি কওমি মাদরাসার কোমলমতি ছাত্রদের উসকানি দিয়ে মাঠে নামিয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতার আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে সরকারকে উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। হেফাজতের নেতাকর্মীদের উসকানি দিতেন মামুনুল।

তিনি বলতেন, শেখ হাসিনার সরকারের পতন হলে হেফাজতের সমর্থন ছাড়া কেউ ক্ষমতা দখল করতে পারবে না।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নতুন কর্মসূচি দিয়ে দেশের পরিস্থিতি নাজুক করতে চাই না: হেফাজত মহাসচিব

অনলাইন ডেস্ক

নতুন কর্মসূচি দিয়ে দেশের পরিস্থিতি নাজুক করতে চাই না: হেফাজত মহাসচিব

রমজান মাসে গণগ্রেপ্তার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হেফাজতের কর্মসূচিতে তৃতীয় কোনো শক্তি যদি সুযোগ নিয়ে থাকে অথবা কেউ রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে থাকে তাহলে তাদের খুঁজে বের করুক। আমরা সরকারকে এই ক্ষেত্রে সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ।

নুরুল ইসলাম বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা সমূহের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ক্ষেত্রে নেতৃবৃন্দের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন ছিল বলে আমরা মনে করি। আগামীতে হেফাজতের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা এসব ক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকবে ইনশাল্লাহ।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর


তিনি বলেন, আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না। আমরা চাই না আমাদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিয়ে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করুক। এই মাস মুসলমানদের ইবাদাতের মাস। এছাড়াও করোনার ভয়াবহতা চলছে। এই অবস্থায় আমরা কোনও কর্মসূচি দিচ্ছি না। 

তিনি বলেন, সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা আমরাও চাই, আপনারাও চান। আমরা কোনোভাবেই চাই না যে, দেশের মধ্যে অশান্তি তৈরি হোক। তাই আসুন আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কোনও সমস্যা থাকলে তার সমাধান করি। হেফাজতের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে সারাদেশের নেতাকর্মীরা কর্মসূচি চায়। কিন্তু আমরা দেশের করোনা পরিস্থিতি ও পবিত্র রজমান মাসের সম্মানে কোনও কর্মসূচি দিচ্ছি না। 

তিনি আরও বলেন, সরকারকে বলবো- আপনারা যেমন চাননি দেশে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হোক, আমরাও সেটা চাইনি। কিন্তু এরপরেও কিছু বিশৃঙ্খলা হয়েছে। এবং এতে আমাদের ২২টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। এতোকিছুর পরেও আমরা চুপ রয়েছি। কারণ আমরা দেশ ও দেশের জনগণকে ভালোবাসি। দেশের তৌহিদি জনতাই আমাদের কর্মী। এই অবস্থায় নতুন কোনো কর্মসূচি দিয়ে দেশের পরিস্থিতি আরও নাজুক করতে চাই না।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'অপপ্রচার', অভিযোগ দায়ের

অনলাইন ডেস্ক

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'অপপ্রচার', অভিযোগ দায়ের

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম নিয়ে বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে কল্পিত কাহিনি তৈরি করে ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বেশ কিছুদিন ধরে এসব ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে একটি চক্র। এদিকে এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান।  

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। খোঁজখবর নিচ্ছি। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

জানা গেছে, মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম পিরোজপুর-১ আসন থেকে এমপি হওয়ার পর একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজে হাতে দেন। মাদক সিন্ডিকেট, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে এক ধরনের জেহাদ ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিনের নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি বন্ধে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। এসব কারণে বেশ কিছুদিন ধরে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছিল। 

সাবেক এমপি এ কে এম এ আউয়াল ব্যক্তিগতভাবে তাকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তার অনুসারীরাও  সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সময় অহেতুক সমালোচনায় সরব ছিলেন। এবার ভিন্ন কৌশলে এক অজ্ঞাত নারীকে ব্যবহার করে রেডিও গুলিস্তান, ডিজিটাল বাংলার জয়, ঢাকা অনলাইন, ডেইলি পিরোজপুরসহ বেশ কয়েকটি পেইজের মাধ্যমে বানোয়াট খবর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া তার ছোট ভাই এস এম নুরে আলম সিদ্দিকীকে নিয়েও অপপ্রচার চালাচ্ছে চক্রটি। 

এ ব্যাপারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত ও মন্ত্রী হওয়ার পর আমি এলাকার প্রত্যেকটি কাজে জনগণের কাছে নিজেকে স্বচ্ছ আয়নার মতো পরিষ্কার রেখেছি। সুযোগ দিনি অবাধে মাদক ব্যবসার।  চাঁদাবাজি বন্ধ করেছি। নিয়োগবাণিজ্য, টেন্ডারবাজি বন্ধ করে দিয়েছি। এসব সহ্য না করতে পেরে আমার বিরুদ্ধে যারা এসব করছেন, তারা শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারবেন না। একটি মিথ্যা দিয়ে হাজারটা সত্যকে ঢেকে দেওয়া যায় না। 

এ বিষয়ে নাজিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি এবং ঢাকার সিআইডি পুলিশ বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
 
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ফুলু বলেন, মন্ত্রী দালাল-বাটপার পোষেন না। 

এ ব্যাপারে পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক এমপি অধ্যক্ষ শাহ আলম বলেন, মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের জনপ্রিয়তা সহ্য না করতে পেরে একটি কুচক্রী মহল এসব কুরুচিপূর্ণ, ভিত্তিহীন, অবিশ্বাস্য ও আপত্তিকর তথ্য প্রচারের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর