উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে (ভার্চ্যুয়ালি) প্রেস কনফারেন্স করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ একটি প্রত্যয়ী ও মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে।  তিনি এই অর্জনকে দেশের নতুন প্রজন্মকে উৎসর্গ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

আমাদের এ অর্জনকে সুসংহত এবং টেকসই করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের জন্য এটি একটি বিশেষ ধাপ।

 আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ২৭) বিকেলে প্রেস কনফারেন্সে (ভার্চ্যুয়ালি) লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি।


চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে দুই নৌকা ডুবি

চুয়াডাঙ্গায় নারীর রহস্যজন মৃত্যু, শাশুড়ি আটক

অতিরিক্ত পাথর বোঝাই ট্রাকের চাপে বেইলী ব্রিজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ, স্ত্রীকে খুন


শেখ হাসিনা বলেন, মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা—এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের তিনটি মানদণ্ডই খুব ভালোভাবে পূরণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ পুনরায় সকল মানদণ্ড অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পূরণের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের পর্যালোচনায় ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ মানদণ্ডের প্রায় ১.৭ গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদণ্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে উত্তরণের জন্য মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ৩২ বা তার কম। কিন্তু ওই সময়ে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দারিদ্র্য, ক্ষুধা, নিরক্ষাতামুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আর্থিক এবং অন্যান্য সূচকগুলির দিকে লক্ষ্য করুন।

বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরে টানা তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ বছরে জিডিপির আকার ছিল মাত্র ১০৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ সালে তা ৩৩০.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই ১২ বছরে সরকারি ব্যয় ৪.৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭ হাজার ৯৬০ কোটি থেকে ২০১৯-২০ বছরে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। ২০০৮-০৯ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৫.৫৭ বিলিয়ন ডলার। আর ২০১৮-১৯ বছরে তা ৪০ দশমিক পাঁচ-চার বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পায়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০০৮-০৯ বছরের ৭ দশমিক চার-সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৪ দশমিক শূন্য-তিন বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ২০০১ সালে আমাদের দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৮.৯ শতাংশ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৪.৩ শতাংশ। ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ২০.৫ ভাগ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশে।

‘খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ং-সম্পূর্ণ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয় এবং মাছ-মাংস, ডিম, শাকসবজি উৎপাদনেও স্বয়ং-সম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে এবং ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। ’

বিদ্যুতে অগ্রগতির কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯-১০ বছরে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ছিল মাত্র ৫,২৭১ মেগাওয়াট। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ থেকে ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের গড় আয়ু ২০০৯-১০ বছরের ৬৯.৬১ বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ সালে দাঁড়িয়েছে ৭২.৬ বছর। ২০০৯-১০ বছরের তুলনায় ৫ বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেক কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ২৮। মাতৃমৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে লাখে ১৬৫ জনে, যা ২০০৯-১০-এ ছিল ২৮০ জন।

মুজিববর্ষে সবার জন্য ঘর দেওয়ার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল গৃহহীনদের ঘর প্রদান কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ৯২ হাজার গৃহহীনকে ঘর দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও ৫০ হাজার গৃহ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৬ পরিবারকে বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

নারীর ক্ষমতায়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের নারীরা আজ স্বাবলম্বী। জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ৭ম।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়াকে জাপানের রাষ্ট্রদূত ও পাকিস্তান হাইকমিশনারের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়াকে জাপানের রাষ্ট্রদূত ও পাকিস্তান হাইকমিশনারের চিঠি

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে পত্র পাঠিয়েছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) জাপানের রাষ্ট্রদূত এবং বুধবার (১৪ এপ্রিল) পাকিস্তানের হাইকমিশনার এ পত্র পাঠান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুর সাত্তারের বরাত দিয়ে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার কোভিড-১৯ সংবাদ পেয়ে তার শারীরিক সুস্থতা কামনা করে জাপানের রাষ্ট্রদূত এবং পাকিস্তানের হাইকমিশনার পত্র পাঠিয়েছেন।

গত শনিবার খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা শেষে রোববার তার করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। চিকিৎসক এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিম বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা শুরু করে।  লন্ডন থেকে চিকিৎসক পূত্রবধূ জোবাইদা রহমানও চিকিৎসার বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

লন্ডনে থেকেই পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান দেশে-বিদেশে বিভিন্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার তদারকি করছেন। এছাড়া তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সমন্বয়ও করছেন ডা. জোবায়দা রহমান।

৭৫ বছল বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত। দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে তাকে কারাগারে যেতে হয়। 

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়; শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

লকডাউনের মধ্যেই শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) ভোর থেকে সাড়ে ৭ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের বড় একটি অংশে। একই সময়ে গ্যাসের চাপ কম থাকবে ঢাকার বেশকিছু এলাকায়।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের হরিপুরে ভালভ প্রতিস্থাপনের কাজ করবে গ্যাস সঞ্চালন কোম্পানি জিটিসিএল ও বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস। আর এ কারণে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের বড় একটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে না তিতাস।

উল্লিখিত সময়ে শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পাশে নারায়ণগঞ্জ শহর, সিদ্ধিরগঞ্জ, আদমজী ইপিজেড, গোদনাইল, পাগলা, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ বিসিক, পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত, মুন্সিগঞ্জ সদর, মুন্সিগঞ্জ বিসিক, রেকাবী বাজার ও আশেপাশের এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাশে গ্যাস থাকবে না কাঁচপুর, হরিপুর, কুতুবপুর, মদনপুর, বন্দর, কেওডালা, নাঙ্গলবন্দ ও আশপাশের এলাকায়।

একই সময়ে গ্যাসের চাপ কম থাকবে ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও শ্যামপুর এলাকায়।

গ্রাহকদের 'সাময়িক অসুবিধার' জন্য 'আন্তরিকভাবে' দুঃখ প্রকাশ করেছে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস বিতরণ প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস কোম্পানি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নতুন কৌশলে হেফজাত, আইনি সহায়তা সেল

অনলাইন ডেস্ক

নতুন কৌশলে হেফজাত, আইনি সহায়তা সেল

হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ডের পর থেকেই গ্রেফতার হচ্ছেন শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। নতুন নতুন মামলায় গ্রেফতার হচ্ছেন  সংগঠনটির সকল স্তরের নেতাকর্মী। গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন অনেকেই।  এমতাবস্থায় সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে উদ্যোগী হয়েছে হেফাজত। ধরপাকড়, মামলা, গ্রেফতার ও সরকারের চাপ মোকাবিলায় নানা তৎপরতা শুরু করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তারা দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন, জেলায় জেলায় আইনি সহায়তা সেল গঠন এবং বিভিন্ন দূতাবাসে স্মারকলিপি দেওয়াসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া সমমনা ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করবে হেফাজত।

রবিবার হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির রুদ্ধদ্বার বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

হেফাজতের সহকারী মহাসচিব মুফতী শাখাওয়াত হোসাইন রাজী জানান, সরকার চাইলে তো গ্রেফতার এড়ানো যাবে না। তবে সবকিছু আইনীভাবে মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দুই থেকে তিন সদস্যের আইনি সহায়তা সেল গঠন করা হবে আইনজীবীদের নিয়ে। হেফাজতের কার্যক্রম, মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়ে তারা কাজ করবেন।

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে হেফাজতের কমিটি রয়েছে। এর বাইরে সারাদেশে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করাসহ সংগঠনকে এগিয়ে নিতে ‘সাংগঠনিক সেল’ গঠিত হয়। এই সেলের দায়িত্ব দেওয়া হয় যুগ্ম-মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসেনকে। তাদের মধ্যে ইসলামাবাদী বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পর গ্রেফতার হন।

জুনায়েদ আল হাবিব বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, সাংগঠনিক সেলের মাধ্যমে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সারা দেশের কমিটিগুলোর কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এ জন্য রোববারের সভায় তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইবাদতে দিন কাটাচ্ছেন করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক

ইবাদতে দিন কাটাচ্ছেন করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়া

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়া পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন ইবাদত করে কাটিয়েছেন জানিয়ে তার বোন সেলিমা ইসলাম  বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে তার চিকিৎসা চলছে। এইটুকু বলতে পারি যে, তার অবস্থা স্থিতিশীল, ভালো ইমপ্রুভ করছে। আপনারা উনার জন্য দোয়া করবেন।

সেলিমা ইসলাম  আরও বলেন, রমজান মাস বুঝতেই পারেন। এখন কোরআন তেলওয়াত, তাসবিহ তাহরিমা, দোয়া দরুদ, নামাজ পড়ে সময় কাটছে তার। টেলিফোনে আমরা কথা-বার্তা বলছি নিয়মিত।

গত শনিবার খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা শেষে রোববার তার করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়।  মেডিসিনের বিশেষ চিকিৎসক এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিম বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা শুরু করে।   লন্ডন থেকে চিকিৎসক পূত্রবধূ জোবাইদা রহমানও চিকিৎসার বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

লন্ডনে থেকেই পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান দেশে-বিদেশে বিভিন্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার তদারকি করছেন। এছাড়া তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সমন্বয়ও করছেন ডা. জোবায়দা রহমান।

৭৫ বছল বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত। দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে তাকে কারাগারে যেতে হয়। 

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়; শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনের প্রথম দিনে দুই লাখ ৫০ হাজার মুভমেন্ট পাস ইস্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

লকডাউনের প্রথম দিনে দুই লাখ ৫০ হাজার মুভমেন্ট পাস ইস্যু

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আজ থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন। যেখানে ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবে না কেউ। মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচা বাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি বা খুচরা ক্রয়, পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হচ্ছে এই ‘মুভমেন্ট পাস’।

এদিকে লকডাউনের প্রথম দিনে জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হতে বাংলাদেশ পুলিশের মুভমেন্ট পাস ওয়েবসাইটে আজ বুধবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত হিট হয়েছে প্রায় আট কোটি বার। যা প্রতি মিনিটে ২১ হাজারেরও বেশি।

পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়া তথ্যে জানানো হয়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৭ কোটি ৮১ লাখ হিট হয়েছে। প্রতি মিনিটে হিট হয়েছে ২১ হাজার ৩৩৭টি।

এ পর্যন্ত অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৩ লাখ ১০ হাজার জন। যাদের মধ্যে দুই লাখ ৫০ হাজার মুভমেন্ট পাস ইস্যু করা হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জরুরি প্রয়োজনে চলাচলের জন্য ‘মুভমেন্ট পাস’ দিচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ সদর দফতরের এক কর্মকর্তা জানান, মুভমেন্ট পাস নেওয়ার জন্য মানুষজন অনেক অহেতুক কারণ দেখিয়ে আবেদন করছেন। অযৌক্তিক কারণ গুলো বাদ দিয়ে একেবারেই জরুরি ও যৌক্তিক কারণে যারা আবেদন করছেন তাদের মুভমেন্ট পাস দেওয়া হচ্ছে।

মুভমেন্ট পাস যেভাবে পাওয়া যাবে

movementpass.police.gov.bd এর ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পাস সংগ্রহ করতে পারবেন যে কেউ। তবে প্রতিটি পাস একবারই ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ যাওয়া-আসার জন্য আলাদা আলাদা পাস সংগ্রহ করতে হবে।

এক্ষেত্রে যার জন্য পাসটি দরকার সেই ব্যক্তির নাম, মোবাইল ফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স, যে স্থানে যাচ্ছেন সে জায়গার নাম, যেখান থেকে যাবেন সেই স্থানের নাম ও যাত্রার কারণ ইত্যাদি তথ্য পূরণ করে উল্লেখিত লিংকে আবেদনের পর পুলিশ অনলাইনে কিউআর কোড স্ক্যানারসহ একটি পাস ইস্যু করবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর