ব্যাপক সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক

সামরিক সমর্থক, বিরোধী আর পুলিশের ত্রিমুখি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে উঠছে মিয়ানমারের রাজপথ। অভিযোগ উঠেছে, অং সান সু চিকে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। 

এদিকে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক চাপের মাঝে, এবার মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত। চিরদিনের জন্য দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান বন্ধসহ, সর্বোচ্চ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। 

টিয়ারগ্যাস, পুলিশের গুলি আর দফায় দফায় হামলায় উত্তপ্ত মিয়ানমার পরিস্থিতি। শনিবার সকাল থেকেই জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থান ছিল মিয়ানমারের প্রধান শহরগুলোতে। তবে সবকিছুকে উপেক্ষা করে মুখমুখি অবস্থানে বিক্ষোভকারীরা। ঘটছে সংঘর্ষ। অভিযোগ উঠছে, সেনাবাহিনীর পক্ষে রাজপথে নেমে ছুরিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করছে জান্তাপন্থিরাও।   

অভ্যুত্থানেকারীদের ওপর অব্যাহত রয়েছে আন্তর্জাতিক চাপ, দেওয়া হচ্ছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। এমন অবস্থায় শুক্রবার জাতিসংঘের বিশেষ বৈঠকে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন। 

জান্তাশাসকদের বিদায় করতে  সর্বোচ্চ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, এছাড়া জাতিসংঘের সব সদস্য রাষ্ট্রকে অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়ে, প্রকাশ্যে বিবৃতিতে দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি। 


দুই পৌরসভায় নির্বাচন কাল, কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম

হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আতঙ্কিত বুবলীর থানায় জিডি

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রাকচালক গুলিবিদ্ধ

পিতার স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরল ছেলে, বাবার মৃত্যু


আমরা মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য লড়াই অব্যাহত রাখব, সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যে কোনও ব্যবস্থা নিন , দেশটির জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রদান করুন।      

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে তার নেপিডোর বাড়ি থেকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে বলে অভিযোগ করছেন তার দলের নেতারা। সু চির সঙ্গে আইনজীবীদের দেখা করার অনুমতিও দেওয়া হচ্ছেনা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অক্সিজেন শেষের দিকে, নিখোঁজ সাবমেরিনের ৫৩ ক্রুর বাঁচার ‌‘সম্ভাবনা কম’

অনলাইন ডেস্ক

অক্সিজেন শেষের দিকে, নিখোঁজ সাবমেরিনের ৫৩ ক্রুর বাঁচার ‌‘সম্ভাবনা কম’

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর যে সাবমেরিন নিখোঁজ হয়েছে তা  শনিবারের ভোরের মধ্যে খোঁজ না পেলে ৫৩ জনের কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হবে না। কারণ তাতে খুব অল্প পরিমাণ অক্সিজেন আছে।

সাবমেরিনটির সন্ধান ও উদ্ধারের জন্য সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ অনুমান করছে, সাবমেরিনটিতে এখন যেটুকু অক্সিজেন আছে তাতে ক্রুদের জীবিত উদ্ধারের জন্য আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় আছে।

ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র আশমাদ রিয়াদ বলেন, আমাদের হাতে মাত্র শনিবার ভোর ৩টা পর্যন্ত সময় আছে। তাই আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর


কেআরআই নাঙ্গালা ৪০২ নামের এই সাবমেরিনটি বালি দ্বীপের উপকুলের নিকটবর্তী সমুদ্রে একটি মহড়ায় অংশ নিচ্ছিল।

বুধবার সকালে টর্পেডো মহড়ার অনুমতি চাওয়ার কিছু ক্ষণ পরই হঠাৎ করে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হযে যায়।

কমপক্ষে ৬টি যুদ্ধ জাহাজ, একটি হেলিকপ্টার ও ৪০০ মানুষ এ অনুসন্ধানে অংশ নিচ্ছে।

উদ্ধার কাজের জন্য সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সেখানে জাহাজ পাঠিয়েছে।  

সাবমেরিনটি ডুবে যাওয়ার স্থানে তেল ভাসতে দেখা গেছে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, সাবমেরিনটির তেলের ট্যাংকে ছিদ্র হওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দিল্লির শ্মশানে জায়গা না পেয়ে লোকালয়ে গণচিতা

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লির শ্মশানে জায়গা না পেয়ে লোকালয়ে গণচিতা

করোনা ভাইরাসে ভারত যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা এতই বেড়েছে মরদেহ সমাহিত করার জায়গা পেতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে মৃতদের পরিবারকে। শ্মশান ঘাটে লাশের সারি,তাই খোলা প্রান্তরে জ্বলছে সারি সারি চিতা। রাজধানীর দিল্লি থেকে এমনই এক দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছে রয়র্টার্সের ড্রোন। ছবিটি ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের (২২ এপ্রিল) তথ্যমতে, দিল্লিতেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ১৬৯ জন। মারা গেছেন ৩০৬ জন করোনা রোগী। সেই পরিস্থিতিতেই জনবসতিপূর্ণ এলাকার পাশে বহ্নিমান গণচিতার একটি ছবি সামনে এনেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। তারা জানিয়েছে, শুধু শ্মশানই নয়, রাজধানীর কবরস্থানগুলোর অবস্থাও এক। দেহ সমাহিত করার জায়গা পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কোভিডে মৃতদের পরিবারকে।

এর আগে দেশটির গুজরাট, মধ্যপ্রদেশের মতো জেলায়ও শ্মশানের বাইরে দেহ নিয়ে সারি সারি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে দিল্লিতে পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, শ্মশানের বাইরে লাইনেও জায়গা পাচ্ছেন না অনেকে। বাধ্য হয়ে বাড়িতেই প্রিয়জনের মরদেহ রেখে দিতে হচ্ছে।

দিল্লির সীমাপুরীর বাসিন্দা নিতিশ কুমার জানান, কোভিডে আক্রান্ত হয়ে দু’দিন আগে তার মা মারা গিয়েছেন। কিন্তু কোনো শ্মশানে মায়ের মরদেহ দাহ করার জায়গা পাননি। বাধ্য হয়ে দু’দিন বাড়িতেই মায়ের মরদেহ রেখে দিয়েছিলেন তিনি। নিজে এদিক-ওদিক চষে বেড়িয়েছেন। কোথায় দাহ করা যায়, জায়গা খুঁজছিলেন। শেষমেশ একটি পার্কিং লটে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শ্মশানে মা-কে চিতায় তোলার জায়গা মেলে। 

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘শহিদ ভগৎ সিংহ সেবা দল’-এর প্রধান জিতেন্দ্র সিংহ শান্টি বলেন, দিল্লিতে এমন দৃশ্য দেখতে হবে কেউ ভাবেনি। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়ে, কারও বয়স ৫, কারও ১৫, কারও ২৫। তাদের দাহ করতে হচ্ছে। সদ্য বিবাহিত অনেকের দেহও শ্মশানে আসছে। চোখে দেখা যাচ্ছে না।

তিনি জানান, সীমাপুরীর পার্কিং লটে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শ্মশানে বৃহস্পতিবার বিকেলে ৬০টি দেহ দাহ করা হয়েছে। জায়গা না পেয়ে পড়েছিল আরও ১৫টি দেহ। কিন্তু গতবছর পরিস্থিতি এতটা ভয়ংকর ছিল না। সংক্রমণ যখন সর্বোচ্চে গিয়ে ঠেকে, সেই সময়ও একদিনে সর্বাধিক ১৮টি দেহ দাহ করতে হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, ১৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, ১৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

ফাইল ছবি

লিবিয়া উপকূলে ১৩০ শরাণার্থী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে গেছে। উল্টে যাওয়া নৌকার কাছ থেকে ভাসমান অবস্থায় অন্তত ১০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় ফ্রান্সের দাতব্য সংস্থা এসওএস মেডিটেরানি।

এসওএস মেডিটারানি বলেছে, রাবারের তৈরি নৌকাটিতে ১৩০ জন যাত্রী ছিল। লিবিয়া উপকূলে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চরম দুর্দশার মুখে পড়া তিনটি নৌকার উপস্থিতির ব্যাপারে তাদেরকে গত বুধবার জানানো হয়।

অন্যদিকে প্রায় ৪০ জন শরণার্থী নিয়ে আরো একটি কাঠের নৌকা ভূমধ্যসাগরে এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছিল সংস্থাটি। তবে এসব অভিবাসী কোন কোন দেশের নাগরিক সেবিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। তারা অবৈধভাবে ইতালিতে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানা গেছে। নৌকাডুবির ঘটনায় কাউকে জীবিত উদ্ধার করা না গেলেও ১০ জনের মরদেহ সাগরে ভাসতে দেখা গেছে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) চিফ অব স্টাফ ইউজেনিও আমব্রোসি বলেন, ভূমধ্যসাগরের মাঝামাঝি হওয়া এই নৌকাডুবির ঘটনায় কমপক্ষে একশ জনের প্রাণহানি হয়েছে।  

তিনি টুইটারে লেখেন, এগুলো বিশ্বের নেওয়া নীতিগুলোর মানবিক পরিণতি; যা কোনোভাবে আন্তর্জাতিক আইনকে সমর্থন করে না।

অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার জন্য লিবিয়া উপকূলকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে থাকে মানবপাচারকারীরা। ডুবে যাওয়া অভিবাসীদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বিভিন্ন সংস্থা। তবে তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের (২২ এপ্রিল) ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ছাড়াই এই বছরেই ভূমধ্যসাগরে ডুবে ৩৫০ জনের বেশি শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (আইওএম) তথ্য‍ানুযায়ী, গত বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে দুই হাজার ২০০র বেশি শরণার্থী সমুদ্রে প্রাণ হারিয়েছেন। গত মার্চে আইওএমর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। বলা হয়, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত এর থেকেও অনেক বেশি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভারতে করোনায় মৃতের লাশ ফেলে দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ স্বজনদের

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে করোনায় মৃতের লাশ ফেলে 
দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ স্বজনদের

ভারতের মধ্যপ্রদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মরদেহ স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বরং তাদের না জানিয়েই দূরে মরদেহ ফেলে দেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যটির রাজধানী ভোপাল থেকে ৫৭ কিলোমিটার দূরে বিদিশা জেলা হাসপাতালে এমনই একটি মর্মান্তিক ভিডিও দেখা গেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ নিয়ে হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স বেরিয়ে এসেছে। হাসপাতালের ফটক পেরিয়ে মোড়ে পৌঁছে মরদেহটি ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সটির হাড্ডিসার চালককে আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

আপনি কী করেন? এটি মোটেও নিরীহ প্রশ্ন নয়

সড়ক দুর্ঘটনায় রাস্তাটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছে: নোবেল

লকডাউনে 'বান্ধবীর' সাথে দেখা করতে যুবকের আকুতি, পুলিশের রোমান্টিক জবাব!


এরপর দুজন লোক সেখানে দৌড়ে চলে যান। যদিও তখন পিপিই-পরা একজন লোককে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর থেকে উঁকি দিতে দেখা গেছে।
অভিযোগে বলা হচ্ছে, স্বজনদের না জানিয়েই মরদেহ দূরে ফেলে দিয়ে আসছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, মহমারির দ্বিতীয় ঢেউ সবচেয়ে জোরে আছড়ে পড়েছে ভারতে। টানা দ্বিতীয় দিন তিন লাখের বেশি নতুন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে দেশটিতে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মসজিদই যখন করোনা হাসপাতাল!

অনলাইন ডেস্ক

মসজিদই যখন করোনা হাসপাতাল!

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত পুরো দেশ। বেরিয়ে এসেছে দেশটির ভঙ্গুর চিকিৎসাব্যবস্থার রূপ। এমন অবস্থায় চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন অনেকে।

করোনা মহামারিতে রোগীদের চিকিৎসায় মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে ভারতের গুজরাটের মুসলমানরা। করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় মসজিদকেই তৈরি করা হয়েছে ৫০ শয্যার কোভিড হাসপাতালে।

এ হাসপাতালে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন করোনা আক্রান্ত রোগী। চাপ বাড়ায় হাসপাতালের পরিধি বাড়াতে কাজ শুরু করেছে মসজিদ কমিটি।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

আপনি কী করেন? এটি মোটেও নিরীহ প্রশ্ন নয়

সড়ক দুর্ঘটনায় রাস্তাটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছে: নোবেল

লকডাউনে 'বান্ধবীর' সাথে দেখা করতে যুবকের আকুতি, পুলিশের রোমান্টিক জবাব!


জাহাঙ্গীরপুরা মসজিদের ট্রাস্টি ইরফান শেখ বলেন, 'আমরা মসজিদকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করছি। এই মুহূর্তে ৫০টি বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।'

দুই সপ্তাহ আগে গুজরাটেরই স্বামী নারায়ণ মন্দিরে তৈরি করা হয় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর