জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

রংপুরের বদরগঞ্জে জামায়াতের এক নেতার বাড়ি থেকে তার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেয়েটির মায়ের দাবি শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে চিৎকার শুনে তিনি ঘরে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় মেরিকে ছটফট করতে দেখেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সে নিস্তেজ হয়ে যায়। মেরির মা নূরজাহান জানিয়েছেন, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মৃগিরোগে ভুগছিল। রোগ সহ্য করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে।

রংপুরের বদরগঞ্জে এই ঘটনা ঘটে।

রংপুরের বদরগঞ্জে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বুজরুক হাজিপুর গাছুয়াপাড়ায় মাহবুবা আক্তার মেরির বাবা মেনহাজুল হক রামনাথপুর বি ইউ দাখিল মাদ্রাসার সুপারিটেনডেন্ট এবং জামায়াতে ইসলামীর রোকন।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


 

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। ঘটনাটি অনেক পরে জানতে পেরে পুলিশে খবর দেওয়া হয় বলে সাংবাদিকদের জানান প্রতিবেশীরা। বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ছাড়াও সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আলামত হিসেবে ওই ঘর থেকে রক্তাক্ত একটি চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মেরি আত্মহত্যা করেছেন না কি তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক পোচের দাগ থাকা, পরিবারের পক্ষ থেকে যথাসময়ে থানায় খবর না দেওয়াসহ পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে মেনে নিতে পারছে না পুলিশ। 

বদরগঞ্জ থানার পরিদর্শক হাবিবুর রহমান এটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেছেন, সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। মৃত্যুরহস্য জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মেরি স্থানীয় ওয়ারেসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এক সময় পড়ালেখা করলেও অসুখের কারণে তা চালিয়ে যেতে পারেনি। ওই পরিবারটির সঙ্গে প্রতিবেশীদের তেমন কোনো সম্পর্ক না থাকলেও মেরি শান্ত স্বভাবের ছিল বলে জানিয়েছেন আশপাশের লোকজন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেখা করতে ডেকে অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

দেখা করতে ডেকে অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

টাঙ্গাইলের সখিপুরেরর গোরগোবিন্দপুর গ্রামে এক অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ওই যুবকের নাম সিয়াম। তিনি সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামের ময়নালের ছেলে। 

জানা গেছে টাঙ্গাইলের সখিপুরের গোবিন্দপুরের পাশ্ববর্তী উপজেলা ঘটাইল থেকে ওই তরুণীকে ডেকে এনে পাঁচজনে মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ারস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে।  এছাড়াও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বাবা জানান, একই গ্রামে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। গত কিছুদিন ধরে সখিপুরের জয় নামের এক যুবকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে মেয়ের পরিচয় হয়। তারপর থেকে তারা ফোনে প্রতিনিয়ত আলাপ করত। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ছেলের সাথে দেখা করতে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর সে আর বাড়িতে আসে নি। বুধবার দুপুরে আমরা তাকে হাসপাতালে দেখতে পাই।

সখিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, পুর্ব পরিচয়র সূত্র ধরে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মেয়েটি সরল বিশ্বাসে পূর্ব পরিচিত জয় নামে এক বন্ধুর সঙ্গে সখিপুর আসে। রাতে তারা সবাই মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।

তিনি জানান, আটক সিয়াম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার সঙ্গে সখিপুর পৌর এলাকার নাছির উদ্দিনের ছেলে ধর্ষণের শিকার মেয়ের বন্ধু জয় মিয়া ও গোরগোবিন্দপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া মেয়েটিকে রাতভর ধর্ষণ করেছে। কিন্ত মেয়েটি অজ্ঞাত পরিচয় আরো দুইজনসহ পাঁচজনে মিলে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই তারা গ্রেপ্তার হবে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, মেয়েটি প্রেগনেন্ট ছিল। ধর্ষণের ফলে তার প্রচুর রক্তক্ষণ হয়েছে। তার পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার,পুলিশ সুপারকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক

ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার,পুলিশ সুপারকে বদলি

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলায় উদ্ধার হওয়া  ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেওয়ারঘটনায় শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অপর দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন উজ্জামান ও ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌল। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপারের আদেশে তাদেরকে প্রত্যাহার করা হয়।

বুধবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টাস থেকে পাঠানো এক আদেশে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন নামের বাস থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন। 

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করে বরিশাল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

মাদারীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

মাদারীপুরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় সাথী বেগম (২৭) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের মামুন চৌকিদারের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা। পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী মামুন চোকিদার পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে সাথী বেগমের স্বামী মামুন চৌকিদার তার শ্বশুর বাড়িতে ফোন করে খবর দেয় সাথী ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ খবর পেয়ে সাথীর ভাই আনোয়ার হোসেন ও পরিবারের লোকজন গিয়ে সাথীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয় প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ভোর থেকেই স্বামী মামুন চৌকিদার পলাতক রয়েছে। সাথীর পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের দাবি তার স্বামী মামুন চৌকিদার তাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।

নিহত সাথী বেগম দুই ছেলে ও এক মেয়ের মা এবং বাঁশকান্দির শেখপুর গ্রামের মামুন চৌকিদারে স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের দক্ষিন বাঁশকান্দি গ্রামের আছুমদ্দিন কবিরাজের মেয়ে।

সাথীর ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার বোনকে প্রায়ই যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতো মামুন। মাঝে মাঝে অনেক মারধর করতো। এই নিয়ে কয়েকবার শালিস বৈঠকও হয়েছে। কয়েক দিন আগে সাথীকে পিটিয়ে আহত করে। আমরা ফরিদপুর মেডিকেল ৩৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ওর চিকিৎসা করাই। আজ আমার বোনকে মেরে ঘরে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমরা চেয়েছিলাম তাকে এই সংসার থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু স্থানীয় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বোনকে ওই সংসারে রাখার কথা বললে আমরা তাদের কথা শুনে রেখে যাই।’

শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমির হোসেন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল থেকে সাথী বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাথীকে হত্যা করে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে স্পষ্টভাবে জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্যসহ ১৮ জন আটক

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্যসহ ১৮ জন আটক

ময়মনসিংহে কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্যসহ ১৮জন চোরাকারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪। বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার বেলতলী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এসময় ভারতীয় পণ্য বহনকারী ছয়টি ট্রাক ও একটি কার্ভাডভ্যানও জব্দ করা হয়।

বুধবার বিকেলে র‌্যাবের সহকারি পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

আটকরা হচ্ছেন- সোলাইমান কবির (৪০), চিত্তরঞ্জন দে (৫১), মোঃ মতিন (৩৬), মো. খায়রুল ইসলাম (২০), মো. আনোয়ার হোসেন (৩০), মো. আকরাম (২০), মো. মিরাজ (৩০), মো. মমিন (৩২), মো. ইমরান (২৫), মো. রাজু মিয়া (৩০), মো. নজরুল ইসলাম (৪০), মো. মাহফুজুর রহমান (৪০), মো. কামরুল ইসলাম (২২), মো. রুবেল (৩৪), সুমন মীর (৩২), মো. হারেস (৪৭), মো. রাজু (৩২), মো. সাব্বির (২০)।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত


প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন উল্লেখ করেন, ভারতীয় এক হাজার থ্রিপিচ, ২৫০ লেহেঙ্গা, ১২ হাজার কেজি জিরা, ৩৫০ পিস শাড়ি, ৩ হাজার ২০০ পিস সাবান, ২০ হাজার পিস মেহেদী, ৪ হাজার পিস চকলেট, ৭ হাজার পিস ক্রীম উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ভারতীয় পণ্য অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে আটকরা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গৌরিপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় মোজাম্মেল হক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।

গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলার বড়পলাশবাড়ি ইউনিয়নের বাদামবাড়ি হাটে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গুরুতর অবস্থায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আধুনিক সদর হাসপাতালে দুজনকে ভর্তি করা হয়। আহত দুজন নিহত মোজাম্মেলের দুইভাই।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রকিবুল আলম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত মোজ্জাম্মেলের বাসা ওই ইউনিয়নের কইকরি গ্রামে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

আহত ব্যক্তি আশরাফুল ও বাবুলের অভিযোগ প্রতিবেশী এক মেয়ের সাথে কয়েক বছর আগে বিবাহ হয় প্রতিবেশী লতিফের। ঝগড়া বিবাদের কারণে ওই মেয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসে। আর এই বিয়ের ঘটক ছিল মোজ্জামেল। ওই নারী দীর্ঘ দিনেও কেন স্বামীর বাড়িতে যায় না এ নিয়ে প্রতিবেশী কামাল হোসেনের সাথে বাকবিতণ্ডা হয় কয়েকদিন ধরে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে মিমাংসায় বসলে। কামাল হোসেন ও মোজ্জাম্মেলের হাতাহাতি হয়। কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বাদামবাড়ি হাটে মোজ্জাম্মেলকে একা পেয়ে প্রকাশ্যে ধারাল অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট করে। পরে বাড়ির সামনে মোজাম্মেল ও বাবুলকেও মারপিট করে তারা। আহত অবস্থায় বালিয়াডাঙ্গী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের ভর্তি করা হলে গুরুতর অবস্থায় মোজ্জাম্মেল ও বাবুলকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মোজাম্মেল।

এ বিষয়ে বড়পলাশবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কামাল হোসেন ও মোজাম্মেলের মধ্যে আগে থেকে কয়েকটি বিষয়ে নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ ঘটনায় আজকে একজনের প্রাণ গেল।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর