নরওয়ের গ্রামের দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে কিং কাঁকড়া

অনলাইন ডেস্ক

নরওয়ের গ্রামের দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে কিং কাঁকড়া

কিং ক্রাব বা বড় কাঁকড়া নরওয়ের মাুনষের জন্য আর্শিবাদ হয়েছে। এই কাঁকড়া অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার সারা দুনিয়া জুড়েই। নরওয়ের উত্তরের ব্যুগোয়নেসের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষ খুব আর্থিক সংকটে ছিল। এমনকি নব্বইয়ের দশকে ওখানকার একটি গ্রাম বিক্রি করে দিতে চেয়েছেলেন। কিন্তু এই কাঁকড়া ওখানকার সব দৃশ্যপট পাল্টে দিল। 

নরওয়ের উত্তরে আর্থিক সংকটে থাকা এলাকায় এসব কিং ক্র্যাব সুখের বার্তা নিয়ে এসেছে। যেমন ব্যুগোয়নেসের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত জেলেদের গ্রামে।

জার্মানির ডিয়র্ক হাইজভাগার নামে একজন ট্যুর গাইড প্রায় ১২ বছর ধরে নরওয়ের উত্তরে বাস করছেন। তিনি আর্কটিক সাগর পছন্দ করেন। রাশিয়া সীমান্তের কাছে দর্শনীয় স্থান দেখাতে পর্যটকদের নিয়ে যান তিনি।  

কিং ক্র্যাব বা বড় কাঁকড়া দর্শনীয় বস্তুগুলির মধ্যে একটি। ট্যুর শুরুর একদিন আগে তিনি সাগরের ১৮০ মিটার গভীরে কাঁকড়া ধরার ফাঁদ পাতেন।

পরের দিন সেই ফাঁদে অনেক কাঁকড়া ধরা পড়ে। সারা বিশ্বেই এটি এক মজাদার খাবার। কিন্তু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। খরগোশের মতোই এদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে।

১৯৮৯ সালে গ্রামবাসীরা তাদের গ্রাম বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। কারণ আয়ের উৎস না থাকায় তরুণরা গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন।


শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা


এখন পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সেখানে এখন থাকার হোটেল আর ছোট একটি রেস্তোরাঁও আছে।

কাঁকড়াগুলির উপস্থিতি জেলেদের জন্য সুখবর হলেও নরওয়ের পরিবেশবিদ ও বিজ্ঞানীদের জন্য সেটা চিন্তার বিষয়। কারণ কাঁকড়াগুলি প্রায় সবকিছু খেয়ে ফেলে, যা আশেপাশের ইকোসিস্টেমের জন্য হুমকি। ইদানিং ব্যুগোয়নেস থেকে আরও দক্ষিণেও এদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

নরওয়েজিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মেরিন রিসার্চের ইয়ান সুন্ডেট বলেন, ‘‘আমরা গবেষণা করে দেখেছি যে, কাঁকড়াগুলি ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতেও মানিয়ে নিতে পারে। তার মানে তারা ভূমধ্যসাগরেও থাকতে পারবে! যেখানেই এই কাঁকড়া যায় সেখানেই সাগরের প্রাণিজগতকে ধ্বংস করে। ঝিনুক, তারামাছের মতো কিছু প্রজাতি একেবারে হারিয়ে গেছে।’’

কিং ক্র্যাব, যা মনস্টার ক্র্যাব নামেও পরিচিত, তাদের প্রাকৃতিক কোনো শত্রু নেই। এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নরওয়ের মৎস্যসম্পদ কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে।

ডিয়র্ক হাইজভাগার তার অতিথিদের অল্প সময়ের মধ্যে যে খাবার দিতে পারছেন সেটা সাধারণত ইউরোপ, এশিয়ার অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোতে পাওয়া যায়। বছরে প্রায় দুই হাজার টন কিং ক্র্যাব রপ্তানি করে নরওয়ে।

পর্যটক কিংবা স্থানীয় মানুষ, সবাই কাঁকড়া পছন্দ করেন। কর্তৃপক্ষকে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে, কারণ ঐ অঞ্চলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাঁকড়ার সংখ্যা ধরে রাখতে চায়। পাশাপাশি সর্বগ্রাসী কাঁকড়া যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হচ্ছে।

যদিও এই কাঁকড়া পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিন্তু, মানুষের খাবারে এর ভেল্যু অনেক। এই কাঁকড়ার স্বাদ অতুলনীয়। 

সূত্র: ডয়েচে ভেলে 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় ম্লান বৈসাবি উৎসব

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় ম্লান বৈসাবি উৎসব

বৈসাবি পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ সংক্রমণ আতঙ্কের মধ্যেও শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তিন দিনব্যাপী বৈসাবী উৎসব। সোমবার (১২ এপ্রিল) কাপ্তাই হ্রদের গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় এই উৎসবের।

সোমবার সকালে বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভগবানের আশীর্বাদ প্রার্থনা করে কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে পানিতে ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা করেন। এসময় করোনা থেকে মুক্তির প্রার্থনা করা হয়।

ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়েই শুরু হয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীগুলোর ৩ দিনব্যাপী প্রধান এই উৎসব। আগামীকাল মঙ্গলবার মূলবিজু পালিত হবে। বুধবার গোজ্যেপোজ্যে দিন পালিত হবে যার যার ঘরে।


আরও পড়ুনঃ


শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ


এ বিষয়ে বিজু, বৈসু, সাংগ্রাইং-২০২১ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি চাকমা জানান, বৈসাবির উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর এই ৩ দিনে আনন্দ উৎসবে মেতে থাকলেও এবছরও করোনা মহামারী পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে। সরকারের নির্দেশনা ও নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে সামাজিক দূরত্ব মেনে পালন করছে বৈসাবি উৎসব।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শ্রীমুখ: এক ঘর-এক বাড়ি-এক গ্রাম

হারুন আল নাসিফ

শ্রীমুখ: এক ঘর-এক বাড়ি-এক গ্রাম

এশিয়ার সবচেয়ে বড় গ্রাম বাংলাদেশেই। হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং। এটি প্রায় সবাই জানেন। কিন্তু এশিয়ার সবচেয়ে ছোট গ্রামও যে বাংলাদেশে অবস্থিত এ কথা সম্ভবত খুব কম লোকই জানেন।

প্রাপ্ত তথ্য মতে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ‘শ্রীমুখ’ গ্রামটিই এশিয়ার সবচেয়ে ছোট গ্রাম! ৬০ শতক জায়গাজুড়ে ‘এক ঘর-এক বাড়ি-এক গ্রাম’ খ্যাত এই শ্রীমুখ গ্রাম।

এর আগে এশিয়ার সবচেয়ে ছোট গ্রাম হিসেবে আলোচিত হওয়া কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার বেলঘর ইউপির ‘তিলইন’ গ্রামের জনসংখ্যা ৪০ জন। তাদের সবাই সনাতন ধর্মের বলে জানা গেছে।

শতাব্দী-প্রাচীন শ্রীমুখ গ্রামের বর্তমান জনসংখ্যা পাঁচজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একজন শিশু। এদের সবাই একই পরিবারের সদস্য।

শ্রীমুখ গ্রামটি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নে অবস্থিত। সরকারি গেজেটভুক্ত এই গ্রামটিতে দীর্ঘদিন থেকেই একটি মাত্র পরিবার বসবাস করে আসছে।

উপজেলা সদর থেকে নয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খাজাঞ্চি ইউনিয়ন। এর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অর্ন্তগত তেলিকোনা ও পশ্চিম নোয়াগাঁওয়ের মধ্যবর্তী স্থানে শ্রীমুখ অবস্থিত।

 

শ্রীমুখ গ্রামে এক সময় ছিল একটি হিন্দু পরিবারের বসবাস। ১৯৬৪ সালে দাঙ্গার সময় পরিবারটি তাদের বাড়ি বর্তমান বাসিন্দা আলতাফ আলীর পূর্ব-পুরুষের কাছে বিক্রি করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে আলতাফ আলীর পরিবার এ বাড়িতেই বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে আলতাফ আলী সৌদি প্রবাসী। বাড়িতে বসবাস করছেন তার দুই বোন ও স্ত্রী-কন্যা।

গ্রামটির চারদিকে ফসলি জমি, বাঁশ ঝাড়, জঙ্গল ও কাদামাটিতে পরিবেষ্টিত। কাদামাটি ও পানি পেরিয়ে কোনো রকমে ঢুকতে হয় রাস্তাবিহীন এ গ্রামে।

সৌদি প্রবাসী আফতাব আলীর স্ত্রী রাহিমা বেগম। তাদের একমাত্র মেয়ে প্রতিদিন কাদামাটি-পানি পেরিয়ে একটি কিন্ডারগার্টেনে যায়। আর্থিক দুরবস্থার কারণে তাদের ব্যবহার করতে হয় কাঁচা শৌচাগার। একমাত্র টিউবওয়েলটি নষ্ট থাকায় পুকুরের পানি পান করতে হচ্ছে।


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

নিউইয়র্ককে টপকে এখন বিলিয়নিয়ারদের শহর বেইজিং

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


শ্রীমুখ গ্রামের জনসংখ্যা মাত্র পাঁচজন হওয়ায় তারা পার্শ্ববর্তী পশ্চিম নোয়াগাঁওপঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ছোট একটি আইলই চলাচলের একমাত্র অবলম্বন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া বাড়ি থেকে কোথাও যাওয়া যায় না। শুকনো মৌসুমেও কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়।

শ্রীমুখের পার্শ্ববর্তী জায়গার মালিকেরা জমি দিয়ে সহযোগিতা করলে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র।

পর্যবেক্ষক মহল মনে করে, সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হলে শ্রীমুখ গ্রামটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারে। এমনকি গিনেজ বুকে নাম লেখাতে পারে ‘শ্রীমুখ’।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের বায়ুমন্ডলে আস্বাভাবিক মিথেন নিঃসরণ?

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের বায়ুমন্ডলে আস্বাভাবিক মিথেন নিঃসরণ?

বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ক্ষেত্রে গ্রিনহাউস গ্যাস কার্বন-ডাই-অক্সাইডের থেকেও মারাত্মক মিথেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে উচ্চমাত্রায় মিথেন গ্যাসের ধোঁয়া শনাক্ত করেছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা।

তবে এর উৎস নিশ্চিত না হওয়ায় বিষয়টিকে ‘রহস্যময়’ বলে উল্লেখ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কায়রোস এসএএস বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে মিথেন নিঃসরণের ১২টি সর্বোচ্চ হার শনাক্ত করেছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণা করে উক্ত ফরাসি সংস্থাটি।

বাংলাদেশের আকাশে ঘনীভূত মিথেনের চিত্র ধরা পড়েছে ব্লুফিল্ড টেকনোলজিস নামে আরেক পর্যবেক্ষকের নজরেও।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ইয়োতাম এরিয়েল বলেন, আমাদের বিশ্লেষণ বলছে, বিশ্বের কয়েকটি সর্বোচ্চ মিথেন নিঃসরণ ঘটছে বাংলাদেশে, যা স্যাটেলাইটে শনাক্ত করা যায়।

এদিকে, মিথেন নিঃসরণের বিষয়ে বাংলাদেশ অবগত বলে একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

মন্ত্রী বলেন, এটি সম্ভবত ধানক্ষেত থেকে আসছে। কৃষকরা যখন তাদের ক্ষেত সেচ দেন, তখন জলাবদ্ধ মাটিতে ব্যাকটেরিয়া বিপুল পরিমাণ গ্যাস তৈরি করতে পারে। আরেকটা উৎস হচ্ছে ল্যান্ডফিল (ময়লা পুঁতে রাখা) গ্যাস। আমরা এটি কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি।

গ্লোবাল মিথেন ইনিশিয়েটিভের তথ্যমতে, গৃহপালিত পশু, তেল-গ্যাস শিল্প থেকে লিক হওয়া, ময়লার ভাঁগাড় ও কয়লার খনি হচ্ছে মিথেন নিঃসরণের মনুষ্যসৃষ্ট কয়েকটি স্বাভাবিক মাধ্যম।


আরও পড়ুনঃ


নিউইয়র্ককে টপকে এখন বিলিয়নিয়ারদের শহর বেইজিং

মাওলানা মামুনুলের রিসোর্ট কাণ্ডে 'পুরুষশুন্য' কয়েক গ্রাম!

ফেসবুকে আপনার তথ্য ফাঁস হয়েছে কিনা যেভাবে জানবেন

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


এনভায়রনমেন্টাল ডিফেন্স ফান্ডের হিসাবে, বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্তত এক-চতুর্থাংশের জন্য মানবসৃষ্ট মিথেন নিঃসরণ দায়ী।

ফ্রান্সভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইডিএফের প্রধান বিজ্ঞানী স্টিভেন হ্যামবার্গ বলেন, বাংলাদেশের উপরে আমরা যে মিথেন ঘনীভূত হতে দেখেছি, এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে- আমাদের আরও গবেষণা দরকার। নির্গমনের বিশ্বাসযোগ্য পরিমাণ এবং উৎস নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চাণক্যমতে যাদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয়!

অনলাইন ডেস্ক

চাণক্যমতে যাদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয়!

আচার্য চাণক্য-কে ভারতবর্ষের সেরা পণ্ডিতদের মধ্যে একজন গণনা করা হয়। তিনি একজন বড় পন্ডিত, কূটনীতিবিদ, দার্শনিক এবং অর্থনীতিবিদ ছিলেন। ধর্ম, রাজনীতি ও সমাজ, মানুষের জীবনের প্রতিটি স্তর নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।

মানুষের জীবনে কোন কোন ক্ষেত্রে কী কী করা উচিত, আর কী করা উচিত নয়, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাই, শত শত বছর পেরিয়ে গেলেও চাণক্যের বাণীগুলি যেন অমর হয়ে আছে এবং মানুষের জীবনে আজও সমানভাবে কার্যকর।

তাহলে জেনে নিন, আচার্য চাণক্যের মতে কোন ধরনের মানুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত নয় -

সমকক্ষ কারোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলুন

চাণক্যের মতে, কোন ব্যক্তির উচিত তার সমকক্ষ কারোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। কারণ সমতা না থাকলে প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে সবসময় সমস্যা দেখা দেয়। যে সম্পর্কের মধ্যে সাম্য থাকে না, প্রায়ই এমন সম্পর্কগুলি ভেঙে যায়।


ধৈর্য পরীক্ষা করুন

আচার্য চাণক্যের মতে, যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরে সে সমস্ত ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সক্ষম। তাই, পুরুষ ও মহিলা উভয়েরই ধৈর্যশীল ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।

চাণক্য বলেছেন যে, বিয়ের আগে একজন ব্যক্তির অবশ্যই স্ত্রীর ধৈর্য পরীক্ষা করা উচিত। কারণ পত্নী যদি ধৈর্যশীল হয়, তবে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও সে আপনাকে কখনোই ছেড়ে যাবে না। এই ধরনের ব্যক্তিরা কখনোই আপনাকে ঠকাবে না।


আরও পড়ুনঃ


এই সংস্কৃতিটা মামুনুল হকরা নিজে তৈরি করেছে

মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে মানতে হবে যে নির্দেশনা

টাকা আছে বলেই সব কিনে ফেলতে হবে!

দুবাইয়ে নগ্ন ছবি তোলার দায়ে একদল রাশিয়ান যুবতী আটক


রাগী স্বভাবের ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করবেন না

আচার্য চাণক্যের মতে, রাগী স্বভাবের ব্যক্তিরা তাদের চারপাশের সুখকে উপেক্ষা করে। এই ধরনের ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পরে, আপনার নিজের জীবনে সুখের কথা ভাবাও ভুল। এই ধরনের ব্যক্তিরা রাগের বশে সম্পর্ক ভেঙে দেয়। তাই সম্পর্ক স্থাপনের আগে এই সমস্ত বিষয় অবশ্যই পরীক্ষা করে নিন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাচ্চার উচ্চতা বাড়াতে যেসব খাবার খাওয়াবেন

অনলাইন ডেস্ক

বাচ্চার উচ্চতা বাড়াতে যেসব খাবার খাওয়াবেন

আমরা সকলেই জানি যে, নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। সঠিক খাদ্য গ্রহণ করাও বাচ্চার উচ্চতা বৃদ্ধিতে অনেকটা প্রভাব ফেলে। আজ আমরা আপনাদের এমন কয়েকটি খাবারের কথা বলব, যেগুলি বাচ্চার উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে।


চিকেন

চিকেন বা মুরগির মাংস উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ। মুরগির মাংস বাচ্চার টিস্যু এবং পেশিগুলি তৈরি করতে সহায়তা করে, যা উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য খুবই কার্যকর।

শাকসবজি

পালং শাক, বাঁধাকপির মতো পাতাজাতীয় শাকসবজিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর উপাদান। এই সবজিগুলিতে ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম, ভিটামিন-কে থাকে, যা হাড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে হাইট বাড়ানোর কাজ করে।

দুগ্ধজাত পণ্য

দুধ প্রোটিনের একটি ভাল উৎস, যা শরীরের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়াও দুধ, পনির এবং দইয়ের মতো দুগ্ধজাত খাদ্যে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, ডি ও ই উচ্চ পরিমাণে পাওয়া যায়।

ডিম

ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। এছাড়াও, এতে হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক ধরনের পুষ্টিকর উপাদান পাওয়া যায়। কয়েকশো বাচ্চার উপর হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা নিয়মিত ডিম খায় সেই বাচ্চাদের উচ্চতা বেড়েছে। ডিমের হলুদ অংশে উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও শরীরের উপকার করতে পারে।


আরও পড়ুনঃ


সোমবার থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ

এই সংস্কৃতিটা মামুনুল হকরা নিজে তৈরি করেছে

সৌদি যুবরাজের খেজুর খাওয়ার মতো গরীব বাংলাদেশে নেই

দল বেঁধে রিসোর্টে তাকে ঘেরাও করাকে কোনোভাবেই উৎসাহ দেয়া যায় না


স্যালমন মাছ

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ স্যালমন মাছও স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হার্টের জন্য উপকারি, যা শরীরের বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্যও ভাল হিসেবে বিবেচিত হয়। কিছু গবেষকের মতে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হাড়ের বৃদ্ধিতেও খুব কার্যকরি। এটি বাচ্চাদের ঘুমের সমস্যাও দূর করতে পারে।

বাদাম

বাদামে উপস্থিত বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ উচ্চতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ছাড়াও এতে ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এছাড়াও, এতে ভিটামিন-ই রয়েছে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, বাদাম আমাদের হাড়ের জন্যও খুব উপকারি।
news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর