রোগ সারাতে তুলসি পাতা অতুলনীয়

অনলাইন ডেস্ক

রোগ সারাতে তুলসি পাতা অতুলনীয়

তুলসি পাতার রয়েছে অসাধারণ ওষধি গুণ। রোগ সারাতে তুলসি পাতার তুলনা নেই। বিভিন্ন রকমের রোগ সারাতে তুলসি পাতা বেশ কার্যকর। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও তুলসি পাতার ওষধি গুণের কথা উল্লেখ ছিল। 

তুলসি পাতা নিয়মিত খেলে যেসব উপকার পাওয়া যেতে পারে-

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২-৩ টি তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান এবং টক্সিন শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়। 

ডায়াবেটিস দূরে থাকে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তুলসি পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। ফলে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। প্রসঙ্গত, মেটাবলিক ড্য়ামেজ-এর হাত থেকে লিভার এবং কিডনি-কে বাঁচাতেও তুলতি পাতা দারুণভাবে সাহায্য করে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


তুলসি পাতায় উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীরের ভেতরকার ক্যান্সার সেল যাতে কোনওভাবেই জন্ম নিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারের কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না। 

একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর তুলসি পাতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ছানি এবং গ্লুকোমার মতো চোখের রোগকে দূরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন আটকাতেও সাহায্য করে।

তুলসি পাতার এসব গুণাবলি সত্যি খুবই উপকারি। 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

ত্বকের যত্ন সবসময়ই নিতে হয়। তবে গরমে ত্বকের যত্ন একটু ভিন্ন। এবার তাহলে গরমে ত্বকের যত্নের পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো-

সাবানের পরিবর্তন : শীতে যে সাবান বা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করতেন তা কখনোই গরমে ব্যবহার করবেন না। কেননা, গরমে মুখের গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল বের হয়। তাই গরমে পৃথক সাবান ব্যবহার করুন, যা আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই।

সানস্ক্রিন ব্যবহার : রোদের তাপে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যায়। ত্বকের এই কালচেভাব থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য মুখ-পাত-পা এবং শরীরের অন্য সকল খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট : অতিরিক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দাম একটু বেশি হলেও ত্বকের যত্নে আপনাকে এটা করতেই হবে।

ফলমূল খাওয়া : বেশি বেশি তাজা ফলমূল খাবেন। এতে শরীরের পানির ঘাটতি দূর হবে। এছাড়া ফলে থাকা ভিটামিন, পুষ্টিগুণ আপনার ত্বক ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


বোনকে খুঁজে না পেয়ে ভাইয়ের জিডি, বলছেন তার বোনকেও বিয়ে করেছেন মাওলানা মামুনুল

সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত

সক্রেটিস আইন মেনে মরলেন, রফিকুল আইন মানেন না

হেফাজতে ইসলামের আয়ের উৎস জানালেন আল্লামা বাবুনগরী


টোনার ব্যবহার : গরমে টোনার ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব হ্রাস পায় এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে।

মেকআপ কম করা : গরমে মেকআপ যত কম করা যায় ততোই ভালো। গরমে ঘাম বেশি হয়। এই সময় যদি মেকআপ করা হয় তাহলে ত্বকে চাপ পড়বে। তাই এমন কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করুন যা ত্বকের কোনো ক্ষতি ছাড়াই ত্বককে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিনি থেকে পিঁপড়া দূরে রাখার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

চিনি থেকে পিঁপড়া দূরে রাখার টিপস

পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে অনেকেই পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ে রাখছেন আবার কেউ শক্ত ঢাকনা-ওয়ালা পাত্রে রাখছেন। অনেকেই আবার পলিথিনে মুড়িয়ে ঢাকনা ওয়ালা পাত্রে রাখছেন। কেউ কেউ তো পিঁপড়ের হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে সেটি পাত্র সমেত ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু এ ভাবে কী আর সব সময় পিঁপড়ার হাত থেকে চিনি বাঁচানো সম্ভব!  

তবে এমন বেশ কয়েকটি উপায় আছে, যেগুলি কাজে লাগালে চিনির পাত্র ঘরের যেখানেই রাখুন, পিঁপড়ে ধরবে না কোনও মতেই। আসুন পদ্ধতিগুলি জেনে নেই।

চিনির পাত্রে একটি তেজপাতা রেখে দিন। ৪-৫ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। তেজ পাতার গন্ধে পিঁপড়ে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না।

মাঝারি মাপের দুই-একটা দারচিনির টুকরো চিনির পাত্রে রেখে দিন। দারচিনির গন্ধে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।


মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়কে ব্যক্তিগত বললেন বাবুনগরী

মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। ৪ থেকে ৫ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। লবঙ্গের গন্ধে পিঁপড়া চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না।

এক টুকরো লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কপালের বলিরেখা দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

কপালের বলিরেখা দূর করার টিপস

কপালের যে ভাঁজ দেখা যায় তাই-ই মূলত কপালের বলিরেখা। ত্বকের বয়স হয়েছে তার প্রকাশ এটি। এছাড়া আরও কিছু কারণ রয়েছে। অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে ঘোরাঘুরি, ফেসিয়াল মুভমেন্ট, বয়স এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলস। কপালে বলিরেখা পরার নির্দিষ্ট বয়স নেই। ২০ বছরের বয়সেও বলিরেখা পড়তে পারে আবার ৫০ বছর বয়সেও বলিরেখা মুক্ত থাকতে পারেন। বলিরেখা মূলত জীবনযাপন, খাওয়া-দাওয়া, ত্বকের যতেœর ওপর নির্ভর করে।

দূর করার কিছু পদ্ধতি:

ক্যাস্টর অয়েল :  কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল আঙুলে নিয়ে কপালে বলিরেখার ওপর ম্যাসাজ করুন। এটি সারা রাত রেখে দিন। সকালে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ক্যাস্টর অয়েলে রিসিনোলিক অ্যাসিড ত্বক কন্ডিশনিং করে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

লেবুর রস : প্রাকৃতিক ব্লিচিং লেবুর রস ত্বকের দাগ দূর করার সঙ্গে সঙ্গে কপালের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করবে। তুলার বল লেবুর রসে ভিজিয়ে বলিরেখার ওপর ম্যাসাজ করতে থাকুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেনসিটিভ ত্বক যাদের তারা লেবুর রস সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করবেন না। সমপরিমাণ লেবুর রস এবং পানি একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।


জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে আরও এক মামলা


খাঁটি নারকেল তেল : কপালের বলিরেখা দূর করে নারকেল তেল। কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল নিয়ে কপালে বলিরেখার জায়গায় আস্তে আস্তে মিশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ম্যাসাজ করতে থাকুন।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে করুন। নারকেল তেলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের র‌্যাডিকেল দূর করতে সাহায্য করে। ফ্রি র‌্যাডিকেল ত্বকের বলিরেখা তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

জোজোবা অয়েল : জোজোবা অয়েল ত্বকের অ্যাসেনশিয়াল উপাদান। কয়েক ফোঁটা জোজোবা অয়েল আঙুলে নিয়ে কপালে ম্যাসাজ করুন। ওপর থেকে নিচের দিকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করুন। জোজোবা অয়েলে আছে ভিটামিন ই, যা ত্বক থেকে বয়সের ছাপ কমিয়ে দিয়ে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

অ্যালোভেরা জেল : কপালের বলিরেখা দূরীকরণে দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং একটি ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাকটি বলিরেখায় ব্যবহার করুন।

১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা জেল এবং ডিমের সাদা অংশ ভিটামিন ই-এর অন্যতম উৎস। অ্যালোভেরা জেলের ম্যালিক অ্যাসিড ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চুল পড়া বন্ধে অ্যালোভেরার ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক

চুল পড়া বন্ধে অ্যালোভেরার ব্যবহার

চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী অ্যালোভেরা জেল। অ্যালোভেরা হচ্ছে বাংলায় ঘৃতকুমারী। চুল পড়া বন্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল।

যেভাবে ব্যবহার করবেন অ্যালোভেরা:

গোসলের আধা ঘণ্টা আগে সরাসরি চুলের গোড়ায় লাগান এটি। শ্যাম্পু শেষে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরার একটি পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে ব্লেন্ড করুন স্প্রে বোতলে পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন এই জেল। বাইরে বের হওয়ার আগে এটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত স্প্রে করুন। চুল হবে ঝলমলে।

১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস ও আধা কাপ নারিকেল তেল মেশান। মৃদু আঁচে ১৫ মিনিট গরম করুন মিশ্রণটি। ভেজা চুলে চক্রাকারে ম্যাসাজ করুন এটি। সারারাত রেখে পরদিন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।


১৪ এপ্রিল থেকে লকডাউন, জরুরি সেবার প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৭৪৬২

দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারে ভেসে এলো দুই টনেরও বেশি ওজনের মরা তিমি


রাতে ঘুমানোর আগে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। পরদিন সকালে ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আধা কাপ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মেশান। মিশ্রণটি মৃদু আঁচে গরম করে নিন। ঠাণ্ডা হলে তুলার বল ডুবিয়ে মাথার তালু ও চুলে লাগান। চুল হালকা করে খোঁপা করে শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ৪০ মিনিট পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তরমুজ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

অনলাইন ডেস্ক

তরমুজ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই পানি। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে। প্রচণ্ড এই গরমে বাজার এখন তরমুজে ভরপুর। অনেক তরমুজ থেকে সেরা তরমুজটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন কাজ। ভালো তরমুজ খুঁজে বের করতে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে আমরা আজ সে বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করবো। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই: 

তরমুজ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন:

১। হলুদাভ ফিল্ড স্পট আছে এমন তরমুজ কিনবেন। ছোট হোক কিংবা বড়, আকার অনুযায়ী তরমুজ ভারি হওয়া চাই। ভারি হওয়া মানে রসে টইটম্বুর ফলটি।

২। ডেনসিটি বেশি মানে সাইজের তুলনায় ওজন বেশি এমন তরমুজ কিনবেন। তরমুজের একটা অংশ মাটির সংস্পর্শে থাকে। সেই অংশ যদি গাঢ় হলুদ হয়, তবে বুঝবেন তরমুজ পাকা।

৩। তরমুজের গায়ে বাদামী বর্ণের জালিকা থাকলে কিনবেন।

৪। খুব বড় বা অতিরিক্ত ছোট নয়, মাঝারি সাইজের তরমুজ কিনলেই ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

৫। তরমুজের বোঁটা শুকনা হলে বুঝবেন এটি পাকা। বোঁটা তাজা ও সবুজ হলে এটি পাকার আগেই তুলে আনা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর