ঝি ঝি কেন ধরে?

অনলাইন ডেস্ক

ঝি ঝি কেন ধরে?

হাতে বা পায়ে 'ঝি ঝি ধরা' বিষয়টি নিয়ে আমরা সবাই পরিচিত। সাধারণত পা বা হাতের ওপর লম্বা সময় চাপ পড়লে সাময়িক যে অসাড় অনুভূতি তৈরি হয় সেটিকেই আমরা ঝি ঝি ধরা বলে থাকি।এই উপসর্গটির কেতাবি নাম 'টেম্পোরারি প্যারেসথেসিয়া', ইংরেজিতে এটিকে 'পিনস অ্যান্ড নিডলস'ও বলা হয়ে থাকে।

কিন্তু কেন হয় এমন
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এমন পিনপিন কাঁটা কাঁটা হওয়াকে বলে Paraesthesia। ঝি ঝি ধরার অনুভূতিটা আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা রহস্যজনক মনে হলেও এর পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা কিন্তু খুবই সহজ। আমাদের দেহের সবখানেই অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে যেগুলো মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে থাকে। শরীরে রক্ত সরবরাহের জন্য সারা দেহে জালের মতো আছে রক্তনালি। এ রক্তনালি দুই ধরনের। ধমনি এবং শিরা।

 শরীরের কোথাও কিছুক্ষণ একনাগাড়ে চেপে বসলে সেখানকার নার্ভ এবং রক্তনালিতে বাধা পড়ে। একদিকে রক্তনালিগুলো ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে না, অন্যদিকে রক্তনালিতে থাকা নার্ভ কিংবা ওই অংশে থাকা নার্ভগুলো তাদের সংবেদনগুলো পাঠাতে বাধা পায়। কিছুক্ষণ পর সেই চাপ সরে গেলে হঠাৎ সেই অংশের রক্তনালিতে অক্সিজেনের সরবরাহ বেড়ে যায়, নার্ভ তার সংবেদন বাধা থেকে বেরিয়ে ব্রেইনকে সংকেত পাঠায়। ব্রেইন হঠাৎ করে এমন থেমে গিয়ে আবার হঠাৎ ফিরে আসা সংবেদনকে ভুল করে পিনপিনের মতো ফিলিংস দেয়। আর তাতেই আমরা যা অনুভব করি-সেটাই pins and needles।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


এটি কিছুক্ষণের জন্য থাকে, আবার নিজে নিজেই চলে যায়। তাই অনেকে একে temporary paraesthesia বলে। এটি বার বার এবং বেশি ঘটতে থাকলে তা শরীরের মধ্যে কোনো সমস্যার লক্ষণ। অনেক সমস্যার কারণে এমন পিনস অ্যান্ড নিডলস হতে পারে। তিনটি প্রধান কারণ আলোচনা করব, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত।

Pins and needles সচরাচর হাতে পায়ে বেশি হয়। ঘাড়, মুখ, পিঠ, পশ্চাৎদেশ, এসব জায়গাতেও দেখা দেয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞএস এম সিয়াম হাসান বলেন, "বসা বা শোয়ার সময় সেসব স্নায়ুর কোনো একটিতে চাপ পড়লে দেহের ঐ অংশে রক্ত চলাচলকারী শিরার ওপরও চাপ পড়ে। ফলে শরীরের ঐ অংশে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে ঝি ঝি ধরতে পারে।"

ডায়াবেটিস আক্রান্তদের শরীরে সুগার বেড়ে গেলে পায়ে এমন pins and needles অনুভব আসে। ট্রিটমেন্ট না করে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ধীরে ধীরে পায়ের বিভিন্ন জায়গায় সংবেদন ক্ষমতা কমে যায়, নষ্ট হয়ে যায়। ধীরে ধীরে পায়ের সেনসেশন কার্যক্ষমতা কমে যায়, পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, পায়ের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। সমস্যাটিকে বলে ডায়াবেটিস ফুট।

Carpal tunnel syndrome হাতের কব্জির মধ্যে এক ধরনের ঝিনঝিন, পিনপিন কিংবা অবশ ভাব চলে আসে অনেকের। এটি মূলত বেশি হয় যারা অনেকক্ষণ কম্পিউটারের কিবোর্ডে কাজ করেন। এমনকি যারা অনেকক্ষণ ফোন হাতে নিয়ে টেপাটিপি করেন, তাদেরও এমন কব্জিতে ব্যথা করতে পারে। কব্জির মধ্যে মিডিয়ান নার্ভ নামের একটি নার্ভ আছে, এটিতে চাপ পড়ার কারণে এমন হয়। বেশিক্ষণ এমন কাজ না করে এবং এমন পিনপিন অনুভব এলে হাতকে কয়েকবার ঝাড়া দিলে অস্বস্তিটি চলে যাবে।

Tight jeans syndrome বিশেষ করে মেয়েরা টাইট জিনস পরে বেশি। দীর্ঘক্ষণ এমন পরে থাকলে উরু, কোমর এবং পশ্চাৎদেশে অবশ অবশ অস্বস্তি ভাব লাগে। আবার এমন টাইট প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন অনেকক্ষণ রাখলে সেটাও অনেক চাপ দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এমন সমস্যাকে বলে mergalgia paresthetica।

দীর্ঘসময় ঝি ঝি ধরার মত উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। ঝি ঝি ধরার মত উপসর্গ যদি দীর্ঘসময় ধরে হতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া কোনো অঙ্গে নিয়মিত ঝি ঝি ধরার ঘটনা ঘটলে বা বারবার ঝি ঝি ধরার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কালোজিরা: প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক

অনলাইন ডেস্ক

কালোজিরা: প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক

কালোজিরাকে বলা হয় সব রোগের মহৌষধ। মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) কালোজিরা সম্পর্কে বলেছেন, কালোজিরা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগেরই মহৌষধ।

কালোজিরা আমাদের শরীরে অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কালোজিরায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, লিনোলিক ও লিনোরেলিক অ্যাসিড; যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে কার্যকর। কালোজিরার অ্যান্টিসেপটিক উপাদান আমাদের বিভিন্ন রকম ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, কাশি; এসব থেকে আমাদের মুক্ত রাখে। যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে, তারা যদি কালোজিরা খেয়ে থাকেন, তাহলে এই সমস্যা দূর হবে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী কালোজিরা। কালোজিরায় রয়েছে লিনোলিক ও লিনোরেলিক অ্যাসিড। আমাদের প্রতিদিনকার বিভিন্ন রকমের স্ট্রেস আসে বা আলট্রাভায়োলেট রে-র প্রভাবে চামড়ায় বিভিন্ন রকম প্রভাব দেখা যায়, এই লিনোলিক ও লিনোরেলিক অ্যাসিড থাকায় আমাদের চামড়াকে সুরক্ষা দেয় কালোজিরা। কাজেই যারা চামড়ার সুরক্ষা পেতে চান, তারা কিন্তু কালোজিরা প্রতিদিন একটু করে ভর্তা হিসেবে বা কালোজিরার তেল বিভিন্নভাবে খেতে পারেন।

স্তন্যদায়ী মাইয়েরা কালোজিরার ভর্তা খেতে পারেন, এতে কিন্তু দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এ সময় কালোজিরা খেলে বিভিন্ন রকম স্ট্রেস ও শরীরে কোনো ঘা থাকলে, এটা শুকাতে সাহায্য করে। কাজেই স্তন্যদায়ী মায়েরা কালোজিরা ভর্তা হিসেবে খেতে পারেন।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন

ভিক্ষা করে হলেও অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশ ভারতে

১৫ বছর ধরে কাজে যান না, বেতন তুললেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা!


এছাড়া মধু সহযোগে কালোজিরাও অনেক উপকারী। লিভারের জন্য দায়ী আলফা টক্সিন নামক উপাদান, এই বিষটিকে ধ্বংস করে কালোজিরা। কাজেই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিনই কালোজিরা খাওয়া যেতে পারে।

সুস্থতা বজায় রাখতে কালোজিরার ভর্তা এবং কালোজিরার তেল, যেভাবেই আপনি খান না কেন, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গ্রহণ করলে আপনি স্বাস্থ্যগত নানা উপকার পাবেন কালোজিরা থেকে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

২০০ শয্যার কোভিড ইউনিট চালু হচ্ছে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক

২০০ শয্যার কোভিড ইউনিট চালু হচ্ছে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) চালু হয়েছে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট কোভিড ইউনিট। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে রাজধানীতে করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হলো বারোশ’ শয্যা।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ, হাইফ্লো নজেল ক্যানলা আর আইসিইউ সুবিধাও থাকছে এ কোভিড ইউনিটে। এতে হৃদরোগে আক্রান্ত কোভিড রোগী ছাড়াও যে কোনো করোনা রোগীই চিকিৎসা সেবা পাবেন।
প্রাথমিকভাবে ১০০ বেড চালু হলেও শিগগিরই চালু হবে পুরো ইউনিট। সেই প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট


এনআইসিভিডির সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক সিয়াম বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র কার্ডিয়াক সার্জারি এখানে হয়ে থাকে, এসব কিছু মাথায় রেখে কোভিড ইউনিট করা হয়েছে, কোভিড ইউনিট তৈরির নির্দেশনা এসেছে, সেভাবে সুরক্ষা মেনেই কাজ করা হচ্ছে।
এ হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের পুরোটাই সেন্ট্রাল অক্সিজেনেরে আওতায় থাকছে। এছাড়া প্রয়োজনে আইসিইউ সেবা পাবেন ভর্তি রোগীরা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

অনলাইন ডেস্ক

যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

খাবারের সঙ্গে শরীরের যে একটা সরাসরি যোগ রয়েছে, সেকথা নিশ্চয় কারও অজানা নেই। আর এ বিষয়টি তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে, রোগে ভোগের পিছনে আমরা কী ধরনের খাবার খাচ্ছি তা অনেকাংশেই নির্ভর করে।

গবেষকদের মতে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা দেহে ক্যান্সারের বাসা বাঁধার সুযোগ করে দেয়। নিয়মিত ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজি ও ফলযুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায় বলে মনে করেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।

কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণের সঙ্গে ছাড়তে হবে এমন কিছু খাবার, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। জেনে নিন এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে:

আলুর চিপস: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আলুর চিপস ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য ব্যবহৃত কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। যা এই রোগটি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই: আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়। তাই সম্ভব থাকলে এই খাবারটি এড়িয়ে চলুন।

প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার: সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে। এই তালিকায় রয়েছে বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে।

সফট ড্রিংকস: বাজারে পাওয়া কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে গবেষণায় জানা যায়। এসব পানীয়তে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি থাক যা রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে।

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে। আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

খোলা বাজারের শরবত: রমজান আসলে বা গরমের দিনে রাস্তার পাশে নানা ধরনের শরবতের পসরা সাজিয়ে বসে দোকানীরা। এসব শরবতে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং থাকে যা জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

লাল মাংস: লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। গরু, ছাগল, ভেড়া, শূকর ও অন্যান্য পশুর লাল মাংস সুষম খাবারের উৎস; যা শাক-সবজি ও ফলমূলে পাওয়া যায় না। অতিমাত্রায় লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়- এ কথাটি পুরনো হলেও লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।


বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া

২০ এপ্রিল, ইতিহাসে আজকের এই দিনে

সিঙ্গাপুরগামী বিমানের বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ছে আজ


সাদা আটা:

দোকানে পাওয়া রুটি, পরোটা থেকে শুরু করে বড় বড় বেকারির কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুডের পিজা…এমনকি বাসায় বানানো রুটি-পরোটা – সবকিছুতেই এখন পরিশোধিত সাদা আটা-ময়দার ব্যবহার। সাদা আটায় থাকে উচ্চ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, বেশি বেশি গ্রহণে যা নানা রোগের কারণ হতে পারে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন:

বাজারে কিছু রেডি-টু-বেক মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেট পাওয়া যায়। এগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্যাকেটসহ দিয়েই তৈরি করা যায় সুস্বাদু খাওয়ার যোগ্য গরম গরম পপকর্ন। কিন্তু এসব পপকর্নে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে থাকতে পারে পিএফওএ জাতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক, যার নিয়মিত গ্রহণে কিডনি ও ব্লাডারে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব রাসায়নিক অত্যাধিক খেলে নারীদেহে বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা খুব বেশি পরিমাণে শর্করাযুক্ত খাবার খান তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। রক্তে চিনি শোষণের মাত্রাও বেড়ে যায় বেশি শর্করা খেলে। তাই এর পরিবর্তে পুরো গম, কাঠবাদাম, কিনোয়া বা বার্লির আটা খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছে: আইইডিসিআর

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছে: আইইডিসিআর

করোনাভাইরাস রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা খুব দ্রুত মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। হাসপাতালে ভর্তির ৫ দিনেই ৪৮ শতাংশ করোনা রোগী মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।

গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা করে শনিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে আইইডিসিআর তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করে।
আইইডিসিআর বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার ৪৪ শতাংশ। এ সময়ে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় বড় অংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা (৩৩ শতাংশ) প্রাতিষ্ঠানিক বা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর হাসপাতালে করোনায় মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন। আর ৫ থেকে ১০ দিনের ভেতরে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ।
সংস্থাটি বলছে, করোনা মহামারিতে গত মাসে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৩৮, যা এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে এসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪১–এ। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।


আরও পড়ুনঃ


বাইডেনের প্রস্তাবে রাজি পুতিন

২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


করোনা সংক্রমণে গত বছরের চেয়ে এ বছর নারীরা অধিক হারে মারা যাচ্ছেন বলে আইইডিসিআরের তথ্যে উঠে এসেছে।

তারা বলছেন, গত বছরের জুলাই মাসে যখন কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট মৃত্যুহার সর্বোচ্চ ছিল সে সময়ে নারী-পুরুষের মৃত্যুর (২২৬/৯৮২) অনুপাত ছিল ১:৩.৫। এ বছরের এপ্রিলে এসে দেখা যাচ্ছে যে নারী-পুরুষের মৃত্যুর (২৬৩/৬১৪) অনুপাত ১:২.২৩। অর্থাৎ গত বছরের চাইতে নারী বেশি হারে মৃত্যুবরণ করছেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আগামীকাল ৫০টি আইসিইউ শয্যাসহ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক

আগামীকাল ৫০টি আইসিইউ শয্যাসহ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন

৫০টি আইসিইউ শয্যা নিয়ে রোববার থেকে রাজধানীর মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) করোনা হাসপাতাল চালু হতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ হাসপাতালের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

শনিবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন।

হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ‘আমরা ৫০ শয্যার আইসিইউ সুবিধাসহ হাসপাতালটি আংশিকভাবে শুরু করছি। আমরা আরও জনবল নিয়োগ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে এটিকে পূর্ণভাবে চালাতে পারব বলে আশা করছি।’

পূর্ণাঙ্গ হলে এই করোনা হাসপাতালে রোগীদের জন্য ২১২টি আইসিইউ, ২৫০টি এইচডিইউ ও ৫৪০টি আইসোলোটেড হাই কেয়ার রুম থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এখানে ৫০০ জনেরও বেশি করোনা রোগিকে একসঙ্গে উচ্চ-প্রবাহের অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর