কোমর ব্যথায় করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

কোমর ব্যথায় করণীয়

কোমরের ব্যথা কমবেশি সব মানুষের হয়। এই ব্যথা যুবক থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সেই হতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, বিশ্বের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক লোক জীবনে কখনও না কখনও এ ব্যথায় আক্রান্ত হয়। শুরু থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। স্বল্পমেয়াদি ব্যথা এক মাসের কম সময় থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রোনিক ব্যথা এক মাসের অধিক সময় থাকে। উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ৯০ শতাংশ রোগী দুই মাসের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

কোমরব্যথার কারণ
লাম্বার স্পনডোলাইসিস : কোমরের পাঁচটি হাড় আছে। কোমরের হাড়গুলো যদি বয়সের কারণে বা বংশগত কারণে ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তাকে লাম্বার স্পনডোলাইসিস বলে।

পিএলআইডি : এটিও শক্তিশালী একটি কারণ। এটি সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ বছরের মানুষের ক্ষেত্রে বেশি হয়। মানুষের হাড়ের মধ্যে ফাঁকা জায়গা থাকে। এটি পূরণ থাকে তালের শাঁসের মতো ডিস্ক বা চাকতি দিয়ে। এ ডিস্ক যদি কোনো কারণে বের হয়ে যায়, তখন স্নায়ুমূলের ওপরে চাপ ফেলে। এর ফলে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

বড় কোনো আঘাতের ইতিহাস থাকলে, কোমর ব্যথার পাশাপাশি বুকে ব্যথা হলে, রোগীর আগে কখনও যক্ষ্মা হয়ে থাকলেও বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে।

ক্যান্সার, অস্টিওপোরোসিস, এইডস, দীর্ঘকাল স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকলে কোমর ব্যথাকে অবহেলা করা চলবে না।

ব্যথার পাশাপাশি জ্বর, শরীরের ওজন হ্রাস, অরুচি, অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে এবং ব্যথাটা কোমর ছাড়িয়ে পায়ের দিকে বিশেষ করে এক পায়ের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ছড়ালে অথবা এক পায়ে তীব্র ব্যথা বা অবশভাব হলে সতর্ক হতে হবে।

প্রস্রাব বা পায়খানার সমস্যা, মলদ্বারের আশপাশে বোধহীনতা, মেরুদণ্ডে বক্রতা, পায়ের দুর্বলতা বা পায়ের মাংসপেশির শুষ্কতা ইত্যাদি উপসর্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কোমর ব্যথার সঙ্গে উল্লিখিত যে কোনো উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কোমরব্যথার লক্ষণ
প্রথম দিকে এ ব্যথা কম থাকে এবং ক্রমান্বয়ে তা বাড়তে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকলে এ ব্যথা কিছুটা কমে আসে। কোমরে সামান্য নড়াচড়া হলেই এ ব্যথা বেড়ে যায়।

ব্যথার সঙ্গে পায়ে ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিঁচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যে কোনো এক পায়ে নামতে পারে। কোমরের মাংসপেশি কামড়ানো ও শক্ত ভাব হয়ে যাওয়া।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

প্রাত্যহিক কাজে, যেমন- নামাজ পড়া, তোলা পানিতে গোসল করা, হাঁটাহাঁটি করা ইত্যাদিতে কোমরের ব্যথা বেড়ে যায়।

ব্যথার সময় আর যা হয়
প্রথমে কোমরে অল্প ব্যথা থাকলেও ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে। অনেক সময় হয়তো রোগী হাঁটতেই পারে না।

ব্যথা কখনও কখনও কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। পায়ে ঝিনঝিন ধরে থাকে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে পা ফেলতে সমস্যা হতে পারে।

পা অবশ ও ভারী হয়ে যায়। পায়ের শক্তি কমে যায়।

মাংসপেশি মাঝে মধ্যে সংকুচিত হয়ে যায়।

রোগ নির্ণয়

কোমরের কিছু পরীক্ষা রয়েছে। ফরোয়ার্ড বন্ডিং পরীক্ষা, ব্যাকওয়ার্ড বন্ডিং পরীক্ষা।

নিউরোলজিক্যাল ডিফিসিয়েন্সি আছে কী না, তা নির্ণয় করা হয়।
কোমরের এক্স-রে এবং এমআরআই করতে হবে।

রক্তের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা হয়। ক্যালসিয়ামের পরীক্ষা, ইউরিক এসিডের পরিমাণ, শরীরে বাত আছে কি না এসব পরীক্ষা করতে হয়।

ক্রনিক ব্যাক পেনের ক্ষেত্রে এইচএলএবি-২৭ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

প্রাথমিক ক্ষেত্রে করণীয়
সব সময় শক্ত সমান বিছানায় ঘুমাতে হবে। ফোমের বিছানায় ঘুমানো যাবে না এবং ফোমের নরম সোফায় অনেকক্ষণ বসা যাবে না।

ঝুঁকে বা মেরুদণ্ড বাঁকা করে কোনো কাজ করবেন না।

ঘাড়ে ভারী কিছু তোলা থেকে বিরত থাকুন। নিতান্তই দরকার হলে ভারী জিনিসটি শরীরের কাছাকাছি এনে কোমরে চাপ না দিয়ে তোলার চেষ্টা করুন।

 নিয়মিত শারীরিক অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। শারীরিক শ্রমের সুযোগ না থাকলে ব্যায়াম অথবা হাঁটার যতটুকু সুযোগ আছে তাকে কাজে লাগাতে হবে।

মোটা ব্যক্তির শরীরের ওজন কমাতে হবে। সবার ক্ষেত্রেই সবসময় ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

একই জায়গায় বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা যাবে না।

ঘুমানোর সময় সোজা হয়ে ঘুমাতে হবে। বেশি নড়াচড়া করা যাবে না। ঘুম থেকে ওঠার সময় যে কোনো একদিকে কাত হয়ে ওঠার চেষ্টা করতে হবে।

চিকিৎসা
কোমরব্যথার চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো ব্যথা নিরাময় করা এবং কোমরের নড়াচড়া স্বাভাবিক করা। পূর্ণ বিশ্রাম কিন্তু দীর্ঘদিন বিশ্রাম নিলে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যায়। তীব্র ব্যথা কমে গেলেও ওজন তোলা, মোচড়ানো পজিশন, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম ও সামনে ঝুঁকে কাজ করা বন্ধ করতে হবে। সঠিক উপায়ে বসার অভ্যাস করতে হবে এবং প্রয়োজনে ব্যাক সাপোর্ট ব্যবহার করতে হবে। গরম সেঁক (গরম প্যাড, গরম পানির বোতল বা উষ্ণ পানিতে গোসল) নিতে হবে। পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম করতে হবে। কিছু ব্যায়াম কোমরব্যথা প্রশমনে সাহায্য করে, এমনকি ওষুধের চেয়েও ভালো ফল দেয়। এই ব্যায়াম প্রতিদিন রাতে ও সকালে বিছানায় শুয়ে শুয়ে করতে পারেন। সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৭ মিনিট।

ব্যথা তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপিস্ট কিংবা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। ব্যথা তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি থেকে ফিজিওথেরাপি নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিন-চার সপ্তাহ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রাখা হতে পারে।

কম ব্যথা হলে আউটডোর ফিজিওথেরাপি দেয়া হয়ে থাকে। অনেকেই কোমর ব্যথা হলে বিভিন্ন ব্যথা নাশক ওষুধ খেয়ে ফেলে। এটা একেবারে ঠিক নয়। বিভিন্ন কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা প্রয়োজন।

ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও এমন ওষুধ তৈরি হয়নি যে ওষুধ খেলে আপনার মাংসপেশি লম্বা হবে, শক্তিশালী হবে এবং আপনার জয়েন্ট মবিলিটি বেড়ে যাবে।

থেরাপি বা এক্সারসাইজ-ইজ এ মেডিসিন যা আপনাকে ওই কষ্টগুলো থেকে মুক্তি দেবে। সুতরাং সম্পূর্ণ চিকিৎসা পেতে হলে আপনাকে সঠিক মোবিলাইজেশন, মেনুপুলেশন, স্ট্রেচিং এবং স্ট্রেন্দেনিংয়ের মতো চিকিৎসা করতেই হবে।

news24bd.tv/আলী

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন ক্যাপ্টেন মাসুকও!

অনলাইন ডেস্ক

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন ক্যাপ্টেন মাসুকও!

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নৌবাহিনী ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান।  

গত ২২ মার্চ বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান মাসুক হাসান রনির মা শিক্ষানুরাগী হামিদা আক্তার। 

বুধবার সন্ধ্যার পর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনির স্ত্রী ওয়াহেদা মাসুক রনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর গ্রামের সন্তান নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি। ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমির প্রিন্সিপাল পদে দীর্ঘদিন দায়িত্বপালন শেষে সদ্য তিনি অবসর গ্রহণ করেন। মাত্র চারদিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনির মৃত্যুতে মোজাফরপুর গ্রামসহ কেন্দুয়া উপজেলায় ও নেত্রকোনায় শোক বিরাজ করছে। তার মৃত্যুতে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেন্দুয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল কাদির ভূঁইয়া, মোজাফরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিটক্স ওয়াটার: ওজন কমানোর অব্যর্থ পানীয়

অনলাইন ডেস্ক

ডিটক্স ওয়াটার: ওজন কমানোর অব্যর্থ পানীয়

ডিটক্স ওয়াটার নামটি শুনতে যতোটা ভারি মনে হয়, এটি তেমন কিছু নয়। বরং খুব সহজেই তৈরি করা যায় ডিটক্স ওয়াটার। ওজন কমাতে চাইলে ডায়েটিংয়ের পাশাপাশি খুবই কার্যকরী হতে পারে ডিটক্স ওয়াটার।

ডিটক্স ওয়াটার তৈরি তেমন জটিল কিছু নয়, মৌসুমি ফলের কয়েকটি টুকরো ফেলে দিন কাচের জগ বা বোতলে, বোতলটা পুরো ভর্তি করে নিন পানি দিয়ে। ইচ্ছে হলে এর মধ্যে কিছু পুদিনা পাতাও ফেলে দিতে পারেন। পানিটা এবার ফ্রিজে রেখে দিন। সারারাত থাকলে ফলের ফ্লেভারটা পানিতে মিশে যাবে। তারপর পানিটা ছেঁকে পান করতে পারেন, ফলসমেত খেলেও কোনও সমস্যা নেই৷ ২-৩ দিনের মধ্যে এই পানিটা পুরো খেয়ে শেষ করে ফেলতে হবে।

পছন্দের যে কোনো ফল দিয়েই তৈরি করতে পারেন ডিটক্স ওয়াটার। কমলালেবু, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, পাতিলেবু, আনারস, তরমুজ, আদা, পুদিনা, আপেল, কিউয়ি, আঙুর, শসা—যা ইচ্ছে ব্যবহার করতে পারেন, কোনও অসুবিধে নেই। তবে ফলের খোসা ছাড়ানো হয় না ডিটক্স ওয়াটার তৈরির সময়ে, তাই ব্যবহারের আগে অতি অবশ্যই খুব ভালো করে ধুয়ে নেবেন।


আরও পড়ুনঃ


যেভাবে পাওয়া যাবে ‘লকডাউন মুভমেন্ট পাস’

চীনে সন্তান নেয়ার প্রবণতা কমছে, কমছে জন্মহার

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ

বাদশাহ সালমানের নির্দেশে সৌদিতে কমছে তারাবির রাকাত সংখ্যা


ওজন কমানো ছাড়াও ডিটক্স ওয়াটার আপনার ত্বক হয়ে উঠবে ঝলমলে, ঢেকে যাবে বলিরেখা, পেট ফাঁপবে না, অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, কমে যাবে হজমের সমস্যা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দাঁতের ব্যথায় যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

দাঁতের ব্যথায় যা করবেন

অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ও প্রচলিত একটি ব্যথার নাম দাঁতে ব্যথা। এতে দাঁত ও চোয়াল উভয় অংশেই ব্যথা করে। দাঁতের ক্ষয়, সংক্রমণ, মাড়ির রোগ, জয়েন্টে সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দাঁত ব্যথা হয়। দাঁত ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি ব্যথা কমাতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চলতে পারেন।

লবণ ও গোলমরিচ
লবণ ও গোলমরিচ সম পরিমাণে মিশিয়ে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। দাঁতের ওপর এই পেস্ট লাগিয়ে কয়েক মিনিট রাখুন। দাঁতে ব্যথা কমে গেলেও এটা কয়েক দিন করে গেলে আরাম পাবেন।

লবণ গরম পানি
দাঁত, মাড়ি, গলায় ব্যথা কমাতে খুব ভাল কাজ করে লবণ মিশ্রিত গরম পানি। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এতে যেকোনও সংক্রমণ সেরে যাবে।

রসুন
এক কোয়া রসুন থেঁতলে অল্প লবণের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। খুব বেশি যন্ত্রণা হলে এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। যন্ত্রণা কমে যাবে।

লবঙ্গ
দুটো লবঙ্গ থেঁতলে নিয়ে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্টটা দাঁতে লাগান।

আদা
এক টুকরো আদা কেটে নিন এবং যে দাঁতে ব্যথা করছে সে দাঁত দিয়ে চিবাতে থাকুন। যদি চিবাতে বেশি ব্যথা লাগে তাহলে অন্য পাশের দাঁত দিয়ে চিবিয়ে যে রস এবং আদার পেস্ট তৈরি হবে সেটা ওই আক্রান্ত দাঁতের কাছে নিয়ে যান। জিভ দিয়ে একটু চেপে রাখুন দাঁতের কাছে। কিছুক্ষণের মাঝেই ব্যথা চলে যাবে।

বেকিং সোডা
একটা কটন বাড একটু পানিতে ভিজিয়ে নিন। এর মাথায় অনেকটা বেকিং সোডা লাগিয়ে নিয়ে ব্যাথা হওয়া দাঁতের ওপরে দিন। অন্যভাবেও বেকিং সোডা ব্যবহার করা যায়। এক চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস গরম পানিতে গুলে সেটা দিয়ে কুলকুচি করুন।


মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


 

দূর্বা ঘাসের রস
এছাড়া দূর্ব ঘাসের রসও দাঁতের ব্যথা কমাতে পারে। এটা দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও সহায়তা করে। 

তবে মনে রাখবেন, আপনার দাঁত ব্যথা করছে তার মানে নিশ্চয়ই দাঁতের ভেতরে কোনও সমস্যা আছে এবং অবশ্যই ডেন্টিস্টের সাহায্য ছাড়া সে সমস্যার থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা হলে কখন মনে করবেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী

করোনা হলে কখন মনে করবেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৩ জন, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে একদিনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

এর আগে গতকাল ছিল ৭৮জন। ১০ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছিল ৭৭ জনের, যা ছিল সেদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

এর আগে ৯ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছিল ৬৩ জনের, ৮ এপ্রিল মৃত্যু হয় ৭৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭,২০১ জন। অর্থাৎ সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এ মুহূর্তে সবার জন্য দরকার সচেতনতা। কোন লক্ষণ দেখা দিলে কী করবেন। কখন হাসপাতালে ভর্তি হবেন। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী।

করোনার কোন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি-

১। শ্বাসকষ্ট হলে।
২। অক্সিমিটারের অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪% বা তার নিচে দেখালে।
৩। বুকে ব্যথা হলে।
৪। এক্সরে বা সিটি স্ক্যানে নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের সংক্রমণ দেখা দিলে।
৫। তীব্র দূর্বলতা যেমন হাটাচলা বা কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে এরকম অবস্থার সৃষ্টি হলে।
৬। কাশির তীব্রতা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেলে, জ্বর ৭ দিন বা তার অধিক কাল থাকলে।
৭। রোগী অসংলগ্ন আচরণ করলে।
৮। চিকিৎসক যদি বলে আপনার অক্সিজেন প্রয়োজন হবে তাহলে কোনোভাবেই বাসায় শুধু অক্সিজেন নিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। কারণ যাদের অক্সিজেন দরকার হয় তাদেরকে অক্সিজেনের পাশাপাশি আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওষুধ দিতে হয়।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে রোগ প্রতিরোধে আম-পুদিনার শরবত

অনলাইন ডেস্ক

গরমে রোগ প্রতিরোধে আম-পুদিনার শরবত

কাঁচা আমে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি খুবই কার্যকরি।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে ভিটামিন সি। তাই এর ঘাটতি পূরণে খাদ্য তালিকায় কাঁচা আম রাখা সবচেয়ে সহজলভ্য।

কাঁচা আম বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া গেলেও এর সঠিক পুষ্টিগুন পেতে শরবত খাওয়ার বিকল্প নেই। গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত খেলে যেন মুহূর্তেই শরীরে স্বস্তি দেয়।

বিভিন্নভাবে কাঁচা আমের শরবত তৈরি করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি উপায় হলো 'কাঁচা আম ও পুদিনা পাতা' দিয়ে তৈরি শরবত। কারণ, পুদিনা পাতা তাপ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।


আরও পড়ুনঃ


শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ


এর রস পিষে দু'তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পান করলে ক্লান্তিভাব দূর হয়। নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারেনা। এছাড়া শরীরের ব্যাথা কমাতেও পুদিনা পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর