জানুন হৃদরোগের আদ্যোপান্ত

অনলাইন ডেস্ক

জানুন হৃদরোগের আদ্যোপান্ত

বাংলাদেশে দিন দিন হৃদরোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বংশগত কারণ ছাড়াও অনিয়মিত জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস, কায়িক শ্রমের অভাব, ভুল ডায়েট, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি নানা কারণে হৃদরোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বংশগত কারণকে কোনো পরিবর্তন করা না গেলেও উল্লিখিত প্রতিটি কারণকে পরিবর্তন বা সংশোধন করে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব। শুধু তা–ই নয়, এই পরিবর্তনগুলো হৃদরোগের চিকিৎসা করা ছাড়াও প্রতিরোধ করতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

হৃদরোগ কী
হৃদপিণ্ড অকার্যকর বা হার্ট ফেইলিওর বেশ জটিল একটি সমস্যা। হার্ট যখন তার কাজ ঠিকঠাকমতো করতে পারে না,তখন হার্ট ফেইলিওর হয়। হার্টে ফেল করলে হৃৎপিন্ড সংকোচনের মাধ্যমে রক্ত বের করতে পারে না ফলে ফুসফুস, পা এবং পেটে পানি জমে যায়। হার্ট ফেইলুর হঠাৎ করে হতে পারে আবার ধীরে ধীরে হতে পারে।

হৃৎপিন্ড প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার সংকোচন-প্রসারনের মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত ও খাদ্যকণা পৌঁছে দেয়। একই সঙ্গে দেহের দুষিত রক্তকে বিশুদ্ধ করণের জণ্য ফুফুসে সরবরাহ করে। দেহের প্রতিটি আঙ্গের বেঁচে থাকার জন্য হৃৎপিন্ডকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হয়। নিজের প্রয়োজনীয় রসদ হৃৎপিন্ড নিজস্ব তিনটি করোনারি আর্টারির মাধ্যমে নিয়ে থাকে। হৃৎপিন্ড তার কাজ ঠিকমতো করতে না পারাকেই হার্ট ফেইলুর বলা হয় যা সহজভাবে হার্ট ফেল নামে পরিচিত।

হার্ট ফেইলুর বা হৃৎপিন্ডের ব্যথ্যতা বা কর্মহীনতার জন্য সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। অনেকে ভুল করে হার্ট অ্যটাক এবং হার্টফেইলকে একই রোগ ভেবে থাকনে। হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেইলর আলাদা সমস্যা, যদিও একটির কারণে অন্যটি হতে পারে। আবার দুটি একসঙ্গেও হতে পারে।

হার্ট ফেলের কারণ
হার্ট অ্যাটাক (মায়োকার্ডিয়াল ইনফারকশন, আনস্টেবল এনজাইনা), অ্যানিমিয়া (রক্তমূন্যতা), হার্ট ভাইরাস সংক্রামণ, হাইরয়েড গ্রন্থির রোগ, পেরিকার্ডিয়ামের রোগ সিটেমিক রোগ ইত্যাদি।

যেসব কারণে হার্টের সমস্যা থাকাকালে হার্ট ফেইলুর চরমপর্যায়ে যেতে পারে
১. মায়োকার্ডিয়াল ইসকোমিয়া/ইনফার্কশন
২. সংক্রমন
৩. হৃৎপিন্ডের ছন্দহীনত যেমন atrial Flabrillation
৪. ডায়বেটিস
৫. হার্ট ফেলের অপর্যাপ্ত চিকিৎসা
৬. শরীরে পানি ধরে রাখার মতো অষুধ, যেমন -ব্যাধানাশক, স্টেরয়েড।
৭. গর্ভাবস্থা, রক্তশূন্যতা ও থাইরয়েডের রোগ
৮. শরীরে অতিরিক্ত পানি প্রয়োগ


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

হার্ট ফেলের উপসর্গ
১. শ্বাসকষ্ট
২. শরীরে অতিরিক্ত পানি বা ইডেমা
৩. কাশি
৪. দুর্বল লাগা
৫. রাতে অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া
৬. ক্ষুধা মন্দা, বমি ভাব
৭. বুক ব্যাথা
৮. জটিলতা নিয়ে উপস্থিত, যেমন-কিডনি বিকল ইলেকট্রলাইটের তারতম্য, লিভারের সমস্যা, স্ট্রোক, হৃৎপিন্ডের ছন্দহীনতা।

হার্টফেল প্রতিরোধের জন্য যা করতে হবে
১. ধুমপান/তামাক/জর্দা/নস্যি বর্জন করতে হবে
২. কাঁচা/ভাজা সকল প্রকার আলগা যাথাযথ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
৩. উচ্চ রক্তচাপ , ডায়াবেটিস থাকলে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
৪. কায়িক শ্রম
৫. উত্তেজন পরিহার
৬. যে কোন সংক্রমণের চিকিৎসা করাতে হবে জরুরীভাবে
৭. রক্তশূন্যতা পূরণ করতে হবে
৮. ওজন আদর্শ মাত্রায় রাখতে হবে
৯. সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে
১০. পরিমিত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে
১১. আদর্শ জীবনযাপন করতে হবে

৩৫ বছরের পুরুষ এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সের নারীদের এখনিই  হৃদরোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরিক্ষাগুলো করিয়ে এ রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারেন।

এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, হৃদপিণ্ড একটি যন্ত্র যা বিকল হওয়ার আগেই এ ব্যাপারে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। এজন্য প্রতিবছর কমপক্ষে একবার পিরিওডিক মেইনটেন্যান্স বা চেকআপ করান।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন ক্যাপ্টেন মাসুকও!

অনলাইন ডেস্ক

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন ক্যাপ্টেন মাসুকও!

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নৌবাহিনী ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান।  

গত ২২ মার্চ বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান মাসুক হাসান রনির মা শিক্ষানুরাগী হামিদা আক্তার। 

বুধবার সন্ধ্যার পর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনির স্ত্রী ওয়াহেদা মাসুক রনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর গ্রামের সন্তান নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি। ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমির প্রিন্সিপাল পদে দীর্ঘদিন দায়িত্বপালন শেষে সদ্য তিনি অবসর গ্রহণ করেন। মাত্র চারদিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনির মৃত্যুতে মোজাফরপুর গ্রামসহ কেন্দুয়া উপজেলায় ও নেত্রকোনায় শোক বিরাজ করছে। তার মৃত্যুতে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেন্দুয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল কাদির ভূঁইয়া, মোজাফরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিটক্স ওয়াটার: ওজন কমানোর অব্যর্থ পানীয়

অনলাইন ডেস্ক

ডিটক্স ওয়াটার: ওজন কমানোর অব্যর্থ পানীয়

ডিটক্স ওয়াটার নামটি শুনতে যতোটা ভারি মনে হয়, এটি তেমন কিছু নয়। বরং খুব সহজেই তৈরি করা যায় ডিটক্স ওয়াটার। ওজন কমাতে চাইলে ডায়েটিংয়ের পাশাপাশি খুবই কার্যকরী হতে পারে ডিটক্স ওয়াটার।

ডিটক্স ওয়াটার তৈরি তেমন জটিল কিছু নয়, মৌসুমি ফলের কয়েকটি টুকরো ফেলে দিন কাচের জগ বা বোতলে, বোতলটা পুরো ভর্তি করে নিন পানি দিয়ে। ইচ্ছে হলে এর মধ্যে কিছু পুদিনা পাতাও ফেলে দিতে পারেন। পানিটা এবার ফ্রিজে রেখে দিন। সারারাত থাকলে ফলের ফ্লেভারটা পানিতে মিশে যাবে। তারপর পানিটা ছেঁকে পান করতে পারেন, ফলসমেত খেলেও কোনও সমস্যা নেই৷ ২-৩ দিনের মধ্যে এই পানিটা পুরো খেয়ে শেষ করে ফেলতে হবে।

পছন্দের যে কোনো ফল দিয়েই তৈরি করতে পারেন ডিটক্স ওয়াটার। কমলালেবু, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, পাতিলেবু, আনারস, তরমুজ, আদা, পুদিনা, আপেল, কিউয়ি, আঙুর, শসা—যা ইচ্ছে ব্যবহার করতে পারেন, কোনও অসুবিধে নেই। তবে ফলের খোসা ছাড়ানো হয় না ডিটক্স ওয়াটার তৈরির সময়ে, তাই ব্যবহারের আগে অতি অবশ্যই খুব ভালো করে ধুয়ে নেবেন।


আরও পড়ুনঃ


যেভাবে পাওয়া যাবে ‘লকডাউন মুভমেন্ট পাস’

চীনে সন্তান নেয়ার প্রবণতা কমছে, কমছে জন্মহার

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ

বাদশাহ সালমানের নির্দেশে সৌদিতে কমছে তারাবির রাকাত সংখ্যা


ওজন কমানো ছাড়াও ডিটক্স ওয়াটার আপনার ত্বক হয়ে উঠবে ঝলমলে, ঢেকে যাবে বলিরেখা, পেট ফাঁপবে না, অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, কমে যাবে হজমের সমস্যা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দাঁতের ব্যথায় যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

দাঁতের ব্যথায় যা করবেন

অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ও প্রচলিত একটি ব্যথার নাম দাঁতে ব্যথা। এতে দাঁত ও চোয়াল উভয় অংশেই ব্যথা করে। দাঁতের ক্ষয়, সংক্রমণ, মাড়ির রোগ, জয়েন্টে সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দাঁত ব্যথা হয়। দাঁত ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি ব্যথা কমাতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চলতে পারেন।

লবণ ও গোলমরিচ
লবণ ও গোলমরিচ সম পরিমাণে মিশিয়ে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। দাঁতের ওপর এই পেস্ট লাগিয়ে কয়েক মিনিট রাখুন। দাঁতে ব্যথা কমে গেলেও এটা কয়েক দিন করে গেলে আরাম পাবেন।

লবণ গরম পানি
দাঁত, মাড়ি, গলায় ব্যথা কমাতে খুব ভাল কাজ করে লবণ মিশ্রিত গরম পানি। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এতে যেকোনও সংক্রমণ সেরে যাবে।

রসুন
এক কোয়া রসুন থেঁতলে অল্প লবণের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। খুব বেশি যন্ত্রণা হলে এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। যন্ত্রণা কমে যাবে।

লবঙ্গ
দুটো লবঙ্গ থেঁতলে নিয়ে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্টটা দাঁতে লাগান।

আদা
এক টুকরো আদা কেটে নিন এবং যে দাঁতে ব্যথা করছে সে দাঁত দিয়ে চিবাতে থাকুন। যদি চিবাতে বেশি ব্যথা লাগে তাহলে অন্য পাশের দাঁত দিয়ে চিবিয়ে যে রস এবং আদার পেস্ট তৈরি হবে সেটা ওই আক্রান্ত দাঁতের কাছে নিয়ে যান। জিভ দিয়ে একটু চেপে রাখুন দাঁতের কাছে। কিছুক্ষণের মাঝেই ব্যথা চলে যাবে।

বেকিং সোডা
একটা কটন বাড একটু পানিতে ভিজিয়ে নিন। এর মাথায় অনেকটা বেকিং সোডা লাগিয়ে নিয়ে ব্যাথা হওয়া দাঁতের ওপরে দিন। অন্যভাবেও বেকিং সোডা ব্যবহার করা যায়। এক চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস গরম পানিতে গুলে সেটা দিয়ে কুলকুচি করুন।


মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


 

দূর্বা ঘাসের রস
এছাড়া দূর্ব ঘাসের রসও দাঁতের ব্যথা কমাতে পারে। এটা দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও সহায়তা করে। 

তবে মনে রাখবেন, আপনার দাঁত ব্যথা করছে তার মানে নিশ্চয়ই দাঁতের ভেতরে কোনও সমস্যা আছে এবং অবশ্যই ডেন্টিস্টের সাহায্য ছাড়া সে সমস্যার থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা হলে কখন মনে করবেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী

করোনা হলে কখন মনে করবেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৩ জন, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে একদিনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

এর আগে গতকাল ছিল ৭৮জন। ১০ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছিল ৭৭ জনের, যা ছিল সেদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

এর আগে ৯ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছিল ৬৩ জনের, ৮ এপ্রিল মৃত্যু হয় ৭৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭,২০১ জন। অর্থাৎ সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এ মুহূর্তে সবার জন্য দরকার সচেতনতা। কোন লক্ষণ দেখা দিলে কী করবেন। কখন হাসপাতালে ভর্তি হবেন। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী।

করোনার কোন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি-

১। শ্বাসকষ্ট হলে।
২। অক্সিমিটারের অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪% বা তার নিচে দেখালে।
৩। বুকে ব্যথা হলে।
৪। এক্সরে বা সিটি স্ক্যানে নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের সংক্রমণ দেখা দিলে।
৫। তীব্র দূর্বলতা যেমন হাটাচলা বা কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে এরকম অবস্থার সৃষ্টি হলে।
৬। কাশির তীব্রতা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেলে, জ্বর ৭ দিন বা তার অধিক কাল থাকলে।
৭। রোগী অসংলগ্ন আচরণ করলে।
৮। চিকিৎসক যদি বলে আপনার অক্সিজেন প্রয়োজন হবে তাহলে কোনোভাবেই বাসায় শুধু অক্সিজেন নিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। কারণ যাদের অক্সিজেন দরকার হয় তাদেরকে অক্সিজেনের পাশাপাশি আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওষুধ দিতে হয়।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে রোগ প্রতিরোধে আম-পুদিনার শরবত

অনলাইন ডেস্ক

গরমে রোগ প্রতিরোধে আম-পুদিনার শরবত

কাঁচা আমে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি খুবই কার্যকরি।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে ভিটামিন সি। তাই এর ঘাটতি পূরণে খাদ্য তালিকায় কাঁচা আম রাখা সবচেয়ে সহজলভ্য।

কাঁচা আম বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া গেলেও এর সঠিক পুষ্টিগুন পেতে শরবত খাওয়ার বিকল্প নেই। গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত খেলে যেন মুহূর্তেই শরীরে স্বস্তি দেয়।

বিভিন্নভাবে কাঁচা আমের শরবত তৈরি করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি উপায় হলো 'কাঁচা আম ও পুদিনা পাতা' দিয়ে তৈরি শরবত। কারণ, পুদিনা পাতা তাপ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।


আরও পড়ুনঃ


শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ


এর রস পিষে দু'তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পান করলে ক্লান্তিভাব দূর হয়। নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারেনা। এছাড়া শরীরের ব্যাথা কমাতেও পুদিনা পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর