করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের দাম

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের দাম। পরিস্থিতি আগামীতে আরো খারাপ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।   

যুক্তরাষ্ট্রে গেল বছরে খাবারের দাম ৩ শতাংশের কাছাকাছি বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক হারের দ্বিগুণ হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আমেরিকানরা এরই মধ্যে তাদের আয়ের ৩৬ শতাংশ খাবারের জন্য ব্যয় করছে। মহামারীর কারণে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়ায় গত বছর যুক্তরাজ্যে বিশেষ প্রচারে মুদি সামগ্রী বিক্রি ২০ শতাংশ কমে গেছে। 


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


মহামারী পরবর্তী খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি নতুন সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। এছাড়া মহামারীজনিত ব্যাঘাত এবং ক্রমবর্ধমান পরিবহন ও প্যাকেজিংয়ের চাপে প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন মূল্যবৃদ্ধির পথে হাঁটছে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাণিজ্যিক গুরুত্ব থাকায় মাগুরায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে একাঙ্গির চাষ

রাশেদ খান, মাগুরা

বাণিজ্যিক গুরুত্ব থাকায় মাগুরায় একাঙ্গির চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। একদিকে একাঙ্গির চাহিদা বেশি, পাশাপাশি এটি সাথী ফসল হিসেবেই চাষ করা যায়। 

তাই লাভের অংক দুদিক থেকেই হিসেব করেন কৃষক। কৃষকের হিসেবে সাথী ফসল হিসেবে চাষ করলে এক বিঘা থেকেই লাখ টাকা আয় সম্ভব।

মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলামের লিচু বাগান এটি। লিচু গাছের নিচে বাগানজুড়ে হলুদ গাছের মতো ছোট ছোট গাছে ভর্তি। এগুলো একাঙ্গি। সুগন্ধি আদা হিসেবে এর বেশ পরিচিতি রয়েছে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে। জনপ্রিয় মসলা হিসেবে এর চাহিদাও বেশ। 

একাঙ্গি চাষে বিঘা প্রতি ৫০ থেকে ৬০ মন ফলন পাওয়া যায়। এ থেকে লাভ হয় অন্তত ৫০ হাজার টাকা। পাশাপাশি মাঠ থেকেই পাইকাররা ফসল নিয়ে যাওয়ায় পরিবহন খরচও বেঁচে যায় কৃষকের। এজন্য মাগুরায় একাঙ্গি চাষে ঝুঁকছেন অনেকে।

কৃষকরা জানান, এই মসলা চাষে খরচ একেবারে কম হয়। জৈব সার আর সেচ ছাড়া তেমন কিছুই লাগে না। রোগ-বালাইও প্রায় নেই বললেই চলে। বিঘা প্রতি খরচ হিসেব করলে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা প্রয়োজন হয়।


কোথায় সমাহিত করা হবে কবরীকে জানালেন তার ছেলে

তালায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে দুই শ্রমিক নিহত

‘মিনা পাল’ থেকে যেভাবে ‘কবরী’ হয়ে ওঠা

কোটি টাকার খেয়াঘাট ময়লার ভাগাড়, পাবলিক টয়লেট হয়েছে গুদাম ঘর


মসলা গবেষকরা বলছেন, একাঙ্গির চাহিদা শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও রয়েছে। বাজার দরও ভালো। তাই এটি চাষে কৃষকের যতোটা সম্ভব সাহায্য করে আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র।

একটি গাছ থেকে অন্তত দুইশ গ্রাম একাঙ্গি পাওয়া যায় বলে জানান কৃষকরা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে মরিচ ক্ষেতে পচন রোগ, কৃষকের মাথায় হাত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে মরিচ ক্ষেতে পচন রোগ, কৃষকের মাথায় হাত

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ায় চলতি মৌসুমে মরিচ চাষের শেষ পর্যায়ে মরিচ ক্ষেতে ফল পচা বা টেপাপচা (অ্যানথ্রাক্সনোজ) রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগের কারণে গাছের মরিচ গাছেই পচে যাচ্ছে। এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন উপজেলার মরিচ চাষিরা।

ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, বিঘার পর বিঘা কৃষক মরিচ চাষ করেছেন। তবে ক্ষেতের অধিকাংশ গাছেই এই রোগ আক্রমণ করেছে। আক্রান্ত গাছ গুলোতে আসা ফল পচে মাটিতে ঝড়ে পড়ে যাচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৪শ’৪২ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। 

চাষিরা বলেন, আমরা মরিচ চাষের জন্য অন্যের জমি ১০ হাজার টাকা মূল্যে চুক্তিতে মরিচের আবাদ করেছি। কিন্তু টেপাপচা রোগের কারনে ফলন্ত মরিচ গাছ গুলো মারা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমাদের বিঘা প্রতি ২৫/৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এতে আমাদের  উৎপাদন খরচ উঠানোই কঠিন হয়ে যাবে। মরিচ তুলতে না পারলে সার কীটনাশকসহ জমির মালিকের টাকা পরিশোধ করবো কিভাবে তা ভেবে পাচ্ছি না। 

কারো কোন পরামর্শ পাচ্ছি না। ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তাকেও পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা তো পথে বসে যাবো। কৃষি কর্মকর্তা সুবাস চন্দ্র দায়িত্বে থাকলেও সেটা নামে মাত্র। অন্যদিকে একই চিত্র ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নেও। কৃষকদের অভিযোগ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলী হোসেন দায়িত্বে থাকলেও কৃষকের প্রয়োজনে এই কর্মকর্তাকে মাঠে পাওয়া যায় না।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

ভারতে যেতে আর বাধা নেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

করোনায় কাজ না থাকলেও কর্মীদের পুরো বেতন দিচ্ছেন নেইমার


মরিচ চাষি আনোয়ার হোসেন জানান, এবার আমি ২ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। কিন্তু টেপাপচা রোগে আমার সব মরিচ গাছেই পচা যাচ্ছে। পরামর্শের জন্য ইউনিয়ন কৃষি অফিসে গেলে কর্মকর্তাকে পাওয়া যায় না। ফোন দিলেও পাওয়া যাচ্ছে না। মরিচ তুলতে না পারলে সার কীটনাশকের টাকা পরিশোধ করবো কিভাবে ভেবে পাচ্ছি না।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন জানান, ইতি মধ্যে ৪শ’ ৪২ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। আমাদের টার্গেট ৮শ’ ২ হেক্টর জমিতে চাষ করার। স্থানীয়ভাবে টেপাপচা রোগে, আক্রান্ত হচ্ছে মরিচ ক্ষেত। তবে টেপাপচা রোগ থেকে কিভাবে ফলকে রক্ষা করা যায় সে অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।

কৃষি কর্মকর্তাদের কৃষক মাঠে পাচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে উপ-পরিচালক বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। তবে আমি বিষয়টি আমি দেখছি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাসি নেই হাওরের ধান চাষিদের মুখে

সোহান আহমেদ কাকন, নেত্রকোনা

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে মাঠ জুড়ে সোনালী ফসল। তবুও মন ভালো নেই কৃষকের। নানা প্রতিকূলতায় ফসল ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও লকডাউনে শ্রমিক সংকট আতঙ্কিত করছে তাদের। তবে গেল বছরের মতো এবারো হারভেস্টার ও শ্রমিক পরিবহনের ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ। 

খালিয়াজুরী, মোহনগঞ্জ ও মদনগঞ্জ মূলত নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল। নিম্নাঞ্চলগুলোয় এখনই ধান কাটা শুরু করেছেন কৃষকরা। এসব ধানের সবই আগাম জাতের। এবার অতিগরম, শিলা বৃষ্টি ও কালবৈশাখীতে বেশ কিছু ধান নষ্ট হয়েছে। 

কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, হাওরে অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগে।

কৃষক তবুও খুশি ছিলেন। বাম্পার ফলন হওয়ায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারার আশা ছিলো। কিন্তু সাম্প্রতিক লকডাউন তাদের মনে, ধান কাটা শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা জাগিয়েছে। শ্রমিক সংকটে অনেক কৃষক পরিবার অতিরিক্ত পরিশ্রম করছে। আশঙ্কা আছে, ধান কাটা শেষ হওয়ার আগেই পানি আসতে পারে হাওরে।


পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারে সন্ধ্যায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় চলবে ফেরি

পাঁচ দেশের সঙ্গে বিশেষ ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা

প্রকৃত কোন মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারে না: ভিপি নুর

ধর্মীয় একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করছে পাকিস্তান


ধান কাটা নিয়ে কৃষি বিভাগের পূর্ব প্রস্তুতি খুব একটা ছিলো না। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কমাইন্ড হারভেস্টার ব্যবহার এবং শ্রমিকদের পরিবহণ সংকট মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

এ বছর নেত্রকোনায় বোরো আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯৮৩ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমি চাষ হয়েছে হাওরাঞ্চলে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ শনিবার

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ শনিবার

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন উপলক্ষে পঞ্চগড়ের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভূটান) বাংলাবান্ধা শনিবার (১৭ এপ্রিল) একদিনের জন্য সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড় আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা।

এ সময় তিনি বলেন, ভোট উপলক্ষে উভয় দেশের সম্মতিতে শনিবার একদিনের জন্য বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে আগামী রোববার (১৮ই এপ্রিল) থেকে বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় স্বাভাবিক হবে।

এদিক, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন উপলক্ষে ভোট সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (১৫ই এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে উভয় দেশে চলাচল নিষিদ্ধ করে গত ৪ঠা এপ্রিল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জলপাইগুড়ি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীমতি মৌমিত গোদারা বসু আইএএস।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি চালের বাজার, বাড়ছে সব ধরণের চালের দাম

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁয় সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি চালের বাজার, বাড়ছে সব ধরণের চালের দাম

উত্তরাঞ্চলের খাদ্যভান্ডারের জেলা নওগাঁ। দেশের চালের চাহিদার সিংহভাগ সরবরাহ হয় এ জেলা থেকে। নওগাঁয় উৎপাদিত চালের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। কিন্তু দেশের বৃহৎ চালের মোকাম নওগাঁয় ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি কাটারী চাল কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা আর দেশি চাল প্রকারভেদে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা দাম বেড়েছে।

বাজারে সাধারণত খুচরা ক্রেতারা সকলেই শ্রমিক শ্রেনীর নিম্নবিত্তের মানুষ। একদিকে তাদের কাজ না থাকায় আয়ের পথ বন্ধ। অন্যদিকে চালের মুল্যবৃদ্ধি। এতে করে বিপর্যস্ত তারা।

এদিকে ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের দাবি, বড় বড় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করার কারণে চালের বাজার বৃদ্ধি। তাই বাজার মনিটরিং করা হলে দাম স্বাভাবিক হবে বলে জানান তারা।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন আগে প্রতি কেজি ভারতের এলসি কাটারী চাল ছিল ৫৬ টাকা বর্তমানে তা বেড়ে ৬২ টাকা, দেশি কাটারী প্রতি কেজি ছিল ৬২ টাকা বর্তমানে ৬৫ টাকা, জিরাশাইল ছিল ৬০ টাকা বর্তমানে ৬২ টাকা, স্বর্না ছিল ৪৫ টাকা বর্তমানে তা বেড়ে ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভারতের এলসি কাটারী চালের দাম ২৫ কেজি বস্তা ছিল ১৩০০-১৩২০ টাকা বর্তমানে তা বেড়ে ১৪৫০-১৪৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে বস্তা প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। আর দেশি জাতের কাটারী প্রকারভেদে প্রতি বস্তায় বেড়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, বর্তমানে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ ও শ্রমিক শ্রেনীর নিম্নবিত্তের মানুষ। বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে করে বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা।

আরও পড়ুন


নওগাঁয় বিদেশি ফল রক মেলন চাষের উজ্জল সম্ভাবনা

সেহেরিতে ভাত খাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

আপনাদের কপাল ভালো মন্ত্রী হয়েছেন, তাই বলে বিচার পাবো না: কাদের মির্জা

দেশের বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে কাজ করছে: কাদের


যদি এভাবে চালের দাম বাড়তে থাকে তাহলে সাধারণ পরিবারের লোকজনের কাছে চাল ক্রয় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। চাল কিনতেই যদি সব টাকা ফুরিয়ে যায় তাহলে তারা বাজার করবে কি করে। চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কষ্টে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

এদিকে নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাউল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক উত্তম সরকার নিউজ টোয়েন্টিফোরকে বলেন, চালের বাজারে বড় বড় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করার কারণে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

নওগাঁ শেখ রাইস মিলের মিল মালিক শেখ ফরিদ উদ্দীন বলেন, দেশের বড় বড় চাল ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করার কারণে দাম বেড়েছে। তাই দ্রুত বাজার মনিটরিং করা হলে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে যাবে। আর বাজারে চালের দাম স্বাভাবিকে চলে আসবে। চালের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্য বাজার মানটরিংয়ের পাশাপাশি সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সকলেই।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর