৩৩ লাখ ভ্যাকসিন নিয়েছে, কেউ মারা যায়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩৩ লাখ ভ্যাকসিন নিয়েছে, কেউ মারা যায়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ৩৩ লাখ মানুষ করোনা ভ্যাকসিন নিলেও এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। 

আজ এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা নিয়ে দেশবাসী, গণমাধ্যম, প্রধানমন্ত্রী, বিশ্ব সমাজ সন্তুষ্ট। এ সুনাম সরকার ধরে রাখতে চাই। এ পর্যন্ত ৩৩ লাখের বেশি ব্যক্তিকে টিকা দেয়া হয়েছে। নিবন্ধিত ৪৫ লাখ। এ পর্যন্ত কোনো অসংগতি নেই।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগে সংশ্লিষ্টদের এবং দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের টিকা দেয়া হবে। বন্দরগুলোতেও কর্মরতদের টিকা দেয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যদি সবকিছু ঠিক থাকে তবে জুন জুলাই পর্যন্ত ৪ কোটি ডোজ হাতে থাকবে। আর যদি কোনো পরিবর্তন আসে তবে ব্যবস্থাপনা সেভাবেই হবে। তবে কোভ্যাক্সের কাছ থেকে ১ কোটি ৯ লাখ ডোজ টিকা পাবে বাংলাদেশ, এটা নিশ্চিত।


পুলিশ হেফাজতে আইনজীবীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

ভাসানচরে যাচ্ছে দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা

‘অসম প্রেমে’ পড়েছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ

ব্যানারে নেই বেগম জিয়া, এনিয়ে বিস্তর আলোচনা


এখন থেকে প্রতি ১৫ দিনে সরকার টিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করবে বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সরকার অনুমতি দিলে, তারা নিজেদের টাকা দিয়ে টিকা আনবে এবং যারা তাদের কাছ থেকে টিকা নিতে চায়, তারা কিনে নিবে নাকি বিনামূল্যে পাবে, সেটা ঐ সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভর করে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মেধাসম্পদ সুরক্ষা সম্মাননায় অভিষিক্ত বসুন্ধরা গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক

মেধাসম্পদ সুরক্ষা সম্মাননায় অভিষিক্ত বসুন্ধরা গ্রুপ

শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক কপিরাইট নিবন্ধন করায় মেধাসম্পদ সুরক্ষা সম্মাননা-২০২০-এ অভিষিক্ত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্তর্জাতিক কপিরাইট দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘মেধাসম্পদ সুরক্ষায় কপিরাইটের গুরুত্ব’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল সেমিনারে কপিরাইট অফিসের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা ঘোষণা করা হয়।

এ সময় রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, মেধাসম্পদ সুরক্ষায় কপিরাইটের গুরুত্ব উপলব্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে কপিরাইট বিষয়ে সার্বিক সচেতনতা সৃজনে মূল্যবান ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখায় দেশের খ্যাতিমান শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপকে মেধাসম্পদ সুরক্ষা সম্মাননা ২০২০ এ অভিষিক্ত করা হলো।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে যারা সৃজনশীল কাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত, তাদের মাঝেও সৃজিত কর্মের কপিরাইট রক্ষার প্রতি সচরাচর সচেতনতা পরিলক্ষিত হয় না। এ ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ইতোমধ্যে এই শিল্পগোষ্ঠী শিল্প-সাহিত্য এবং ওয়েবসাইট ক্যাটাগরিতে ১২৭টি মেধাস্বত্বের কপিরাইট সনদ গ্রহণ করেছে এবং নিজেদের মেধাসম্পদ সুরক্ষায় সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের স্বাক্ষর রেখেছে।
বসুন্ধরা গ্রুপসহ আরও তিন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে। স্থপতি ক্যাটাগরিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর স্মৃতি ও কর্মকে যুগ যুগ ধরে নান্দনিকভাবে উপস্থাপনের বহুমুখী প্রয়াশে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের নকশা প্রণয়নের জন্য ‘স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড’; ফটোগ্রাফি ক্যাটাগরিতে বঙ্গবন্ধুর পুরনো ছবি থেকে নান্দনিক ও উন্নতমানের ডিজিটাল পেইন্টিং/প্রোট্রেট তৈরির জন্য হাবিবুল্লাহ আল ইমরান এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন লোগো, ডিজাইন ও অন্যান্য বিষয় কপিরাইট নিবন্ধনের জন্য ব্যাংক এশিয়া এই সম্মাননা পেয়েছে।

২০২১ সালের জন্য এই সম্মাননা পাচ্ছে, শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলার ধারণা উদ্ভাবনের জন্য কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ও মো. ফয়জুল আলম সিদ্দিক; আঞ্চলিক গানের স্বরলিপির গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে ভূমিকা রাখায় পিএইচপি গ্রুপ; লোক সঙ্গীতের চর্চা ও বিকাশে এবং নান্দনিক উপস্থাপন করে অবদান রাখার জন্য আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড এবং গুগল ল্যাঙ্গুয়েজ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সফটওয়ার উদ্ভাবনের জন্য মাস্টার একাডেমির মোস্তাইন বিল্লাহ।

আয়োজনে এই সম্মাননার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আয়োজনের মাধ্যমে এসব সম্মাননার জন্য স্মারক দেওয়া হবে বলে জানান রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস জাফর রাজা চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা কৌশলগত কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছি। যেমন ই-কপিরাইট সিস্টেম, অনলাইন রেকর্ডিং ডকুমেন্টারি সিস্টেম। ভবিষ্যতে জাতীয় পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চূড়ান্ত কপিরাইট আইন-২০২১ পাসের পর এর যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে কপিরাইটের সুফল আনতে চাই।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আমরা মতামত নিয়েছি। সেসব মতামতের ভিত্তিতে সমন্বয় করে এই নতুন আইনটি প্রণয়ন হতে যাচ্ছে। সেটি পাস করার পর কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে আমরা আমাদের মেধাস্বত্বকে সুরক্ষিত করতে পারবো।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের ছয়টি ক্ষেত্রে ফোকাস করা দরকার। এগুলো হলো—তথ্যপ্রযুক্তি আধুনিকীকরণ, ব্যবসায়ীদের ব্যবসার ক্ষেত্রে তাদের প্রক্রিয়াকে অনুকূল করা, সাংগাঠনিকভাবে নিজেদের পরিচালনা করতে পারা, শিক্ষা, বাস্তবতা এবং কপিরাইট আইন। এসব ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে আমরা আমাদের দায়িত্বগুলো যেন পালন করতে পারি সেভাবেই আমরা কাজ করতে চাই।

অনুষ্ঠানে আরও যুক্ত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন, বাংলাদেশ কপিরাইট বোর্ডের সভাপতি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীন, কপিরাইট ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহম্মদ রায়হানুল হারুন, ডিপিডিটি রেজিস্ট্রার মো. আব্দুস সাত্তার, মিউজিক কম্পোজার সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি নকিব খান, সিঙ্গার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের যুগ্ম আহ্বায়ক কুমার বিশ্বজিৎ, গীতিকবি সংঘের সিনিয়র সদস্য কবির বকুল প্রমুখ।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশে শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন কিছুটা উদ্বেগজনক : গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানী

অনলাইন ডেস্ক

দেশে শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন কিছুটা উদ্বেগজনক : গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানী

করোনা সংক্রণ রোধে সারা দেশে চরছে সর্বাত্মক লকডাউন। কিন্তু এরই মধ্যে এই ভাইরাসের আরেকটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটার (জিআইএসএআইডি) তথ্য অনুসারে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের একাধিক গবেষণাগারে এই ভ্যারিয়েন্টের আটটি নমুনা পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) এ গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীদের একজন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের ইউরোপের সহকর্মীরা এখন পর্যন্ত এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে যেসব তথ্য দিয়েছেন, তা কিছুটা উদ্বেগজনক। তবে, এখনো এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় আসেনি।

বি.১.৫২৫ নামের এই ভ্যারিয়েন্টটি গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যে এটি প্রথমবারের মতো শনাক্ত হয়। একই মাসে ভ্যারিয়েন্টটি নাইজেরিয়াতেও পাওয়া যায়। 

এর মধ্যে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের বিজ্ঞানীরা ছয়টি শনাক্ত করেছেন। বাকি দুটির একটি ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভের এবং একটি শিশু স্বাস্থ্য গবেষণা ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞানীরা শনাক্ত করেছেন। 

এর আগে, বাংলাদেশে বি.১.৩৫১ বা ৫০১.ভি২ নামে পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। 

করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৮৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৯ জন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জনে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোববার চালু হচ্ছে বাহরাইন ও কুয়েত ফ্লাইট

অনলাইন ডেস্ক

রোববার চালু হচ্ছে বাহরাইন ও কুয়েত ফ্লাইট

রোববার (২৫ এপ্রিল) থেকে বাহরাইন ও কুয়েত ফ্লাইট চালু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ফ্লাইট চালুর অনুমতি দিতে সুপারিশ করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় বলা হয়, বাহরাইন ও কুয়েত থেকে ছুটিতে দেশে আসা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী কর্মী আটকা পড়েছেন। তাদের ভিসার মেয়াদও শেষ হওয়ার আশঙ্কা আছে। তাই তাদের কাজে ফেরাতে ২৫ এপ্রিল থেকে কুয়েত ও বাহরাইন রুটে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

করোনার সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষনা করে করে। এই লকডাউনে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সব রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যেই প্রবাসীদের কথা চিন্তা করে আন্তর্জাতিক কয়েকটি রুটসহ অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটও চালু করা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যেসব নির্দেশনা মেনে দোকানপাট ও মার্কেট খুলতে হবে

অনলাইন ডেস্ক

যেসব নির্দেশনা মেনে দোকানপাট ও মার্কেট খুলতে হবে

করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। তবে আগামী রোববার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও মার্কেট খোলার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই প্রতিদিনি সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের শুক্রবারের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। 

পাশাপাশি দোকান ও মার্কেট খুলতে বেশকিছু নির্দেশনাও দিয়েছে সরকার। এসব নির্দেশনা ছাড়া কোনো দোকান ও মার্কেট খোলা হলে জরিমানা গুণতে হবে মালিকদের।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলামের স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল খুলতে হবে। করোনা ভাইরাসজনিত রোগ এর বিস্তার রোধ করে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক সূত্রস্থ স্মারকের নির্দেশনার অনুবৃত্তিক্রমে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ২৫ এপ্রিল হতে দোকানপাট ও শাপিংমলসমূহ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে খোলা রাখা যাবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য যে ১৩টি নির্দেশনা দেয় সরকার
সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্বপ্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়ত করা যাবে।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গণপরিবহন কবে চলবে, জানা যাবে ২৮ এপ্রিল

অনলাইন ডেস্ক

গণপরিবহন কবে চলবে, জানা যাবে ২৮ এপ্রিল

২৮ এপ্রিলের পরে আর কঠোর ‘লকডাউন’ থাকছে না বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তবে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, চলমান ‘লকডাউন’ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকছে। জীবন ও জীবিকার কথা বিবেচনায় রেখে দোকানপাট ও শপিংমলে দেওয়া হচ্ছে। কেউ যেন মাস্ক ছাড়া কেনাকাটা না করে সে বিষয়টি অবশ্যই নিশ্চিত করা হবে।

দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও গণপরিবহন কবে চলবে- জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৮ এপ্রিল থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাস্ক পরেই আমাদের চলতে হবে। কেউ যেন মাস্ক ছাড়া না বের হয়। সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সবাই যেন মাস্ক পরে। নো মাস্ক নো সার্ভিস- এ বিষয়টি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে চলমান বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল হতে পারে। তবে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং নো মাস্ক নো সার্ভিস নিশ্চিত করা হবে।  

চলমান বিধি-নিষেধ ২৮ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তী শিথিলতার বিষয়ে ২৮ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হলে অফিস-আদালত, গণপরিবহন এবং দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক নির্দেশনায় ২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ২২ এপ্রিল থেকে দোকান ও শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবি জানায়।

দোকানপাট শপিংমল খোলার অনুমতি দেওয়ার পর পরিবহন মালিকরা আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে বাস চালুর দাবি জানিয়েছে। ২৮ এপ্রিলের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকেও আভাস পাওয়া গেছে।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর