প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নববধূকে রাস্তায় রেখে পালালেন বর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নববধূকে রাস্তায় রেখে পালালেন বর

নববধূকে বাড়িতে নেওয়ার পথে রাস্তায় রেখে পলিয়ে গেল বর। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গা ইউনিয়নের নলডাঙ্গা এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বরের নাম জাহিদ হাসান (শোভন)। স্থানীয় চাতাল ব্যবসায়ী রেজাউনুল হক লিটনের ছেলে তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল বিকেলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে নলডাঙ্গা ট্রাকচালক সমিতির কার্যালয়ে উভয়ের সম্মতিতে বিয়ে হয়।

এরপর নলডাঙ্গা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে গাইবান্ধা শহরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন শোভন। সাদুল্লাপুরের কালিবাড়ি মন্দিরের পাশের রাস্তায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে বসিয়ে রেখে অটোরিকশা থেকে নেমে পালিয়ে যান তিনি।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


ঘটনার পর থেকে শোভনের মোবাইল ফোন বন্ধ। কোনো উপায় না পেয়ে হয়ে রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নববধূ ইতি আক্তার।

তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে শোভনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। কয়েকদিন আগে শোভন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিয়ের দাবিতে তার এলাকায় গেলে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শোভন আমাকে বিয়ে করে। সেখান থেকে বাড়ি নেওয়ার পথে সাদুল্লাপুরে পৌঁছে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যায়।’

‘প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের পর শোভন এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারিনি। এমন ঘটনার জন্য শোভনের কঠিন শাস্তি চাই আমি।’

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘নববধূর অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। শোভনের অবস্থান চিহ্নিতসহ তাকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছি। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে র‌্যাব

অনলাইন ডেস্ক

পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে র‌্যাব

সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতারের পর নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশেষ এ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে পুরনো ভিডিও ‘লাইভ’ আকারে যারা ছড়িয়েছে। তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। এভাবে পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব সদর দফতরে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

পুরনো ভিডিও লাইভ করতো সংগঠনটির আইটি টিম। যারা এ ধরনের আ্যপস ব্যবহার করতো তাদের র‍্যাব শনাক্ত করেছে। তারা বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ দিয়ে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দিতো। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করবে। 

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী যে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছিল, ঠিক তখন থেকেই একটি কুচক্রী মহল দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা-অরাজকতা সৃষ্টি করতে বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে। র‌্যাব এসব ব্যক্তি বা দলকে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ ও স্থির চিত্র দেখে ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে।

‘এসব অপরাধী শনাক্তে র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এসব অপরাধী শনাক্তের পর আটক করে র‍্যাব আইনের আওতায় আনছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাবই প্রথম অভিযান চালিয়ে আটক করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সময়কালে ঘোড়ায় চড়ে বিক্ষোভ করা হেফাজতের এক কর্মীকে। শিশু বক্তাখ্যাত রফিকুল ইসলামকেও র‍্যাব গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।’

যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের সঙ্গে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি-না, এমন প্রশ্নের উত্তরে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, র‍্যাব কোনো দল কিংবা ব্যক্তিকে টার্গেট করে অভিযান পরিচালনা করে না। যারা দেশব্যাপী নাশকতা সৃষ্টি করেছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে এবং যারা রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব। তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগে পুত্রবধু আটক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগে পুত্রবধু আটক

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বসতঘর থেকে রহিমা নামের এক মধ্যবয়সী নারীর (শাশুড়ি) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তাহমিনা নামে ওই নারীর পুত্রবধুকে একই কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

এদিকে অচেতন থাকা ওই পুত্রবধুকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এর আগে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রাম এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন


এবার কক্সবাজারে ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মামলা

চাকরী দেবে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন

বেনজেমা ভেল্কিতে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন


পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় আবু তাহের মিয়ার স্ত্রী রহিমা (নিহত শাশুড়ি) ও তার পুত্রবধু প্রবাসী হুমায়ুন কবিরের স্ত্রীতাহমিনার সঙ্গে সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিবাদ চলে আসছিল। বিদেশ থেকে মা-বাবাকে টাকা না দেয়ায় রহিমার স্বামী ঢাকায় চাকরি করছিলেন। এর সুবাধে প্রায় বিতন্ডায় লিপ্ত হতেন তারা। 

গতরাতে (বুধবার) শাশুড়ি ও তার পুত্রবধুর বাক বিতন্ডা হয়। প্রায় এমনকান্ড হওয়ায় আশে পাশের লোকজন ঘটনার সময় আর আসেনি বলে জানান স্থানীয়রা। সকালে তাদের কারো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। পরে জানালা দিয়ে শাশুড়ি খাটের উপর আর তার পুত্রবধু মেঝেতে পড়ে আছে। ভেতর থেকে দরজা লাগানো ছিল বলে জানান তারা। কেউ কেউ বলছেন রাতে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুত্রবধুর অচেতনের বিষয়ে মুখ খোলেনি কেউ। এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শাশুড়ির মরদেহ ও পুত্রবধূকে উদ্ধার করে।  

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস জানান, বন্ধ ঘর থেকে বৌ শাশুড়িকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক শাশুড়িকে মৃত ঘোষণা করেন। তার পুত্রবধুকে চিকিৎসা দিলে তার অবস্থার উন্নতি হয়। এদিকে নিহতের স্বামী তার পুত্রবধুর বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার মামলা করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন বলে জানালেন তিনি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সেই পথশিশুর চোখের নিচের জখম সম্পর্কে যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক

সেই পথশিশুর চোখের নিচের জখম সম্পর্কে যা জানা গেল

ক'দিন আগের ঘটনা সাংবাদিকের লাইভের মাঝে ঢুকে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী এক পথশিশু লকডাউন নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিল। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিও ক্লিপে বলা শিশুটির কথাগুলো আলোড়ন তুলে দেশব্যাপী।

এরইমাঝে ওই শিশুর আরেকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায় তার চোখে-মুখে মারের জখম, একটি চোখের নিচে ফুলে উঠেছে। 

ওই ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, লকডাউন প্রসঙ্গে নেতিবাচক মন্তব্য করায় কোনো একটি পক্ষের রোষানলে পড়েছে শিশুটি। তাই তাকে মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনা আবারও ভাইরাল হয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। অনেকেই দুঃখপ্রকাশ করে শিশুটির নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি করেন।

এমন পরিস্থিতিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিকদের লাইভে এসে লকডাউন নিয়ে প্রশ্ন তোলা শিশুর নাম, মো. মারুফ। সে একজন পথশিশু। বাবা-মা সঙ্গে থাকে না সে। রাজধানীর কোটকাচারি, জগন্নাথ কলেজ, ভিক্টোরিয়া পার্ক,সদরঘাটসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়ানোই তার কাজ।

কে বা কাহারা তাকে মেরেছে সেই প্রশ্ন খুঁজতে গেলে স্থানীয়দের অনেকের দাবি, মারুফের সঙ্গে তার এলাকার পথশিশুদের মারামারিতেই এই জখমের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন


যশোরে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট আগুনে পুড়ে ছাই

পাকিস্তানের বিলাসবহুল হোটেলে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪, আহত ১১

যাদের জন্য রমজানে রোজা রাখা বাধ্যতামূলক

যেভাবে ইসলামের দাওয়াত দিতেন বিশ্বনবী


বুধবার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা মারুফকে খুঁজে বের করেন। তাকে তার জখমের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। মারুফ জানায়, লকডাউন নিয়ে এমন বক্তব্য দেওয়াতেই তাকে মারা হয়েছে। রাত ১০ টায় কোর্ট প্রাঙ্গনেই তাকে মারা হয়েছে।

মারুফের বিষয়ে সদরঘাটের রিকশাচালক, দোকানদাররা জানিয়েছেন,  শিশুটি ছিন্নমূল। পার্ক, ফুটপাতে ঘুমায়। কেউ খাবার দিলে খায়, আবার অনেক সময় চেয়ে নিয়ে খায়। সে মাদকাসক্ত। ডান্ডি নামক এক মাদক সেবন করে সে। 

অনেকের মতে, লকডাউন নয়, হয়তো ডান্ডি সেবনের কারণে পুলিশ তাকে শাসিয়েছে বা মেরেছে। এমনটা এসব পথশিশুদের সঙ্গে হয় প্রায়ই। নেশা বা টাকা-পয়সা নিয়ে বন্ধুদের মধ্যেও প্রায়ই মারামারি হয় মারুফের। এটা ওদের জন্য স্বাভাবিক।

মারুফের বিষয়ে প্কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ওই শিশু বা ভাইরাল কোনো ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত জানি না।’

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেখা করতে ডেকে অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

দেখা করতে ডেকে অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

টাঙ্গাইলের সখিপুরেরর গোরগোবিন্দপুর গ্রামে এক অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ওই যুবকের নাম সিয়াম। তিনি সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামের ময়নালের ছেলে। 

জানা গেছে টাঙ্গাইলের সখিপুরের গোবিন্দপুরের পাশ্ববর্তী উপজেলা ঘটাইল থেকে ওই তরুণীকে ডেকে এনে পাঁচজনে মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ারস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে।  এছাড়াও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বাবা জানান, একই গ্রামে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। গত কিছুদিন ধরে সখিপুরের জয় নামের এক যুবকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে মেয়ের পরিচয় হয়। তারপর থেকে তারা ফোনে প্রতিনিয়ত আলাপ করত। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ছেলের সাথে দেখা করতে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর সে আর বাড়িতে আসে নি। বুধবার দুপুরে আমরা তাকে হাসপাতালে দেখতে পাই।

সখিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, পুর্ব পরিচয়র সূত্র ধরে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মেয়েটি সরল বিশ্বাসে পূর্ব পরিচিত জয় নামে এক বন্ধুর সঙ্গে সখিপুর আসে। রাতে তারা সবাই মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।

তিনি জানান, আটক সিয়াম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার সঙ্গে সখিপুর পৌর এলাকার নাছির উদ্দিনের ছেলে ধর্ষণের শিকার মেয়ের বন্ধু জয় মিয়া ও গোরগোবিন্দপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া মেয়েটিকে রাতভর ধর্ষণ করেছে। কিন্ত মেয়েটি অজ্ঞাত পরিচয় আরো দুইজনসহ পাঁচজনে মিলে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই তারা গ্রেপ্তার হবে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, মেয়েটি প্রেগনেন্ট ছিল। ধর্ষণের ফলে তার প্রচুর রক্তক্ষণ হয়েছে। তার পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার,পুলিশ সুপারকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক

ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার,পুলিশ সুপারকে বদলি

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলায় উদ্ধার হওয়া  ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেওয়ারঘটনায় শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অপর দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন উজ্জামান ও ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌল। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপারের আদেশে তাদেরকে প্রত্যাহার করা হয়।

বুধবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টাস থেকে পাঠানো এক আদেশে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন নামের বাস থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন। 

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করে বরিশাল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর