জামালপুরে নারীর সঙ্গে ভিডিও ফাঁস হওয়া সেই ডিসির বেতন কমল

অনলাইন ডেস্ক

জামালপুরে নারীর সঙ্গে ভিডিও ফাঁস হওয়া সেই ডিসির বেতন কমল

জামালপুরে নারী অফিস সহায়কের সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্কের ভিডিও ফাঁসে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত সাবেক সেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বেতন গ্রেড কমানো হয়েছে। সরকারি কর্মচারী বিধিমালায় উল্লিখিত সবচেয়ে লঘু এই শাস্তি তাঁকে দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অপরাধ অনুযায়ী আহমেদ কবীরের চাকরি চলে যাওয়ার কথা। তবে স্ত্রী সন্তানের কথা ভেবে তাঁকে চাকরিতে রেখে বেতন গ্রেড কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আরো বলেন, গুরুদণ্ডের সবচেয়ে কম শাস্তি দেওয়া হলেও এই কর্মকর্তার ক্যারিয়ার শেষ ধরতে পারেন।

কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-তে গুরুদণ্ডের চার শাস্তির মধ্যে রয়েছে নিম্ন পদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অপসারণ এবং বরখাস্তকরণ।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নিম্ন পদে নামিয়ে দেওয়ার শাস্তি দেওয়া হলে আহমেদ কবীর বিদ্যমান বেতনই পেতেন। আর নিম্ন বেতন গ্রেডের শাস্তি দেওয়ায় তাঁর বেতন অর্ধেক কমে গেল, তবে তিনি পদে বহাল থাকলেন।

আরও পড়ুন:


‘পরমাণু সমঝোতার একমাত্র পথ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার’

এইচ টি ইমামের জানাজা ও দাফনের সময়

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর শোক

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক


আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে শাস্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ক) মোতাবেক গুরুদণ্ড হিসেবে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ করা হলো।’

আহমেদ কবীর উপসচিব হিসেবে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পান। শাস্তির কারণে এখন থেকে তিনি ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ষষ্ঠ গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপের বেতন পাবেন। অর্থাৎ একজন সহকারী সচিব পদোন্নতি (সিনিয়র) পাওয়ার পর যে বেতন পান, তিনি এখন সেটা পাবেন। পঞ্চম গ্রেডে মূল বেতন প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এখন থেকে তিনি মূল বেতন পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। এই গ্রেডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অন্যান্য ভাতা-সুবিধা পাবেন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিকিৎসকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা: দলনেতা হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেটকেই দায় নিতে হলো

অনলাইন ডেস্ক

চিকিৎসকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা: দলনেতা হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেটকেই দায় নিতে হলো

ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে বদলি করা হয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাকে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।এর আগে, লকডাউন চলাকালে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে চিকিৎসকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে আলোচনায় আসেন তিনি।

বদলির বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, সেদিনের চেকপোস্টে দলনেতা হিসেবে সেই ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে ছিলেন। বিধায় দলনেতা হিসেবে তাকে দায় নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক তাকে একাধিক প্রমাণপত্র দেখানোর পর আলাপ এতদূর এগুলোর দায় তাকে নিতে হবে। বিশেষত করোনাকালে কোনও চিকিৎসককে জেরা করার ক্ষেত্রে আরও সাবধান হওয়া উচিত ছিল। যখন তিনি একাধিক প্রমাণ দেখিয়েছেন তখন তার সঙ্গে এতে কথা হওয়া ঠিক হয়নি।

গত রোববার এলিফ্যান্ট রোডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় নিরাপত্তাচৌকিতে দায়িত্ব পালনরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী চিকিৎসকের পরিচয়পত্র দেখতে চান। ওই চিকিৎসক নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায় ওই নারী চিকিৎসকের পরিচয়পত্র দেখতে চান পুলিশ সদস্যরা। ঘটনার সময় উত্তেজিত হয়ে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা করতে দেখা যায় ওই চিকিৎসককে। তাকে উত্তেজিত ভঙ্গিতে কথা বলতে শোনা যায়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়।

এই ঘটনার পর চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়।

চিকিৎসকের দাবি, চিকিৎসককে ইচ্ছা করে হয়রানি করা হয়েছে। তার গাড়িতে লকডাউনের সময় হাসপাতালে কাজ করার আদেশনামা ছিল, পরনে অ্যাপ্রোন ছিল এবং গাড়িতে হাসপাতালের স্টিকার লাগানো ছিল। 

আর পুলিশের পক্ষের দাবি, চিকিৎসক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশকে ‘তুই’ বলে সম্বোধন করেছেন এবং গালি দিয়েছেন। তিনি নিজ মন্ত্রণালয়ের বৈধ আদেশ লঙ্ঘন এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয় পুলিশের বিবৃতিতে।

এর আগে বিএমএ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে এলিফ্যান্ট রোডে চিকিৎসককে হেনস্তায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিল।

ওই দিনের ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংবাদ ব্রিফিংয়ে চিকিৎসকদের পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। চেকপোস্টে ‘চাহিবামাত্র তা প্রদর্শনেরও’ অনুরোধ করেছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মেট্রোরেলের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ : সেতুমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

মেট্রোরেলের  সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ : সেতুমন্ত্রী

দেশের প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

হস্পতিবার তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি এ তথ্য জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ ভাগ। প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮৩.৫২ ভাগ।

তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি শতকরা ৫২.২২ ভাগ।

প্রথম উড়াল মেট্রোরেল ছয় কোচ বিশিষ্ট চব্বিশ সেট মেট্রোরেলে মোট কোচের সংখ্যা ১৪৪টি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার মধ্যে গতকাল বুধবার ছয় কোচ বিশিষ্ট প্রথম মেট্রোরেল সেট ঢাকার উত্তরাস্থ ডিপোর নবনির্মিত ডিএমটিসিএল জেটিতে পৌঁছেছে।
দ্বিতীয় মেট্রোরেল সেটের জাহাজীকরণ জাপানের কোবে সমুদ্রবন্দরে গত বুধবার সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী ১৬ জুনের মধ্যে দ্বিতীয় সেটটি দেশের মংলা বন্দর হয়ে উত্তরাস্থ ডিপোতে পৌঁছবে।

তৃতীয় ও চতুর্থ মেট্রোরেল সেটের শিপমেন্টের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১১ জুন ও ১৩ আগস্টের মধ্যে মংলা বন্দর হয়ে উত্তরাস্থ ডিপোতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা করছেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী জানান, পঞ্চম ট্রেন সেটের জাপান থেকে শিপমেন্টের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৬ জুলাই ও বাংলাদেশে পৌঁছানোর সম্ভাব্য তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর।

পরে সেতুমন্ত্রী গোপালগঞ্জ সড়ক জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএ’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন। এ সময় ওবায়দুল কাদের গোপালগঞ্জ জোনের প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা-যাওয়া করে। তাই জোনের অধীন সড়কগুলোকে সারা বছরই মেইনটেইন ও মনিটরিং আরো জোরদার করতে হবে।

বিআরটিএ’র সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দ্রুত ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড সংগ্রহ করে লাইসেন্স প্রদান করা এখন জরুরি। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে কার্ডের সরবরাহ করতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশের যেখানে যেখানে ঝড়-শিলাবৃষ্টির আভাস

অনলাইন ডেস্ক

দেশের যেখানে যেখানে ঝড়-শিলাবৃষ্টির আভাস

সারা দেশে আগামীকাল শুক্রবার ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, যা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এই অবস্থায় শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা নাগাদ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝডড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

গত কয়েকদিনের তাপপ্রবাহের পর বুধবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে বদলে যেতে থাকে প্রকৃতি। রাত ৮টা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। রাজধানীতেও ৮৩ কিমি বেগে হানা দেয় কালবৈশাখী। শুক্রবারও দিনভর আকাশ মেঘলা ছিল বিভিন্ন স্থানে। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় গরম অনুভূতি ছিল মাঝারি ধরনের।

আগামীকাল থেকে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। এসময় ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম/দক্ষিণ দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিমিতে উঠে যেতে পারে।

শনিবার নাগাদ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে। আর বর্ধিত পাঁচদিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তনের আভাস রয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউন শেষে যা যা বন্ধ রাখার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউন শেষে যা যা বন্ধ রাখার পরামর্শ

করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন শেষ হলেই এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ সহসাই কমছে না। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। তাই লকডাউন শেষ হলে সরকার ও জনসাধারণের করণীয় কী সেসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। চলমান সর্বাত্মক লকডাউন চলবে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে লকডাউন শেষে গণপরিবহন বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটির সভায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ পরামর্শ দেন।

এছাড়া করোনার সংক্রমণ রোধে  লকডাউন শেষে গণপরিবহনের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রিসোর্ট, সমুদ্রসৈকত বন্ধ রাখা এবং গণজমায়েতের অনুমতি না দিতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। 

সভায় লকডাউনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা না হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পরার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি), পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই কমিটির সদস্য।

সারাদেশে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া এ সর্বাত্মক লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল ২১ এপ্রিল। তার আগেই রোববার (১৮ এপ্রিল) রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩১তম সভায় ‘কঠোর লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। এরপরই চলমার লকডাউনের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউন শেষে সরকারের করণীয় বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউন শেষে সরকারের করণীয় বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন শেষ হলেই এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ সহসাই কমছে না। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। তাই লকডাউন শেষ হলে সরকার ও জনসাধারণের করণীয় কী সেসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটির সভায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই পরামর্শ দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা।

কমিটি সূত্র জানায়, সভায় লকডাউনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে গণপরিবহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রিসোর্ট, সমুদ্রসৈকত বন্ধ রাখা এবং গণজমায়েতের অনুমতি না দিতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সারাদেশে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া এ সর্বাত্মক লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল ২১ এপ্রিল। তার আগেই রোববার (১৮ এপ্রিল) রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩১তম সভায় ‘কঠোর লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। এরপরই চলমার লকডাউনের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

 লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয় সরকার
সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্বপ্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়ত করা যাবে।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি), পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই কমিটির সদস্য।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর