মানুষের কাতারে পড়ে না আওয়ামী লীগ: গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

মানুষের কাতারে পড়ে না আওয়ামী লীগ: গয়েশ্বর

আওয়ামী লীগ মানুষের কাতারে পড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এসময় তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মানুষের জন্য না। এদের মানুষের সংজ্ঞায় ফেলানো যায় না। নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, শেয়ারবাজার-ব্যাংক লুট, দুর্নীতি, অর্থ পাচার, এটা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। সেখানে সেই কুকর্ম উঠে আসবে।’

শুক্রবার (৫ মার্চ) দুপুর ১২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র, গণমাধ্যম, গণকণ্ঠ অবরুদ্ধ, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে? শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নানা ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সরকার নানাভাবে বিএনপিকে মূল দাবি থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন:


মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে সারারাতই থাকে ছিন্নমূল মানুষের আনাগোনা

২৫শে মার্চের ভয়াবহ সেই রাতের বর্ণনা দিলেন মওদুদ (ভিডিও)

ঢাকা বিএনপি: ব্যর্থতার কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা

পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহীদের জন্য আসছে কঠোর শাস্তি


এই সরকার জনগনের কল্যাণে কোন কাজ করছেনা মন্তব্য করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, তুমুল আন্দোলন ছাড়া সংকটময় এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। সবাইতে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানন তিনি। বলেন, নিজেদের ভুলত্রুটি সংশোধন করে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে স্বোচ্চার হওয়া উচিত। সত্যিকারের ত্যাগি কর্মীদের যদি মুল্যায়ন করা যায় তাহলে আন্দোলনে সফলতা আসবে।

কোনো ভাষণে দেশ স্বাধীন হয়নি দাবি করে গয়েশ্বর বলেন, 'দেশ স্বাধীন হয়েছে যুদ্ধে। সেই যুদ্ধের ডাক দিলেন কে? তিনি জিয়াউর রহমান। যুদ্ধ করেছেন কে? জিয়াউর রহমান। সুতরাং দেশ যতদিন থাকবে, জিয়াউর রহমান ততদিন থাকবে।'

তিনি বলেন, ১৯৬২ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত আমি কোনো সংগঠনের সদস্য ছিলাম বলে মনে পড়ে না। যখন দলের কর্মী বেড়ে যায়, তখন যারা পদ বঞ্চিত হয়, বুঝতে হবে তাদের মাঠে কোনো ত্যাগ নেই। তাদের দিয়ে আন্দোলন হয় না।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নোয়াখালী জেলা আ.লীগের সভাপতিকে ফোনে হত্যার হুমকি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী জেলা আ.লীগের সভাপতিকে ফোনে হত্যার হুমকি

নোয়াখালী জেলা আ.লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম সেলিমকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এ বিষয়ে শুক্রবার দুপুরে ফোনে যোগাযোগ করলে এ এইচ এম খায়রুল আনম সেলিম তাকে হুমকি দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন। 

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় খায়রুল আনম সেলিমের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একটি অপরিচত নম্বর থেকে ফোন করে এ হুমকি দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘একটি নম্বর থেকে আমার মুঠোফোনে কল আসে। ফোন রিসিভ করে হ্যালো বললে ফোনের ওপাশ থেকে বলা হয়, ‘‘ সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে, আমাকে, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদস্য একরামুল করিম চৌধুরীকে হত্যা করা হবে। কারণ আমরা নাকি নোয়াখালী ডিসি, এসপিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছি। এরপর কে বলছেন জানতে চাইলে আবারও একই কথা বলে। এরপর আর কোনো কথা না বলে সংযোগ কেটে দেয়।’

আরও পড়ুন:


ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুর

২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৮৮

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তিনি নোয়াখালী পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন। 

এ বিষয়ে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.জিয়াউল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। এ বিষয়ে তিনি এখনো থানায় কোন অভিযোগ করেননি।  

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সরকারবিরোধী উসকানিমূলক স্ট্যাটাস, হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

সরকারবিরোধী উসকানিমূলক স্ট্যাটাস, হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে হেফাজত ইসলামের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার উত্তর শোলকিয়া করমুল্লাহ বাজারসংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানিযেছে, ফেসবুকে সরকারবিরোধী উসকানিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  

গ্রেপ্তার মাওলানা ইমরান নোমানী (৩৩) নোয়াখালী জেলা হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের মাওলানা নোমানুর রশীদ আশ্রাফীর ছেলে।

আরও পড়ুন:


ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুর

২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৮৮

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার উত্তর শোলকিয়া করমুল্লাহ বাজার থেকে হেফাজত নেতা ইমরান নোমানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতার পদত্যাগ, তাণ্ডবকারীদের বিচার দাবি

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজত নেতার পদত্যাগ, তাণ্ডবকারীদের বিচার দাবি

পদত্যাগ করেছেন হেফাজতে ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমি। তিনি হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটিরও সদস্য। তিনি হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন।

হেফাজতের তাণ্ডব ইস্যুতে নিজের অবস্থান পরিস্কার করতে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্য পাঠান আব্দুর রহিম কাসেমী।

লিখিত বক্তব্যে কাসেমী উল্লেখ করেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী হেফাজতে ইসলামের ডাকে যে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তা নজিরবিহীন ও অমানবিক। দেশ ও জনগণের জানমালের ক্ষতি কোনোভাবেই ইসলামসম্মত হতে পারে না। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে এ সমস্ত কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় থাকি এবং আমার তত্বাবধানে পরিচালিত সমস্ত মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের এ সমস্ত দেশ ও ইসলামবিরোধী কাজে যোগদান না করতে বাধ্য করি।'

তিনি আরও বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে হেফাজতে ইসলামের সকল কার্যক্রম ও জাতীয় এবং জেলা কমিটির পদসমূহ থেকে পদত্যাগ করছি। যাদের প্ররোচণায় দেশ ও জনগণের জানমালের এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকার ও প্রশাসনকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি’।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শতাধিক সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা।

এ সব ঘটনায় ৫৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলাগুলোতে এজহারনামী আসামি ৪১৪ জন ও অজ্ঞাতনামা ৩৫ হাজারেরও বেশি। এ সব মামলা শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়ছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:


ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুর

২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে

ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুরের

নোয়াখালী প্রতিনিধি

ওবায়দুল কাদেরকে পদত্যাগের আহ্বান ভাগ্নে মঞ্জুরের

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু সড়ক, যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তিন দিন আগে আপনার ভাই সাহাদাত বাড়ির সামনে চকলেট বোমা কত গুলো রেখে একটা নাটক সাজিয়েছে। তাকে নাকি বোমা মেরে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনার ভাই সাহাদাত এমন কেউ নয় যে তাকে বোমা মেরে মারতে হবে। 

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টায় ওবায়দুল কাদেরের ভাগ্নে মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, এখন আবার আপনার ভাইয়ের কর্মীরা এবং বাহির থেকে আনা সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণের কথা বলে একটা গুজব রটাচ্ছে। এটা কি হেড মাস্টার মোশারেফ সাহেবের বাড়ি, এটা কি ওবায়দুল কাদের সাহেবদের বাড়ি, নাকি এটা সন্ত্রাসীদের বাড়ি। আমি আপনাকে প্রশ্ন করতে চাই- আপনাদের বাড়ির ঘাটলায়, আপনাদের বাড়ির ভিতরে, আপনাদের সামনে, আপনার বাড়ির পিছনে, আপনার ভাইয়ের অফিসের পিছনে বোমা বানায় কিভাবে সন্ত্রাসীরা? কোম্পানীগঞ্জ কি আপনাদেরকে ইজারা দেওয়া হয়েছে?
    
মঞ্জু কাদের মির্জাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কাকে হুমকি দিচ্ছেন। কোম্পানীগঞ্জকে শান্ত করতে হলে আপনাকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করতে হবে। কিসের শান্তির বার্তা দিচ্ছেন আপনি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মীর শরীরে এক ফোটা রক্ত থাকতে আপনার সাথে কোনও বৈঠক হবে না। আমাদের আর একটা কর্মীর গায়ে যদি আঘাত পড়ে আবদুল কাদের মির্জাকে পৌরসভা থেকে নিয়ে আসব। আমাদের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়েন না। বহু ধৈর্য ধরছি আমরা, ভদ্রতা অনেক দেখিয়েছি। অনেক সম্মান দেখিয়েছি।

আরও পড়ুন:


২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

শ্যামনগরে মাছের ঘের থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


সেতুমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি দেখতে দেখতে চার মাস দেখেছেন। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দুইজন কর্মী জীবন দিয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি লাঞ্ছিত হয়েছে, সাধারণ সম্পাদক আজকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার দু'টি হাঁটু বিকল করে দেয়া হয়েছে। আপনি বসে বসে খেলা দেখছেন। কিসের খেলা দেখছেন। আপনি কি আমাদের ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। 

শরীরের সব রক্ত চলে গেলেও কোম্পানীগঞ্জে আপনার ভাই আবদুল কাদের মির্জা ও সাহাদাত এবং আপনার ভাতিজা তাশিককে এখানে অপরাজনীতি করে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে দেয়া হবে না। এটা স্পষ্ট ভাষায় আপনাকে বলে দিচ্ছি। আপনি ব্যবস্থা নেন। না হলে এর শেষ পরিণতির জন্য আপনি দায়ী থাকবেন। 

সেতুমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, কোম্পানীগঞ্জে যে দু'টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে আজ পর্যন্ত আপনি আপনার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। তার মানে হচ্ছে এ হত্যার দায় আপনিও এড়াতে পারেন না। আপনার এসব ডুয়েল স্ট্যান্টবাজি বন্ধ করেন। এর দায় আপনি এড়াতে পারেন না। দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হলে আপনি পদত্যাগ করেন। কাদের মির্জার ছেলে শিবচরে ইলেকশন করতে গিয়ে সাংসদের গাড়ির স্টিকার লাগিয়ে ধরা পড়ে। পরে মন্ত্রী তাকে ফোন দিয়ে রক্ষা করে। 

ঘটনাটি কোম্পানীগঞ্জের মানুষ একটু জানতে চায়। নিজের ভাই এবং তার ছেলেকে সামলান। কোম্পানীগঞ্জের মানুষকে জিম্মি করে অর্থের পাহাড় গড়ে তুলেছে। আপনার ভাই রক্ত পিপাসু নরপিশাচ ফেসবুকে লাইভে এসে ঘোষণা দিয়েছে সে লাশ ফেলবে। ভাইয়ের কারণে আপনার সম্মান গেছে। এসব নোংরা খেলা বন্ধ করুন। একবার ভাইয়ের পক্ষে, একবার আওয়ামী লীগের পক্ষে। এসব করে কোম্পানীগঞ্জ ও নোয়াখালীর আওয়ামী লীগকে জাহান্নাম বানিয়েছেন।  

তিনি আরও বলেন, কাদের মির্জা একজন কুলাঙ্গার, তাকে নিয়ে কথাও বলতে চাই না। এ কুলাঙ্গার আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে এখন ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে কথা বলে, আওয়ামী লীগ নিয়ে কথা বলে। আপনাকে আগামীকাল (শুক্রবার) পর্যন্ত সময় দিলাম। এসব ইঁদুর বিড়াল খেলা বন্ধ করেন। যদি বন্ধ না করেন তাহলে পরদিন থেকে কোম্পানীগঞ্জে লাগাতার আইন অমান্য আন্দোলন চলবে। সে আন্দোলন আপনি রুখতে পারবেন না। 

আপনাকে অনুরোধ করলাম, পবিত্র রমজান মাসে কোম্পানীগঞ্জের মানুষকে যে জিম্মি দশায় আছে, তা থেকে মুক্তি দিন। আপনি (ওবায়দুল কাদের) এসে দেখেন। আপনার ভাইয়ের সন্ত্রসীদের কারণে বসুরহাট বাজারে মানুষ ওঠে না। দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আপনার ভাইয়ের সমস্যার সমাধান করতে না পারেন পদত্যাগ করেন। আপনার কারণে শুধু নোয়াখালীর আওয়ামী লীগ নয়, সারাদেশের আওয়ামী লীগ বিতর্কিত হচ্ছে। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উগ্র সাম্প্রদায়িক দানবের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষক দল হচ্ছে বিএনপি: কাদের

অনলাইন ডেস্ক

উগ্র সাম্প্রদায়িক দানবের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষক দল হচ্ছে বিএনপি: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের সব ঘটনাতেই বিএনপি জড়িত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ও উগ্র সাম্প্রদায়িক দানবের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষক দল হচ্ছে বিএনপি।'

আজ শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত অসহায়, কর্মহীন মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি নিচের সরকারি বাসভবন থেকে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জন করা একমাত্র রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। চলমান করোনা সংকটেও সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সারাদেশের অসহায়, খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জনপ্রতিনিধি ও দলের নেতাকর্মীরা শুধু সুরক্ষা সামগ্রী নয়, নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা নিয়েও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

আরও পড়ুন:


২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

শ্যামনগরে মাছের ঘের থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২


তিনি আরও বলেন, লকডাউনের কারণে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, সেই সব অসহায়, খেটে খাওয়া মানুষ ও ভাসমান মানুষদের সহায়তা করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কেবল দলের নেতাকর্মী নয়, সমাজের সামর্থ্যবান সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। করোনাকে পরাজিত না করা পর্যন্ত দুঃস্থ, অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চলমান রাখতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন দুইটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে- করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, অন্যটি খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সারাদেশে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে করোনা মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ সেবা দিতে হবে। এই মূহূর্তে আপনারা দলের কর্মী নয়, দেশের কর্মী হিসেবে কাজ করবেন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর