লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

অনলাইন ডেস্ক

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

তুরস্কে এমন এক প্রাসাদ আছে যাকে বলা হয় “তুলোর প্রাসাদ”। স্থানীয় ভাষায় এর নাম পামুক্কালে।

তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দেনিজলি রাজ্যে আপনি দেখতে পাবেন এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাসাদ। এখানে প্রকৃতি আমাদের জন্যে তার উৎকৃষ্ট একটি সৃষ্টি উপহার দিয়ে গিয়েছে যা দেখতে বছর বছর ভিড় জমতে থাকে।

এই প্রাসাদ আসলেই তুলো দিয়ে সৃষ্টি হয়নি। তবে এর রঙ তুলোর মতো ধবধবে সাদা হওয়ার পেছনে রয়েছে অদ্ভুত সুন্দর কারণ। আপনার মনে হবে বরফের রাজ্যে এসে গেছেন। তবে যেটাকে আপনি বরফ ভাবছেন সেটা হলো সামান্য লবণ।

এখানে রয়েছে খনিজ লবণের প্রাচুর্য। মেন্দেরেস নদী ও আজিয়ান সাগরের সংযোগস্থলে রয়েছে এই বিশাল প্রাসাদ। তবে আবহাওয়া কিন্তু ভারতের মতোই নাতিশীতোষ্ণ।

পাহাড়ি এই উপত্যকায় থাকা খনিজ লবণ আপনার জন্যে প্রাকৃতিক স্পায়ের কাজ করবে। খনিজ লবণগুলি হাওয়ায় জমাট বেঁধে চুনাপাথরের এই শক্ত প্রাসাদ গড়ে উঠেছে। আবার এর সঙ্গে রয়েছে গরম ঝর্ণার প্রাচুর্য।

গরম জলের এই ঝর্ণাগুলি জায়গায় জায়গায় আবার সৃষ্টি করেছে ছোট ছোট জলাশয়ের। সেই উষ্ণ জলে আপনি স্নানও করতে পারবেন আবার তাতে পা ডুবিয়ে তার আরামও উপভোগ করতে পারবেন।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এমন অদ্ভুত প্রাকৃতিক বৈচিত্রের জন্যে এখন এই জায়গাটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষিত হয়েছে। ফলে পর্যটন শিল্প বিশাল মাত্রা নিয়েছে এখানে। সেটাকে ভিত্তি করেই নতুন আর্থিক উন্নতির পথ খোলায় সরকারও এর প্রতি এখন যত্নশীল হয়েছে।

এর পাশে আবার গ্রিক-রোমানদের প্রাচীন শহর হিয়েরাপোলিস রয়েছে। তার নিদর্শন স্বরূপ সেখানকার রাস্তা, মন্দির, স্নানাগার সব সুন্দর করে রক্ষনাবেক্ষন করা হয়ে থাকে। এই গোটা শহরটিও আপনি দেখতে পারবেন এয়ার বেলুনে করে ঘুরে ঘুরে।

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জোনাথন দ্য টরটইজ: পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক প্রাণী

হারুন আল নাসিফ

জোনাথন দ্য টরটইজ: পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক প্রাণী

এই মুহূর্তে পৃথিবীতে মানুষের জানামতে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রাণী হচ্ছে জোনাথন নামের একটি সামুদ্রিক কচ্ছপ, জোনাথন দ্য টরটইজ। জন্ম ১৮৩২ সালে। ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণের পাঁচ বছর আগে। সে হিসেবে তার বয়স  চলছে  ১৮৯ বছর! জোনাথনের বাস দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি সেন্ট হেলেনায়।

১৮৮২ সালে ভারত মহাসাগরের সিসিলি থেকে এই জায়ান্ট কচ্ছপটিকে সম্পূর্ণ পরিণত অবস্থায় সেন্ট হেলেনায় আনা হয়। এর মানে তখন এর বয়স ছিলো কমসে কম ৫০ বছর। ১৯৩০-এর দশকে সেন্ট হেলেনার গভর্নর স্যার স্পেন্সার ডেভিস এর নাম রাখেন জোনাথন।

সেন্ট হেলেনা নেপোলিয়ন বোনাপার্তির শেষশয্যার স্থান হিসেবে বিখ্যাত। ১৮১৫ সালে ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর তাকে সেন্ট হেলেনায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। তবে এই ফরাসি বীরের সঙ্গে জোনাথনের সাক্ষাৎ হয়নি। কারণ তার আগমনের ছয় দশক আগেই নেপোলিয়ন দেহ রক্ষা করেন।

উল্লেখ্য, জোনাথনকে সেন্ট হেলেনায় আনার পর তৎকালীন গভর্নর উইলিয়াম গ্রে-উইলসনকে উপহার দেওয়া হয়। উইলসন ১৮৯০ থেকে ১৮৯৭ পর্যন্ত সেন্ট হেলেনার গভর্নর ছিলেন। সেই থেকে জোনাথন এখনো সেন্ট হেলেনার গভর্নরের সরকারি বাসভবন প্ল্যানটেশন হাউসের আঙ্গিনায় বাস করছে। সেন্ট হেলেনার সরকারই তার দেখভাল করে থাকে।

প্ল্যানটেশন হাউস একটি জর্জিয়ান ভবন। ১৭৯১-১৭৯২ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এটি নির্মাণ করে। এখানে জোনাথনের সঙ্গে থাকে আরো তিনটি বৃহদাকার কচ্ছপ- ডেভিড, এমা ও ফ্রেড। এই বয়সেও জোনাথনের স্বাস্থ্য বেশ ভালো। যদিও বার্ধক্যের কারণে তার কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। জোনাথন রোদ পোহাতে পছন্দ করে। সূর্যস্নান করে। কিন্তু গরম বেশি পড়লে ছায়ায় গিয়ে আশ্রয় নেয়।

চোখে ছানি পড়ার কারণে জোনাথন দেখতে পায় না বললেই চলে। সব ধরনের ঘ্রাণশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তবে তার দৃষ্টিশক্তি চমৎকারভাবে ফিরে এসেছে এবং তার দারুণ ক্ষুধা রয়েছে। ভেট জানান, জোনাথনের যৌনশক্তি এখনো অটুট ও ভালো রয়েছে, যা প্রমাণ করে যে তার শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যও ভালো রয়েছে। তাকে প্রায়ই এমা ও ফ্রেডের সঙ্গে মিলিত হতে দেখা যায়।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

আপনি কী করেন? এটি মোটেও নিরীহ প্রশ্ন নয়

সড়ক দুর্ঘটনায় রাস্তাটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছে: নোবেল

লকডাউনে 'বান্ধবীর' সাথে দেখা করতে যুবকের আকুতি, পুলিশের রোমান্টিক জবাব!


জোনাথন বেশ ভদ্র এবং মানুষের সঙ্গে উপভোগ করে। শ্রবণশক্তি ভালো থাকায় বিশেষ করে খাওয়ানোর সময় নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয়। জোনাথন কলা বেশ পছন্দ করে। তবে এটি তার মুখে লেগে থাকে। এছাড়া. বাঁধাকপি, শশা, আপেল, মৌসুমি ফল-মূল ও গাজরও দারুণ উপভোগ করে। তবে তাকে কোনোকিছুই বেশি খেতে দেওয়া হয় না। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে স্বল্প পরিমাণে সুষম খাদ্য পরিবেশন করা হয়।

দ্বীপবাসীদের কাছে জোনাথন বেশ জনপ্রিয়। কালের সাক্ষী জোনাথনকে সম্মান জানাতে সেন্ট হেলেনার পাঁচ পয়সার মুদ্রার উল্টো পিঠে জোনাথনের ছবি মুদ্রণ করা হয়েছে। কিছু বিধি-নিষেধ ধাকলেও দর্শনার্থীরা জোনাথনের দর্শন পেতে পারেন। কোভিড-১৯ মহামারীর এই ক্রান্তিকালেও প্রায় দুই শতাব্দী বয়সী এই কাছিমটি বেঁচে-বর্তে আছে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলগ্রহে প্রথমবারের মত যন্ত্র দিয়ে তৈরি হল অক্সিজেন

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলগ্রহে প্রথমবারের মত যন্ত্র দিয়ে তৈরি হল অক্সিজেন

নাসা মঙ্গলগ্রহে পারসিভেয়ারেন্স রোভার বলে যে মহাকাশযান পাঠিয়েছে, সেটির একটি ছোট্ট যন্ত্র মঙ্গলের কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে তা থেকে অক্সিজেন তৈরি করেছে। যন্ত্রটির নাম 'মার্স অক্সিজেন ইন-সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন এক্সপেরিমেন্ট' বা সংক্ষেপে মোক্সি।

নাসার এই মঙ্গল অভিযানে এটি এ ধরণের দ্বিতীয় প্রযুক্তিগত সাফল্য। এর আগে পারসিভেয়ারেন্স থেকে একটি মিনি হেলিকপ্টার উড়েছিল মঙ্গল গ্রহের ওপর।

যে যন্ত্রটি দিয়ে মঙ্গলগ্রহে অক্সিজেন তৈরি করা হয়েছে, সেটি আকারে একটা পাউরুটি সেঁকার টোস্টারের সমান। এই যন্ত্রটি পাঁচ গ্রাম গ্যাস তৈরি করেছে- যা দিয়ে মঙ্গলগ্রহে একজন নভোচারী বড়জোর দশ মিনিট শ্বাস নিতে পারবেন।

নাসা মনে করছে, ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে মানুষের অভিযানের সময় তাদের পুরোটা সময়ের জন্য যে অক্সিজেনের দরকার হবে তা পৃথিবী থেকে বহন করে নেয়ার পরিবর্তে মোক্সি নামের এই যন্ত্রটিরই আরও বড় কোন সংস্করণ সাথে নেয়া যেতে পারে।

মহাকাশে যেতে যে রকেট ব্যবহৃত হয়, সেই রকেট চালানোর জন্যও অক্সিজেন লাগে। অক্সিডাইজারের উপস্থিতিতে জ্বালানি পুড়িয়ে রকেট সামনে অগ্রসর হওয়ার গতি অর্জন করে। ‌এই অক্সিডাইজার হিসেবে সাধারণ অক্সিজেনও ব্যবহার করা যায়।

মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডই বেশি, প্রায় ৯৬ শতাংশ। অক্সিজেন আছে মাত্র শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ। অথচ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আছে ২১ শতাংশ অক্সিজেন।

মোক্সি নামের যন্ত্রটি মঙ্গলের কার্বন ডাইঅক্সাইডের অণু থেকে অক্সিজেন বের করতে পারে। কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রতিটি অণুতে থাকে কার্বনের একটি এবং অক্সিজেনের দুটি পরমাণু। আর এই অক্সিজেন বের করে নেয়ার পর যে কার্বন মনোক্সাইড অবশেষ হিসেবে থেকে যায়, তা ছেড়ে দেয়া হয় মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন

ভিক্ষা করে হলেও অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশ ভারতে

১৫ বছর ধরে কাজে যান না, বেতন তুললেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা!


নাসার যে টিম মোক্সি যন্ত্রটি চালাচ্ছে, তারা বিভিন্নভাবে এটি পরীক্ষা করে দেখছে কিভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।

তাদের প্রত্যাশা হচ্ছে, এটি দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় দশ গ্রাম পর্যন্ত অক্সিজেন উৎপাদন করা যাবে।

নাসার স্পেস টেকনোলজি মিশন ডাইরেক্টরেটের টেকনোলজি বিষয়ক পরিচালক ট্রাডি কোর্টেস বলেন, "মোক্সি যে ভিনগ্রহে অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রথম যন্ত্র কেবল তাই নয়, এটি হচ্ছে এ ধরণের প্রথম প্রযুক্তি যা ভবিষ্যতের অভিযানগুলোকে ভিন্ন কোন গ্রহে সেখানকার পরিবেশের উপাদান ব্যবহার করেই বেঁচে থাকতে সহায়তা করবে।"

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে গুগলের বিশেষ ডুডল

অনলাইন ডেস্ক

আজ ২২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পৃথিবীর প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতিবছর এই দিবসটি পালিত হয়েছে আসছে।

১৯৭০ সালে তার নেতৃত্বেই বিশ্বের জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস শুরু হয়। তার অক্লান্ত চেষ্টায়ই যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ রক্ষা সংস্থা গড়ে ওঠে। এ ছাড়া দূষণমুক্ত বায়ু, পানি ও হুমকির মুখে থাকা জীব প্রজাতি সম্পর্কে আইন করা হয়। অবশ্য পরে বিশ্বজুড়েই জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

এই দিবসের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণায় বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাদের মূল পাতায় একটি বিশেষ ডুডল যুক্ত করেছে। বিশেষ দিনে হোমপেজে ডুডল ব্যবহার করে গুগল। ডুডল হলো বিশেষ নকশা বা চিত্রের মধ্য দিয়ে কোনো বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়। ডুডল ব্যবহারের মাধ্যমে বিষয়টির উপলক্ষ সম্পর্কে সবাইকে জানানো হয়।

এবারের ধরিত্রী দিবসের গুগুল ডুডলে দেখা যায়, একটি গাছের নিচে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী গাছে হেলান দিয়ে বই পড়ছেন। আর, আরেক পাশে একই গাছের নিচে চারাগাছ হাতে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি শিশু। ডুডলটির ওপর ক্লিক করলে ইউটিউবে একটি ভিডিও আসে।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

বেনজেমা ভেল্কিতে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন


এতে দেখা যায় একটি শিশু গাছের চারা রোপণ করছে। এরপর চারাটি একসময় পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে রূপান্তরিত হয় এবং শিশুটিও প্রাপ্তবয়স্ক থেকে ক্রমে বৃদ্ধা হন। এরপর সেই বৃদ্ধা একটি শিশুর হাতে একটি গাছের চারা তুলে দেন। এভাবে চলতে থাকে। মূলত গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা ভিডিওটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ডুডলটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বীজবিহীন চায়না-৩ জাতের লেবু চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁর রানীনগরে বীজবিহীন চায়না-৩ জাতের লেবু চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে কৃষকরা। রাণীনগর উপজেলাতে সুফলা নওগাঁ এগ্রো প্রজেক্ট-এর ১৫ জন যুবকের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে এ বাগান। তাদের সফলতা দেখে এ জাতের  লেবু চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন অনেকে। 

নওগাঁর রাণীনগরের চকাদিন গ্রামে ২০১৯ সালের শুরুতে ২ একর পতিত জমি ১০ বছরের জন্য লিজ নেয় কয়েকজন যুবক। এই জমিতে চায়না-৩ লেবু, পেয়ারা, ড্রাগন ও মাল্টার গাছ লাগান তারা। তবে বাগানের ব্রান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে চায়না-৩ জাতের লেবু। করোনাকালে এই বাগানের উৎপাদিত লেবু সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

আরও পড়ুন


স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ে করলেন শামীম-সারিকা!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেল ৯৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৪২৮০

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে


এ জেলার মধ্যে বীজবিহীন লেবু চাষে সুফলা নওগাঁ এগ্রো প্রজেক্ট দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সুফলার দেখাদেখি এই অঞ্চলে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে লেবুর বাগান করেছে অনেকে। এইসব বাগানে কর্মসংস্থানও হয়েছে শতাধিক মানুষের।

সংশ্লিস্টরা বলছেন, দেশে যত জাতের লেবু আছে তার মধ্যে এ জাতের লেবুর ধারন ক্ষমতা বেশি। এসব লেবুর মান ভাল হওয়ায় বাজার দরও বেশ চড়া।  

লেবু গাছের চারা লাগানোর তিন মাস পর ফুল ও ছয় মাস পর থেকে ফল আসা শুরু করে বলে জানালেন কৃষি কর্মকর্তারা।  

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলের আকাশে উড়লো প্রথম উড়ন্ত যান

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলের আকাশে উড়লো প্রথম উড়ন্ত যান

প্রথমবারের মত মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সফলভাবে একটি ছোট ড্রোন ওড়াতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ইনজেনুয়িটি নামের এই ড্রোন মঙ্গলের আকাশে এক মিনিটের কম সময়ে ওড়ে।

তবে অন্য একটি গ্রহের আকাশে এই প্রথম যন্ত্রচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত কোন যান ওড়ানোর এই সাফল্যে উল্লসিত নাসা। এই সাফল্য সামনের দিনগুলোতে আরও দুঃসাহসিক বিমান ওড়ানোর পথ প্রশস্ত করল বলে জানিয়েছে তারা।

মঙ্গলের বুক থেকে মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের এই ড্রোনটি প্রায় ৩ মিটার উপরে ওঠে, ড্রোনের পাখাগুলো ঘুরতে দেখা যায়, ড্রোনটি এদিক থেকে ওদিকে যায় এবং প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর ড্রোনটি আবার সফলভাবে মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইনজেনুয়িটি ড্রোনটির প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা পরীক্ষা করার পর এটিকে এখন তারা আরও উঁচুতে এবং আরও দূর পর্যন্ত ওড়াতে চান।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট


মঙ্গলের মাটি থেকে কোন বায়ুযান গ্রহটির আকাশে ওড়ানো খুবই কঠিন। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল খুবই পাতলা। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের মাত্র ১% শতাংশ ঘনত্ব গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর