স্বস্তি ফিরেছে নিউজিল্যান্ডে, ১৩ ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক

স্বস্তি ফিরেছে নিউজিল্যান্ডে, ১৩ ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার

আতঙ্ক কেটে যাওয়ায় অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ল নিউজিল্যান্ডবাসী। পরপর ৭ মাত্রার চেয়েও শক্তিশালী ৩টি ভূমিকম্প আঘাত হানায় জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। ১৩ ঘণ্টা পর সেই সতর্কতা তুলে নেয়া হল।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের খবরে বলা হচ্ছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ২টা ২৭ মিনিটে নর্থ আইল্যান্ড থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর ভোর ৬টা ৪১ মিনিটে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কেরমাডেক আইল্যান্ডে আঘাত করে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। আর সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে ওই এলাকা আবারও কাঁপিয়ে দেয় ৮ দশমিক ১ মাত্রার প্রচণ্ড শক্তিশালী আরেকটি ভূমিকম্প।

দেশটিতে পরপর ৩টি ভূমিকম্পের জেরে নর্থ আইল্যান্ডের বেশিরভাগ এলাকায় জরুরি সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল নিউজিল্যান্ডের জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা। পরে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে সতর্কতা কিছুটা নামিয়ে আনে তারা। আর বিকেল ৩টার পর সুনামি সতর্কতা পুরোপুরি তুলে নিয়েছে সংস্থাটি।

অকল্যান্ডবাসীদের জানানো হয়েছে, ভয়ংকর সুনামি ঢেউ দূরে সরে গেছে। একারণে সেখানে সবধরনের জাতীয় সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


বিনা বিচারে ২ ফিলিস্তিনি নেতার আটকের মেয়াদ বাড়াল ইসরাইল

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে যা বললেন জাহ্নবী কাপুর

আইনমন্ত্রীর সামনেই দুই মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হবে: আইনমন্ত্রী


নিউজিল্যান্ডের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী কিরি অ্যালান জানিয়েছেন, এখন আর সমুদ্র সৈকতে যেতে কারও বাধা নেই। তরপরও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকা থেকে দ্রুত সব বাড়ি, স্কুল ও অফিসের লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ। পুরোপুরি খালি করে দেওয়া হয় ওপোতিকির মতো কয়েকটি শহর।

বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে পূর্ব উপকূলীয় তোকুমারু বে এলাকার সৈকতে বিশাল বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়তে দেখা গেছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দিল্লির শ্মশানে জায়গা না পেয়ে লোকালয়ে গণচিতা

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লির শ্মশানে জায়গা না পেয়ে লোকালয়ে গণচিতা

করোনা ভাইরাসে ভারত যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা এতই বেড়েছে মরদেহ সমাহিত করার জায়গা পেতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে মৃতদের পরিবারকে। শ্মশান ঘাটে লাশের সারি,তাই খোলা প্রান্তরে জ্বলছে সারি সারি চিতা। রাজধানীর দিল্লি থেকে এমনই এক দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছে রয়র্টার্সের ড্রোন। ছবিটি ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের (২২ এপ্রিল) তথ্যমতে, দিল্লিতেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ১৬৯ জন। মারা গেছেন ৩০৬ জন করোনা রোগী। সেই পরিস্থিতিতেই জনবসতিপূর্ণ এলাকার পাশে বহ্নিমান গণচিতার একটি ছবি সামনে এনেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। তারা জানিয়েছে, শুধু শ্মশানই নয়, রাজধানীর কবরস্থানগুলোর অবস্থাও এক। দেহ সমাহিত করার জায়গা পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কোভিডে মৃতদের পরিবারকে।

এর আগে দেশটির গুজরাট, মধ্যপ্রদেশের মতো জেলায়ও শ্মশানের বাইরে দেহ নিয়ে সারি সারি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে দিল্লিতে পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, শ্মশানের বাইরে লাইনেও জায়গা পাচ্ছেন না অনেকে। বাধ্য হয়ে বাড়িতেই প্রিয়জনের মরদেহ রেখে দিতে হচ্ছে।

দিল্লির সীমাপুরীর বাসিন্দা নিতিশ কুমার জানান, কোভিডে আক্রান্ত হয়ে দু’দিন আগে তার মা মারা গিয়েছেন। কিন্তু কোনো শ্মশানে মায়ের মরদেহ দাহ করার জায়গা পাননি। বাধ্য হয়ে দু’দিন বাড়িতেই মায়ের মরদেহ রেখে দিয়েছিলেন তিনি। নিজে এদিক-ওদিক চষে বেড়িয়েছেন। কোথায় দাহ করা যায়, জায়গা খুঁজছিলেন। শেষমেশ একটি পার্কিং লটে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শ্মশানে মা-কে চিতায় তোলার জায়গা মেলে। 

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘শহিদ ভগৎ সিংহ সেবা দল’-এর প্রধান জিতেন্দ্র সিংহ শান্টি বলেন, দিল্লিতে এমন দৃশ্য দেখতে হবে কেউ ভাবেনি। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়ে, কারও বয়স ৫, কারও ১৫, কারও ২৫। তাদের দাহ করতে হচ্ছে। সদ্য বিবাহিত অনেকের দেহও শ্মশানে আসছে। চোখে দেখা যাচ্ছে না।

তিনি জানান, সীমাপুরীর পার্কিং লটে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শ্মশানে বৃহস্পতিবার বিকেলে ৬০টি দেহ দাহ করা হয়েছে। জায়গা না পেয়ে পড়েছিল আরও ১৫টি দেহ। কিন্তু গতবছর পরিস্থিতি এতটা ভয়ংকর ছিল না। সংক্রমণ যখন সর্বোচ্চে গিয়ে ঠেকে, সেই সময়ও একদিনে সর্বাধিক ১৮টি দেহ দাহ করতে হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, ১৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, ১৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

ফাইল ছবি

লিবিয়া উপকূলে ১৩০ শরাণার্থী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে গেছে। উল্টে যাওয়া নৌকার কাছ থেকে ভাসমান অবস্থায় অন্তত ১০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় ফ্রান্সের দাতব্য সংস্থা এসওএস মেডিটেরানি।

এসওএস মেডিটারানি বলেছে, রাবারের তৈরি নৌকাটিতে ১৩০ জন যাত্রী ছিল। লিবিয়া উপকূলে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চরম দুর্দশার মুখে পড়া তিনটি নৌকার উপস্থিতির ব্যাপারে তাদেরকে গত বুধবার জানানো হয়।

অন্যদিকে প্রায় ৪০ জন শরণার্থী নিয়ে আরো একটি কাঠের নৌকা ভূমধ্যসাগরে এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছিল সংস্থাটি। তবে এসব অভিবাসী কোন কোন দেশের নাগরিক সেবিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। তারা অবৈধভাবে ইতালিতে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানা গেছে। নৌকাডুবির ঘটনায় কাউকে জীবিত উদ্ধার করা না গেলেও ১০ জনের মরদেহ সাগরে ভাসতে দেখা গেছে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) চিফ অব স্টাফ ইউজেনিও আমব্রোসি বলেন, ভূমধ্যসাগরের মাঝামাঝি হওয়া এই নৌকাডুবির ঘটনায় কমপক্ষে একশ জনের প্রাণহানি হয়েছে।  

তিনি টুইটারে লেখেন, এগুলো বিশ্বের নেওয়া নীতিগুলোর মানবিক পরিণতি; যা কোনোভাবে আন্তর্জাতিক আইনকে সমর্থন করে না।

অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার জন্য লিবিয়া উপকূলকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে থাকে মানবপাচারকারীরা। ডুবে যাওয়া অভিবাসীদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বিভিন্ন সংস্থা। তবে তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের (২২ এপ্রিল) ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ছাড়াই এই বছরেই ভূমধ্যসাগরে ডুবে ৩৫০ জনের বেশি শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (আইওএম) তথ্য‍ানুযায়ী, গত বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে দুই হাজার ২০০র বেশি শরণার্থী সমুদ্রে প্রাণ হারিয়েছেন। গত মার্চে আইওএমর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। বলা হয়, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত এর থেকেও অনেক বেশি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভারতে করোনায় মৃতের লাশ ফেলে দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ স্বজনদের

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে করোনায় মৃতের লাশ ফেলে 
দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ স্বজনদের

ভারতের মধ্যপ্রদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মরদেহ স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বরং তাদের না জানিয়েই দূরে মরদেহ ফেলে দেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যটির রাজধানী ভোপাল থেকে ৫৭ কিলোমিটার দূরে বিদিশা জেলা হাসপাতালে এমনই একটি মর্মান্তিক ভিডিও দেখা গেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ নিয়ে হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স বেরিয়ে এসেছে। হাসপাতালের ফটক পেরিয়ে মোড়ে পৌঁছে মরদেহটি ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সটির হাড্ডিসার চালককে আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

আপনি কী করেন? এটি মোটেও নিরীহ প্রশ্ন নয়

সড়ক দুর্ঘটনায় রাস্তাটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছে: নোবেল

লকডাউনে 'বান্ধবীর' সাথে দেখা করতে যুবকের আকুতি, পুলিশের রোমান্টিক জবাব!


এরপর দুজন লোক সেখানে দৌড়ে চলে যান। যদিও তখন পিপিই-পরা একজন লোককে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর থেকে উঁকি দিতে দেখা গেছে।
অভিযোগে বলা হচ্ছে, স্বজনদের না জানিয়েই মরদেহ দূরে ফেলে দিয়ে আসছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, মহমারির দ্বিতীয় ঢেউ সবচেয়ে জোরে আছড়ে পড়েছে ভারতে। টানা দ্বিতীয় দিন তিন লাখের বেশি নতুন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে দেশটিতে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মসজিদই যখন করোনা হাসপাতাল!

অনলাইন ডেস্ক

মসজিদই যখন করোনা হাসপাতাল!

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত পুরো দেশ। বেরিয়ে এসেছে দেশটির ভঙ্গুর চিকিৎসাব্যবস্থার রূপ। এমন অবস্থায় চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন অনেকে।

করোনা মহামারিতে রোগীদের চিকিৎসায় মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে ভারতের গুজরাটের মুসলমানরা। করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় মসজিদকেই তৈরি করা হয়েছে ৫০ শয্যার কোভিড হাসপাতালে।

এ হাসপাতালে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন করোনা আক্রান্ত রোগী। চাপ বাড়ায় হাসপাতালের পরিধি বাড়াতে কাজ শুরু করেছে মসজিদ কমিটি।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

আপনি কী করেন? এটি মোটেও নিরীহ প্রশ্ন নয়

সড়ক দুর্ঘটনায় রাস্তাটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছে: নোবেল

লকডাউনে 'বান্ধবীর' সাথে দেখা করতে যুবকের আকুতি, পুলিশের রোমান্টিক জবাব!


জাহাঙ্গীরপুরা মসজিদের ট্রাস্টি ইরফান শেখ বলেন, 'আমরা মসজিদকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করছি। এই মুহূর্তে ৫০টি বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।'

দুই সপ্তাহ আগে গুজরাটেরই স্বামী নারায়ণ মন্দিরে তৈরি করা হয় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিঠি লিখে ভ্যাকসিন ফেরত দিলো চোর

অনলাইন ডেস্ক

চিঠি লিখে ভ্যাকসিন ফেরত দিলো চোর

ঘটনা ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের। জিন্দো জেনারেল হাসপাতালের স্টোররুম থেকে চুরি হয়ে গিয়েছিল ১,৭০০ করোনা ভ্যাকসিন। কিন্তু এরপর চিঠি লিখে সেই ভ্যাকসিন ফেরত দিয়েছে চোর।

জিন্দো সিভিল লাইন্স থানার সামনে ১,৭০০ ভ্যাকসিন এবং একটি চিঠি রেখে যায় সেই চোর। চোরের লেখা ওই চিঠিটি হিন্দিতে লেখা। ওই চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘দুঃখিত, আমি বুঝতে পারিনি যে এগুলি করোনার ভ্যাকসিন।’ 


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন

ভিক্ষা করে হলেও অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশ ভারতে

১৫ বছর ধরে কাজে যান না, বেতন তুললেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা!


জিন্দো সিভিল লাইন্স থানা এলাকায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোরেদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

চোরের খোঁজে তল্লাশিও শুরু করেছে পুলিশ কর্মকর্তারা। যদিও চুরি যাওয়া ভ্যাকসিন ফিরিয়ে দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিল এই চোর।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর