দুলাভাইয়ের বাড়িতে শ্যালিকা, বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

দুলাভাইয়ের বাড়িতে শ্যালিকা, বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

ঝিনাইদহের কোটচাদঁপুর উপজেলার সিঙ্গীয়া মাঠ পাড় গ্রামে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পবিরারের পক্ষ থেকে কোটচাঁদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর গ্রাম থেকে কোটচাঁদপুর উপজেলার সিংগীয়া মাঠপাড়া গ্রামের দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশুটি। গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দুলাভায়ের বাড়ির পাশে খেলা করছিল শিশুটি। এ সময় পাশের বাড়ির মৃত বুরাক মন্ডলের ছেলে আব্দুল খালেক (৪৫) বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি পরিবারের লোকেরা জানতে পেরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামের মেম্বার সহ খালেকের পরিবার মীমাংসার জন্য চেষ্টা করে ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


কিন্তু পরিবারের লোকেরা কোটচাঁদপুর থানায় অভিযোগ দিলে বৃহস্পতিবার রাতে মামলা রেকর্ড করা হয়।

এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম বলেন, সিঙ্গীয়া মাঠ পাড়া গ্রামে শিশু ধর্ষণের বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

বাগেরহাটের চিতলমারীতে আখ ক্ষেতে নিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে চিতলমারী উপজেলার চরবানিয়ারি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চিতলমারী উপজেলার চর শৈলাদহ আদর্শ গ্রামের সুজন খানের ছেলে জাকির খান (১৬) ও হায়দার শেখের ছেলে শামীম শেখ (১৭)। দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:


২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

শ্যামনগরে মাছের ঘের থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

১৫ বছর ধরে কাজে যান না, বেতন তুললেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা!


চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে খেলার কথা বলে বাড়ির পাশের আখ ক্ষেতে নিয়ে চরবানিয়ারি গ্রামে দুই তরুণ জাকির খান ও শামীম শেখ ৭ বছরের শিশুটিকে ধর্ষণ করে। 

এ সময় শিশুটির চিৎকার করলে তারা বাবা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ধর্ষককে দেখে ফেলে। অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে চিতলমারী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন তার বাবা। রাতে শিশুটির বাবা ওই দুই ধর্ষককের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। পুলিশ শুক্রবার ভোরে চিতলমারী উপজেলার চরবানিয়ারি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম এলাকায় বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' মোহাম্মদ ইব্রাহীম নামের এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। এ সময় ৮০ হাজার ইয়াবা, একটি অস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

গত রাত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ।  নিহত ইব্রাহীম উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের লম্বাশিয়া ক্যাম্পের সৈয়দ আলমের ছেলে।

লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ি এলাকা দিয়ে ইয়াবা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশকালে টহলরত বিজিবি সদস্যদের ওপর গুলি বর্ষণ করেন ইয়াবা কারবারিরা।

আরও পড়ুন:


২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন

ভিক্ষা করে হলেও অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশ ভারতে

১৫ বছর ধরে কাজে যান না, বেতন তুললেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা!


এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও গুলি চালালে ইয়াবা কারবারিরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে একজনের মরদেহ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ৮০ হাজার ইয়াবা, একটি অস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে র‌্যাব

অনলাইন ডেস্ক

পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে র‌্যাব

সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতারের পর নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশেষ এ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে পুরনো ভিডিও ‘লাইভ’ আকারে যারা ছড়িয়েছে। তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। এভাবে পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব সদর দফতরে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

পুরনো ভিডিও লাইভ করতো সংগঠনটির আইটি টিম। যারা এ ধরনের আ্যপস ব্যবহার করতো তাদের র‍্যাব শনাক্ত করেছে। তারা বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ দিয়ে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দিতো। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করবে। 

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী যে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছিল, ঠিক তখন থেকেই একটি কুচক্রী মহল দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা-অরাজকতা সৃষ্টি করতে বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে। র‌্যাব এসব ব্যক্তি বা দলকে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ ও স্থির চিত্র দেখে ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে।

‘এসব অপরাধী শনাক্তে র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এসব অপরাধী শনাক্তের পর আটক করে র‍্যাব আইনের আওতায় আনছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাবই প্রথম অভিযান চালিয়ে আটক করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সময়কালে ঘোড়ায় চড়ে বিক্ষোভ করা হেফাজতের এক কর্মীকে। শিশু বক্তাখ্যাত রফিকুল ইসলামকেও র‍্যাব গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।’

যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের সঙ্গে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি-না, এমন প্রশ্নের উত্তরে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, র‍্যাব কোনো দল কিংবা ব্যক্তিকে টার্গেট করে অভিযান পরিচালনা করে না। যারা দেশব্যাপী নাশকতা সৃষ্টি করেছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে এবং যারা রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব। তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগে পুত্রবধু আটক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগে পুত্রবধু আটক

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বসতঘর থেকে রহিমা নামের এক মধ্যবয়সী নারীর (শাশুড়ি) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তাহমিনা নামে ওই নারীর পুত্রবধুকে একই কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

এদিকে অচেতন থাকা ওই পুত্রবধুকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এর আগে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রাম এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন


এবার কক্সবাজারে ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মামলা

চাকরী দেবে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন

বেনজেমা ভেল্কিতে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন


পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় আবু তাহের মিয়ার স্ত্রী রহিমা (নিহত শাশুড়ি) ও তার পুত্রবধু প্রবাসী হুমায়ুন কবিরের স্ত্রীতাহমিনার সঙ্গে সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিবাদ চলে আসছিল। বিদেশ থেকে মা-বাবাকে টাকা না দেয়ায় রহিমার স্বামী ঢাকায় চাকরি করছিলেন। এর সুবাধে প্রায় বিতন্ডায় লিপ্ত হতেন তারা। 

গতরাতে (বুধবার) শাশুড়ি ও তার পুত্রবধুর বাক বিতন্ডা হয়। প্রায় এমনকান্ড হওয়ায় আশে পাশের লোকজন ঘটনার সময় আর আসেনি বলে জানান স্থানীয়রা। সকালে তাদের কারো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। পরে জানালা দিয়ে শাশুড়ি খাটের উপর আর তার পুত্রবধু মেঝেতে পড়ে আছে। ভেতর থেকে দরজা লাগানো ছিল বলে জানান তারা। কেউ কেউ বলছেন রাতে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুত্রবধুর অচেতনের বিষয়ে মুখ খোলেনি কেউ। এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শাশুড়ির মরদেহ ও পুত্রবধূকে উদ্ধার করে।  

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস জানান, বন্ধ ঘর থেকে বৌ শাশুড়িকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক শাশুড়িকে মৃত ঘোষণা করেন। তার পুত্রবধুকে চিকিৎসা দিলে তার অবস্থার উন্নতি হয়। এদিকে নিহতের স্বামী তার পুত্রবধুর বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার মামলা করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন বলে জানালেন তিনি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সেই পথশিশুর চোখের নিচের জখম সম্পর্কে যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক

সেই পথশিশুর চোখের নিচের জখম সম্পর্কে যা জানা গেল

ক'দিন আগের ঘটনা সাংবাদিকের লাইভের মাঝে ঢুকে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী এক পথশিশু লকডাউন নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিল। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিও ক্লিপে বলা শিশুটির কথাগুলো আলোড়ন তুলে দেশব্যাপী।

এরইমাঝে ওই শিশুর আরেকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায় তার চোখে-মুখে মারের জখম, একটি চোখের নিচে ফুলে উঠেছে। 

ওই ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, লকডাউন প্রসঙ্গে নেতিবাচক মন্তব্য করায় কোনো একটি পক্ষের রোষানলে পড়েছে শিশুটি। তাই তাকে মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনা আবারও ভাইরাল হয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। অনেকেই দুঃখপ্রকাশ করে শিশুটির নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি করেন।

এমন পরিস্থিতিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিকদের লাইভে এসে লকডাউন নিয়ে প্রশ্ন তোলা শিশুর নাম, মো. মারুফ। সে একজন পথশিশু। বাবা-মা সঙ্গে থাকে না সে। রাজধানীর কোটকাচারি, জগন্নাথ কলেজ, ভিক্টোরিয়া পার্ক,সদরঘাটসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়ানোই তার কাজ।

কে বা কাহারা তাকে মেরেছে সেই প্রশ্ন খুঁজতে গেলে স্থানীয়দের অনেকের দাবি, মারুফের সঙ্গে তার এলাকার পথশিশুদের মারামারিতেই এই জখমের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন


যশোরে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট আগুনে পুড়ে ছাই

পাকিস্তানের বিলাসবহুল হোটেলে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪, আহত ১১

যাদের জন্য রমজানে রোজা রাখা বাধ্যতামূলক

যেভাবে ইসলামের দাওয়াত দিতেন বিশ্বনবী


বুধবার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা মারুফকে খুঁজে বের করেন। তাকে তার জখমের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। মারুফ জানায়, লকডাউন নিয়ে এমন বক্তব্য দেওয়াতেই তাকে মারা হয়েছে। রাত ১০ টায় কোর্ট প্রাঙ্গনেই তাকে মারা হয়েছে।

মারুফের বিষয়ে সদরঘাটের রিকশাচালক, দোকানদাররা জানিয়েছেন,  শিশুটি ছিন্নমূল। পার্ক, ফুটপাতে ঘুমায়। কেউ খাবার দিলে খায়, আবার অনেক সময় চেয়ে নিয়ে খায়। সে মাদকাসক্ত। ডান্ডি নামক এক মাদক সেবন করে সে। 

অনেকের মতে, লকডাউন নয়, হয়তো ডান্ডি সেবনের কারণে পুলিশ তাকে শাসিয়েছে বা মেরেছে। এমনটা এসব পথশিশুদের সঙ্গে হয় প্রায়ই। নেশা বা টাকা-পয়সা নিয়ে বন্ধুদের মধ্যেও প্রায়ই মারামারি হয় মারুফের। এটা ওদের জন্য স্বাভাবিক।

মারুফের বিষয়ে প্কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ওই শিশু বা ভাইরাল কোনো ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত জানি না।’

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর