বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ও কিছু কথা

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ও কিছু কথা

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল

আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিভন্ন সময়ের বক্তব্য, কথা এবং জীবনযাপন নিয়ে গবেষকরা প্রতিনিয়ত গবেষণা করে যাচ্ছেন। গবেষকরা বঙ্গবন্ধুর কর্মজীবনের বিভিন্ন বিষয় আশয় নিয়ে গবেষণা করে নতুন নতুন ইতিবাচক তথ্য উপাত্ত আমাদেরকে দিয়ে যাচ্ছেন। 

গবেষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত পেয়ে আমরা বাঙ্গালীরা আমাদের মহাকাব্যিক মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বিষয়ে জেনে আমাদের জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ করছি। একটা সময় ছিল বিরুদ্ধবাদীরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে নেতিবাচক ও বিকৃত ইতিহাস আমাদের সামনে উপস্থাপন করে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছিল। 

এই সময়টা ছিল ১৯৭৫এর পরবর্তী সময় থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। বিরুদ্ধবাদীরা ভেবেছিল বন্দুকের নলের সামনে দেশের জনগণকে জিম্মি করে রেখে, তারা যা ইচ্ছে তা করতে পারবে। তখন বিরুদ্ধবাদীরা বঙ্গবন্ধুর নাম নেয়ার উপর এমন সব অলিখিত বিধি নিষেধ আরোপ করে, যা দেখে দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির লোকজন ভয়াবহ আতংকের মাঝে জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। 

কিন্তু বিরুদ্ধবাদীরা এ কথা বুঝেনি মেঘরাশি সূর্যের কিরণকে তার ছায়া দিয়ে ঢেকে রাখতে যতই চেষ্টা করুক না কেন, তাতে সূর্যের আলোকরাশি নিভে যায় না। মেঘ সরে গেলেই সূর্যের অয়ন রেখা পৃথিবীকে তার আলো দ্বারা আলোকিত করে তুলে। 

ঠিক তেমনি করে বিরুদ্ধবাদী দক্ষিণপন্থী আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধ শক্তির লোকজনও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মজীবনে যে অবদান নিজের জীবনবাজি রেখে এদেশের মানুষের জন্য রেখে গেছেন, তা তারা মুছে ফেলতে পারেনি। 

মেঘরাশি যতই সূর্যের আলোকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করুক না কেন, তাতে কিন্তু সূর্যের আলো বিলোপ কিংবা মিথ্যে হয়ে যায় না। ঠিক সেই ভাবেই বিরুদ্ধবাদীদের জঘন্য মিথ্যাচার আমাদের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে খাটো করতে পারেনি। 

এদেশের মাটিতেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দেশের প্রচলিত আইনে হয়েছে। বিচারে দোষীদের সাজা হয়েছে। পলাতক আসামি ছাড়া অনেকের সাজা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল কিংবা যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য পর্দার আড়ালে থেকে কলকাঠি নেড়েছিল, তারা কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবেনি বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে এবং তাদের সাজা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। 

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা এবং তাদের সহযোগীরা ভুলে গিয়েছিল পাপ বাপকেও ছাড়ে না। পাপ যে বাপকে ছাড়ে না এ কথা তারাই ভুলে যায়, যারা সারা জীবন পাপের মধ্যে বসবাস করে থাকে।

আমরা যদি আমাদের মহাকাব্যিক মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় আশয় নিয়ে তাত্ত্বিক বিচার বিশ্লেষণ করতে যাই, তাহলে দেখতে পাবো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্যেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা রয়েছে। 

বঙ্গবন্ধু বলেছেন এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। এই যে মুক্তির সংগ্রামের কথা বঙ্গবন্ধু বলেছেন, তাতে কোন মুক্তির কথা রয়েছে তা আমরা একটু চিন্তা ভাবনা করলেই বুঝে নিতে পারবো। এই মুক্তির সংগ্রাম হচ্ছে সেই সব মানুষের মুক্তি সংগ্রাম, যারা ক্রমাগত ভাবে ১৯৪৭ এর পর থেকে পাকিস্তানি শাসকদের দ্বারা প্রতিনিয়ত ভাবে শোষন ও পীড়নের শিকার  হয়ে আসছে। এই মুক্তির সংগ্রাম কথাটা দিয়ে বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের ভৌগলিক মুক্তির কথাই শুধু বুঝান নাই, এই মুক্তি সংগ্রাম দিয়ে এদেশের দরিদ্র মেহনতি মানুষের এবং মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির অর্থনৈতিক মুক্তির কথাই বঙ্গবন্ধু বুঝিয়েছেন। 

যার পরবর্তীতে আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাকশাল গঠন করেছেন। যদিও বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তির এদেশীয় কিছু সংখ্যক দালাল, দক্ষিণপন্থী প্রতিবিপ্লবীরা এবং তাদরে সঙ্গে থাকা অতিবিপ্লবীরা এক হয়ে বঙ্গবন্ধুর বাকশালের বিরোধীতা করে আসছিল। 

অতিবিপ্লবীরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে বলতো দুই কুকুরের লড়াই। তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দালালদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিচার বিশ্লেষণ করতো। অথচ এই অতিবিপ্লবীরা মুখে মুখে সাধারণ মানুষের অর্থাৎ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মুক্তির কথা বললেও তাদের কর্মকাণ্ড কখনো সাধারন মানুষের পক্ষ শক্তির পক্ষে ছিল না। 

তাদের কথাবার্তা আর প্রতিক্রীয়াশীল দক্ষিণপন্থীদের কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ড এক রকমই  ছিল। এই অতিবিপ্লবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তারা শ্রেণী শত্রু খতমের নামে বিভিন্ন জায়গায় অনেক দেশপ্রেমিক নেতাদের হত্যা করেছে। 

এমন অভিযোগও আছে অতিবিপ্লবীরা কল-কারখানায় এবং পার্টের গুদামে আগুন দিয়েছে তাদের বিপ্লবের অভিপ্রায়ে। অনেকেই বলে থাকেন তাদের বিশ্বাস ছিল জনগণ দ্বারা মানুষের মুক্তির সংগ্রামকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া যাবে না। বন্দুকের নলের মাধ্যমেই মানুষের মুক্তি সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে হবে। এই শ্রেণির লোকরা অর্থাৎ অতিবিপ্লবীরা জনগণই ক্ষমতার উৎস তা বিশ্বাস করতো না। তারা মনে করতো বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস। 

এই রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক মেধাবী তরুণ প্রাণ মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছে। তারা নিজেরা যেমন মরেছে। তেমনি করে অন্যকেও মেরেছে। আবার নিজেরা নিজেরা কাটাকাটি মারামারি করে প্রাণ দিয়েছে। কিন্তু তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। 

অতিবিপ্লবীরা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি তাদের ভুল রাজনীতির জন্য। যে কোনো কাজই করতে হয় নিয়মতান্ত্রিকভাবে। নিয়মের বাইরে গেলেই বিপত্তি দেখা দেয়। যা আমরা দেখেছি স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী জাসদের রাজনীতিতে।

বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণে বলেছেন এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন এই দেশের মানুষের জীবন যাপন সহজ করতে হলে এবং এদেশের মানুষের দারিদ্রতা দূর করতে হলে প্রথমই যে কাজটি করতে হবে, তাহলো আমাদের দেশমাতৃকাকে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে। 

বঙ্গবন্ধু তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বুঝেছেন যে, পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের দেশকে শোষনের ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তারা অর্থাৎ পশ্চিম পাকিস্তানিরা কখনো চাইবে না এদেশের মানুষেরা সুখে শান্তিতে থাকুক। তারা চাইবে আমার এই দেশ থেকে কি ভাবে মূল্যবান সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করে নেয়া যায় এবং পশ্চিম পাকিস্তানকে সম্পদশালী করা যায়। বঙ্গবন্ধু দেখেছেন এদেশের মানুষ বিভিন্ন সময় জনগন দ্বারা নির্বাচিত হয়েও ক্ষমতায় থাকতে পারেনি বা যেতে পারেনি। 

১৯৫৪ ইংরেজিতে বাঙ্গালী জয় লাভ করেছে। কিন্তু কি পেয়েছে। ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ সাধারন নির্বাচনে জয়লাভ করেও ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে বাঙ্গালীদেরকে ক্ষমতা দেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছেন পশ্চিম পাকিস্তানিরা কখনো এদেশের মানুষকে ক্ষমতার স্বাদ দেবেনা। তাই তাদের কাছে ন্যায্য কিছু আশা করে পাওয়া যাবে না। তারা এদেশের মানুষকে মানুষ বলেই গন্য করে না। 

আমরা দেখেছি পশ্চিম পাকিস্তানিরা একের পর এক ষড়যন্ত্র এদেশের মানুষের বিরুদ্ধে করে গেছে। তারা অর্থাৎ পশ্চিম পাকিস্তানিরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তি সংগ্রামের ঘোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার জন্য মিথ্যা ভাবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করেছিল। যাতে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়ে বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য বাঙ্গালী নেতাদেরকে হত্যা করা যায়। কিন্তু জনতার আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানিরা ভেসে যায়। 

পশ্চিম পাকিস্তানিরা মিথ্যা এবং তাদের মনগড়া ভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র মূলক মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয়। যে মামলাটিকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বলা হয়ে থাকে। আমরা এমন এক ভাগ্যবান জাতি যে, আমরা বঙ্গবন্ধুর মতো একজন সাহসী এবং নির্লোভী নেতা পেয়েছিলাম। যিনি এদেশের মানুষকে নিজের সন্তানের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন। বঙ্গবন্ধু কোনোদিন ভাবতে পারেননি বাঙ্গালী তাকে হত্যা করতে পারে। কিন্তু বিরুদ্ধবাদী দক্ষিণপন্থী প্রতিক্রীয়াশীলরা তাদের একাত্তরের পরাজয়ের কথা ভুলে যেতে পারেনি। বিরুদ্ধবাদী আমাদের মুক্তি সংগ্রামের বিপক্ষ শক্তির লোকজন তাদের একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেবার জন্য অস্থির হয়ে থাকে। এই বিরুদ্ধবাদীরা তাদের একাত্তরের প্রতিশোধ নেবার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। 

বলা হয়ে থাকে বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরাও জড়িত ছিল। এছাড়া পর্দার অন্তরালে থেকে অনেকেই বঙ্গবন্ধু হত্যার পিছনে কলকাঠি নেড়ে জড়িত থেকেছেন। 


আমি সত্যের পক্ষে থাকব, সত্যেও কথা বলব: এমপি একরাম

তৃতীয় লিঙ্গের অধিকার রক্ষা; সাহসী উদ্যোগ বৈশাখী টিভির

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গে ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ: হানিফ

যে কারণে বুড়ো সাজলেন রনবীর


আজ দেশের জনগণ পর্দার অন্তরালে থেকে যারা কলকাঠি নেড়ে বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিলেন, তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবি তুলছেন। আজ জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, আর প্রশ্নটা হল যারা পর্দার অন্তরালে থেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে কাজ করেছে, তাদেরকে কেন বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে না।

আমরা যদি সামগ্রীক ভাবে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন বিচার বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখবো আমাদের মহান নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগত ভাবেই ছিলেন গরিব মানুষের বন্ধু এবং তিনি ছিলেন ভয়হীন চীত্তের অধিকারী। 

আমি জানি আমার মতো একজন সাধারণ মানের লেখকের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের বিচার বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। তবে এইটুকু বুঝতে পারি বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষনের মধ্যেই আমাদের স্বাধীনতার বীজ রোপণ করা ছিল। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে দেশের মানুষ জাগ্রত হয়েছিল এই জন্য যে, মানুষ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে তাদের অন্তরের কথার প্রতিধ্বনি শুনতে পেয়েছে।

তাই বলছিলাম, আমাদেরকে ধরে নিতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে বাঙ্গালীর মুক্তির ইতিহাস লিখতে গেলে যে বিষয়টার ওপর জোর দিতে হবে, তা হল বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ। আমার মনে হয় বাঙ্গালীর অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল আন্দোলনেরই প্রেরণা হবে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ। এ ব্যাপারে মনে হয় না কেউ বিতর্ক উপস্থাপন করবেন।

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল-আইনজীবী, কবি, গল্পকার

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শুনেছি রোজিনার বিরুদ্ধে মামলার আগে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা দেনদরবার করেছেন

শওগাত আলী সাগর

শুনেছি রোজিনার বিরুদ্ধে মামলার আগে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা দেনদরবার করেছেন

শওগাত আলী সাগর

সরকার কি তা হলে সাংবাদিকদের তথা গণমাধ্যমের কোনো প্রয়োজনীয়তা আর অনুভব করছে না! সরকার আর সাংবাদিকদের মধ্যে একটা দুরত্ব তৈরি হোক- সেটা কি সরকার নিজেও চাচ্ছে! রোজিনার জামিন মঞ্জুর না হওয়ার খবর শোনার পর প্রথম আমার এই কথাটাই মনে পড়লো। 

সচিবালয়ে পাঁচ ঘন্টা আটকে রেখে শারীরিক, মানসিক নির্যাতন, থানায় সোপর্দ করা, মামলা দায়ের এবং সর্বশেষ জামিন না দিয়ে জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়ার মধ্যে সুষ্পষ্ট একটা বার্তা আছে। এটি কেবল স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার ক্ষোভের বিষয় হলে ব্যাপারটা এতোটা গড়াতে পারতো বলে আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।

রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার আগে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা দেনদরবার করেছেন বলে শুনেছি। বেশ কয়েকজন নেতা রাত পর্যন্ত শাহবাগে থানায় উপস্থিত ছিলেন। 

এঁদের সবাই বর্তমান সরকারের সমর্থক। ক্ষোভে বিক্ষোভে সবচেয়ে বেশি যে সাংবাদিকরা সোচ্চার তাদের সিংহভাগই এই সরকারের সমর্থক। রোজিনার স্বামীও সরকার সমর্থক রাজনীতির একজন নেতা। 

রোজিনা যতো নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বা হবেন- তা এই সরকারের সমর্থক সাংবাদিকদেরই সবচেয়ে বেশি আহত করছে, তাদের অনুভুতি অপমানিত হচ্ছে। নিজের সমর্থকদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে রোজিনাকে নিপীড়নের মাধ্যমে কতিপয় আমলার ব্যক্তিগত ক্ষোভ প্রশমনের ঝুঁকিপূর্ণ প্রজেক্ট এতোক্ষণ চলতে পারার কথা না। 

কিন্তু রোজিনাকে জেল হাজতে পাঠানোর পর মনে হলো - সরকার এইসব আবেগ অনুভূতিকে পাত্তা দিচ্ছে না। আমি মনেপ্রাণে চাইবো আমার এই ব্যাখ্যা ভুল প্রমাণিত হোক। 
এই ঘটনাটি স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়েই শেষ হতে পারতো বলে আমি বিশ্বাস করি। হওয়াই উচিৎ ছিলো। এখনো সময় শেষ হয়ে যায়নি। 


স্বাস্থ্য বিভাগের পিয়ন থেকে শুরু করে ওপরের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


সরকারে, আ্ওয়ামী লীগে বিবেচনাবোধ সম্পন্ন মানুষের একেবারে আকাল পরে গেছে- এই কথা কিভাবে বিশ্বাস করি! তারা এগিয়ে আসতে পারেন। তথ্যমন্ত্রী নিজেও একটা ভূমিকা নিতে পারেন। রোজিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি উঠিয়ে নেয়া, তাকে সসম্মানে মুক্তি দেয়া, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের যারা তাকে নিপীড়ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া -এটি আমার দাবি এবং প্রস্তাব।  

সরকারের মধ্যে যাদের যুক্তিবোধ, বিবেচনাবোধ আছে- তাদের একটু সক্রিয় হতে বলবো। ’রোজিনাকে জেলখানায় পাঠিয়ে আপনারা আপনাদের সমর্থক সাংবাদিকদেরই আসলে পীড়ন করছেন’- এই বাস্তবতাটা আপনাদের বোধে কাজ করুক।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রোজিনার মুক্তি চাই, কোনো শর্ত ছাড়াই

জুলহাস আলম

রোজিনার মুক্তি চাই, কোনো শর্ত ছাড়াই

জুলহাস আলম

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম দেশকে ভালোবাসেন। রোজিনা আমাদের বন্ধু, আমরা একই ব্যাচের শিক্ষার্থী। 

একবার আমাকে নক করে বললেন: ‘জুলহাস ভাই, বিদেশে যাবার জন্য আপনার কাছ থেকে একটা রিকমেন্ডেশন লাগবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে কৃতজ্ঞ থাকবো।’ 

আমি ভাবলাম হয়তো বিদেশ চলে যাবেন একেবারে। অনেকেই যাচ্ছেন। উত্তরে রোজিনা বললেন: ‘না, না, ভাই, নর্থ আমেরিকায় একটা সাংবাদিকতার উপর একটা স্কলারশীপের চেষ্টা করবো, সেজন্য একটা রিকমেন্ডেশন দরকার, আপনার কাছ থেকে পেলে ভালো হয়।’ 

বললাম: ‘কোনো সমস্যা নেই, অবশ্যই দিব।’ 

তার বক্তব্যে পরিষ্কার আবেগ ছিল যে তিনি দেশকে ভালোবাসেন। বলছিনা যে, কেউ বিদেশে চলে গেলে তিনি দেশকে ভালোবাসেন না। 

আমার কাছে মনে হয়, দেশের মধ্যে বিদ্যমান সকল অরাজকতা, অন্যায়, দুর্নীতি, যা ইচ্ছা তাই থাকার পরও এবং বাইরে চলে যাবার সুযোগ থাকার পরও যারা এখানেই পড়ে থাকতে চান এবং থাকেন, তারা একটু বেশিই দেশপ্রেমিক। 

রোজিনাও সেই দলেই পড়েন। তাছাড়া নারী হয়ে এমন শক্তভাবে সাংবাদিকতা করার সাহস দেখানো অতো সহজ নয়। তার সকল চেষ্টা প্রশাসনের বড় কর্তাদের নানা অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির ভেতরে আঘাত করা। জনগণের সামনে তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। সেটাকে তিনি দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছেন। তার যে সাহস সেই সাহস আমাদের অনেকের আছে কি না সন্দেহ আছে আমার। 

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম প্রশাসনের অনেক কর্তা ব্যক্তির কমফোর্ট জোন এলোমেলো করে দেবার একজন সৈনিক। আর তার কাজের ফলে আমার ধারণা সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। 


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


যারা উনার চোখের সামনে পর্দা তুলে রাখতে চান যেনো সবকিছু তিনি দেখতে না পান, জানতে না পারেন, তারা একজন রোজিনা ইসলামকে সহ্য করতে পারবেননা, সেটাই কি স্বাভাবিক না? তাই তাকে শায়েস্তা করতে না পারলে বড় বড় নানা দুর্নীতির অভিযোগে নিমজ্জিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেই দুষ্টচক্র শান্তি পায় কি করে? করোনা শুরু হবার পর থেকে এই মন্ত্রণালয় নিয়ে যত রকমের খবর বেরিয়েছে সেগুলোর পোস্ট মর্টেম করলেতো আর কিছুই বাকি থাকেনা। 

রোজিনার মুক্তি চাই, কোনো শর্ত ছাড়াই।

জুলহাস আলম, ব্যুরো চিফ, এপি

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রোজিনা আপার মুক্তি চাই

আশরাফুল আলম খোকন

রোজিনা আপার মুক্তি চাই

আজকের ঘটনাটা খুবই দুঃখজনক। দোষ কার, কে দায়ী তা জানিনা। তবে মনে হয়েছে, একজন পেশাদার সাংবাদিকের সাথে অন্যভাবে আচরণ করেও বিষয়টি সমাধান করা যেত। গুটি কয়েক কর্মকর্তার জন্য সবসময় সাংবাদিক বান্ধব শেখ হাসিনার সরকার আজ সমালোচনার মুখে। 

সাড়ে সাত বছর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কাজ করেছি। নিজে চোখে দেখেছি তিনি নিজে কতটা সাংবাদিক বান্ধব। সাংবাদিকদের কল্যাণের জন্য নিজে উদ্যোগী হয়ে কত কত কাজ করেছেন। 

এই রকম পরিস্থিতি আগেও হয়েছে। দুই পক্ষের সাথে কথা বলেই সমাধান হয়েছে। এমন অনেক সমাধান নিজেও করেছি। হয়তো কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি অথবা সাংবাদিকের সাথে কথা বলেছি। “পেশাদার” আবারো বলছি পেশাদার সাংবাদিকদের চেষ্টা করেছি ঝামেলামুক্ত রাখতে। 


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


সদিচ্ছা থাকলে অ-সমাধানযোগ্য কোন কিছুই পৃথিবীতে নাই। পেশাদার আর অ-পেশাদারদের সাথে আচরণ একরকম হওয়া উচিত না। রোজিনা আপার মুক্তি চাই।

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এক রিপোর্টারকে লাঞ্ছিত করেছি তাও সচিবালয়ে! ধিক, শত ধিক!

রউফল আলম

এক রিপোর্টারকে লাঞ্ছিত করেছি তাও সচিবালয়ে! ধিক, শত ধিক!

রউফল আলম

আমরা ছোট জিনিস চোখে দেখি না। তাই ব্যবহার করি মাইক্রোস্কোপ। খালি চোখে যা দেখা যায় না, মাইক্রোস্কোপের নিচে সেটা কি দারুণ দৃশ্যমান হয়ে উঠে। 

অনুসন্ধানী রিপোর্টগুলো মাইক্রোস্কোপের মতো কাজ করে। সমাজের সাধারণ মানুষ যেটা দেখে না, জানে না—অনুসন্ধান করে তৈরি করা রিপোর্টগুলো আমাদেরকে তা দেখতে, অনুধাবন করতে ও জানতে সাহায্য করে। এজন্যই মনে হয় বলা হয়—Fake news is cheap to produce. Genuine journalism is expensive. 

করোনার মহামারিতে দেশের স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রথম আলোয় রোজিনা ইসলামের রিপোর্ট পড়তাম! ভাবতাম এই মানুষটার সাহস অনেক। জাঁদরেল সাংবাদিক। 

যে সমাজে কথা বলাই সবচেয়ে বড়ো অপরাধ, সেখানে এমন রিপোর্ট করতে পারা মানুষটিকে নিশ্চয় অনেক ধকল পোহাতে হয়। রিপোর্টারকে না চিনেও তার প্রতি একটা শ্রদ্ধা জাগতো। 

এমন রিপোর্টারকে দুনিয়ার বহু সমাজ সম্মানিত করে। পুরস্কার দেয়! কারণ তারা যোদ্ধা। তারা আলোকিত দেশের স্বপ্নে যুদ্ধ করে। সর্বগ্রাসের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে কলম নিয়ে সংগ্রাম করে। কিন্তু এমন এক রিপোর্টারকে আমরা লাঞ্ছিত করেছি। তাও সচিবালয়ে! কী ভয়ংকর! কী বিভৎস! 


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


দেশের সাংবাদিকদের সততা নিয়ে যখন অনেক অভিযোগ, তখন এমন সাহসী রিপোর্টারকে লাঞ্ছিত করা মানে হলো সমাজকে আরো অন্ধকারে ঢেলে দেয়া। অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনাকে উৎসাহিত করা। সমাজের উপর গজবকে আরো তরান্বিত করা। ধিক, শত ধিক! 

রউফল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রোজিনার ঘটনা অন্য সাংবাদিকদের জন্যে সুস্পষ্ট বার্তা

আলী রিয়াজ

রোজিনার ঘটনা অন্য সাংবাদিকদের জন্যে সুস্পষ্ট বার্তা

একজন সাংবাদিককে সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে আটক করে, হেনস্তা করার পরে অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। প্রথম আলো’র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হেনস্তা করা, তাঁকে আটক করার ঘটনা বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলেননি। 

এই ঘটনার নিন্দা জানানোই যথেষ্ট নয়, এর বিরুদ্ধে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতিবাদ এবং এই ধরণের নিপীড়নমূলক আচরণের জন্যে যারা দায়ী তাঁদের বিচার নিশ্চিত করার জন্যে এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। 

দলীয় পরিচয়ে বিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো এই বিষয়ে কিছু করবেন, বা বিবৃতি দেয়ার বেশি কোন ধরণের পদক্ষেপ নেবেন তেমন আশা করার কারণ নেই। কিন্ত সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্তদের সকলেরই এই মুহূর্তে দরকার সম্মিলিত পদক্ষেপ নেবার কথা বিবেচনা করা। 

দেশের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে অবিলম্বে এই বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি, রোজিনা ইসলামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং এই ধরণের আচরণ বন্ধের নিশ্চয়তা আদায় করা। 

রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করার ঘটনা সাংবাদিকদের ওপরে হামলার নতুন অধ্যায়, কিন্ত নতুন ঘটনা নয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়েই সাংবাদিকরা বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছে, নির্যাতিত হচ্ছেন। তাঁদের পাশে দাড়ানোর লোক পর্যন্ত নেই। সাংবাদিকদের অনৈক্য, দলীয় বিভক্তি এবং পেশাদারী মনোভাবের অনুপস্থিতি এই ধরণের নির্যাতন নিপীড়নকে ক্রমাগতভাবে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করেছে।


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


এই ঘটনা এবং আগেও অসংখ্য ঘটনায় সাংবাদিকদের ওপরে নির্যাতনের কারণ স্পষ্ট – যখনই কোনও সাংবাদিক ক্ষমতাসীনদের – স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে–জবাবদিহির মুখোমুখির চেষ্টা করেছেন সেই সময়েই তাঁদেরকে হয়রানি, নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। জবাবদিহির অনুপস্থিত রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে কোনও ধরণের জবাবদিহি দাবি করলেই তার পরিণতি হয় নির্যাতন, নিপীড়ন। এই ঘটনা অন্য সাংবাদিকদের জন্যে সুস্পষ্ট বার্তা – তাঁরা সেটা শুনতে/বুঝতে পারছেন কিনা সেটাই আমার প্রশ্ন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর