চায়ের রয়েছে যাদুকরি গুণাবলি

অনলাইন ডেস্ক

চায়ের রয়েছে যাদুকরি গুণাবলি

চায়ের রয়েছে ক্লান্তি দূর করার এক যাদুকরি পাওয়ার। আমরা যখনই ক্লান্ত অনুভব করি তখনই এক কাপ চা পান করি। নিমিষেই আমাদের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চায়ের সাথে যদি আদা, লবঙ্গ, এলাচ কিংবা দারুচিনি দিয়ে খাওয়া যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। এসব মসলার রয়েছে অসাধারণ গুণাবলি।   

ব্ল্যাক টি, গ্রিন টি, হোয়াইট টি-তে রয়েছে ফ্লাভোনয়েড নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যানসার বা হার্টের অসুখের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এটি উপযোগী।

গ্রিন টি ব্লাডার, ব্রেস্ট, লাং, স্টমাক, প্যানক্রিয়াটিক ও কোলেরেক্টল ক্যানসারের আশঙ্কা খানিকটা হলেও কমায়। ওজন কমাতে, কোলেস্টেরল লেভেল সঠিক রাখতে ও অ্যালজেইমারস বা পারকিনসনস-এর মতো সমস্যার প্রতিরোধক হিসেবেও কাজে দিতে পারে গ্রিন টি।

ব্ল্যাক টি ফুসফুস ভালো রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কার্যকর চা। সর্দি-কাশি সারাতে তুলসি, আদা, লবঙ্গ মিশিয়ে খেতে পারেন এক কাপ গরম চা।


ওমান সাগরে তৈরি হবে ইরানের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাই ঘুম হয়নি শ্রাবন্তীর

ট্রাকচাপায় চবি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্রের মৃত্যু

শতকোটি টাকার মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার


কফির তুলনায় ক্যাফেন অনেকটাই কম চায়ে। চায়ে থাকা ক্যাফেন ও থিয়ানিন মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে।

দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে এমন নয়।  তবে খব বেশি না খাওয়াই ভালো। সকালে উঠে দুধ চা খেলে তার আগে কিছু খাবার খেয়ে নিন। তাহলে অ্যাসিডিটির আশঙ্কা কমবে। তবে চায়ে দুধ মেশালে তাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ কমে যায়।

ফলে চায়ের পুরোপুরি গুণ আমরা পাই না। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দুধ চা খেলে তা মেটাবলিক অ্যাক্টিভিটিতেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে, শরীর ডিহাইড্রেটেড হতে পারে।

তাই সকালে উঠেই যদি এককাপ লিকার চা মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করা যায় এটা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। যেটা আপনাকে সতেজ করবে। সকালের ঘুম ঘুম ভাব দূর করবে। কাজের স্পিড বাড়াবে। 

news24bd.tv আয়শা

পরবর্তী খবর

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

অনলাইন ডেস্ক

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

ব্যায়ামের উপকারিতা জানা আছে সবারই কমবেশি। কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। যারা জিমে যেতে পারেন না বা খুব হেভি ওয়ার্কআউট যাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়, শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী।

ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এই কথা যেমন সত্যি, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও যে ক্ষতিকর তাও সত্যি। আর তাই এ বিষয়ে খুব সতর্ক হওয়া দরকার। অনেকে ব্যথা সহ্য করেই ব্যায়াম করেন। যা মোটেও সঠিক নয়। ‘নো পেইন, নো গেইন’, ব্যায়ামের অনুপ্রেরণা পেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে ব্যায়াম করাটা স্বাভাবিক মনে হলেও সবসময় তা ঠিক নয়। কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে।

আসুন সেগুলো জেনে নেই:

ব্যায়াম তিন দিন আগে, ব্যথা আছে আজও

ব্যায়াম শুরু করার প্রথম কয়েকদিন ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। এর কারণ হলো মাংসপেশির ছোট টিস্যু ছিড়ে যাওয়া। এই ছেড়া অংশগুলো যখন পুনর্গঠিত হয় তখন পেশি আরও শক্তিশালী হয়। তবে তা একদুদিনের মধ্যেই সেরে যাওয়া উচিট। আরও বেশি সময় ব্যথা থাকলে বুঝতে হবে আপনি মাংসপেশির উপর বেশি চাপ দিয়ে ফেলেছেন।

ব্যথা সেরে যাওয়ার পর ব্যায়ামাগারে যেতে হবে। কারণ এই অবস্থায় ব্যায়াম করলে ব্যায়াম একপেশে হতে পারে। যার কারণে পরে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নির্দিষ্ট ব্যায়ামে ব্যথা পাওয়া

এটিও বিপদের পূর্বাভাস। ব্যথা যদি তীব্র হয় তবে অর্থোপেডিক স্পেশালিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আর সহনশীল ব্যথা হলে ব্যয়ামের আগে শরীরকে ব্যয়ামের জন্য প্রস্তুত করে নেয়ার প্রতি সতর্ক হতে হবে।

ম্যাকআর্থি বলেন, বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে ‘ওয়ার্ম-আপ’ আর ‘স্ট্রেচিং’য়ের প্রতি। আর ব্যয়ামের ফাঁকে পানি পান করতে হবে। অন্যদের সঙ্গে পাল্লা দিতে যাবেন না। ভার উত্তোলনের ব্যায়াম কম ওজন দিয়ে শুরু করতে হবে। আর প্রশিক্ষকের নির্দেশনা সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।

মাংসপেশিতে কাঁপুনি

ম্যাথিউস বলেন, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশির সামান্য কাঁপুনি সমস্যা নয়। তবে থরথর করে কাঁপতে থাকলে এবং শক্তি কমে যেতে থাকলে তা পেশির ক্ষমতা কমে যাওয়ার লক্ষণ। এই অবস্থায় জোর করে ব্যায়াম করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় ব্যায়ামের স্বাভাবিক পারদর্শীতা থাকে না। এসময় ব্যায়াম করলে পেশি ছিড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আকস্মিক ব্যথা

ধীর ও ক্রমবর্ধনশীল ব্যথা স্বাভাবিক। এর মানে হলো ব্যায়ামটি আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা জটিলতার লক্ষণ।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থোপেডিক সার্জন মোরিয়া ম্যাক্কার্থি বলেন, এক্ষেত্রেও জোর করে নির্দিষ্ট ব্যায়াম করা যাবে না। কারণ এতে পেশি ও হাড়ের জোড়ায় আঘাত লাগতে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোন ত্বকে কোন ফেসিয়াল

অনলাইন ডেস্ক

কোন ত্বকে কোন ফেসিয়াল

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। হাতে সময় খুবই কম। কাজের চাপে ত্বকের যত্ন নেওয়া হয়নি অনেকের। অনেকে ভাবছেন, ‘কালো হয়ে গিয়েছি, ফেসিয়ালটা করে নিলে রং খুলবে- রূপবিশেষজ্ঞরা এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা।

প্রধানত ত্বক তিন ধরনের হয়। যেমন- তৈলাক্ত, শুষ্ক ও মিশ্র বা স্বাভাবিক। আর ত্বকের ধরন বুঝেই ফেসিয়াল করা উচিৎ বলে মত দিয়েছেন তারা।

আসুন জেনে নেই কোন ত্বকে কোন ফেসিয়াল করা যায়।

শুষ্ক ত্বক

শুষ্ক ত্বকের জন্য ফেসিয়ালের উপাদানগুলোর মধ্যে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার থাকা জরুরি। স্ক্রাবার যেন ক্রিমি হয়। শুষ্ক ত্বক অনেক সময় স্পর্শকাতর (সেনসিটিভ) হয়ে থাকে। সেখানে দুধ কিংবা দুধের সর ব্যবহার করা যেতে পারে। এমন ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ফেসিয়াল করা যাবে।

তৈলাক্ত ত্বক

তৈলাক্ত ত্বকে অনেক সময় ব্রণ হয়। তাই ত্বককে শুষ্ক করতে পারে এমন ফেসিয়াল করতে হবে। তৈলাক্ত ত্বক স্পর্শকাতর হলে ফেসিয়ালে ক্রিমজাতীয় উপাদান ব্যবহার না করাই ভালো। ক্রিম ত্বকের তেল শুকাতে দেবে না। পাউডার-জাতীয় উপাদানও এড়িয়ে যেতে হবে। লোমকূপে পাউডার জমে থাকলে ব্রণ হতে সাহায্য করে। ব্রণ থাকলে নিম কিংবা ব্রণ ফেসিয়াল করা যেতে পারে। এ ছাড়া অক্সি ফেসিয়াল করা যাবে।

স্বাভাবিক বা মিশ্র ত্বক

মিশ্র ত্বককে আদর্শ ত্বক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেকোনো ফেসিয়াল, যেকোনো উপাদান দিয়ে নির্দ্বিধায় করতে পারেন।

ত্বকের কোনো স্থান যদি স্পর্শকাতর হয় তাহলে ফেসিয়ালের সময় তা খেয়াল রাখতে হবে। কার ত্বকে কী উপাদান উপযুক্ত, তা বিবেচনা করে ফেসিয়াল করতে হবে। তবে গোল্ড ফেসিয়াল কিংবা ফ্রুট ফেসিয়াল বেশ কার্যকর ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফ্যাশনব্রান্ড ‘সেলাই’ এর ঈদ আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যাশনব্রান্ড ‘সেলাই’ এর ঈদ আয়োজন

একদিকে ঈদের খুশিকে বরণ করার আয়োজন, অন্যদিকে করোনার নতুন প্রভাব। পাকিস্তানী ড্রেসের বাংলাদেশী লাইফস্টাইল ব্রান্ড "সেলাই" তাই এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে রেখেছে দারুণ সব আয়োজন যা ফ্যাশনপ্রিয় নারীদের জন্য হতে যাচ্ছে বাড়তি পাওয়া! 

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় সব স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নিরাপত্তা বজায় রেখে সেলাই’র সব আউটলেট থেকে পাওয়া যাবে ঈদের সব সেরা কালেকশন। এছাড়াও সব স্বাস্থ্য নিরাপত্তা মেনে ঢাকাসহ সারাদেশে অনলাইনের মাধ্যমে সেলাইর ফেসবুক পেইজে থেকে পণ্য অর্ডার করলেই গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে পছন্দের পোশাক।

বনানীর এইচ ব্লকে প্রতিষ্ঠানটির আউটলেট ঘুরে জানা গেলো, এবারের ঈদ উপলক্ষ্যে পাকিস্তানী ব্রান্ড "জোহরা", "সোবিয়া নাজির", "ইলান", "গুল আহমেদ", "মোঘল ", "মারিয়া বি", "জারা শাহজাহান", " বারিজ", "জয়নব চট্টানী"," সাইরা রেজোয়ান", "নুর বাই সাদিয়া আসাদ", "ইরুম খান", "খুবসুরাত" সহ জনপ্রিয় সব ব্রান্ডের কালেকশন পাওয়া যাচ্ছে সেলাইতে।

ঈদুল ফিতরের এবারের আয়োজনে মেয়েদের জন্য ‘সেলাই’ এনেছে সিঙ্গেল পিস কামিজ, লন থ্রি পিস, আনইস্টিচ লন, আকর্ষনীয় পার্টি থ্রি পিস, এথনিক কূর্তি, ফ্যাশন টপস"। সেলাই’র পাকিস্তানী ব্রান্ডগুলোর বাইরে সেলাই এর সিইও রুবাবা আকতার এর নিজস্ব ব্রান্ড "কালার লাইফ" এর সকল দৃষ্টিনন্দন ড্রেসও মিলছে সেলাইতে।


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

মিষ্টি বিতরণে পুলিশের বাঁধা, ২০ কেজি রসগোল্লা জব্দ

ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় দায়িত্ব: হুথি নেতা

শত বছরের পুরনো বিয়ের রীতি ভাঙলেন ‘হার্ডকোর ফেমিনিস্ট’ যুবক


সেলাই’র সিইও রুবাবা আকতার বলেন, "এবারের ঈদ সব প্রেক্ষাপটেই একটু ভিন্ন। আমরা এখন থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের কাস্টমারদের সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমাদের বনানী আউটলেট ছাড়াও অনলাইনে আমাদের পেইজের মাধ্যমে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছে যায় আমাদের ভালোবাসা। পাকিস্তানী পোশাকের পাশাপাশি আমি যেহেতু একজন ফ্যাশন ডিজাইনার আমি, দেশের জন্য আধুনিক ব্রান্ড গড়ার লক্ষ্যে আমি ব্লুবেরী এবং কালারলাইফ নামের দুটো ব্রান্ড প্রতিষ্ঠা করেও বেশ সাফল্য পেয়েছি।

সেলাইর আউটলেটে আসা বনানীর এক তরুণীর সাথে কথা হলে তিনি জানান," অথেনটিক পাকিস্তানী ব্রান্ডশপের পোশাক দেশে বসে পাচ্ছি সেলাইর মাধ্যমে, সেজন্য সেলাইকে অনেক ধন্যবাদ।"

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

অনলাইন শপিংয়ে যে বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকবেন

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন শপিংয়ে যে বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকবেন

বাংলাদেশে অনলাইন শপিং দিনে দিনে জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশের মানুষও কেনাকাটার জন্য দিনে দিনে অনলাইন নির্ভর হচ্ছে। কিন্তু, অনলাইন শপিং করার সময় আপনাকে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। 

সঠিক দামটি আগে জানুন:-

অনলাইনে কোন কিছু কেনার আগে সেটির দাম সম্পর্কে আগে থেকেই সঠিক ধারণা নিতে হবে। দেখা যাবে একই পণ্য অনলাইনে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কিন্তু বাজারে সেটির দাম ৩০০ টাকা।তাই কোনো কিছু কেনার আগে ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে। তাহলে দাম নিয়ে ঠকার সম্ভাবনা থাকবে না।

বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম থেকে কেনা:-

অনলাইনে জনপ্রিয়তার সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মানহীন পণ্য নিয়ে ব্যবসা করছে। নকলের পাশাপাশি কমদামী জিনিস নিয়ে তাদের পসরা সাজিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা বেশি থাকায় গুণগত মানের পণ্য ডেলিভারি দিতে হিমশিম খাচ্ছে।এসব ভুয়া সাইট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। আবার গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পণ্য নাও পাঠাতে পারে এসব সাইট। এ ছাড়া ছবিতে এক পণ্য দেখিয়ে পরে অন্য কিছু ডেলেভারি দিচ্ছে। তাই অনলাইনে পণ্য কেনার আগে বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম থেকে কেনা উচিত।

ক্যাশ অন ডেলিভারি ব্যবহার:-

অনলাইনে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে সব সময় সাবধান থাকা উচিত। ফেইসবুক পেইজ ও নতুন ওয়েবসাইটগুলোর ক্ষেত্রে কখনই পণ্যে পাওয়ার আগে পেমেন্ট করা উচিত না।এ ক্ষেত্রে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা উচিত। এতে পণ্য হারানো বা টাকা হারানোর ঝুঁকি থাকবে না। তবে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রতিষ্ঠান হলে অনলাইনে প্রেমেন্ট দেওয়া যাবে।

ওয়ারেন্টি:-

অনলাইনে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা পড়তে হয় তা হলো ওয়ারেন্টি। তাই পণ্যটি কেনার আগে ওয়ারেন্টি সম্পর্কে আগে জেনে নিতে হবে।যে অনলাইনে প্রতিষ্ঠান পণ্যটি কেনা হবে তাদের ফোন বা যোগাযোগ ওয়ারেন্টি সর্ম্পকে নিশ্চিত হয়ে তারপর পণ্যটি কেনা উচিত।


আগামী মাসে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করলেন বাইডেন

বাবা-মা-বোনের পর এবার কোভিড পজিটিভ দীপিকা পাড়ুকোন

সাক্ষাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যে ৪টি আবেদন জানালো হেফাজত নেতারা

দুধের ১০ উপকারিতা


ছাড় ও অফার:-

ফেসবুকের নিউজ ফিডে অনেক সময়ই চোখে পড়বে নানা লোভনীয় ছাড়ে অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার  বিজ্ঞপ্তি। ছাড় বা অফারের ক্ষেত্রে অনেক সময় পণ্যের মান ঠিক থাকে না।তাই ছাড় বা অফারে পণ্য অনলাইনে কেনার আগে ভালোভাবে যাচাই বাছাই করে নিতে হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ওভেন পরিষ্কারের সহজ কিছু কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

ওভেন পরিষ্কারের সহজ কিছু কৌশল

ওভেনের ব্যবহার কমবেশি আমরা সবাই করি। ব্যবহৃত এই যন্ত্রটি পরিষ্কার রাখাটাও খুব জরুরি। নইলে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে বাসা বাধতে পারে জীবাণু। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ওভেন পরিষ্কারের কিছু কৌশল রয়েছে। চলুন সেই কৌশলগুলো জেনে নেই।

>> প্রথমে মাইক্রোওয়েভ থেকে র‍্যাক ও গ্রিল বের করে সাবান-পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে কিছুক্ষণ ঘষে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

>> একটি মাইক্রোওয়েভ সেফ পাত্রের মধ্যে ভিনেগার আর পানি মিশিয়ে নিন। এবার উচ্চতাপে ওভেনের ভেতর এটি পাঁচ মিনিট রেখে দিন। এ থেকে যে স্টিম তৈরি হবে তা মাইক্রোওভেনে লেগে থাকা ময়লা নরম করবে। তারপর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পাত্রটি বের করে পেপার টাওয়েল বা কাপড় দিয়ে ওভেন পরিষ্কার করে নিন।

>> পানির সঙ্গে বেকিং সোডা, লেবু এবং লবণ মেশান। মিশ্রণটিতে কাপড় ভিজিয়ে মাইক্রোওয়েভের ভেতরের অংশ ভালো করে পরিষ্কার করুন।

>> এক কাপ পানিতে দুই চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি একটু গরম করে তাতে একটি কাপড়ের টুকরো ডুবিয়ে মাইক্রোওয়েভ পরিষ্কার করুন।


খালেদার জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দুপুরে বসছে মেডিকেল বোর্ড

মেক্সিকোতে মেট্রো ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

পুড়ছে সুন্দরবন, এখনও নেভেনি আগুন

মমতার শপথ: কখন শুরু হবে, কারা থাকছেন অনুষ্ঠানে?


>> একটি পাত্রে অল্প পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মাইক্রোওয়েভের টার্ন টেবিল আর ভেতরের দিকে এই পেস্টটি লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। একটি ভেজা কাপড় দিয়ে ভেতর পুরোটা এবং টার্ন টেবিল মুছে নিন।

>> ওভেনের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করতে একটি মাইক্রোওয়েভ প্রুফ বাটিতে পানি ও কয়েক টুকরা লেবুর চাকা ফেলে উচ্চতাপে কয়েক মিনিট গরম করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর