স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি কাদের?

অনলাইন ডেস্ক

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি কাদের?

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক নারীই স্তন ক্যানসারে ভুগছেন। বিশ্বে প্রায় আটজন নারীর মধ্যে একজন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ হাজারের বেশি মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার মধ্যে ৯৮ শতাংশ নারী ও ২ শতাংশ পুরুষ। প্রতি বছর শুধু স্তন ক্যান্সারে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি নারী মারা যাচ্ছেন।


এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানা থাকা দরকার।  

আজ আমরা  স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে খাবারের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।

স্তন ক্যানসারের কারণ কিছুটা আছে বংশগত এবং কিছুটা আমাদের লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিটা কমাতে পারি। সে ক্ষেত্রে যদি আমরা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে চান, বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ওজন বেশি, যেমন চাইল্ডহুড বা অ্যাডোলেসেন্স পিরিয়ডে যাদের ওজন বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের গবেষণা, বড় বড় স্টাডিতে দেখা গেছে, ১৮ বছর বয়সের পর যাদের ওজন ২০ কেজি বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৪৫ শতাংশ এবং পোস্ট 

মেনোপজ বা মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাদের ওজন বেড়ে যায়, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিটা বেড়ে যায়। সুতরাং আমাদের কিন্তু ওজনটা আদর্শ ওজনে রাখতে হবে এবং কিছু কিছু স্টাডিতে এও দেখা গেছে, যারা কিনা টিনএজার বা চাইল্ডহুডে ওজন বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি এবং মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওজন বেশি থাকে, তাদের ঝুঁকিটা বেশি থাকে। 

সুতরাং আমরা আদর্শ ওজন মেইনটেইন করব। সুষম বা ব্যালেন্স ডায়েটের মাধ্যমে আমরা চাইল্ডহুড কিংবা অ্যাডোলেসেন্স পিরিয়ড থেকে আমরা ওজনটা নিয়ন্ত্রণে রাখব। এ ক্ষেত্রে আমি বলব, অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদের সাহায্য নিয়ে যেন তার ওজনটা ঠিক রাখার চেষ্টা করে।

পরামর্শ
কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো আমরা যদি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিই, তাহলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে অনেকটা মুক্ত হব। যেমন, সবার প্রথমে যেটা বলা যায়, সেটা হচ্ছে চিনিজাতীয় খাবার। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার কিন্তু স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। তারপর আসি রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, যেমন ময়দার তৈরি খাবারগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এ সমস্ত খাবার আমাদের খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। তারপর হচ্ছে প্রসেস ফুড। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ১৫টা স্টাডিতে দেখা গেছে যে প্রসেস ফুড গ্রহণের ফলে ৯ শতাংশ স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

যে সমস্ত খাবার আমরা খাদ্যতালিকায় রাখব
সেগুলো হচ্ছে ফাইবার-জাতীয় খাবার, টকজাতীয় ফল বা সাইট্রাস ফুড। আমরা খাবারের তালিকায় রাখতে পারি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলস, এটার মধ্যে আছে গ্লুকোজ, সিনোলেট; যা কিনা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবল হচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি; এ জাতীয় খাবার। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের রক্তে ক্যারোটিনয়েডসের পরিমাণ বেশি, তাদের ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি যেমন কমে যায় এবং মৃত্যুর হারও তেমনই কমে যায়। আমরা এর মধ্যে রাখতে পারি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলগুলো, এটার মধ্যে একটি উপাদান আছে, যাকে কোসিনোলেড বলে, এটা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সংবাদ উপস্থাপনায় ও নাটকে রূপান্তরিত দুই নারী

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


 

আমরা খাবারের তালিকায় রাখতে রাখি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যেগুলো মাছের তেল বা বিচিজাতীয় খাবারে পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় এও দেখা গেছে, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড প্রায় ১৪ শতাংশ ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। সুতরাং আমরা খাবারের তালিকায় তৈলাক্ত মাছ, বিচিজাতীয় এবং বাদামজাতীয় খাবারগুলো রাখতে পারি। প্রোবায়োটিক, যেমন দই; এটা কিন্তু ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে। সেইসাথে আপনাকে মেইনটেইন করতে হবে—পর্যাপ্ত ঘুম যেন হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। প্রতিদিন যদি অন্তত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করেন, সেটাও কিন্তু ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে।

এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়-
যে কোনো রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ করা সবচেয়ে উত্তম। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই রোগ খুব সহজে প্রতিরোধ করা যায়।
 
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, প্রতিদিন ঘাম ঝড়িয়ে ৩০-৪৫ মিনিট ব্যায়াম করা, ফল ও সবজি খাওয়া, ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলা, ৩৫ বছরের পর পিল না খাওয়া, হরমন থেরাপি না নেয়া, শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো।

এ ছাড়া টেমক্সিফেন অথবা রেলক্সিফেন ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন না করা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

‍একুশ শতকের বৃক্ষ ‘নিম’ রোগ প্রতিরোধের উৎস

অনলাইন ডেস্ক

‍একুশ শতকের বৃক্ষ ‘নিম’ রোগ প্রতিরোধের উৎস

“রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিমপাতা অনেক রোগ নিরাময়েরও ক্ষমতা রাখে।” তাই আদিকাল থেকেই ওষুধি গুণের কারণে নিম মানুষের আপন বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। বহু গুণাগুণের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে “একুশ শতকের বৃক্ষ” বলে ঘোষণা করেছে।  করোনা রোধে টিকার পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদানও বেশ উপকারী। মেডিকেল নিউজ টুডের তথ্যানুযায়ী, নিম একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা ফ্রি  র‌্যাডিকেলগুলির  প্রভাবকে হ্রাস করে।

আয়ুর্বেদের মতে, নিম চিনি বা চিনির মিছরির সঙ্গে খেলে কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চাইলে প্রতিদিন একটি করে নিম ক্যাপসুলও নিতে পারেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিমপাতা অনেক রোগ নিরাময়েরও ক্ষমতা রাখে। এটি লিভার এবং হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে।

তিতা স্বাদের কারণে অনেকে নিম পাতার রস খেতে না চাইলেও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিম পাতার রস খাওয়া শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় না, শারীরিক নানা অসুস্থতাও কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।

নিম পাতায় থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে। এটি দেহের অভ্যন্তরে উপস্থিত অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলে। এটি পেট পরিষ্কার রাখে এবং সে কারণেই এটি ত্বকের জন্যও কার্যকর। নিম পাতা হজমের জন্যও উপকারী। এক কাপ নিমপাতায় ক্যালোরি থাকে ৩৫ গ্রাম। ফলে প্রতিদিন নিমপাতার রস খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

নিম পাতার নির্যাসে ডায়াবেটিস, ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 

নিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চমৎকার ভাবে কাজ করে। নিমের পাতা রক্তের সুগার লেভেল কমতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তনালীকে প্রসারিত করে রক্ত সংবহন উন্নত করে। 

প্রতিদিন কাঁচা পাতা পাওয়া না গেলে নিম পাতা ডাল থেকে ছড়িয়ে সিল-পাটায় বেটে মিহি করে নিতে হবে। এরপর ছোট ছোট বড়ি করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর কাঁচের বোতলে এটি অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এর গুণাগুণ ভালো থাকবে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা

অনলাইন ডেস্ক

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য চীনের সিনোফার্মের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিইএইচও)। শুক্রবার এ টিকাটি তালিকাভুক্ত করে সংস্থাটি। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে উদ্ভাবিত করোনার টিকাগুলোর মধ্যে এটাই প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমর্থন লাভ করল। চীন এবং আরও অনেক জায়গায় লাখ লাখ মানুষকে ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

এর আগ পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডব্লিউএইচও।

কয়েক দিন আগে বাংলাদেশেও চীনের সিনোফার্মের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে চীন সরকারের উপহার হিসেবে এই টিকার পাঁচ লাখ ডোজ বাংলাদেশে আসছে।

পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচেপড়া ভিড়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনা ক্রমশ এগোচ্ছে ভারতের পূর্ব দিকে, শঙ্কায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

করোনা ক্রমশ এগোচ্ছে ভারতের পূর্ব দিকে, শঙ্কায় বাংলাদেশ

ভারতে প্রতিদিনই ভাঙছে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড। গত চব্বিশ ঘন্টায় ৪ লক্ষ ১২ হাজারেরও বেশি নতুন কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৩৯৮০জন। সম্প্রতি দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়েছে যে, মহামারি এখন ক্রমশ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে।  

আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড ও বিহার - পূর্ব ভারতের এই পাঁচটি রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে ওই রাজ্যগুলোর কর্মকর্তাদের সাথে আপদকালীন বৈঠকের পর দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই মন্তব্য করে।

ভারতে করোনাভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, দুটো পরিসংখ্যানেই একটা বড় ভূমিকা রেখেছে পূর্ব ভারতের পাঁচটি রাজ্য - যদিও এতদিন সবচেয়ে উদ্বেগজনক সংখ্যাগুলো আসছিল মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কর্নাটক, কেরালা, পাঞ্জাব বা উত্তরপ্রদেশের মতো দেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকেই।

দক্ষিণ, পশ্চিম বা উত্তর ভারতের তুলনায় পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি এতদিন কিছুটা ভালো ছিলো, কিন্তু তা ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে ইঙ্গিত পাওয়ার পরই বুধবার বিকেলে পূর্বের পাঁচটি রাজ্যের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় আমলা ও বিশেষজ্ঞরা।

পরে দিল্লিতে জারি করা এক বিবৃতিতে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, ''যাবতীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ এদিকেই দিকনির্দেশ করছে যে কোভিড মহামারি এখন ক্রমশ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। দেশের (পূর্ব প্রান্তের) এই রাজ্যগুলোতে দৈনিক শনাক্ত কেসের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, যেমন বাড়ছে মৃত্যু হারও।”


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

মিষ্টি বিতরণে পুলিশের বাঁধা, ২০ কেজি রসগোল্লা জব্দ

ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় দায়িত্ব: হুথি নেতা

শত বছরের পুরনো বিয়ের রীতি ভাঙলেন ‘হার্ডকোর ফেমিনিস্ট’ যুবক


ধীরে ধীরে ভাইরাসের সংক্রমণ পূর্ব দিকে এগিয়ে আসতে থাকায় ঝুঁকিতে ও শঙ্কায় রয়েছে বাংলাদেশ। যদিও দেশে এখন লকডাউন চলছে ও ভারতের সাথে সীমান্ত এলাকা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আসন্ন ঈদে পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

পুঁইশাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

পুঁইশাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা

গরমের শাক-সবজির মধ্যে পুঁইশাক বেশ জনপ্রিয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। চলুন পুঁইশাকের জেনে নেই স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. প্রবাদে আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বাইরে যেতে সাহায্য করে।

২. পুঁইশাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ এবং সি, যা ত্বকের রোগজীবাণু দূর করে, শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে সেইসঙ্গে চুলকেও মজবুত রাখে।

৩. নিয়মিত পুঁইশাক খেলে পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম।

৪. পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণ আঁশ বা ফাইবার থাকে যা পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৫. যারা ব্রণের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পুঁইশাক খুব ভালো।

৬. পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এই শাক রোগ প্রতিরোধে বেশ কাজ করে থাকে।

৭. পুঁইশাক দেহ থেকে সঠিক ভাবে বর্জ্য নিষ্কাশন করে বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা দূর করে।


জুমাতুল বিদাকে ‘আল-কুদস দিবস’ বলা হয় কেন?

মধ্যরাতে হেফাজতের নেতা শাহীনুর পাশা গ্রেপ্তার

পবিত্র জুমাতুল বিদা আজ

কোভিড সার্টিফিকেট জাল, ধ্যাত তাও কি হয় নাকি!


৮. পুঁইশাকের আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ। শরীরের কোনো অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ফুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় বেটে লাগালে দ্রুত উপশম হয়।

৯. শরীরে খোসপাঁচড়া কিংবা ফোড়ার মতো অনাবশ্যক সংক্রমণের বিরুদ্ধেও লড়তে পারদর্শী পুঁইশাক।

১০. হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পুঁইশাক এর জুড়ি নেই। যাদের প্রায় প্রতিদিনই মাথাব্যথা থাকে, নিয়মিত পুঁইশাক খেলে তারা উপকার পাবেন খুব দ্রুত। তাই পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সচেতনতায় প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুঁইশাক রাখুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোভিড টেস্ট কখন করাবেন, কখন করাবেন না

রুমি আহমেদ

কোভিড টেস্ট কখন করাবেন, কখন করাবেন না

আপনার যদি কোভিড হয় - জ্বর নেমে যাবার তিন দিন পর থেকেই আপনি কোভিড নেগেটিভ। টেস্ট করে দেখার কোন প্রয়োজন নেই আপনি নেগেটিভ হলেন কিনা। আপনার যদি কোভিড পজিটিভ হয় কিন্তু কোন সিম্পটম নাই - তাহলে টেস্ট পজিটিভ এর নয় দিন পরেই আপনি নেগেটিভ - টেস্ট করে নেগেটিভ দেখানোর দরকার নাই!

মূল কারণ হচ্ছে ১০ দিন পরে আপনি কোভিড নেগেটিভ। এটা কনফার্ম করার জন্য টেস্ট লাগবে না! কারন আপনার টেস্ট পজিটিভ আসতে পারে আরো ছয় সাত মাস! ব্যাখ্যা হচ্ছে ভাইরাস মারা গেলেও মৃত ভাইরাস এর কঙ্কাল নাকে গলায় রয়ে যায়! ওই ফ্র্যাগমেন্ট গুলোই পিসিআর টেস্ট পজিটিভ করে দিতে পারে! এক্ষেত্রে যা হয় তা হচ্ছে একবার পজিটিভ একবার নেগেটিভ আবার পজিটিভ - এধরণের উদ্ভট আচরণ শুরু করে টেস্ট রেজাল্ট গুলো!

পিসিআর টেস্ট ছাড়া আরেকটা টেস্ট আছে - এন্টিবডি টেস্ট। এন্টিবডি টেস্ট করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন কেন টেস্টটা করাচ্ছেন! আগে ইনফেকশন হয়েছিল এটা জানার জন্য করলে এক কথা! এখন ইনফেকশন আছে কিনা তা ধরার জন্য এন্টিবডি টেস্ট কার্যকর না।

আপনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং আপনার শরীরে এন্টিবডি ডেভেলপ করলো কিনা তা জানার জন্য যদি টেস্ট করতে চান তাহলে এটা জানা দরকার যে প্রায় সবগুলো এন্টিবডি টেস্ট কিট ভাইরাস এর নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে যে এন্টিবডি হয়েছে তা ডিটেক্ট করে। IgG N ।


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

রোজার সৌন্দর্যে ​মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

বান্দরবানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার


ভ্যাকসিন নিলে স্পাইক প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয়, নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয় না। আপনি ভ্যাকসিন নেয়ার পর এন্টিবডি টেস্ট করলে টেস্ট টা নেগেটিভ হবে - কারণ আপনার আগে যদি কোভিড না হয়ে থাকে তাহলে তাহলে আপনার তো নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি থাকার কথা না!

তবে রিসেন্টলি স্পাইক প্রোটিন এন্টিবডি চেক করার কিট বের হয়েছে। ভ্যাকসিন নেয়ার পর আপনার স্পাইক প্রোটিন এন্টিবডি পজিটিভ হবার কথা!

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর