প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির সমাবেশ, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক

প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির সমাবেশ, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার ও তার খেতাব বাতিলের ষড়যন্ত্র, সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিন এবং লেখক মুশতাক আহমেদের হত্যার প্রতিবাদ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইর বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়।

এদিন সকাল থেকেই প্রেসক্লাব এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে সচিবালয় মোড়, কদম ফোয়ারা মোড়, পুরানো পল্টন মোড়, মৎস্য ভবন মোড়সহ প্রায় প্রতিটি মোড়েই চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এ সময় অনেককেই তল্লাশি করতে দেখা গেছে। এতো বাধা-বিপত্তির কারণে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন অনেক নেতা কর্মী সমাবেশে আসতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছে দলটির নেতারা।

আরও পড়ুন


অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলায় শাশুড়িকে হত্যা করল পুত্রবধূ

মমতাকে থাকতে হবে ৪৮ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে, বাম পায়ের চোট গুরুতর

নিয়োগ দেবে শিল্প মন্ত্রণালয়

দেশের ৬ বিভাগসহ বেশ কিছু এলাকায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস


তবে পূর্ব ঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মীদের জড়ো হতে দেখা যায়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে এই সমাবেশ শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবী চৌধুরীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায়  উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান বাদী থানায় মামলা করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে খিজির হায়াত খান বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

মামলায় কাদের মির্জার অনুসারী যুবলীগ নেতা নাজিম উদ্দিন মিকনকে প্রধান আসামি, তার সহযোগী শহিদ উল্যাহ রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল, কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা, ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০-৩০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শেখ তন্ময়ের পক্ষে রাজধানীতে ইফতার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক

শেখ তন্ময়ের পক্ষে রাজধানীতে ইফতার বিতরণ

বাগেরহাট-২ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের পক্ষ থেকে রাজধানীতে অসহায় দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে লকডাউন চলাকালীন সময়ে অসহায় ও দুস্থদের জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিবাস মজুমদার উদ্যোগে চার শতাধিক মানুষের মাঝে রাজধানীর কমলাপুর এলাকায় ইফতারি ও খাদ্য বিতরণ করা হয়। 

এসময় দক্ষিণ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিবাস মজুমদার বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তারুণ্যের অহংকার বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য  শেখ তন্ময়ের নির্দেশে রাজধানীর কমলাপুর এলাকার আশেপাশে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই বাগেরহাটে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় রোগীর কাছে চিকিৎসক পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ধারাবাহিকতায় এখন অন্যান্য এমপিরা তাদের নিজ এলাকায় বাস্তবায়ন করা শুরু করেছেন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছেন। তাই চলমান পরিস্থিতিতে  অসহায় মানুষেরা ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারছে না তাই যতটুকু পারি আমরা ওনার নির্দেশে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। পুরো রমজান এবং করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালে যতটুক সম্ভব অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতার জবানবন্দি

শাপলা চত্বরের সমাবেশের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন বাবুনগরী : মুফতি ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

শাপলা চত্বরের সমাবেশের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন বাবুনগরী : মুফতি ফখরুল

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সরাসরি হেফাজতের কর্মসূচীতে ঢুকে জ্বালাও পোড়াও করে সরকারের পতন ঘটাতে চেয়েছিল। শাপলা চত্বরের সমাবেশের ঠিক এক সপ্তাহ আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন জুনায়েদ বাবুনগরী। বিএনপির পক্ষ থেকে ওই আন্দোলনে জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়া হয় বলে  আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির তৎকালীন প্রচার সম্পাদক মুফতি ফখরুল ইসলাম। 

গত সোমবার মুখ্য মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মুফতি ফখরুল বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র সেই সহিংসতায় তৎকালীন বিএনপি ও জামায়াতের একাধিক শীর্ষ নেতা অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন। সহিংসতায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাও।

 গত ১৪ এপ্রিল লালবাগ এলাকা থেকে মুফতি ফখরুলকে গ্রেফতারের পর পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে সোমবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সরকার আলেমদের না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতকারীদের : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

সরকার আলেমদের না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতকারীদের : তথ্যমন্ত্রী

সরকার কোনো আলেম বা ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করছে না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতিকারীদের বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ।

‘সরকার ধর্মীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করছে’ বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ।

আজ রাজধানীতে সরকারি বাসভবন থেকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এটুআই আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক অনলাইন কর্মশালা উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে সমস্ত দুষ্কৃতকারী ২৬ থেকে ২৮ মার্চ সমগ্র দেশে তাণ্ডব চালিয়েছে, নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি, সহায়-সম্পত্তি, যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে, ভূমি অফিসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষের জমির দলিলপত্র পুড়িয়েছে, ফায়ার স্টেশন ও রেল স্টেশনে হামলা করে ক্ষতি করেছে এবং যারা মানুষের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, তাদের এবং তাদের নির্দেশদাতাদের সরকার গ্রেপ্তার করছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোনো ভালো আলেম এসব অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, আলেমের মুখোশধারীরাই এসবে যুক্ত এবং সরকার তাদেরকেই গ্রেপ্তার করছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এর আগে বাসসের কর্মশালায় দেওয়া বক্তব্যে সংস্থাটির সব জেলা প্রতিনিধির ল্যাপটপ সরবরাহের ওপর গুরুত্ব দেন। বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং এটুআই প্রকল্প পরিচালক ড. আব্দুল মান্নান অনলাইনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হত্যার বদলে হত্যার হুমকি কাদের মির্জার

অনলাইন ডেস্ক

হত্যার বদলে হত্যার হুমকি কাদের মির্জার

এবার ফেসবুক লাইভে এসে হত্যার বদলে হত্যার হুমকি দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা।

তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র।

আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে কাদের মির্জা তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুকে লাইভে এসে এই হুমকি দেন। লাইভটি কাদের মির্জাসহ ২৬ জনের ফেসবুকে ট্যাগ করা হয়েছে।

এর আগে ফেসবুক লাইভে এসে পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, ‘নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি), দুর্নীতিবাজ অতিরিক্ত এসপি শামীম, কোম্পানীগঞ্জের দুর্নীতিবাজ ওসি—এই তিনজন মিলে সিরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মিকনকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করেছেন। একটু আগে আমি খবর পেয়েছি, এই তিনজন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তাকে ক্রসফায়ারে দেবে।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনা কোম্পানীগঞ্জে কখনো ঘটেনি, আমরা করতে দিইনি। আজকে রাহাইচ্ছা (কাদের মির্জার ভাগনে ফখরুল ইসলাম ওরফে রাহাত) থানাকে টাকা দিয়ে ক্রসফায়ারে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ধরনের ঘটনার পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি আমার এক ফোঁটা রক্ত থাকতে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে, তার জবাব কী দিয়ে দিতে হয়, ৪৭ বছরের রাজনীতির অভিজ্ঞতায় আমি অভিজ্ঞ। কীভাবে জবাব দিতে হয়, আমি জানি। হত্যার বদলে হত্যা। এটা ছেড়ে দেওয়া হবে না।’


মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটুনির ১মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

একদিনে করোনা শনাক্ত ৪৫৫৯

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৯১ জন


ওবায়দুল কাদেরের ভাই আবদুল কাদের পুলিশের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমি আজকে ৪৭ বছর রাজনীতি করি। কোনো পুলিশ আমার চোখের দিকে তাকাই কথা বলেনি।’

‘গায়ে হাত দেওয়া তো দূরে থাক। সম্মান করত, শ্রদ্ধা করত প্রত্যেকটা পুলিশ অফিসার। যাদের সাথে আমার লাগালাগি হয়েছে, তারাও কখনো আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলেনি। আমি বিরোধী দল করেছি, তখনো আমাকে সম্মান করত, শ্রদ্ধা করত।’

কাদের মির্জা দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গালি দিয়ে ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘...আজকে আমার গায়ে হাত দেয়। আমাকে গালিগালাজ করে, আমার মাকে ধরে গালিগালাজ করে। আমার ছেলেদের ক্রসফায়ারে দেবে। রক্তের হোলিখেলা কোম্পানীগঞ্জে চলবে, এটা কোনো অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হবে না।’

কাদের মির্জা থানার পুলিশের উদ্দেশে বলেন, ‘চোর-ডাকাত নিয়ে থানায় বসে থাক? যারা ব্যাংক ডাকাতি করেছে, যারা মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে, অস্ত্রবাজি করে, তাদের নিয়ে থানায় বসে তোমরা যুক্তি কর, তাদের মামলা তোমরা বসে বসে ড্রাফট কর, সেটা সাবমিট কর? সাংবাদিক মুজাক্কির, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক আলাউদ্দিন হত্যাকারী বাদইল্যা (মিজানুর রহমান বাদল) কীভাবে থানায় যায়? কোম্পানীগঞ্জে কীভাবে ঘোরফেরা করে?’

তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি, উনিও কোনো ব্যবস্থা নেন নাই। এটা চলতে দেওয়া যায় না।

কোনো অবস্থায় কাউকে, সে পুলিশ হোক, আর যেই হোক, এমপি হোক, মন্ত্রীর স্ত্রী হোক, আর সচিব হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার সন্তানের গায়ে হাত দিয়েছে, কারও সন্তান রেহাই পাবে না, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিচ্ছি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর