কলেজশিক্ষক চিত্তরঞ্জন বাইন হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদন্ড

অনলাইন ডেস্ক

কলেজশিক্ষক চিত্তরঞ্জন বাইন হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদন্ড

খুলনায় বহুল আলোচিত কলেজশিক্ষক চিত্তরঞ্জন বাইনকে হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদন্ড হয়েছে। বাকি আটজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন রাজু মুন্সি ওরফে গালকাটা রাজু ও তুহিন গাজী। এদের মধ্যে গলাকাটা রাজু পলাতক রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন।
শহীদ শেখ আবুল কাশেম স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ছিলেন চিত্তরঞ্জন বাইন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, প্রভাষক চিত্তরঞ্জন বাইন পরিবারসহ শের-এ-বাংলা আমাতলা রোডের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি তার স্ত্রী দুই মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে যান। ১৪ জানুয়ারি পিটিআই মোড়স্থ কলেজ থেকে রাত সাড়ে ১০টায় বাসায় ফেরেন চিত্তরঞ্জন।


মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস আচরণ, হাঁটু মুড়ে সন্ন্যাসিনীর আবেদন

সারাদেশে নিয়োগ দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট

কাকে উদ্দেশ্য করে তাহসানের ৫ শব্দের এমন স্ট্যাটাস

জিতেও বিদায় নিতে হলো রোনালদোর জুভেন্টাসকে


ওই রাত থেকে ১৫ জানুয়ারি সকাল সোয়া ১১টার মধ্যে যেকোনও সময় দুর্বৃত্তরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে তার বাসার জানালার গ্রিল কেটে ঘরের ভিতরে ঢোকে। পরে তাকে হত্যা করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ দুই লাখ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় পরের দিন নিহতের ছোটভাই অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ১২ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার এসআই কামাল উদ্দিন ১০ জন আসামির নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার রায়ে চিত্তরঞ্জন বাইনের পরিবার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে হামলার ঘটনায় ৫ মামলায় আসামি ১৬ হাজার ৮০০

অনলাইন ডেস্ক

ফরিদপুরে হামলার ঘটনায় ৫ মামলায় আসামি ১৬ হাজার ৮০০

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবের ঘটনায়  বৃহস্পতিবার রাতে করা চার মামলা সহ মোট ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পাঁচ মামলায় ১৬ হাজার ৮০০ জনকে মোট আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে ২৬১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। বাকিরা অজ্ঞাত।

তার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মাতুব্বর বাদী হয়ে একটি মামলা।

সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালক মো. হাশমত আলী, এসিল্যান্ডের নিরাপত্তারক্ষী সমীর বিশ্বাস, এসিল্যান্ডের গাড়িচালক সাগর সিকদার মামলা দায়ের করেন।


নারায়ণগঞ্জের ৭ থানা ও ৮ ফাঁড়িতে এলএমজি তাক করে বসে আছে পুলিশ

মার্কেট–শপিং মল খুলল চার দিন পর, ক্রেতা কম

১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার : কাদের

পিগিং কার্যক্রমের জন্য টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

হাতেনাতে ধরা খেয়ে নিজে চলে গেল, ঝর্ণাকে সঙ্গে নিল না


এর আগে পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, ৫টি মামলা থানায় রুজু হয়েছে। ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে লকডাউনের প্রথম দিনে (৫ এপ্রিল) সালথা এসিল্যান্ড মারুফা সুলতানা বাজারে গেলে সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে।

পরে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে সালথা উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দেয় বেশকিছু দপ্তর।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রফিকুল মাদানীর ডিজিটাল মামলার প্রতিবেদন ৩০ মে ধার্য

অনলাইন ডেস্ক

রফিকুল মাদানীর ডিজিটাল মামলার প্রতিবেদন ৩০ মে ধার্য

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন আগামী ৩০ মে ধার্য করেছেন আদালত।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) এই মামলার এজাহার আদালতে আসে।

এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া এজাহার গ্রহণ করে মতিঝিল থানা পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিলের এই আদেশ দেন।


নারায়ণগঞ্জের ৭ থানা ও ৮ ফাঁড়িতে এলএমজি তাক করে বসে আছে পুলিশ

মার্কেট–শপিং মল খুলল চার দিন পর, ক্রেতা কম

১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার : কাদের

পিগিং কার্যক্রমের জন্য টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

হাতেনাতে ধরা খেয়ে নিজে চলে গেল, ঝর্ণাকে সঙ্গে নিল না


এর আগে আদনান শান্ত নামে এক ব্যক্তি মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মতিঝিল থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়, ইউটিউব ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী দেশ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন। তার এসব বক্তব্য দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। বিভ্রান্ত হয়ে তারা দেশের সম্পত্তির ক্ষতি করছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: ৫ জন দু’দিনের রিমান্ডে, ৯ আসামি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: ৫ জন দু’দিনের রিমান্ডে, ৯ আসামি কারাগারে

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে মর্মান্তিক লঞ্চডুবির ঘটনায় জব্দ করা এসকেএল-৩ লাইটার জাহাজ থেকে গ্রেপ্তার ১৪ আসামির মধ্যে চালকসহ পাঁচ আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে অপর ৯ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- এমভি এসকেএল-৩ লাইটার কোস্টার কার্গো জাহাজটির মাস্টার অহিদুজ্জামান, চালক মজনু মোল্লা, সুকানি আনোয়ার মল্লিক, হৃদয় হাওলাদার ও ফারহান মোল্লা।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ বিকেল ৪টায় নৌ-থানা পুলিশ আসামিদের মধ্যে পাঁচজনের সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবীরের আদালতে হাজির করে।


১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার: কাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯ থানা, ১২ পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িতে এলএমজি নিয়ে প্রস্তুত পুলিশ

মাওলানা মামুনুলের ফেসবুক পেজে নেই সেই লাইভ ভিডিও

খুব অকথ্য এসব ফিলিংস!


এ সময় আসামিদের সবার পক্ষে জামিন আবেদন করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা। আদালত শুনানি শেষে আসামিদের ব্যাপারে উপরোক্ত আদেশ দেন। পরে আদালতের নির্দেশে ৯ আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাবিত আল হাসান নামে লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে লঞ্চটি সদর উপজেলার কয়লাঘাট এলাকায় গেলে এসকেএল-৩ নামে লাইটার কোস্টার কার্গো জাহাজের ধাক্কায় নদীতে তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় লঞ্চটির ৩৪ জন  যাত্রী মারা যান।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আরবি পড়তে আসা ছাত্রীকে ‘ধর্ষণ করে’ ধরা মসজিদের ইমাম

অনলাইন ডেস্ক

আরবি পড়তে আসা ছাত্রীকে ‘ধর্ষণ করে’ ধরা মসজিদের ইমাম

মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি ভোরে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন মঞ্জুরুল হক (২৫)। সেই সুবাদে মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে বিয়ের প্রলোভনে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ওই ইমাম।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ঘটে এমন ঘটনা।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


মার্কেট–শপিং মল খুলল চার দিন পর, ক্রেতা কম

১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার : কাদের

পিগিং কার্যক্রমের জন্য টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

হাতেনাতে ধরা খেয়ে নিজে চলে গেল, ঝর্ণাকে সঙ্গে নিল না


বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত ইমামকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মঞ্জুরুল হক দিগলী ফকিরবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

তিনি একই উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। 

বুধবার ভোরে পড়তে এলে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় বুধবার রাতে মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ইমাম মঞ্জুরুলকে আসামি করে কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই ইমাম মঞ্জুরুল হককে আটক করে পুলিশ।

কেন্দুয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান বলেন, গ্রেপ্তার মঞ্জুরুল হককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতা আজিজুল হক মোল্লা ৩ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজত নেতা আজিজুল হক  মোল্লা ৩ দিনের রিমান্ডে

হেফাজতের নেতা আজিজুল হক মোল্লার (৩২) বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান আসামির রিমান্ডের এ আদেশ দেন। 

এ দিন রমনা থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আসামি আজিজুল হককে আদালতে হাজির করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


নজরদারিতে যেসকল হেফাজতের শীর্ষ নেতা

কেয়ামতের দৃশ্যমান যত আলামত ও নিদর্শন


 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আজিজুল হক নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশে সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দেওয়া হয়। ওই আইডি থেকে আগের রেকর্ডকৃত ভিডিও বিশেষ উপায়ে লাইভ হিসেবে প্রচার করে বর্তমান হেফাজতে ইসলামের সমর্থকগোষ্ঠীর চলমান উগ্রতাকে উসকে দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর উদ্দেশে গুজব ছড়ানো হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল আইনের মামলায় রিমান্ডে নেয়া আজিজুল হক মোল্লার আর হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজীজুল হক ইসলামাবাদী এক নন। গতকালই হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজীজুল হক ইসলামাবাদীর গ্রেপ্তারের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনি নিজে খবরটি সঠিক নয় বলে জানায় নিউজ টোয়েন্টিফোরকে। আজীজুল হক ইসলামাবাদী গতকাল নিউজ টোয়েন্টিফোরকে বলেন, তিনি নিরাপদে আছেন এবং সুস্থ আছেন ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর