করোনা আক্রান্ত হয়ে সিলেট-৩ আসনের সাংসদের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

করোনা আক্রান্ত হয়ে সিলেট-৩ আসনের সাংসদের মৃত্যু

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস করোনা আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২ টা ৪০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

তার বড় ভাই আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। এর আগে গত রোববার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন সোমবার তার শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। 


মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস আচরণ, হাঁটু মুড়ে সন্ন্যাসিনীর আবেদন

সারাদেশে নিয়োগ দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট

কাকে উদ্দেশ্য করে তাহসানের ৫ শব্দের এমন স্ট্যাটাস

জিতেও বিদায় নিতে হলো রোনালদোর জুভেন্টাসকে


মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর জন্ম ১৯৫৫ সালের ৩ জানুয়ারি। বাংলাদেশের অন্যতম এ রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসন থেকে প্রথমবারের মত সংসদ নির্বাচিত হন। এরপর দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন তিনি। 

এছাড়া তিনি শেখ রাসেল শিশু কিশোর মেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ছিলেন।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইডসের ৯৭ ভাগ কার্যকর টিকা উদ্ভাবনের দাবী বিজ্ঞানীদের

অনলাইন ডেস্ক

এইডসের ৯৭ ভাগ কার্যকর  টিকা  উদ্ভাবনের দাবী বিজ্ঞানীদের

করোনা ভাইরাসে যখন সারা বিশ্বে প্রতিদিন জীবন হারাচ্ছে হাজারও মানুষ তখনই এইচআইভির (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) টিকার বিষয়ে সুখবর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  হিউম্যান ট্রায়ালে বা মানুষের ওপর পরীক্ষায় এই টিকাটি প্রায় ৯৭ ভাগ কার্যকর বলে দাবী টিকাটির উদ্ভাবকদের।

বিজ্ঞানীদের দাবি, এইআইভি ভাইরাস মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধী কোষ মেরে ফেলে। নতুন এই টিকাটি ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষের রোগপ্রতিরোধী কোষকে জাগিয়ে তোলে। যা এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

গত বুধবার (৭ এপ্রিল) ইন্টারন্যাশনাল এইডস সোসাইটির ‘এইচআইভি রিসার্চ ফর প্রিভেনশন’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে স্ক্রিপ্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোর ‘স্ক্রিপ্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ এবং এইচআইভি টিকা প্রস্তুতকারী অলাভজনক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল এইডস ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ (আইএভিআই)’-এর বিজ্ঞানীরা  যৌথভাবে নতুন এই টিকা তৈরি করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের ওপর পরীক্ষার প্রথম দফায় এই টিকা ৪৮ জনের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।

স্ক্রিপ্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট আরও জানায়, উদ্ভাবিত নতুন টিকা দ্রুত উৎপাদনে যাওয়ার জন্য মেসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ) প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা মডার্নার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে আলোচনা চলছে। 

এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কারের পর  থেকে এই পর্যন্ত অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে বেশ কয়েকটি টিকা আবিষ্কার ও পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কোনো টিকাই ৩১ শতাংশের বেশি কার্যকর হয়নি এবং এক বছরের বেশি সময় কার্যকর থাকেনি। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনার নতুন তিনটি উপসর্গ

অনলাইন ডেস্ক

করোনার নতুন তিনটি উপসর্গ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত বিশ্বের অনেক দেশ। টিকা আবিষ্কৃত হলেও তা সবার কাছে পৌঁছে দেয়া সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এদিকে ভাইরাসটিও প্রতিনিয়ত নিজের রূপ পরিবর্তন করে হয়ে উঠছে আরও ভয়াবহ।

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে নতুন করে আবারও তিনটি উপসর্গ দেখা গেছে। তবে সেগুলো করোনার নতুন ধরনের কারণে হচ্ছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।

করোনা মহামারির প্রথম থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ হিসেবে সর্দি-কাশি, জ্বর, স্বাদ অথবা ঘ্রাণের পরিবর্তন বিবেচিত হয়ে আসলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ে এগুলোর সঙ্গে নতুন করে আরও তিনটি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। সেগুলো হলো-

গোলাপী চোখ: চীনে ১২ জন রোগীর ওপর করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কনজেক্টিভাইটিস বা গোলাপী বর্ণের চোখ হল এই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার নতুন উপসর্গ। কারও মধ্যে এই উপসর্গ থাকলে তার চোখে গোলাপী ভাব থাকবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চোখ বারবার ফুলে যাবে এবং ঘন ঘন চোখ দিয়ে পানি পড়বে।

শ্রবণ ক্ষমতা কমে যাওয়া: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার নতুন উপসর্গ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা সংক্রমিত রোগীর শ্রবণ ক্ষমতা হ্রাসের কথা জানিয়েছেন। মোট ৫৬ জনের ওপর করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে তাদের ২৪ জনেরই কানে শ্রবণ ক্ষমতা লোপ পেয়েছে।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল বা হজমে সমস্যা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত রোগীদের হজমেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। নতুন এই উপসর্গে রোগীর পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব বা ডায়রিয়ার মতো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

নতুন এই তিনটি উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সূত্রঃ জি নিউজ

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে উপায়ে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে

অনলাইন ডেস্ক

যে উপায়ে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে

বাত শরীরের একটি যন্ত্রণাদায়ক রোগ। বাতের ব্যথা অতি পরিচিত একটি সমস্যা। আমাদের চারপাশে আজকাল অনেকেই এই বাতের ব্যথার ভুক্তভোগী। পেশি ও অস্থিসন্ধিতে যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা হওয়াকে বাত বলে।

কিন্তু নিয়মিত কিছু কাজ করলে খুব সহজেই বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ আসুন জেনে নেই, সেই কাজগুলো সম্পর্কে যা আপনাকে মুক্তি দেবে বাতের ব্যথা থেকে-

১. মেরুদণ্ড ও ঘাড় নিচু করে কোনো কাজ করবেন না।
২. বিছানায় শোয়া ও ওঠার সময় যেকোনো একদিকে কাত হয়ে হাতের ওপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।
৩. ব্যথার জায়গায় নির্দিষ্ট সময় ধরে গরম বা ঠান্ডা ভাপ দিন। সময়টা ১০ থেকে ১৫ মিনিট হলে ভালো হয়।
৪. অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। প্রয়োজনে একক ঘণ্টা পর পর হাঁটাহাঁটি করবেন। নিজের অবস্থান বদলাবেন।
৫. নিচু জিনিস যেমন-পিড়ি, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে বসতে হবে। বসার সময় পিঠ ঠেস না দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে বসবেন।

৬ হাইহিল যুক্ত জুতো ব্যবহার করবেন না। নরম জুতো ব্যবহার করবেন। ব্যথা তীব্র হলে উঁচু কমোডে বসে টয়লেট করুন। ব্যথা বেশি অনুভূত হলে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন।

প্রতিরোধ
প্রতিরোধই বাতের সমস্যা থেকে উপশমের উত্তম উপায়। রোগ দেখা দিলে ওষুধের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়া যায় বটে, তবে তখন অ্যালকোহল এবং যেসব খাবার গ্রহণ করলে ইউরিক এসিড মজুদ হওয়া বেড়ে যায়, সেসব থেকে দূরে থাকা অবশ্য কর্তব্য।

এছাড়া রোগীকে প্রচুর পানি খেতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, সুষম খাবার ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওজন ঠিক রাখতে হবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, রোগ হলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে তার পরামর্শ মতো চলতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে ৯টি খাবার

অনলাইন ডেস্ক

গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে ৯টি খাবার

গ্রীষ্মকাল প্রায় চলে এসেছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরম ও রোদের তাপ। তাই, গরম থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সাবধানতা নেওয়ারও সময় এসে গেছে।

অত্যধিক গরম থেকে বাঁচতে ও সুস্থ থাকতে সর্বপ্রথমে খাদ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কারণ খাওয়ার অভ্যাসের পরিবর্তন কিছুটা হলেও গরম থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে। তাই, কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য এইসময় আপনার ডায়েটে অবশ্যই রাখতে হবে।

রসালো ফল এবং শাকসবজির মতো খাবারগুলি গ্রহণের মাধ্যমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচা যায়। পাশাপাশি শরীরে খনিজ ও পুষ্টির ঘাটতিও দূর করা যায়। তাহলে দেখে নিন এই গ্রীষ্মকালে আপনার ডায়েটে কী কী খাবার অন্তর্ভুক্ত করবেন।

পানি

কেবলমাত্র তৃষ্ণার্ত বোধ করলে তবেই পানি পান করবেন, এমনটা কিন্তু একেবারেই করবেন না। ডিহাইড্রেশন বা অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকে বাঁচতে সারাদিন পানি পান করুন।

ফ্রেশ ফলের জুস

এই সময় ফলের রস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য সত্যিই খুব উপকারি। ফলের রস গরমের তাপ থেকে স্বস্তি দিতে সহায়তা করে। তবে চিনিযুক্ত ফলের রস পান করা এড়িয়ে চলুন।

তরমুজ

গ্রীষ্মকাল আসা মানেই বাজারে তরমুজের ছড়াছড়ি। গরমের তাপ থেকে স্বস্তি দেয় তরমুজ। এটি শরীরকে শীতল ও হাইড্রেট রাখে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। এছাড়াও, তরমুজে লাইকোপিন রয়েছে যা ত্বকের কোষকে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে।

টমেটো

টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রয়েছে। এছাড়াও, এতে লাইকোপিনের মতো উপকারি ফাইটোকেমিক্যালও রয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী রোগ বিশেষত ক্যান্সার নিরাময়ে সহায়তা করে।

ফল ও শাকসবজি

গরমে স্বস্তি পেতে ফল ও শাকসবজি বেশি করে খান। ফল এবং শাকসবজি সহজে হজম হয় এবং সাধারণত পানির পরিমাণ বেশি থাকে। টাটকা ফল ও ভেজিটেবল সালাদ আপনাকে হাইড্রেট এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করতে পারে।


আরও পড়ুনঃ


বিদায় ৩০ বছরের সঙ্গী নখ

তাইওয়ানের ওপর হামলা চালাতে পারে চীন; সতর্কবার্তা

নিউইয়র্ককে টপকে এখন বিলিয়নিয়ারদের শহর বেইজিং

অভ্যুত্থানের বিরোধীতা করায় মিয়ানমারে সেলিব্রেটি মডেল গ্রেফতার


ধুন্দল

গরমে একটু স্বস্তি পেতে আপনি ধুন্দল খেতে পারেন। এতে পেকটিন নামক ফাইবার রয়েছে, যা হৃৎপিণ্ডকে ভাল রাখে ও কোলেস্টেরল কমায়।

লেবুর সাথে পুদিনা

এক গ্লাস পানিতে পুদিনা পাতার সাথে দুই ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি লিভার পরিষ্কার এবং বিপাককে শক্তিশালী করে।

দই

প্রোটিন সমৃদ্ধ দই গরমে আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক দিক থেকে উপকার করে। এতে থাকা প্রোটিন আমাদের খিদে কমায়, যার ফলে নোনতা এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছা কমে। এর থেকে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়ক ব্যাকটেরিয়া প্রোবায়োটিকও মেলে।

শসা

গ্রীষ্মের জনপ্রিয় ফলের তালিকায় শসা অন্যতম। শসায় প্রচুর পরিমাণ পানি থাকার কারণে, এটি আমাদের শরীরকে ঠান্ডা রাখে। এতে ফসফরাস, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও আরও কয়েকটি খনিজ পদার্থের ভালো উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুধ ঠাণ্ডা খাবেন, নাকি গরম করে খাবেন?

অনলাইন ডেস্ক

দুধ ঠাণ্ডা খাবেন, নাকি গরম করে খাবেন?

‘দুধ না খেলে, হবে না ভালো ছেলে...’ ছেলে হোক কিংবা মেয়ে, দুধ খেলে কে কতটা ভালো হবে তা জানা না থাকলেও, দুধ খেলে স্বাস্থ্যের যে অনেক উপকার হবে তা সবারই জানা কথা। দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, পটাশিয়াম রয়েছে।

বেশিরভাগ মানুষই দুধ গরম করে খেতে পছন্দ করেন। আবার কিছু মানুষ পছন্দ করেন ঠান্ডা দুধ। কিন্তু ঠান্ডা দুধ এবং গরম দুধের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়?

সত্যিই কি দুয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যকর উপাদানে কোনও পার্থক্য রয়েছে? তাহলে জেনে নিন কোন প্রকারের দুধ স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশি স্বাস্থ্যকর।

গরম দুধ কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী?

গরম দুধের সবথেকে বড় উপকারিতা হল, গরম দুধ খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে, ভালো ঘুমের জন্য খুবই উপকারী গরম দুধ।

ঠান্ডা দুধ কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী?

ঠান্ডা দুধেরও উপকারিতা অনেক। প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য সমস্ত অ্যাসিড শুষে নিয়ে বদহজম হওয়া থেকে মুক্তি দেয়। সকালে ঠান্ডা দুধ খেলে সারাদিন শরীর হাইড্রেট থাকে।


আরও পড়ুনঃ


গৃহবন্দি থাকার দুইদিনের মাথায় আনুগত্য প্রকাশ

একমত হইনি বলে দালাল হিসেবে সমালোচিত হয়েছি

তারপরও জীবনের উপর দিয়ে মানুষ হেঁটে যাক অপূর্ণতার গন্তব্যে

বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের টাকা নেই দুই নারীর, অতঃপর...


তাহলে ঠান্ডা নাকি গরম, কোন দুধ খাবেন?

দুধ এমনিতেই সুপারফুড। ঠান্ডা হোক কিংবা গরম, দু প্রকারের দুধেই প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। তবে, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কোন দুধ বেশি উপকারী, তা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই খান।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর