প্রসাব করায় কেন্দ্রীয় নেতাকে পেটালেন ছাত্রলীগ কর্মী!

অনলাইন ডেস্ক

প্রসাব করায় কেন্দ্রীয় নেতাকে পেটালেন ছাত্রলীগ কর্মী!

ছাত্রলীগ কর্মী জামান সামি ও আহত ছাত্রলীগ নেতা পুতুল চন্দ্র রায়

নিজ বিভাগের সামনে প্রসাব করায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী জামান সামি মারধর করেছেন অভিযোগ উঠেছে। হামলার শিখার  পুতুল চন্দ্র রায়  ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় স্কুল ও ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক।

মারধরের ঘটনাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের (কাজী মোতাহের হোসেন) ভবনের পাশে ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ পত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার (উপ-পরিদর্শক) আবুল মোমেন, আমরা একটি অভিযোগ পত্র পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

পুতুল চন্দ্র রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (২০১০-১১) সেশন ও জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। আর জামান সামি আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষ, স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের রাজনীতি করেন বলে জানা যায়।


মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস আচরণ, হাঁটু মুড়ে সন্ন্যাসিনীর আবেদন

সারাদেশে নিয়োগ দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট

কাকে উদ্দেশ্য করে তাহসানের ৫ শব্দের এমন স্ট্যাটাস

জিতেও বিদায় নিতে হলো রোনালদোর জুভেন্টাসকে


 

পুতুল চন্দ্র বলেন, গতরাত সাড়ে ১২টার সময়ে আমি আর আরেক বন্ধু হাটছিলাম। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের সামনে জামান সামি ও আরেকজন মিলে আমাকে ও আমার বন্ধুকে মারধোর করেন। তাদের সাথে আরো দুজন ছিলো। পরবর্তীতে লোক জড়ো হওয়ার পর তারা সেখান থেকে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। 

হামলার পরবর্তী সময়ে তাকে হাসপাতালে দেখতে যান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী, উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মেশকাত হোসেন, এস এম হলের সাবেক ভিপি এম এম কামাল উদ্দিন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরফাত তূর্য।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফেইসবুক লাইভে কাদের মির্জা

কোম্পানীগঞ্জে শান্তি ফেরাতে ১১ দফা প্রস্তাবনা

নোয়াখালী প্রতিনিধি

কোম্পানীগঞ্জে শান্তি ফেরাতে ১১ দফা প্রস্তাবনা

কোম্পানীগঞ্জের চলমান সংকট কাটিয়ে শান্তির জনপদে রূপান্তর করতে ১১ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। বুধবার ভোররাতে সাড়ে ৪টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক থেকে লাইভে এসে ১১ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন তিনি।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, কোম্পানীগঞ্জ আমাদের শান্তির জনপদ। আমাদের প্রিয় কোম্পানীগঞ্জে যেন রক্তপাত, সংঘাত, সংঘর্ষ না হয় এ জন্য অস্ত্রমুক্ত, মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, দখলমুক্ত ও দুর্নীতিবাজমুক্ত কোম্পানীগঞ্জ গড়তে হবে। এরপর তিনি ১১ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত


কাদের মির্জার ১১ দফা প্রস্তাবনাগুলো হলো-

১. নোয়াখালীর যে সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিরপেক্ষতা হারিয়েছে তাদের সরিয়ে অস্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।

২. সাংবাদিক মুজাক্কির ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আলাউদ্দিন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত বিচার করতে হবে।

৩. আমার ছেলে তাশিক মির্জার ওপর হামলায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

৪. গত তিন মাসে দায়ের করা সকল মামলার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৫. নিরপেক্ষভাবে পুলিশের নির্যাতনের মামলার বিচার করতে হবে।

৬. কোম্পানীগঞ্জের আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৭. কোম্পানীগঞ্জে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।

৮. কোম্পানীগঞ্জে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

৯. গত তিন মাসে অন্যায়ভাবে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।

১০. গত তিন মাসে যারা কোম্পানীগঞ্জে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

১১. যে সকল ঘটনায় মামলা হয়নি যেমন, দাগনভূঁইয়ায় আমার ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ এবং চট্টগ্রামের হামলার ঘটনার দ্রুত বিচার করতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জানুয়ারি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি তিনবার মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনের আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে আলোচনায় আসেন তিনি।

এরপর কাদের মির্জার সঙ্গে তার দলের বিরোধী পক্ষের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ দুইজন নিহত হন। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে আদালতে। ৩১ মার্চ নিজের ফেসবুক আইডি থেকে তিনি দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ ছাড়া তিনি আর জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করবেন না বলেও ঘোষণা দেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিএনপি রাজনীতিকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিতে চায়: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি রাজনীতিকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিতে চায়: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতির সোনালী অর্জনগুলোকে কালিমালিপ্ত করে বিএনপি পরাজিত পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশের রাজনীতিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়। যা এখন আর সম্ভব নয়, জনগণও তা আর হতে দেবে না।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে খুলনা সড়ক জোন বিআরটিসি, বিআরটিএ’র কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

এসময় ওবায়দুল কাদের, দুর্যোগ, সংকটে লিপ সার্ভিস না দিয়ে বিএনপিকে জনমানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপিকে ক্ষমতায় যেতে হলে জনগণের কাছে ফিরে আসতে হবে। এখন জনকল্যাণের রাজনীতিই বেশি প্রয়োজন। এদেশের রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ,গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বিএনপি ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্র। রাষ্ট্রের প্রতিটি অর্জনকে তারা অপপ্রচার আর অন্ধ সমালোচনায় বিদ্ধ করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির রাজনীতি নেতিবাচক ধারা এবং প্রতিক্রিয়াশীলতায় পুষ্ট। দেশ ও সমাজের গৌরবের দিনগুলো তারা বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করেছে। তারা জনগণের সমর্থন না পেয়ে ক্ষমতায় যেতে খোঁজেন অন্ধকারের চোরাগলি। 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জনমুখী রাজনীতি এবং উন্নয়নের রাজনীতি কথা-সর্বস্ব দলগুলোকে সংকটে ফেলেছে, তাদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাসের পথরেখায় ফেলেছে অন্ধকারের ছায়া।

লকডাউনের কারণে কর্মহীন অসহায়,খেটে খাওয়া মানুষ এবং ছিন্নমূল, ভাসমান মানুষদের সহায়তা করার জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও সমাজের সামর্থবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান করেনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের প্রায় ৩৫ লাখ পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন


তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

রংপুর করোনা হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ৫০ আইসিইউ-এর মধ্যে বসেছে মাত্র ২৩টি

উৎসব মুখর পরিবেশে সুনামগঞ্জের হাওরে ধান কাটা শুরু

রিমান্ডে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন ‘শিশু বক্তা’


ওবায়দুল কাদের আরও জানান, এছাড়াও সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ এক লাখ কৃষক পরিবার পাবে ৫ হাজার টাকা করে। এ জন্য সরকারের ৯৩০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

যশোর - খুলনা মহাসড়কের নোয়াপাড়া থেকে যশোরের দিকে যেতে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, তাই জরুরি ভিত্তিতে  মেরামতের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, রাস্তা শুধু করলেই হবে না,তার রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে।

খুলনা-মংলা সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাপবিদ্যুুৎ কেন্দ্রসহ মংলা পোর্টের কারণে এ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা খুবই জরুরি বিধায় ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের  নির্দেশ দেন। মন্ত্রী প্রকৌশলীদের উদ্দেশে বলেন বর্ষার সময় হাত গুটিয়ে বসে না থেকে চলমান কাজের তদারকির পাশাপাশি নতুন কাজসমূহের টেন্ডার আহবানসহ প্রয়োজনীয় কাজ এগিয়ে নিতে হবে,যাতে বর্ষার পর পরই কাজ শুরু করা যায়।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেপ্তার

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


এ নিয়ে হেফাজতের ১১ জন কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীর নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ও পুলিশ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে হেফাজত!

অনলাইন ডেস্ক

নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে হেফাজত!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক সফরকে কেন্দ্র করে সরকারের সঙ্গে চরম বিরোধে জড়িয়ে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। দেশজুড়ে চলে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা। আর এই তাণ্ডবের জন্য অভিযোগের আঙ্গুল উঠে হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে। এরপরই সরকার সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করে। গ্রেপ্তার করা হয় বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় নেতাকে। ধরপাকড়ের মুখে পড়ে 'কঠোর পথ' ছেড়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তারা। 

দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, হেফাজতকে 'ভুল বোঝা' হচ্ছে। রাজনীতির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই, সরকারের বিরুদ্ধেও নন তারা- এটাই তারা সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন।

তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের কয়েকজন জানিয়েছেন, এজাহারভুক্তদের গ্রেপ্তার এবং সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই যখন অবস্থা তখন দলে নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে হেফাজতে ইসলাম। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন বাংলানিউজ২৪.কম-এর এক প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা যায়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, দেশজুড়ে তাণ্ডবের পর ব্যাপক সমালোচিত হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটিকে যেকোন সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে। সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য কাউকে নেতৃত্বে আনার পাশাপাশি কওমি মাদরাসার ওপর থেকে দলটির একক কর্তৃত্ব বন্ধের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কওমি মাদরাসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত নেবে নির্ধারিত বোর্ড ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’। মাদরাসা পরিচালনায় কোনধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারবে না হেফাজতে ইসলাম।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১০ সালে হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু দলটির সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম রাজনৈতিক দলের দিকে মোড় নেয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ হেফাজতের কমিটিতে যুক্ত হতে থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে নতুন নেতৃবৃন্দ সরকারবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এ অবস্থায় হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটি যেকোন সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে। 


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


নতুন নেতৃত্বে দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। দুটির একটি হলো- নেতৃত্বে এমন একজন ব্যক্তিকে খোঁজা হচ্ছে যিনি সব মহলে গ্রহণযোগ্য। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে-আল্লামা শফীর অনুসারী। 

নতুন কমিটিতে কারা স্থান পেতে পারেন সে বিষয়টিও সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে- অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ হেফাজতে ইসলামের কমিটিতে থাকতে পারবেন না, তাদের অবশ্যই হেফাজতের পদ ছাড়তে হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

(ছবি বাঁ-দিক থেকে) খালেদা জিয়া, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে যাওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিলেন সংগঠনটির তৎকালীন মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। 

সোমবার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য জানিয়েছেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর কমিটির তৎকালীন প্রচার সম্পাদক মুফতি ফখরুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলনের চেয়ারম্যান।

তার এই জবানবন্দিকে উদ্ধৃত করে দেশের গণমাধ্যমগুলো সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। আর এই জবানবন্দি ও প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যাচার উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

আজ ভোররাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ পত্রে এসব কথা বলা হয়।

প্রতিবাদপত্রে হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম বলেন, হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বকে কলংকিত করতে মুফতি ফখরুল ইসলামের কাছ থেকে পুলিশ মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করেছে। এই স্বীকারোক্তি একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়। দেশবাসী এমন মিথ্যা স্বীকারোক্তি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই মিথ্যাদাবির স্বপক্ষে কেউই কখনো কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ যাবত কোনো বৈঠক তো দূরের কথা, বাবুনগরী সামনাসামনি বেগম জিয়াকে কখনোই দেখেননি।


কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন

ফজিলতপূর্ণ ইবাদত তাহাজ্জুদের নামাজ

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া


মাওলানা তাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ইবাদত-বন্দেগীর মাসে হেফাজতের নেতাকর্মী ও হক্কানী উলামায়ে কেরামের উপর পুরনো মিথ্যা মামলা সচল করে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। গুটিকয়েক নীতি-আদর্শচ্যুত সাবেক নেতাকে এতে দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ ২০১৩ সাল বেশি দিন আগের ঘটনা নয়।

সরকার ও প্রশাসনের প্রতি হক্কানী উলামায়ে কেরামের উপর দমন-পীড়ন ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা এবং অপবাদ আরোপ বন্ধের দাবি জানান তিনি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর