যারা আল্লাহর দিদার পাবেন

অনলাইন ডেস্ক

যারা আল্লাহর দিদার পাবেন

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তিনিই বরকতময় সত্তা, যার হাতে রাজত্ব। তিনি সব কিছুর ওপর সর্বশক্তিমান। যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন, কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টিতে কোনো তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টি ফেরাও; কোনো ফাটল দেখতে পাও কি? অতঃপর তুমি বারবার তাকিয়ে দেখ তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জিত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্য জলন্ত অগ্নির শাস্তি। যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। যখন তারা সেখানে নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।.... অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামিরা দূর হোক। নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।’ (সুরা মুলক, আয়াত : ১-১২)

ঈমানদার নারী-পুরুষের পরম চাওয়া মহান আল্লাহর দিদার। যুগে যুগে খোদাপ্রেমিক বান্দারা আল্লাহর দিদার ও সাক্ষাৎ লাভের অভিলাষে অকাতরে অশ্রু বিসর্জন দিয়েছেন। আল্লাহর প্রেমে বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন। হজরত মুসা (আ.) আল্লাহর দিদার পেতে তুর পাহাড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর দিদার লাভ করা কি সম্ভব? সম্ভব কি তাকে দেখা? মানুষ কি চর্মচোখে দেখতে পারে তার স্রষ্টাকে? হ্যাঁ, মানুষ আল্লাহর দিদার বা সাক্ষাৎ লাভ করবে। নিজ চোখেই দেখবে আল্লাহর মহান সত্তা। তবে দুনিয়ার জমিনে নয়; দেখবে পরকালে। জান্নাতবাসীরা প্রাণ খুলে দেখবেন মহান আল্লাহকে। আল্লাহ তায়ালা কোরআন মাজিদের বিভিন্ন আয়াতে তাকে দেখার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, তোমাদের আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই হবে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২২৩)

মুমিন হৃদয়ে আল্লাহর দিদার ও দর্শনের কামনা প্রবলভাবে বিদ্যমান। মুমিনের প্রকৃত বন্ধু ও সাহায্যকারী একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। তাই তো মুমিন-মুসলমানের হৃদয় লালায়িত থাকে আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভের। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে, আল্লাহর সেই নির্ধারিত কাল অবশ্যই আসবে। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।’ (সুরা আনকাবুত : আয়াত ৫)। হাদিসেও এ বিষয়টি সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে। হজরত ওবাদা ইবনে সামেত (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যেই ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর যে আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন। 


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


হজরত আয়েশা (রা.) বা নবীজির অন্য কোনো স্ত্রী বললেন, আমরা তো মৃত্যুকে অপছন্দ করি। নবীজি বললেন, এটা উদ্দেশ্য নয়। মুমিন বান্দার নিকট যখন মৃত্যু হাজির হয়, তাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সম্মানের সুসংবাদ দেওয়া হয়। তখন তার সামনের বস্তু থেকে প্রিয় আর কিছু থাকে না। সে আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে। আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর কাফেরের যখন মৃত্যু হাজির হয়, তাকে জাহান্নামের আজাব ও শাস্তির সংবাদ দেওয়া হয়। তখন তার সামনের বস্তু তার কাছে সবচেয়ে অপছন্দের বস্তু হয়। সে আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করে।’ (বুখারি : ৬৫০৭)

প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দিদার বা সাক্ষাৎ এক মহা নেয়ামত। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে দুনিয়াতে যত নেয়ামত দান করেছেন এবং আখেরাতে যত অচিন্ত্যনীয় নেয়ামত ও হুর গেলমান দান করবেন তার মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হবে আল্লাহর দিদার। আল্লাহর দিদারের সামনে অন্য সব নেয়ামত একেবারেই তুচ্ছ মনে হবে। আল্লাহর দিদার লাভ করার পরে অন্যান্য নেয়ামতকে বেমালুম ভুলেই যাবে। কেমন হবে সেই বহু প্রত্যাশিত প্রবল আকাক্সিক্ষত শুভমুহূর্ত; যখন মুমিনরা দিব্য দৃষ্টিতে দেখতে থাকবে মহান স্রষ্টা আল্লাহ তায়ালাকে? হজরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন, ‘জান্নাতিরা নেয়ামতের মধ্যে দিন কাটাতে থাকবে। হঠাৎ ওপরের দিক থেকে তাদের ওপর একটি নূর উদ্ভাসিত হবে। তারা ওপরের দিকে মাথা তুলে তাকাবে। দেখবে, মহান আল্লাহ তাদের ওপর থেকে তাদের দিকে দৃষ্টিপাত করে আছেন।

আল্লাহ তায়ালা জান্নাতিদের বলবেন, হে জান্নাতবাসী! আসসালামু আলাইকুম। নবীজি (সা.) বলেন, এরপর আল্লাহ জান্নাতিদের দিকে তাকাবেন জান্নাতিগণও আল্লাহর দিকে তাকিয়ে থাকবে। অতঃপর তারা অন্যান্য নেয়ামতের প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ করবে না। তারা অপলক তাকিয়ে থাকবে যতক্ষণ না আল্লাহর সত্তা পর্দার আড়ালে অদৃশ্য হয়ে যাবে এবং তার নূর ও বরকত তাদের ওপর তাদের ঘরসমূহে অবশিষ্ট থাকবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৮৪)

কেয়ামতের দিন হাশরের মাঠে ঈমানদার নেককার বান্দারা আল্লাহ তায়ালাকে সরাসরি দেখবে। আল্লাহকে দেখে তাদের চোখ শীতল হবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘সেদিন অনেক মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হবে। তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।’ (সুরা কিয়ামাহ : ২২-২৩)। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একবার কিছু মানুষ জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কেয়ামতের দিন কি আমরা আমাদের প্রভুকে দেখব? নবীজি (সা.) বললেন, মেঘমুক্ত পূর্ণিমার ভরা চাঁদ দেখতে তোমাদের কষ্ট হয়? তারা বলল, না। নবীজি বললেন, মেঘমুক্ত আকাশে সূর্য দেখতে কি তোমাদের কোনো অসুবিধা হয়? তারা বলল, না।

নবীজি বললেন, তোমরা কেয়ামতের দিন তাকে এভাবেই দেখবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৫৭৪)। রাতের আকাশে ভেসে থাকা পূর্ণিমা চাঁদের স্নিগ্ধতা পৃথিবীর সব মানুষ নির্বিঘ্নে উপভোগ করতে পারে, কেয়ামতের দিন ঈমানদার বান্দারাও আল্লাহ তায়ালাকে অনুরূপভাবে দেখতে পাবে।

তবে কাফের ও অবিশ্বাসীরা আল্লাহ তায়ালাকে দেখতে পাবে না। তারা দুনিয়াতেও যেমন আল্লাহকে দিব্য চোখে দেখার সুযোগ পায়নি, তেমনি আখেরাতে সে সুযোগ মানবজাতির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরও তা থেকে বঞ্চিত থাকবে। দুনিয়ার নেয়ামত আল্লাহ তায়ালা মুসলমান-কাফের, মুমিন-মুশরিক নির্বিশেষে সবাইকে দান করেন। বরং দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী নেয়ামত কাফেরদের বেশি দান করেন। কিন্তু পরকালের চিরস্থায়ী নেয়ামত আল্লাহ তায়ালা ঈমানদারদের জন্য নির্ধারিত করে রেখেছেন। কোনো বেঈমান ও কাফের পরকালের নেয়ামতের একটি ফোটাও পাবে না। আল্লাহ তাদের প্রতি এতটাই রাগান্বিত থাকবেন যে, তাদের সাক্ষাৎও দেবেন না। আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের পরিণাম সম্পর্কে আলোচনা করে বলেন, ‘কখনও নয়, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে। অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা মুতাফফিফীন, আয়াত : ১৫-১৬)। 

আল্লাহ হলো সেই মহান সত্ত্বার মূল নাম যিনি সমস্ত মাখলুকাতের রব। ‘ইলাহ’ মূল শব্দ হতে এসছে তার দুটি অর্থ আছে। প্রথমটি হলো প্রেমের আকর্ষণে কারো প্রতি ঝুঁকে যাওয়া, অগ্রসর হওয়া। দ্বিতীয়টি হলো, বিপদাপদ থেকে রক্ষা পাবার আশায় কারো কাছে আশ্রয় লওয়া ও আত্মসর্মপণ করা। সুতরাং আল্লাহ আমাদের ইলাহ, তাঁর প্রেমেই অন্তর পরিপূর্ণ থাকবে। তাঁর সন্তুষ্টি ও নৈকট্যই আমাদের লক্ষ্য। আমিন। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে দোয়া শিখিয়েছেন। যা তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউ’জুবিকা মিন আ’জাবিল ক্বাবরি; ওয়া মিন আ’জাবি জাহান্নাম; ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ’ইয়া ওয়াল্ মামাতি; ওয়া মিং সাররি ফিতনাতিল্ মাসীহিদ্-দাজ্জাল।

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি আমাকে কাবরের আজাব থেকে রক্ষা করো,আমাকে জাহান্নামের আজাব, এবং দুনিয়ার ফিৎনা ও মৃত্যুর ফেতনা এবং দাজ্জালের ফিৎনা থেকে রক্ষা করো। (বুখারি ও মুসলিম)


সাতদিনের রিমান্ডে মাওলানা মামুনুল হক

এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন


আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়ে কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের তাওফিক দান করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইফতারের আগে যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক

ইফতারের আগে যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন

চলছে পবিত্র রমজান মাস। রহমতের ষষ্ঠ রমজান আজ। আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার জন্য ঈমানদাররা রোজা রাখছেন। রোজাদারের জন্য সাহরি খাওয়া ও ইফতার করা সুন্নাত। বিশেষ কিছু না পেলে সামান্য খাদ্য বা কেবল পানি পান করলেও ইফতারের সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে।

ইফতার খুরমা কিংবা খেজুর দ্বারা করা সুন্নাত। তা না পেলে পানি দ্বারা ইফতার করবে। ইফতার আয়োজনে অপচয় বা লোক দেখানো বিষয়গুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

ইফতারের পূর্বে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়তে হবে

يَا وَا سِعَ الْمَغْفِرَةِ اِغْفِرْلِىْ

উচ্চারণ: ইয়া ওয়াসিয়াল মাগফিরাতি, ইগফিরলী।

অর্থ: হে মহান ক্ষমা দানকারী! আমাকে ক্ষমা করুন। (শু‘আবুল ঈমান: ৩/৪০৭)

بِسْمِ اللهِ وَعَلى بَرَكَةِ اللهِ

বিসমিল্লাহি ওয়া ‘আলা বারাকাতিল্লাহ বলে ইফতার শুরু করবে এবং ইফতারের পর নিম্নের দুটি দোয়া পড়বেঃ

১. اَللّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلي رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়ালা রিযকিকা আফতারতু।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্য রোজা রেখেছি, এবং তোমারই দেয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করলাম। (আবূ দাঊদ: ১/৩২২)


এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন


২. ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْـتَلَّتِ العُرُوْقُ وَثَبَتَ الاَ جْرُ اِنْ شَاءَ الله تَعَا لى

উচ্চারণ: যাহাবাযযমা ওয়াবতাল্লাতিল উরুকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহু তায়ালা।

অর্থ: পিপাসা দূরিভূত হয়েছে, ধমনীসমূহ সতেজ হয়েছে, এবং ইনশাআল্লাহ রোজার সওয়াব নিশ্চিত হয়েছে। (আবূ দাঊদ: ১/৩২১)

news24bd.tv নাজিম 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা তাওবা ও সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা তাওবা ও সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ

মুসলমানদের যে প্রাথমিক সাতটি বিষয় বিশ্বাস করতে হয়, তার অন্যতম হলো আসমানি কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। কিতাব মানে বই বা গ্রন্থ। শত সহিফা ও চারটি কিতাবের মধ্যে কোরআন হলো সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি গ্রন্থ।

কোরআন অধ্যয়ন বা গবেষণা ও তিলাওয়াত দুটি স্বতন্ত্র ইবাদত এবং একটি অন্যটির পরিপূরক বা সহায়ক। পূর্ণ কোরআন একবার পড়াকে ইসলামি পরিভাষায় ‘খতম’ বলা হয়।

খোলাফায়ে রাশেদিন ও আশারায়ে মুবাশ্শারাসহ বিশিষ্ট সাহাবিরা প্রায়ই সাত দিবসে এক খতম কোরআন তিলাওয়াত করতেন, যে কারণে কোরআন শরিফে সপ্ত মঞ্জিল হয়েছে। এক মাসে বা ৩০ দিনে পড়ার জন্য ‘পারা’ বা ‘সিপারা’ ভাগ করা হয়েছে।


সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

নারী ফুটবল দলে করোনার হানা

নিখোঁজের ১১২ দিন পর সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল নারীর লাশ


যা হোক আল কোরআন শুধু আরবিতে পড়লেই হবে না, বাংলা অর্থসহ বুঝে পড়ে তা বাস্তব জীবনে আমল করতে হবে। তা হলে মিলবে ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তি।

পবিত্র মাহে রমজানে পাঠকদের জন্য আল কোরআনের বাংলা অনুবাদ জানার সুযোগ করে দিয়েছে নিউজ টোয়েন্টিফোর অনলাইন। আজ আমরা তুলে ধরব সুরা তাওবা ও সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ।

সুরা তাওবার বাংলা অনুবাদ

সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। 

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। এই নামাজগুলো জামাতে পড়ার প্রতি বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জামাতে নামাজ আদায় করার তাগিদ দিয়ে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৩)

মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের অশেষ সওয়াব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জামাতে নামাজ পড়ার ফজিলত একা পড়ার চেয়ে ২৭ গুণ ঊর্ধ্বে। (বুখারি ও মুসলিম) 

তিনি আরও বলেছেন, একজন লোক ঘরে নামাজ পড়লে একটি নেকি পান, তিনি ওয়াক্তিয়া মসজিদে পড়লে ২৫ গুণ, জুমা মসজিদে পড়লে ৫০০ গুণ, মসজিদে আকসায় পড়লে ৫০ হাজার গুণ, আমার মসজিদে অর্থাৎ মসজিদে নববীতে পড়লে ৫০ হাজার গুণ এবং মসজিদুল হারাম বা কাবার ঘরে পড়লে এক লাখ গুণ সওয়াব পাবেন। (ইবনে মাজা, মিশকাত)

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জামাতে নামাজের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি।’ (সহিহ বুখারি)। 

আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত প্রথম তাকবিরের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে দুটি পুরস্কার দান করবেন। এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। দুই. মুনাফিকের তালিকা থেকে তার নাম কেটে দেবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১)


পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যে ৩ প্রশ্নে নিশ্চুপ ছিলেন মাওলানা মামুনুল

একজন ডাক্তারের ব্যবহার নিয়ে রঙ্গ-রসিকতা নয়

মাওলানা মামুনুলকে আদালতে হাজির করা হবে আজ

সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ


অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার প্রাণ যাঁর হাতে, তাঁর শপথ করে বলছি, আমার ইচ্ছা হয় আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দিই আর নামাজের আজান দেওয়ার জন্য হুকুম দিই। তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করি, যেন সে লোকদের নামাজের ইমামতি করে। আর আমি ওই সব লোকদের দিকে যাই, যারা নামাজের জামাতে হাজির হয়নি এবং তাদের বাড়িঘরগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিই।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৮)

রাসুলুল্লাহ (সা.) সারা জীবন জামাতের সঙ্গেই নামাজ আদায় করেছেন। এমনকি ইন্তেকালপূর্ব অসুস্থতার সময়ও জামাত ছাড়েননি। সাহাবায়ে কেরামের পুরো জীবনও সেভাবে অতিবাহিত হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬২৪)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোজা ভঙ্গের কারণগুলো

অনলাইন ডেস্ক

রোজা ভঙ্গের কারণগুলো

রমজান মাসে রোজা রাখা একটি ফরজ বিধান। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও সবল মুমিনের জন্য রোজা রাখা আবশ্যক। রোজা ভঙ্গের অনেক কারণ রয়েছে। আসুন সেগুলো জেনে নেই।

রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ:

১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
২. স্ত্রী সহবাস করলে ।
৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।
৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।
৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।
৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।

৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।
১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে।


করোনায় মারা গেলেন একুশেপদপ্রাপ্ত অভিনেতা এসএম মহসিন

যে সিনেমা নায়ক ওয়াসিমকে সুপারস্টারের খ্যাতি এনে দেয়

বিলবাওকে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা খরা ঘুচালো বার্সা

একের পর নক্ষত্রের পতনে শূন্য হয়ে যাচ্ছে চলচ্চিত্র মাধ্যমটি: শাকিব খান


১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।

১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।
১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।
১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।

আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর