ঢাকায় আজ যা বন্ধ ও খোলা

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় আজ যা বন্ধ ও খোলা

দিনের শুরুতেই পরিকল্পনা করে রেখেছেন এখানে যাবেন, সেখানে যাবেন। পরিকল্পনা মতই নির্দিষ্ট স্থানে ঠিকই গেলেন, কিন্তু গিয়ে দেখলেন তা বন্ধ। তখন মেজাজটা যে কত খারাপ হয় সেটা আর বলার ভাষা থাকে না। তাই জেনে নিন রাজধানীতে আজ শুক্রবার যে সব দর্শনীয় স্থান, এলাকা এবং মার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট:
বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট:
আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তানবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা, বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


 


বন্ধ থাকবে যেসব দর্শনীয় স্থান:

সামরিক জাদুঘর: এটি বিজয় সরণিতে অবস্থিত। প্রতিদিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও: বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির জন্য বন্ধ থাকে। শনি থেকে বুধবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৫ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।

শিশু একাডেমি জাদুঘর: শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এখনও পুরুষশূন্য সালথার কয়েক গ্রাম

অনলাইন ডেস্ক

এখনও পুরুষশূন্য সালথার কয়েক গ্রাম

লকডাউন না মানাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে ৫ মামলায় পুলিশি অভিযানের কারণে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রাম এখনও পুরুষশূন্য হয়ে আছে। গত তিন ওই সব এলাকার বাড়ি-ঘরগুলোতে নারী আর শিশু ছাড়া কোনো সদস্য দেখা যায়নি। বাড়ির নারী ও শিশুদের চোখে মুখে এখনও ভয়ের ছাপ। এখনও এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। বাইরের কোনও মানুষ দেখলেই তারা ভয়ে দৌড়ে সরে যাচ্ছেন। সেই হামলার ঘটনায় জড়িত অনেকেই আত্মগোপনে চলে গেছেন। আবার ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেই, কিন্তু পুলিশের হয়রানির শিকার হতে পারেন, এমন আশঙ্কায় অনেকে পালিয়ে আছেন।

ফুকরা বাজার এলাকার করিমন বেগম জানান, সব সময় ভয়ে থাকি। আমাদের এখন পুলিশ দেখতে দেখতে সারাদিন কেটে যাচ্ছে। বাড়িতে কোন পুরুষ সদস্য নেই। সবাই পালিয়ে পালিয়ে রয়েছে।

সালথা উপজেলার ভাওয়াল, সোনাপুর,ও রামকান্তুপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ গ্রামের চিত্রই এখন এমন। সব গ্রামই গ্রেফতার আতঙ্কে কার্যত পুরুষশূন্য।

ভাওয়াল, সোনাপুর,ও রামকান্তুপুর  এসব গ্রামের অনেককে সহিংসতার ঘটনায় করা মামলায় আসমি করা হয়েছে। আসামি গ্রেফতার প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।ওই সব গ্রামের হাটবাজার, মাঠ, বাড়িঘরগুলোতে নারী আর শিশু ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায়নি।

এলাকার কয়েকজন নারী জানিয়েছেন, বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ নেই। নারীরা বাড়িতে আছেন, তারাই বাজার করছেন। সব মিলিয়ে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি।

নুরজাহান নামে একজন জানান, ওইদিন অন্য এলাকা থেকে লোকজন এসে হামলা করছে। আমাদের গ্রামের কোনো লোক ওই দিনের হামলায় ছিল না। এখন তো কোনও পুরুষই এলাকায় নেই ভয়ে।

মনির নামে একজন জানান, বালিয়া গট্রি এলাকা ও উপজেলা কেন্দ্রীক এলাকার বাড়িগুলোতেও কোনো পুরুষ সদস্য নেই। ঘটনার পর থেকে ওই সব এলাকার লোকজন পলাতক অবস্থায় রয়েছে। কখন কি হয় কেও বলতে পারে না। তাই সবাই ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

সোনাপুর ইউনিয়নের পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. খায়রুজ্জামান বলেন, এই ইউনিয়নের গ্রামগুলো এখন পুরুষশূন্য।  অনেকেই ফোন করে জানতে চাই গ্রামে আসবে কিনা। আমি এলাকার চেয়ারম্যান হয়ে এর কোনও উওর দিতে পারি না। কারণ আমি  গ্রামে আসতে বলার পর যদি পুলিশ আটক বা গ্রেফতার করে তাহলে তো বলবে আমিই পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছি।

৫ এপ্রিলের সালথার সেই তাণ্ডবের পর এই পর্যন্ত মামলা হয়েছে পাঁচটি। এসব মামলায় এজাহারভুক্ত ২৬১ জনকে ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৪ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। ফলে যে কাউকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেন বলে আতঙ্কে আছে।

নগরকান্দা সালথা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুমিনুর রহমান বলেন, সে দিনের সেই সহিংসতায় যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। পুলিশ চায় না কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হোক। পুলিশ চাইছে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, এখানে যে ভয়াবহ ঘটনা সে দিন ঘটছে তা স্বাভাবিক হতে একটু সময় লাগবে।

উল্লেখ্য, লকডাউন না মানাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার বিকেলে সালথার ফুকরা বাজারে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এসিল্যান্ডের গাড়িতে থাকা সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের। এরপরই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ সালথা উপজেলা পরিষদ, এসিল্যান্ড অফিস ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা

করোনার সংক্রমণ রোধে আগামীকাল বুধবার থেকে সারা দেশে শুরু হতে যাচ্ছে আট দিনের লকডাউন। সেজন্য সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। বন্ধ করা হয় গণপরিববহন। তবে এই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন দোকান ব্যবসায়ীরা। দোকান মালিকদের চাওয়া আগামীকাল ‍বুধবার  ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবসা পরিচালনার জন্য তাদের সুযোগ করে দেওয়া হউক। কিন্তু সব যদি একবোরেই বন্ধ থাকে তাহলে দোকান ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারে সম্মিলিত দোকান ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই দাবি জানান দোকান মালিকেরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য সম্মিলিত দোকান ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি তৌফিক এহসান এসব দাবি জানান।

তৌফিক এহসান বলেন, ব্যবসাবান্ধব এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেও যেকোনো পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে ভেবেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, এবারের লকডাউনেও তিনি ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে সীমিত সময়ের জন্য কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ দেবেন।

জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে সরকার ঘোষিত লকডাউন সঠিক উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই লকডাউনে সবচেয়ে কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়ে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল এবং সাধারণ দোকান ব্যবসায়ীরা। এই রমজান মাস ও ঈদ সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা তাদের পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন। এই অবস্থায়  লকডাউনে যদি সব বন্ধ করা হয় তাহলে ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে যাবেন।
 
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান, বৃহত্তর এলিফ্যান্ট রোড দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনিসুল মান্নান, কম্পিউটার সিটি সেন্টারের (মাল্টিপ্ল্যান) সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সরকার প্রমুখ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলবার রোজা শুরু শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের ৮০ গ্রামে

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার রোজা শুরু শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের ৮০ গ্রামে

শরীয়তপুর এবং মাদারীপুরের ৮০ গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) থেকে পবিত্র রোজা পালন শুরু করবেন।

শরীয়তপুরের রোজা শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সুরেশ্বর দরবার শরিফের পীর সৈয়দ তৌহিদুল হোসাইন শাহীন নূরী বলেন,  সোমবার (১২ এপ্রিল) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মানুষ রোজা রাখবেন। তাই শরীয়তপুরের ছয়টি উপজেলার ৪০টি গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় অনুযায়ী দিয়ে রোজা রাখার প্রস্তুতি হিসেবে আজ তারাতারাবির নামাজ আদায় করছেন।

মাদারীপুরের রোজা শুরুর বিষয়ে পীর খাজা শাহ সূফী সৈয়দ নূরে আক্তার হোসাইন বলেন, একদিন আগে থেকে রমজানের রোজা রাখেন এবং একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করেন। সে হিসেবে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর, মহিষেরচর, পূর্ব পাঁচখোলা, জাজিরা, কাতলা, তাল্লুকসহ জেলার ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ মঙ্গলবার ভোরে সাহরি খাবেন।


মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


 

উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার মোল্লা বলেন, ‘ইসলাম ধর্মের সবকিছুই মক্কা শরীফ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। সুরেশ্বর দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা শাহ সুরেশ্বরী (রা.)-এর অনুসারীরা ১৪৮ বছর আগে থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। সে হিসেবে মঙ্গলবার প্রথম রোজা।

প্রসঙ্গত, গতকাল মধ্যপ্রাচ্যে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সৌদি আরবে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান। তবে আমাদের দেশে কবে থেকে রোজা শুরু হবে তা জানতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বসবে। সেখান থেকেই ঘোষণা আসবে কবে থেকে দেশে রোজা শুরু হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বংশাল থানায় বাংকার তৈরি করে এলএমজি নিয়ে পুলিশি পাহারা

অনলাইন ডেস্ক

বংশাল থানায়  বাংকার তৈরি করে এলএমজি নিয়ে পুলিশি পাহারা

রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থানা ও এর আওতাধীন এলাকায় বাংকার তৈরি করে লাইট মেশিনগান (এলএমজি) নিয়ে পাহারা দিচ্ছে পুলিশ। এছাড়া থানার নিরাপত্তায় বিশেষ পাহারাও দিচ্ছে পুলিশ। এর আগে সিলেট, নারায়নগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে এই ধরণের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

বিশেষ নিরাপত্তার বিষয়টি সোমবার (১২ এপ্রিল) নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন ফকির জানান, ডিএমপি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশক্রমে গত ১০ এপ্রিল থানায় বাংকার তৈরি করা হয়। এই বাংকারে ২৪ ঘণ্টা এলএমজি নিয়ে প্রশিক্ষিত পুলিশ ডিউটি শুরু করেছেন শিফটিং ভিত্তিতে।

শাহিন ফকির আরও জানান,  পুলিশের ও থানার নিরাপত্তার স্বার্থে এই বাংকার তৈরি করা হয়েছে। বংশাল থানার পাশাপাশি নবাবপুর, বংশাল ও কায়েতটুলি পুলিশ ফাঁড়িতে বাংকার তৈরি করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ডিএমপি’র সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীর প্রতিটি থানাতেই এলএমজি স্থাপন করা হচ্ছে। যা ইতোমধ্যে বংশাল থানায় স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর অন্যান্য থানাগুলোতেও একই প্রক্রিয়ায় এলএমজি ও বাংকার স্থাপন করার কাজ চলছে।


মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


 

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কয়েকটি জায়গায় থানাসহ সরকারি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরকে কেন্দ্র করে হেফাজত ইসলামসহ ধর্মভিত্তিক কিছু দলের বিরোধিতার জের ধরে সহিংসতার সময় সরকারি নানা স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানেও হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নেশার ঘোরে প্যান্ট চুরি করি, পরে ঘটনা মিটে গেছে : ছাত্রলীগ নেতা(ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

নেশার ঘোরে প্যান্ট চুরি করি, পরে ঘটনা মিটে গেছে : ছাত্রলীগ নেতা(ভিডিও)

রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় দোকান থেকে প্যান্ট চুরির দায়ে জরিমানা দিয়ে ও ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পেলেন জেলা ছাত্রলীগের এই নেতা। প্যান্ট চুরির বিষয়ে ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। ফলে নেশার ঘোরে প্যান্টটা দোকান থেকে নিয়ে যান। প্যান্ট চুরির সেই ভিডিও এরিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

প্যান্ট ‍চুরির ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার রাতে রাজশাহীর তানোরের গোল্লাপাড়া বাজারে।

শনিবার রাতে স্থানীয় গোল্লপাড়া বাজারে প্রসেনজিৎ কুমার সরকারের স্টাইল কালেকশান নামের গার্মেন্টসের দোকানে যান ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানা। কয়েকটি জিনসের প্যান্ট দোকানের সামনে বড় হ্যাঙ্গারে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। জুয়েল দোকানের সামনে বড় হ্যাঙ্গারে সাজিয়ে রাখা প্যান্টি নিয়ে চলে যায়। সেই কর্মকাণ্ড ধরা পড়ে সামনের ভিআইপি গার্মেন্টস নামের একটি দোকানে সিসিটিভি ফুটেজে।

পরে ভিডিও দেখে ব্যবসায়ীরা তাকে ধরে এনে বণিক সমিতির অফিসে সালিশ বৈঠক করেন। সালিশে জুয়েল প্যান্ট চুরির অপরাধ  স্বীকার করে নিয়ে জীবনে আর এমন কাজ করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। অবশ্য জুয়েল রানা প্যান্টের মুল দামের সঙ্গে আরও ২০ টাকা টোকেন জরিমানা দিয়ে মোট ৩২০ টাকা দোকানিকে দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত  ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সোমবার।

প্যান্ট চুরির ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা বলেন, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। ফলে নেশার ঘোরে প্যান্টটা দোকান থেকে নিয়ে যান। তবে দাম দিয়ে এসেছেন। ঘটনা মিটে গেছে। এটা ভুলক্রমে ঘটেছে বলে স্বীকার করেন তিনি। 

তবে সিসিটিভি ফুটেজে তাকে অসুস্থ নয়, বরং স্বাভাবিকভাবে হেঁটে যেতে দেখা গেছে তাকে, এমন প্রশ্নে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

স্টাইল কালেকশানের মালিক প্রসেসজিৎ কুমার দাস জানান, ঘটনার সময় তিনি দোকানে ছিলেন না। তার ছোট ভাই দ্বীপক কুমার দাস দোকানে ছিলেন। দোকানের ভেতরে কাউকে দেখতে না পেয়ে জুয়েল রানা একটি জিনসের প্যান্ট টেনে নিয়ে চলে যান।

পরের দিন রোববার (১১ মার্চ) দোকান মালিক এসে দেখেন তার একটি প্যান্ট চুরি গেছে। সে সামনের ভিআইপি গার্মেন্টসের মালিক রাশেদ মোল্লাকে তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে বলেন। এই সিসিটিভিতে ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ঘটনা ধরা পড়ে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেরাজুল ইসলাম মেরাজ বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে জুয়েল রানার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানার বাড়ি রাজশাহীর তানোরের চাপড়া গ্রামে।

 

প্যান্ট চুরির ভিডিও

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর