‘স্বপ্নে’ নাকি আম পেয়েছে, তাই দেখতে আমজনতার ঢল
‘স্বপ্নে’ নাকি আম পেয়েছে, তাই দেখতে আমজনতার ঢল

স্বপ্নে পাওয়া আম

‘স্বপ্নে’ নাকি আম পেয়েছে, তাই দেখতে আমজনতার ঢল

অনলাইন ডেস্ক

রাজশাহীর মোহনপুরে আব্দুর রাজ্জাক নামের এক যুবকের বাড়িতে ‘স্বপ্নে পাওয়া’ হলুদ রঙের একটি আম দেখতে জনতার ঢল নেমেছে। আমটি আব্দুর রাজ্জাক ৯৫০ টাকায় ওয়াজ মাহফিল থেকে কিনে আনার পর বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) তার বাড়িতে প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ ভিড় জমিয়েছেন।

জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের একটি ওয়াক্তিয়া মসজিদের উন্নতিকল্পে মসজিদ কমিটি মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে ইসলামি জলসার আয়োজন করে। ওয়াজ চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।

ওই সময় একটি আম দান করেন ফাহিমা বেগম নামে স্থানীয় এক নারী। অসময়ে হলুদ রঙের আমটি নজর কাড়ে এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সবার নজর পাকা আমটির দিকেই। এক পর্যায়ে আমটি কিনতে দাম হাঁকাতে শুরু করেন স্থানীয় কয়েক যুবক। ২০ টাকা থেকে শুরু হওয়া আমের দাম গিয়ে ঠেকে ৯৫০ টাকায়! কিনে নেন আব্দুর রাজ্জাক নামের এক যুবক।

ফাহিমা বেগম বলেন, পরপর তিনদিন আমাকে স্বপ্নে দেখানো হয় যে, আমার বাড়ির সামনের গোরস্তানে আম গাছের নিচে আম পড়ে আছে। স্বপ্নে দেখে সেখানে যাই এবং আমও দেখতে পাই। তবে ভয় হচ্ছিল আমটি নিতে। একবার ফিরে আসি। তবে অদৃশ্য আওয়াজে আমাকে আবারও সেখানে যেতে বাধ্য করা হয়। বাধ্য হয়ে পরের বার গিয়ে আমটি নিয়ে আসি এবং মসজিদে দান করে দেই।

আরও পড়ুন


বিশ্বনবীর (সা.) আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ইরানে ইসলামিক বিপ্লব হয়: আয়াতুল্লাহ খামেনি

এ দেশে অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটাই অন‍্যায় : সারোয়ার আলম

অর্থ আত্মসাৎও ব্ল্যাকমেইলের মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেত্রী স্বর্ণা

ভালো চাকরি পাওয়ার আমল


এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সাদেকুল আলম জানান, পুরো ওয়াজ মাহফিলের অন্যতম আগ্রহের বস্তু ছিল আমটি। এ রকম অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমার আগে ধারণা ছিল না। শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়েছে। সোনার নাকফুলের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা হলেও একটি আমের দামই হাঁকিয়েছেন ৯৫০ টাকা।

অবশ্য রাজশাহী ফল গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জিএমএম বারি ডলার অসময়ে রঙিন আমে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, সবেমাত্র গাছে মুকুল ফুটেছে। আর সেই রকম কোনো আম এই অসময়ে হয় তা আমার জানা নেই। তবে কিছুদিন আগেই ‘বারি-১৪’নামের রঙিন আমের জাত জাতীয় নিবন্ধন বোর্ডে অনুমোদন পেয়েছে। এই ‘বারি-১৪’ অসময়ে পাওয়া অসম্ভব। ওই রঙিন আম হয়তো বাইরের কোনো দেশের হতে পারে।

news24bd.tv আহমেদ