অ্যালার্জি চিকিৎসার আদ্যেপান্ত

অনলাইন ডেস্ক

অ্যালার্জি চিকিৎসার আদ্যেপান্ত

যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের খুব সাবধানে থাকতে হয়। সামান্য এদিক–সেদিক হলেই শুরু হয়ে যায় চুলকানি, চোখ লাল, ত্বকে লালচে দানা ওঠা ইত্যাদি। অ্যালার্জি আছে এমন অনেকেরই ঘর ঝাড়ামোছা করলেই ত্বকে চুলকানি শুরু হয়ে যায়। আবার কারও কারও ধুলাবালির সংস্পর্শে এলেই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। কোনো কোনো ওষুধের অ্যালার্জিতে তো জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখো মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি।

অ্যালার্জি
আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ প্রচেষ্টাকে রোগ-প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয়, এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়। অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে অ্যালার্জি উৎপাদক বা অ্যালার্জেন বলা হয়। অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস দুই ধরনের
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া
নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া
চোখ দিয়ে পানি পড়া

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলোর চেয়ে তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্বকাল বেশি হয়।

আর্টিকেরিয়া
আর্টিকেরিয়ার ফলে ত্বকে লালচে ফোলা ফোলা হয় এবং ভীষণ চুলকায়। ত্বকের গভীর স্তরে হলে মুখ, হাত-পা ফুলে যেতে পারে। আর্টিকেরিয়ার ফলে সৃষ্টি ফোলা অংশগুলো মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী থাকে; কিন্তু কখনও কখনও বারবার হয়। যেকোনো বয়সে আর্টিকেরিয়া হতে পারে। তবে স্বল্পস্থায়ী আর্টিকেরিয়া বাচ্চাদের মধ্যে এবং দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়া বড়দের মধ্যে দেখা যায়।

সংস্পর্শজনিত অ্যালার্জিক ত্বক প্রদাহ
চামড়ার কোথাও কোথাও শুকনো, খসখসে, ছোট ছোট দানার মতো উঠা। বহিস্থ উপাদান বা অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে ত্বকে প্রদাহ বলে তাকে অ্যালার্জিক কনট্রাক্ট ডারমাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
ত্বকে ছোট ছোট ফোসকা পড়ে ফোসকাগুলো ভেঙে যায়।
চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে ত্বকের বহিরাবরণ উঠে যায়।
ত্বক লালচে হয় এবং চুলকায়; চামড়া ফেটে আঁশটে হয়

অ্যালার্জিক কনজাংটাইভাইটিস
চোখ চুলকানো ও চোখ লাল হয়ে যায়।


স্মার্ট হতে গিয়ে কানের বারোটা বাজাচ্ছেন নাতো?

কিশোরকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা তরুণী!

দেশে আত্মহত্যা বেড়েছে ৪০ শতাংশ

মৃত্যু যন্ত্রণা থেকে বাঁচার দোয়া


পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াজনিত অ্যালার্জি

এটি খুবই মারাত্মক। অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি শুরু হয়ে যেতে পারে। নিচে উল্লিখিত উপসর্গগুলো হতে পারে।

চামড়া লাল হয়ে ফুলে উঠে ও চুলকায়।
শ্বাসকষ্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।
মূর্ছা যেতে পারে।
রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রক্ত পরীক্ষা : বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কি না তা দেখা।
সিরাম আইজিইর মাত্রা : সাধারণ অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইর মাত্রা বেশি থাকে।
স্কিন প্রিক টেস্ট : এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।
প্যাঁচ টেস্ট : এ পরীক্ষা রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

বুকের এক্স-রে : হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে নেওয়া দরকার; যে অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কি না।

স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখা : এ পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়।

সমন্বিতভাবে অ্যালার্জির চিকিৎসা হলো
অ্যালার্জেন পরিহার : যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায় অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


ওষুধ প্রয়োগ : অ্যালার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে অ্যালার্জির উপশম অনেকটাই পাওয়া যায়।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অবহিত করেন। এটাই অ্যালার্জিক রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

‍একুশ শতকের বৃক্ষ ‘নিম’ রোগ প্রতিরোধের উৎস

অনলাইন ডেস্ক

‍একুশ শতকের বৃক্ষ ‘নিম’ রোগ প্রতিরোধের উৎস

“রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিমপাতা অনেক রোগ নিরাময়েরও ক্ষমতা রাখে।” তাই আদিকাল থেকেই ওষুধি গুণের কারণে নিম মানুষের আপন বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। বহু গুণাগুণের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে “একুশ শতকের বৃক্ষ” বলে ঘোষণা করেছে।  করোনা রোধে টিকার পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদানও বেশ উপকারী। মেডিকেল নিউজ টুডের তথ্যানুযায়ী, নিম একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা ফ্রি  র‌্যাডিকেলগুলির  প্রভাবকে হ্রাস করে।

আয়ুর্বেদের মতে, নিম চিনি বা চিনির মিছরির সঙ্গে খেলে কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চাইলে প্রতিদিন একটি করে নিম ক্যাপসুলও নিতে পারেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিমপাতা অনেক রোগ নিরাময়েরও ক্ষমতা রাখে। এটি লিভার এবং হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে।

তিতা স্বাদের কারণে অনেকে নিম পাতার রস খেতে না চাইলেও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিম পাতার রস খাওয়া শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় না, শারীরিক নানা অসুস্থতাও কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।

নিম পাতায় থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে। এটি দেহের অভ্যন্তরে উপস্থিত অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলে। এটি পেট পরিষ্কার রাখে এবং সে কারণেই এটি ত্বকের জন্যও কার্যকর। নিম পাতা হজমের জন্যও উপকারী। এক কাপ নিমপাতায় ক্যালোরি থাকে ৩৫ গ্রাম। ফলে প্রতিদিন নিমপাতার রস খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

নিম পাতার নির্যাসে ডায়াবেটিস, ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 

নিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চমৎকার ভাবে কাজ করে। নিমের পাতা রক্তের সুগার লেভেল কমতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তনালীকে প্রসারিত করে রক্ত সংবহন উন্নত করে। 

প্রতিদিন কাঁচা পাতা পাওয়া না গেলে নিম পাতা ডাল থেকে ছড়িয়ে সিল-পাটায় বেটে মিহি করে নিতে হবে। এরপর ছোট ছোট বড়ি করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর কাঁচের বোতলে এটি অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এর গুণাগুণ ভালো থাকবে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা

অনলাইন ডেস্ক

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য চীনের সিনোফার্মের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিইএইচও)। শুক্রবার এ টিকাটি তালিকাভুক্ত করে সংস্থাটি। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে উদ্ভাবিত করোনার টিকাগুলোর মধ্যে এটাই প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমর্থন লাভ করল। চীন এবং আরও অনেক জায়গায় লাখ লাখ মানুষকে ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

এর আগ পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডব্লিউএইচও।

কয়েক দিন আগে বাংলাদেশেও চীনের সিনোফার্মের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে চীন সরকারের উপহার হিসেবে এই টিকার পাঁচ লাখ ডোজ বাংলাদেশে আসছে।

পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচেপড়া ভিড়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনা ক্রমশ এগোচ্ছে ভারতের পূর্ব দিকে, শঙ্কায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

করোনা ক্রমশ এগোচ্ছে ভারতের পূর্ব দিকে, শঙ্কায় বাংলাদেশ

ভারতে প্রতিদিনই ভাঙছে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড। গত চব্বিশ ঘন্টায় ৪ লক্ষ ১২ হাজারেরও বেশি নতুন কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৩৯৮০জন। সম্প্রতি দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়েছে যে, মহামারি এখন ক্রমশ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে।  

আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড ও বিহার - পূর্ব ভারতের এই পাঁচটি রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে ওই রাজ্যগুলোর কর্মকর্তাদের সাথে আপদকালীন বৈঠকের পর দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই মন্তব্য করে।

ভারতে করোনাভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, দুটো পরিসংখ্যানেই একটা বড় ভূমিকা রেখেছে পূর্ব ভারতের পাঁচটি রাজ্য - যদিও এতদিন সবচেয়ে উদ্বেগজনক সংখ্যাগুলো আসছিল মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কর্নাটক, কেরালা, পাঞ্জাব বা উত্তরপ্রদেশের মতো দেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকেই।

দক্ষিণ, পশ্চিম বা উত্তর ভারতের তুলনায় পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি এতদিন কিছুটা ভালো ছিলো, কিন্তু তা ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে ইঙ্গিত পাওয়ার পরই বুধবার বিকেলে পূর্বের পাঁচটি রাজ্যের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় আমলা ও বিশেষজ্ঞরা।

পরে দিল্লিতে জারি করা এক বিবৃতিতে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, ''যাবতীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ এদিকেই দিকনির্দেশ করছে যে কোভিড মহামারি এখন ক্রমশ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। দেশের (পূর্ব প্রান্তের) এই রাজ্যগুলোতে দৈনিক শনাক্ত কেসের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, যেমন বাড়ছে মৃত্যু হারও।”


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

মিষ্টি বিতরণে পুলিশের বাঁধা, ২০ কেজি রসগোল্লা জব্দ

ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় দায়িত্ব: হুথি নেতা

শত বছরের পুরনো বিয়ের রীতি ভাঙলেন ‘হার্ডকোর ফেমিনিস্ট’ যুবক


ধীরে ধীরে ভাইরাসের সংক্রমণ পূর্ব দিকে এগিয়ে আসতে থাকায় ঝুঁকিতে ও শঙ্কায় রয়েছে বাংলাদেশ। যদিও দেশে এখন লকডাউন চলছে ও ভারতের সাথে সীমান্ত এলাকা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আসন্ন ঈদে পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

পুঁইশাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

পুঁইশাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা

গরমের শাক-সবজির মধ্যে পুঁইশাক বেশ জনপ্রিয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। চলুন পুঁইশাকের জেনে নেই স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. প্রবাদে আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বাইরে যেতে সাহায্য করে।

২. পুঁইশাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ এবং সি, যা ত্বকের রোগজীবাণু দূর করে, শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে সেইসঙ্গে চুলকেও মজবুত রাখে।

৩. নিয়মিত পুঁইশাক খেলে পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম।

৪. পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণ আঁশ বা ফাইবার থাকে যা পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৫. যারা ব্রণের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পুঁইশাক খুব ভালো।

৬. পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এই শাক রোগ প্রতিরোধে বেশ কাজ করে থাকে।

৭. পুঁইশাক দেহ থেকে সঠিক ভাবে বর্জ্য নিষ্কাশন করে বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা দূর করে।


জুমাতুল বিদাকে ‘আল-কুদস দিবস’ বলা হয় কেন?

মধ্যরাতে হেফাজতের নেতা শাহীনুর পাশা গ্রেপ্তার

পবিত্র জুমাতুল বিদা আজ

কোভিড সার্টিফিকেট জাল, ধ্যাত তাও কি হয় নাকি!


৮. পুঁইশাকের আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ। শরীরের কোনো অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ফুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় বেটে লাগালে দ্রুত উপশম হয়।

৯. শরীরে খোসপাঁচড়া কিংবা ফোড়ার মতো অনাবশ্যক সংক্রমণের বিরুদ্ধেও লড়তে পারদর্শী পুঁইশাক।

১০. হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পুঁইশাক এর জুড়ি নেই। যাদের প্রায় প্রতিদিনই মাথাব্যথা থাকে, নিয়মিত পুঁইশাক খেলে তারা উপকার পাবেন খুব দ্রুত। তাই পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সচেতনতায় প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুঁইশাক রাখুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোভিড টেস্ট কখন করাবেন, কখন করাবেন না

রুমি আহমেদ

কোভিড টেস্ট কখন করাবেন, কখন করাবেন না

আপনার যদি কোভিড হয় - জ্বর নেমে যাবার তিন দিন পর থেকেই আপনি কোভিড নেগেটিভ। টেস্ট করে দেখার কোন প্রয়োজন নেই আপনি নেগেটিভ হলেন কিনা। আপনার যদি কোভিড পজিটিভ হয় কিন্তু কোন সিম্পটম নাই - তাহলে টেস্ট পজিটিভ এর নয় দিন পরেই আপনি নেগেটিভ - টেস্ট করে নেগেটিভ দেখানোর দরকার নাই!

মূল কারণ হচ্ছে ১০ দিন পরে আপনি কোভিড নেগেটিভ। এটা কনফার্ম করার জন্য টেস্ট লাগবে না! কারন আপনার টেস্ট পজিটিভ আসতে পারে আরো ছয় সাত মাস! ব্যাখ্যা হচ্ছে ভাইরাস মারা গেলেও মৃত ভাইরাস এর কঙ্কাল নাকে গলায় রয়ে যায়! ওই ফ্র্যাগমেন্ট গুলোই পিসিআর টেস্ট পজিটিভ করে দিতে পারে! এক্ষেত্রে যা হয় তা হচ্ছে একবার পজিটিভ একবার নেগেটিভ আবার পজিটিভ - এধরণের উদ্ভট আচরণ শুরু করে টেস্ট রেজাল্ট গুলো!

পিসিআর টেস্ট ছাড়া আরেকটা টেস্ট আছে - এন্টিবডি টেস্ট। এন্টিবডি টেস্ট করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন কেন টেস্টটা করাচ্ছেন! আগে ইনফেকশন হয়েছিল এটা জানার জন্য করলে এক কথা! এখন ইনফেকশন আছে কিনা তা ধরার জন্য এন্টিবডি টেস্ট কার্যকর না।

আপনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং আপনার শরীরে এন্টিবডি ডেভেলপ করলো কিনা তা জানার জন্য যদি টেস্ট করতে চান তাহলে এটা জানা দরকার যে প্রায় সবগুলো এন্টিবডি টেস্ট কিট ভাইরাস এর নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে যে এন্টিবডি হয়েছে তা ডিটেক্ট করে। IgG N ।


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

রোজার সৌন্দর্যে ​মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

বান্দরবানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার


ভ্যাকসিন নিলে স্পাইক প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয়, নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয় না। আপনি ভ্যাকসিন নেয়ার পর এন্টিবডি টেস্ট করলে টেস্ট টা নেগেটিভ হবে - কারণ আপনার আগে যদি কোভিড না হয়ে থাকে তাহলে তাহলে আপনার তো নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি থাকার কথা না!

তবে রিসেন্টলি স্পাইক প্রোটিন এন্টিবডি চেক করার কিট বের হয়েছে। ভ্যাকসিন নেয়ার পর আপনার স্পাইক প্রোটিন এন্টিবডি পজিটিভ হবার কথা!

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর