চুলকানি কমানোর উপায়

অনলাইন ডেস্ক

চুলকানি কমানোর উপায়

আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ প্রচেষ্টাকে রোগ-প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয়, এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়। অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে অ্যালার্জি উৎপাদক বা অ্যালার্জেন বলা হয়। অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

চুলকানির মতো অস্বস্তিকর অনুভূতি খুব কমই আছে। ত্বকের বেশিরভাগ চুলকানিই নিরীহ প্রকৃতির। ত্বকের শুষ্কতা ও কীটের কামড়ের মতো সাধারণ কারণে ত্বক চুলকাতে পারে। ত্বকের সমস্যা ও কিছু মারাত্মক রোগেও ত্বক চুলকাতে পারে।

ত্বকের চুলকানিতে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা দারুণ কার্যকর হতে পারে। ঘরোয়া উপায় অবলম্বনের পরও চুলকানি না কমলে ত্বক বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে। এখানে ত্বকের চুলকানি প্রশমনে কিছু ঘরোয়া উপায় দেয়া হলো।

* চুলকানির সর্বোত্তম ঘরোয়া সমাধান সম্ভবত আপনার কিচেনেই রয়েছে। ত্বকের হাইড্রেশনের জন্য অলিভ অয়েল বা কোকোনাট অয়েল বেশ কার্যকর। ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি প্রতিরোধে বা প্রতিকারে ত্বকে অলিভ অয়েল বা কোকোনাট অয়েল মাখতে পারেন।

* চুলকানি দূর করতে আপনার গোসলের পানিতে ওটমিল মেশাতে পারেন। চুলকানি থেকে স্বস্তি পেতে গোসলের পানিতে কলোইডাল ওটস মিশিয়ে গোসল করে নিন। কলোইডাল ওটমিলস মিশ্রিত পানিতে গোসল করলে প্রদাহ কমে ও ত্বকের ওপর স্বস্তিদায়ক আবরণ পড়ে। যে পানিতে ওটমিল মেশাবেন তা কুসুম গরম হলে ভালো হয়।

* ত্বককে চুলকানি থেকে আরাম দিতে ডালডা ঘি বা ভেজিটেবল শর্টেনিং ব্যবহার করতে পারেন। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এটা একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার। একজিমা প্রবণ ত্বকে ডালডা ঘিয়ের ব্যবহারে ত্বক আর্দ্র হবে ও চুলকানি কমবে। খাঁটি ডালডা ঘি কিনছেন কিনা নিশ্চিত হোন।

* কিছুক্ষেত্রে চুলকানি বাইর থেকে নয়, শরীরের ভেতর থেকে উদ্দীপ্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শরীর পানিশূন্যতায় ভুগলে ত্বক চুলকাতে পারে। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পানি পানে সমস্যাটি দূর হতে পারে। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখলে ত্বকও হাইড্রেটেড থাকবে।


স্মার্ট হতে গিয়ে কানের বারোটা বাজাচ্ছেন নাতো?

কিশোরকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা তরুণী!

দেশে আত্মহত্যা বেড়েছে ৪০ শতাংশ

মৃত্যু যন্ত্রণা থেকে বাঁচার দোয়া


* বেকিং সোডা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করলেও চুলকানি কমতে পারে। বেকিং সোডা ত্বকের সারফেসের এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে প্রদাহ কমায় ও পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে ন্যাচারাল এন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে।

* শীতকালে ত্বকের চুলকানি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি। তাই এসময় শরীরে যথেষ্ট ভিটামিন ডি যোগাতে পদক্ষেপ নিতে হবে। শীতকালে ত্বকের চুলকানি কমাতে কিছুসময় রোদে থাকুন, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খান ও প্রয়োজনে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট সেবন করুন। এ বিষয়ে ভুল এড়াতে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়াই ভালো।

* ত্বকে চুলকানির প্রবণতা থাকলে আপনার ডায়েটে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করতে হবে। নিয়মিত বাদাম, তৈলাক্ত মাছ ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডের অন্যান্য উৎস খেলে চুলকানি কমে যেতে পারে।ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড শরীরের ভেতর থেকে ত্বকের উপকার করে।

* আপনি হয়তো জানেন যে পোড়া ত্বকের ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে অ্যালোভেরার জেল বেশ কার্যকর। আপনি জেনে খুশি হবেন যে এটি ত্বকের চুলকানিতেও দারুণ কাজ করে। অ্যালোভেরা প্রদাহ প্রশমক বলে উক্ত্যক্ত ত্বকের চুলকানি কমাতে কার্যকরী।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অবহিত করেন। এটাই অ্যালার্জিক রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনার দ্বিতীয় বছর আরও প্রাণঘাতী হবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক

করোনার দ্বিতীয় বছর আরও প্রাণঘাতী হবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, করোনা মহামারির দ্বিতীয় বছর আরও বেশি প্রাণঘাতী হবে। আমরা এই মহামারির দ্বিতীয় বছরের জন্য অনেক বেশি প্রাণঘাতী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চলেছি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস শুক্রবার (১৪ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সতর্কবার্তা দেন।

একই সঙ্গে শিশুদের টিকা দেওয়ার বদলে দরিদ্র দেশগুলোকে টিকা সরবরাহ করতে উন্নত বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, ‘কিছু দেশ শিশু ও কিশোরদের টিকা দিতে চাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় আমি তাদের আহ্বান জানাবো, তারা যেন শিশু-কিশোরদের টিকা না দিয়ে সেসব টিকা ‘কোভ্যাক্স’জোটের কাছে হস্তান্তর করে।’

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত চর্বিতে করোনা ঝুঁকি বাড়তে পারে ৮৬ শতাংশ, ইসরায়েলি গবেষকদের সমীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত চর্বিতে করোনা ঝুঁকি বাড়তে পারে ৮৬ শতাংশ, ইসরায়েলি গবেষকদের সমীক্ষা

ডায়াবেটিস, হৃদযন্ত্রের সমস্যা বা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ওজন— এই ধরনের সমস্যা থাকলে তা কোভিডের বিপদ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই কথা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষায়।

কিন্তু কী পরিমাণে ওজন বৃদ্ধি হলে, তা কোভিডের বিপদ কতটা মাত্রায় বাড়াতে পারে, হালে তার ব্যাখা দিলেন ইজরায়েলের কয়ে জন গবেষক।

ইজরায়েলেরে ‘চেইম শেবা মেজিক্যাল সেন্টার’-এর বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় দেখিয়েছেন, ‘বডি মাস ইন্ডেক্স’ বা ‘বিএমআই’-এ বৃদ্ধির সঙ্গে কোভিডের সংক্রমণের আশঙ্কা প্রায় ২২ শতাংশ বেড়ে যায়।

ওজনকে (কিলোগ্রাম এককে) উচ্চতার (মিটার এককে) স্কোয়ার দিয়ে ভাগ করলে যে ফল পাওয়া যায়, তাকেই বিএমআই বলে ধরা হয়।

যাদের বিএমআই ৩০ থেকে ৩৪.৯-এর মধ্যে, তাদের ‘ক্লাস ওয়ান ওবেসিটি’র মধ্যে রাখা হয়। এই বিভাগের মানুষের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। আর যারা ‘ক্লাস টু ওবেসিটি’র মধ্যে পড়ছেন (বিএমআই ৩৫ থেকে ৩৯.৯) তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে ৩৮ শতাংশ।

‘ক্লাস থ্রি ওবেসিটি’ (বিএমআই ৪০ বা তার বেশি)-র ক্ষেত্রে সেটাই বেড়ে যায় প্রায় ৮৬ শতাংশ। সমীক্ষা বলছে, বিএমআই প্রতি ১ একক বৃদ্ধিতে ২ শতাংশ করে বাড়ে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা।


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

তাহসান-মিথিলার ‘সারপ্রাইজ’-এর রহস্য উন্মোচন, আড়ালে অন্য কেউ

ধর্ম পরিচয় জানতে চাওয়ার মধ্যে কোন বাহাদুরী বা পৌরুষত্ব নেই

ইসরায়েলের হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ: মিয়া খলিফা


ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে কোভিড সংক্রমণের পর বাড়াবাড়ি আশঙ্কা থাকে। শুধু তাই নয়, ইজরায়েলের এই গবেষকদের সমীক্ষা থেকে বোঝা যাচ্ছে, সংক্রমণের আশঙ্কাও বাড়ে মেদ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে। তাই করোনা সংক্রমণ এড়াতে মেদ কমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

শরীর সুস্থ রাখে মিষ্টি কুমড়া

অনলাইন ডেস্ক

শরীর সুস্থ রাখে মিষ্টি কুমড়া

মিষ্টি কুমড়া যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। পুষ্টিগুণে ভরপুর মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকে। হাল্কা মিষ্টি স্বাদের এই সবজি নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। গর্ভবতী, শিশু থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি, চোখ, ত্বক, হার্ট, ক্যান্সার ইত্যাদি ছাড়াও অন্য রোগের ক্ষেত্রে উপকারে আসে এই মিষ্টি কুমড়া।

মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ (বিটা-ক্যারোটিন), ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস, কপার, ক্যারটিনয়েড এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস।

মিষ্টি কুমড়ার ইংরেজি নাম Sweet gourd বা Pumpkin, বৈজ্ঞানিক নাম Cucurbita moschata । এটি মিষ্টি লাউ নামেও পরিচিত। মিষ্টি কুমড়া গাছের উৎপত্তিস্থল মধ্য আমেরিকা কিংবা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশ।  মিষ্টি কুমড়া ভাজি, তরকারি ছাড়াও ভর্তা করে খাওয়ারও প্রচলন রয়েছে। তবে অনেক দেশে ডেজার্ট, স্যুপ এবং সালাদেও এটি ব্যবহার করে থাকে।

চরাঞ্চলের পলি মাটিতে মিষ্টি কুমড়ার ফলন ভালো হয়। জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোঁ-আশ বা এঁটেল দোঁ-আশ মাটি এর চাষাবাদের জন্য উত্তম। বাসা-বাড়ির ছাদেও মিষ্টি কুমড়ার চাষ করা যেতে পারে।

প্রতি ১০০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টিগুণ

খাদ্যশক্তি ২৬ কিলোক্যালরি, আমিষ ১ গ্রাম, শর্করা ৫ গ্রাম, ফাইবার ০.৫ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ভিটামিন এ ৭২০০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন সি ৯ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৩৪০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৪ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম, কোলেস্টেরল ০ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৮ মিলিগ্রাম, জিংক ০.৩ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৪৪ মিলিগ্রাম।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, খাদ্য তালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি অসুখ-বিসুখ থেকে অনেক দূরে রাখে। এবার জেনে নেই মিষ্টি কুমড়ার উপকারিতা :

চোখ সুস্থ রাখে

চোখ অমূল্য সম্পদ। এই সম্পদ ধরে রাখিতে মিষ্টি কুমড়া অন্যন্য। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ বা বিটা ক্যারোটিন। আমাদের রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বিটা-ক্যারোটিন ও আলফা-ক্যারোটিনের মত ক্যারটিনয়েড সমূহ চোখের ছানি পড়া রোধসহ চোখের রেটিনা কোষ রক্ষা করে। তাই চোখকে সচল ও সুস্থ রাখতে আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন মিষ্টি কুমড়া রাখুন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মিষ্টি কুমড়া একটি অত্যন্ত উপকারি সবজি। মিষ্টি কুমড়ার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন ই মানবদেহকে ক্যান্সার ও আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। এছাড়া এ সবজির ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

ওজন কমায়

কম ক্যালোরি এবং প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার থাকায় মিষ্টি কুমড়া ওজন কমাতে একটি উপযুক্ত খাবার। যারা তাদের শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা সানন্দে মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

 যারা উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভোগেন তারা মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। কারণ মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম  আছে, যা শরীরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

ত্বক উজ্বল করে

ত্বক উজ্বল করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন-এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই উজ্জ্বল চুল ও চকচকে ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। এছাড়া এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক যা ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।


রোজা রেখে ২৮০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়ি পৌঁছাল মৌসুমি

পরিচয় পাওয়া গেছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই মাইক্রোবাস চালক ও মালিকের

ইসরায়েলের লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি

দেশে পৌঁছেছে চীনের ৫ লাখ টিকা


খাদ্য হজমে সহায়ক

মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার থাকায় তা সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাক নালীর খাদ্য সঠিক উপায়ে সরবরাহে মিষ্টি কুমড়ার তুলনা হয়না।

গর্ভবতীর রক্তস্বল্পতা রোধ করে

মিষ্টি কুমড়া ও কুমড়ার বীজ গর্ভবতী মায়েদের রক্তস্বল্পতা রোধ করে অকাল প্রসবের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়, তাই গর্ভবতী মায়েরা তাদের অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য নির্দ্বিধায় খেতে পারেন মিষ্টি কুমড়া।

এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বিভিন্ন উপাদান দেহের কিডনি, লিভার, হার্টকে সুস্থ রাখে, বাতের ব্যথাসহ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার প্রশমন ঘটায়। মিষ্টি কুমড়ার ফাইবার দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রেখে স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে।

তথ্যসূত্র : নিউট্রিশন হাউস অব বাংলাদেশ

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‍একুশ শতকের বৃক্ষ ‘নিম’ রোগ প্রতিরোধের উৎস

অনলাইন ডেস্ক

‍একুশ শতকের বৃক্ষ ‘নিম’ রোগ প্রতিরোধের উৎস

“রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিমপাতা অনেক রোগ নিরাময়েরও ক্ষমতা রাখে।” তাই আদিকাল থেকেই ওষুধি গুণের কারণে নিম মানুষের আপন বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। বহু গুণাগুণের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে “একুশ শতকের বৃক্ষ” বলে ঘোষণা করেছে।  করোনা রোধে টিকার পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদানও বেশ উপকারী। মেডিকেল নিউজ টুডের তথ্যানুযায়ী, নিম একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা ফ্রি  র‌্যাডিকেলগুলির  প্রভাবকে হ্রাস করে।

আয়ুর্বেদের মতে, নিম চিনি বা চিনির মিছরির সঙ্গে খেলে কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চাইলে প্রতিদিন একটি করে নিম ক্যাপসুলও নিতে পারেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিমপাতা অনেক রোগ নিরাময়েরও ক্ষমতা রাখে। এটি লিভার এবং হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে।

তিতা স্বাদের কারণে অনেকে নিম পাতার রস খেতে না চাইলেও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিম পাতার রস খাওয়া শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় না, শারীরিক নানা অসুস্থতাও কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।

নিম পাতায় থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে। এটি দেহের অভ্যন্তরে উপস্থিত অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলে। এটি পেট পরিষ্কার রাখে এবং সে কারণেই এটি ত্বকের জন্যও কার্যকর। নিম পাতা হজমের জন্যও উপকারী। এক কাপ নিমপাতায় ক্যালোরি থাকে ৩৫ গ্রাম। ফলে প্রতিদিন নিমপাতার রস খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

নিম পাতার নির্যাসে ডায়াবেটিস, ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 

নিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চমৎকার ভাবে কাজ করে। নিমের পাতা রক্তের সুগার লেভেল কমতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তনালীকে প্রসারিত করে রক্ত সংবহন উন্নত করে। 

প্রতিদিন কাঁচা পাতা পাওয়া না গেলে নিম পাতা ডাল থেকে ছড়িয়ে সিল-পাটায় বেটে মিহি করে নিতে হবে। এরপর ছোট ছোট বড়ি করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর কাঁচের বোতলে এটি অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এর গুণাগুণ ভালো থাকবে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা

অনলাইন ডেস্ক

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল চীনের টিকা

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য চীনের সিনোফার্মের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিইএইচও)। শুক্রবার এ টিকাটি তালিকাভুক্ত করে সংস্থাটি। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে উদ্ভাবিত করোনার টিকাগুলোর মধ্যে এটাই প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমর্থন লাভ করল। চীন এবং আরও অনেক জায়গায় লাখ লাখ মানুষকে ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

এর আগ পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডব্লিউএইচও।

কয়েক দিন আগে বাংলাদেশেও চীনের সিনোফার্মের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে চীন সরকারের উপহার হিসেবে এই টিকার পাঁচ লাখ ডোজ বাংলাদেশে আসছে।

পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচেপড়া ভিড়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর