মোবাইল ব্যাংকিং খাতে সেবা নিশ্চিতের তাগিদ

বাবু কামরুজ্জামান

দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ কোটি। তবে বিপুল সংখ্যক এই গ্রাহকের সেবা দিতে বাজারে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের সেবা চালু থাকলেও এখনো একচেটিয়া আধিপত্য হাতে গোনা দু-একটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই।

যদিও ডাক বিভাগের নতুন সেবা- নগদ চালুর পর কিছুটা ভারসাম্য এসেছে। এক্ষেত্রে  গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় ন্যায্যমূল্যে  মান সম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে; প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির তাগিদ বিশ্লেষকদের।

দেশের ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা প্রান্তিক জনগনকে সেবা  দিতে এবং প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ  নিরাপদে পৌঁছাতে ২০১০ সালে যাত্রা শুরু হয় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস-এমএফএস কার্যক্রম। যা স্বস্তি এনে দিয়েছে গ্রাম কিংবা শহুরে নানা শ্রেণির মানুষকে। করোনাকালে এই সেবার ওপর নির্ভরতাও বেড়েছে কয়েকগুণ।

মোবাইল ব্যাংকিং বা এমএফএস সেবার আওতায় প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, ১০ কোটিরও বেশি গ্রাহকের বিপরীতে এখন সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছে ১৫ টি প্রতিষ্ঠান। 

যেখানে বিকাশ, রকেট আর সম্প্রতি চালু হওয়া ডাক বিভাগের সেবা নগদের নামই সামনে উঠে আসে। যদিও গ্রাহকের জন্য ক্যাশ আউট, ক্যাশ ইন কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধ; সবক্ষেত্রেই সবচেয়ে কম খরচে সেবা দিচ্ছে নগদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, এখন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দৈনিক লেনদেন হচ্ছে প্রায় সাড়ে ১৮শ কোটি টাকা। আর মাসিক লেনদেন ছাড়িয়েছে ৫৭ হাজার কোটি । আর্থিক অন্তভূক্তির ক্ষেত্রে যা মাইলফলক হলেও ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় বাজারে প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ বিশ্লেষকদের।


সংখ্যায় নগণ্যদের খুশির জন্য রাজনীতি করি না: স্ট্যাটাসে ইশরাক

সালমানের প্রেমিকার সাথে এবার ইমরান!

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আর নোটিশ নয় : মেয়র আতিক 


প্রতিযোগিতার বাজারে ডাক বিভাগের সেবা নগদের বয়েস কম হলেও এরই মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন কোটি। যার ৯২ শতাংশই ঘরে বসে হিসাব খুলেছেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এমন অন্তর্ভুক্তি গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মহামারীর ছোবলে বাঁচা মরার লড়াইয়ে শিল্পখাত

বাবু কামরুজ্জামান

মহামারীর ছোবলে বাঁচা মরার লড়াইয়ে দেশের শিল্প খাত। শিল্পোদ্যোক্তারা বলেছেন- একদিকে ভ্যাট ও করপোরেট কর আদায়ের বাড়তি চাপ অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতা। এমন বাস্তবতায় বিনিয়োগ অনিশ্চয়তার পাশাপাশি হুমকিতে পড়েছে কর্মসংস্থান। এজন্য অর্থনীতি পুনরুদ্ধার নিয়ে শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা। 

গেল ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে মহামারী করোনার সাথে জীবন ও জীবিকার যুদ্ধ চলছে। যেখানে ছোট থেকে মাঝারি কিংবা বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবাই।

দেশের শিল্প খাতের সংকট উত্তরণে এরই মধ্যে বাজেট প্রস্তাবে এফবিসিসিআই বলেছে- করোনার ধাক্কা আরেক প্রান্তিক অব্যাহত থাকলে এ দেশের ছোট-বড় শিল্প মালিকরা চরম বিপাকে পড়বেন। 

সংগঠনটি এজন্য বড় শিল্প মালিকদের ছাড় করা প্রণোদনার টাকার পাঁচ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অনুদান হিসেবে দেয়ার পরামর্শ জানিয়েছে। এছাড়া কৃষি খাতে যেসব প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার অর্থ পেয়েছে, তাদেরও ৫০ শতাংশ অনুদান হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি করেছে এফবিসিসিআই। 

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে অন্যতম বাঁধা করপোরেট কর হার। প্রতিবেশি দেশ ভারত শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া কিংবা ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করপোরেট কর এখনো সর্বোচ্চ যা সাড়ে ৩২ শতাংশ। যা আসছে বাজেটে অন্তত ১০ শতাংশ কমানোর দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।


রোজা রেখে ২৮০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়ি পৌঁছাল মৌসুমি

পরিচয় পাওয়া গেছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই মাইক্রোবাস চালক ও মালিকের

ইসরায়েলের লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি

দেশে পৌঁছেছে চীনের ৫ লাখ টিকা


বাজেটে শুধু তৈরি পোশাকশিল্প বা ট্রেডিশনাল রপ্তানি খাত নয়, অন্যান্য পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি, স্থানীয় বাজার এবং সেবা খাতেও সরকারের বিশেষ নজর দেয়ার তাগিদ ব্যবসায়ীদের।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

১৫ মে থেকে গুটি আম নামানো শুরু

অনলাইন ডেস্ক

এ মাসের মাঝামাঝি বাজারে আসছে রাজশাহীর আম। ১৫ মে গুটি আম দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের মৌসুম। এরপর এ মাসে চার দফায় বাগান থেকে নামানো হবে  বেশ কয়েক জাতের আম। প্রতিবছরের মতো এবারোও আম নামানোর দিন নির্ধারণ করেছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। আর ল্যাংড়া আসবে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে। 

বৈশাখের শেষ দিকে গাছ থেকে আম নামানোর প্রশাসনিক ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত হয়েছে। শেষ সময়েও থেমে নেই চাষিদের বাগান পরিচর্যা। আমচাষীদের ভাষ্যমতে, বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি মিলবে পুষ্ট ও পোক্ত রসালো আম।

সরকারি হিসেবে, ১৫ মে গুটি জাত দিয়ে শুরু। ২০ থেকে ২৮ মে ধাপে ধাপে নামানো যাবে গোপালভোগ, লক্ষণভোগ, রাণীপছন্দ ও হিমসাগর। জুনে ল্যাংড়ার পর মৌসুমের শেষাবধি আসবে নানাজাতের আম।

ফল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামনের দিনগুলোতে প্রত্যাশা মতো বৃষ্টি হলে আম হবে রসে টইটম্বুর। তবে ভালো আম পেতে ক্রেতাদের হতে হবে আম ক্যালেন্ডার সম্পর্কে সচেতন। করোনাকালে আম বিপণনে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নানা উদ্যোগ নেয়ার দাবি জেলা প্রশাসনের।

কৃষি বিভাগ বলছে, আমের ফলন স্বাভাবিক। এবার এ অঞ্চলে প্রায় সাড়ে সাতশ কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা আছে।

news24bd.tv / কামরুল  

পরবর্তী খবর

আজ থেকে ৬ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর

অনলাইন ডেস্ক

আজ থেকে ৬ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ থেকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে ছয় দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি।

বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুন আমীন বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুড়িমারী স্থলবন্দর সূত্র জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন ও সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন যৌথ আলোচনা সভায় বুধবার (১২ মে) থেকে সোমবার (১৭ মে) পর্যন্ত বাণিজ্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। বুড়িমারী স্থলবন্দর কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ইমিগ্রেশন ও ভারতীয় চ্যাংড়াবান্ধা আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার ও ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে।


বেগম জিয়ার পায়ের নখের যোগ্যও আপনারা নন: মন্ত্রীদের ফখরুল

রক্তের গ্রুপ ‘এবি’ ও ‘বি’ হলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি: গবেষণা

ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

বিশ্বে করোনায় একদিনে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু


বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু সাইদ নেওয়াজ নিশাত বলেন, ‘উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুড়িমারী স্থলবন্দর ছয়দিন বন্ধ থাকবে। তবে ১৮ মে থেকে যথারীতি আবারও বাণিজ্য শুরু হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

৯ দিনে এলো রেকর্ড ৮ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

অনলাইন ডেস্ক

৯ দিনে এলো রেকর্ড ৮ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও  রোজার ঈদের আগে চলতি মে মাসের প্রথম ৯ দিনে প্রবাসীরা ৯১ কোটি ৯০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণ সময়ের চেয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আগে বেশি পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠান। তাদের নিজ নিজ পরিবার যাতে উৎসব ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, এজন্যই এ সময়ে তারা বাড়তি রেমিট্যান্স পাঠান। এবারও তারা রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

এর আগে গত ৩ মে দিনশেষে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে আগামী ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৪ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার।

২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ৪২ মিলিয়ন এবং ২৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল।

সদ্য শেষ হওয়া এপ্রিল মাসে ২০৬ কোটি ৭০ লাখ (২ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের (২০২০ সাল) এপ্রিলের চেয়ে ৮৯ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। গত বছরের এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার।

দেশের ইতিহাসে এক মাসে রেমিট্যান্সপ্রবাহে এতো বেশি প্রবৃদ্ধি এর আগে কখনই হয়নি। চলতি অর্থবছরের মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ১৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স দুই হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে কোনো অর্থবছর এতো পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

২০১৯-২০ অর্থবছর এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

এছাড়া ঈদ ও উৎসবে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সরকারের প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। এতে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন প্রবাসীরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নতুন করে ঠিক হলো বেসরকারি পর্যায়ের করোনা পরীক্ষার ফি

অনলাইন ডেস্ক

নতুন করে ঠিক হলো বেসরকারি পর্যায়ের করোনা পরীক্ষার ফি

বেসরকারি পর্যায়ে দেশে কোভিড–১৯ রোগের পরীক্ষার ফি কমানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

আগে বিদেশগামীদের সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো ল্যাব থেকে পরীক্ষা করলে তিন হাজার টাকা লাগত। এটি কমিয়ে এখন ২৫০০ টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সাধারণ লোকজনের বেসরকারি ল্যাবে পরীক্ষা করাতে লাগত ৩ হাজার ৫০০ টাকা, তা কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করা হয়েছে।


আরও পড়ুনঃ


ফ্রান্সের ইকুইহেন বিচ: উল্টানো নৌকার নিচে বসবাস

টিকা আনতে চীনে বিমানবাহিনীর পরিবহণ বিমান

ঈদে অর্থ বহনে ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের নির্দেশনা

ভারতে বাতিল হল গো-রক্ষা হেল্প ডেস্ক


আর বেসরকারিভাবে বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা করালে ৪ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে এখন লাগবে ৩ হাজার ৭০০ টাকা।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর