মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে অশালীন পোস্ট করায় যুবক আটক

অনলাইন ডেস্ক

মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে অশালীন পোস্ট করায় যুবক আটক

সুনামগঞ্জে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অশালীন পোস্ট করার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে শাল্লার শাঁসকাই বাজারে তাকে আটক করে গ্রামবাসী। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটক যুবকের নাম ঝুমন দাস আপন (২৪)। তিনি শাল্লা থানার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের গুপেন্দ্র দাসের ছেলে।

আরও পড়ুন


ঢাকায় পৌঁছেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে সাকিবের বিনম্র শ্রদ্ধা

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ স্থান পেলো গিনেজ রেকর্ডে

মওদুদ আহমদের মৃত্যুতে মেয়র তাপসের শোক


শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, অভিযুক্ত ঝুমন দাস আপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করার কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যে কারণে ঝুমন দাসকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসায় একা পেয়ে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

মাদ্রাসায় একা পেয়ে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

রাজধানীর হাজারীবাগে ৮ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্য দিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায়ও রাজধানীর হাজারীবাগের একটি মাদ্রাসায় পড়তে যায় ৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী। পরিবারের অভিযোগ, রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাসায় ফিরে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে বাবা-মাকে শিশুটি জানায়, মাদ্রাসায় একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করেন শিক্ষক জুবায়ের।

রাতেই পুলিশকে খবর দিলে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে। আর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২২ জুন) রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় মামলা করেন ওই শিশুর বাবা।
অভিযুক্ত শিক্ষক মাদ্রাসাটিতে গত ১০ মাস ধরে শিক্ষকতা করতেন।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিশু শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসায় ধর্ষণ : অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

শিশু শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসায় ধর্ষণ : অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী  মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জুবায়ের হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে,অন্য দিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায়ও রাজধানীর হাজারীবাগের একটি মাদ্রাসায় পড়তে যায় সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী। পরিবারের অভিযোগ, রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাসায় ফিরে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বাবা-মাকে শিশুটি জানায়, মাদ্রাসায় একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করেন শিক্ষক জুবায়ের।

শিশুটির মা বলেন, মাদ্রাসা থেকে মেয়ে বাসায় ফেরার পর শারীরিক অবস্থা দেখে তার সন্দেহ হয়। এ নিয়ে জানতে চাইলে মেয়ে তার কাছে সবকিছু বলে দেয়। পরে তিনি থানায় জানালে পুলিশ এসে ওই শিক্ষককে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশের পরামর্শে মেয়েকে আজ বিকেলে ওসিসিতে ভর্তি করেন। 

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২২ জুন) রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় মামলা করেন ওই শিশুর বাবা।

অভিযুক্ত শিক্ষক মাদ্রাসাটিতে গত ১০ মাস ধরে শিক্ষকতা করতেন। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নদীর ‘নারী পাচার’ চক্রে জড়ানোর কাহিনী

অনলাইন ডেস্ক

নদীর ‘নারী পাচার’ চক্রে জড়ানোর কাহিনী

আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক নদী আক্তার ওরফে ইতি ওরফে নুর জাহানসহ সাতজনের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

হাতিরঝিল থানার একটি মামলায় আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার শুনানি শেষে এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় পাচার হয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন নুরজাহান ওরফে নদী আক্তার ওরফে জয়া আক্তার ওরফে জান্নাত ওরফে ইতি (২৮)। সেখান থেকে দেশে ফিরে নিজেই নারী পাচারকারী চক্রে জড়িয়ে পড়েন। হয়ে ওঠেন ভারতসহ আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের সমন্বয়ক।

ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি তরুণী নির্যাতনের ঘটনায় আলোচনায় আসা ‘টিকটক হৃদয় বাবু’র নারী পাচারকারী চক্রের সমন্বয়ক নূরজাহানসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানার পুলিশ।

গতকাল সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যশোরের শার্শা থানার পাঁচভূলট, বেনাপোল থানার পুটখালী এবং নড়াইল শহরের ডহর রামসিদ্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তাঁদের কাছ থেকে পাসপোর্ট, ভারতের আধার কার্ড (পরিচয়পত্র), মুঠোফোন, ভারতের সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া নারী পাচারকারী চক্রের অন্য সদস্যরা হলেন- আল আমিন হোসেন (২৮), সাইফুল ইসলাম (২৮), আমিরুল ইসলাম (৩০), পলক মণ্ডল (২৬), তারিকুল ইসলাম (২৬) ও বিনাশ শিকদার (৩৩)।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী সিরাজুল ইসলামসহ কয়েকজনের রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানিতে বলেন, আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। মাঠে-ঘাটে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। কাজ করার সময় যশোর এবং নড়াইল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছে। কাউকে ৭ দিন আবার কাউকে ১৫ দিন আগেও গ্রেপ্তার করেছে। অনেক দিন তারা থানায় ছিল। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। বেশি কিছু জানার হলে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের চারদিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলায় বলা হয়, আসামিরা পাচারের উদ্দেশ্যে আনা মেয়েদের যশোর সীমান্তে একটি বাড়িতে রেখে সুযোগমতো ভারতে পাচার করত চক্রটি। পাচার করা প্রত্যেক মেয়ের জন্য স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ১ হাজার টাকা করে নিতেন। পাচারকালে কোনো মেয়ে বিজিবির কাছে আটক হলে সেই ইউপি সদস্য তাকে আত্মীয় পরিচয় দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসতেন।

২০০৫ সালে সন্ত্রাসী রাজীব হোসেনের সঙ্গে নদীর বিয়ে হয়। ২০১৫ সালে রাজীব বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এরপর থেকেই নদী পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পাচারকৃত ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নদীর দশটির মতো নাম পাওয়া যায়। নদী ভারত, মালয়েশিয়া ও দুবাইয়ের নারী পাচার চক্রের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সাজার ভয়ে ৩২ বছর পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না মতিনের

অনলাইন ডেস্ক

সাজার ভয়ে ৩২ বছর পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না মতিনের

একটি মামলায় সাত বছরের সাজা হয়েছিল আবদুল মতিনের (৬০)। সেই ভয়ে তিনি টানা ৩২ বছর পালিয়ে ছিলেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার জালশুকা গ্রাম থেকে গতকাল সোমবার তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে জয়পুরহাটের কালাই থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার তাঁকে কারাগারে পাঠানোর কথা।

ওই আসামির বাড়ি কালাই উপজেলার ইটাইল গ্রামে। একটি মামলায় সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি বলে জানান সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক।
কালাই থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়,  ১৯৮৯ সালের ২৫ জুন ইটাইল গ্রামের সাত বছরের একটি শিশু মঞ্জুরুল হক অপহৃত হয়। তখন মঞ্জুরুলের বাবা ফজলুল হক বাদী হয়ে কালাই থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় আবদুল মতিন ও সাকামুদ্দিন নামে দুইজনকে আসামি করা হয়। এরপরই মতিন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। ওই বছরই আদালত দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন। কারাভোগের পর সাকামুদ্দিন ছাড়া পেলেও মতিনের কোনো হদিস পাচ্ছিল না পুলিশ। অবশেষে কালাই থানা-পুলিশের কাছে ধরা পড়লো সে।

আবদুল মতিন বলেন, তিনি সাজা ভোগ করার ভয়ে পালিয়ে ছিলেন। এত দিন পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে, এটা তিনি কখনো ভাবেননি।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক জানান, আবদুল মতিন ৭ বছর সাজা খাটার ভয়ে ৩২ বছর পালিয়ে ছিলেন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়া, প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে হত্যা

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়া, প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে হত্যা

শেরপুরে শ্যালিকার সাথে পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে মো. মফিজ উদ্দিন (৩০) নামে এক পাষণ্ড স্বামী। ২২ জুন মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের মুন্সীরচর মরাকান্দি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। এদিকে ওই ঘটনায় পাষণ্ড স্বামী মফিজ উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ। মফিজ স্থানীয় মো. সোহরাব আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে মফিজ উদ্দিনের সাথে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের ডিগ্রীরচর গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের মেয়ে নাছিমা বেগমের (২৬) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তারা ২ সন্তানের বাবা-মা।

এদিকে কিছুদিন ধরে মফিজ উদ্দিন তার শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। ওই ঘটনা জানার পর স্ত্রী নাছিমা বেগম মফিজ উদ্দিনকে পরকীয়া থেকে সরে আসতে অনুরোধ করেন। এ নিয়ে নাছিমার সঙ্গে মফিজ উদ্দিনের পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে সোমবার নাছিমা বেগমকে মারধর করে মফিজ। এতেও ক্ষান্ত থাকেনি মফিজ উদ্দিন। পরদিন মঙ্গলবার সকালে নাছিমা বেগমের সঙ্গে মফিজ উদ্দিনের আবারও বাগবিতণ্ডা ও কলহের জের ধরে নাছিমা বেগমকে বেধরক মারপিটের এক পর্যায়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। খবর পেয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন:


গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭৬ জনের মৃত্যু

শুভকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ৬-৭জন খেলোয়াড়

মাদারীপুরে লকডাউনে রাস্তাঘাট জনসমাগম কম


এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর আহাম্মদ জানান, খবর পেয়ে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে সূরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় নিহতের স্বামী মফিজ উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। নিহত নাছিমা বেগমের গলায় ও কানে সামান্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর